Author : Kabir Taneja

Published on Feb 16, 2024 Updated 0 Hours ago

বৈশ্বিক ব্যবস্থায় অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গি কুশীলবদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব খতিয়ে দেখা দরকার

লোহিত সাগরের সংকট এবং অ–রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র কুশীলবদের রাজনৈতিক সমতা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানুয়ারির শেষের দিকে সিরিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংলগ্ন জর্ডনে একটি ড্রোন হামলায় তার তিন সেনার মৃত্যুর কথা ঘোষণা করে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সঙ্কট শুরু হওয়ার পর এটিই প্রথম মার্কিন প্রাণহানির ঘটনা। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই ইয়েমেন–ভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের (আনুষ্ঠানিকভাবে আনসারুল্লা নামে পরিচিত) মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস লুইস বি পুলার–এর বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার কথা ঘোষণা করেন। সারি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লোহিত সাগরে নয়, বিস্তৃত আরব সাগরেও প্যালেস্তাইন দাবির সমর্থনে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ  চালানোর জন্য হুতিদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

ইউএসএস লুইস বি পুলারের উপর আক্রমণটি এলোমেলো কিছু ছিল না, কারণ এটি এমন এক মুহূর্তে ঘটেছে যখন এই অঞ্চলের মিলিশিয়া–গুলির মধ্যে অনেকেই প্যালেস্তাইনের সমর্থনে ইরানের বৃহত্তর ‘‌
প্রতিরোধের অক্ষ ’‌ পরিকল্পনার অংশ হিসাবে সমর্থন পাচ্ছে, আর ইজরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। পুলার ইতিপূর্বে ইরানের তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উপাদানগুলির চালান আটকানোর জন্য মার্কিন নেভি সিলদের বিশেষ অভিযানে নিযুক্ত ছিল। সোমালিয়ার উপকূলের কাছে একটি জাহাজ দখলের অভিযানের সময় নিখোঁজ হওয়ার পর সম্প্রতি দুই মার্কিন নেভি সিল–এর  নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। ইরানের সঙ্গে সংযুক্ত গোষ্ঠীগুলি, যেমন হুতি, হিজবুল্লা এবং সিরিয়া ও ইরাক জুড়ে অন্যরা, তেহরানের ড্রোন ও অন্যান্য অপ্রতিসম যুদ্ধ ক্ষমতা–সহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি উদারীকরণের সিদ্ধান্তে উপকৃত ‌হয়েছে।


ইউএসএস লুইস বি পুলারের উপর আক্রমণটি এলোমেলো কিছু ছিল না, কারণ এটি এমন এক মুহূর্তে ঘটেছে যখন এই অঞ্চলের মিলিশিয়া–গুলির মধ্যে অনেকেই প্যালেস্তাইনের সমর্থনে ইরানের বৃহত্তর ‘‌প্রতিরোধের অক্ষ’‌ পরিকল্পনার অংশ হিসাবে সমর্থন পাচ্ছে, আর ইজরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

৭ অক্টোবর হামাসের ইজরায়েলে হামলার পর থেকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বড়  ধরনের উদ্যোগগুলি — যেমন আব্রাহাম অ্যাকর্ডস, আইএমইইসি, আই২ইউ২, এবং সম্ভাব্য সৌদি–ইজরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ — থেকে সরে গিয়ে আবার বিরোধের মূল ক্ষেত্র প্যালেস্তাইনে ফিরে গিয়েছে। যাই হোক, ইরানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বাফার গ্রুপ তৈরি করা এবং তাদের সমর্থন করার কৌশলটি বাস্তবে ইরানের নিজের জন্য এবং নিজস্ব কৌশলগত লক্ষ্যগুলির জন্য বৃহৎ বাফার জোন তৈরি করেছে। এর ফলে শুধু আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সমভাবে একটি নতুন চ্যালেঞ্জই তৈরি হয়নি, বরং এটি একটি উদ্বেগজনক প্রবণতাকেও ইন্ধন জুগিয়েছে:‌ অ–রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র (জঙ্গি) কুশীলবদের একটি দ্রুত উন্মোচনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থায় আরও ক্ষমতা, বৈধতা এবং কৌশলগত সমতা অর্জন।‌ অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গি কুশীলবদের এই নতুন ভূ–রাজনৈতিক সমতা অনুধাবন করা এবং তার মধ্যে দিয়ে পথ করে এগিয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ রাজনৈতিক ও কৌশলগত শূন্যতা ক্রমশ সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠছে, এবং ‘‌সুপার পাওয়ার’‌–এর এই সংকটগুলি ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

অ–রাষ্ট্রীয় মিলিশিয়াদের প্রতি ইরানের সমর্থন যুক্তিযুক্তভাবে এই ধরনের সত্তাগুলির জন্য বৈশ্বিক ভূ–রাজনীতিতে তাদের স্থান এবং নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির  সমসাময়িক দৃষ্টিভঙ্গির বেশির ভাগটাই মার্কিন নেতৃত্বাধীন ৯/১১–পরবর্তী ‘‌সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’‌ যুগ দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয়েছিল, যা বুঝতে হলে আল–কায়দা এবং এর সহযোগীদের, এবং পরবর্তী ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস বা আরবিতে দায়েশ) এবং এর বিভিন্ন বিশ্বব্যাপী পুনরাবৃত্তি সম্পর্কে জানতে হবে। এই গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে গতিশীল অভিযান চালানোর কৌশলগুলি গাজায় ইজরায়েলের বর্তমান লক্ষ্যগুলির মতোই ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন আল কায়দার মতো ইসলামি  চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আফগানিস্তান ও ইরাক উভয় ক্ষেত্রে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল, ইজরায়েলও
হামাসকে ধ্বংস করতে একই কাজ করছে।


এই গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে গতিশীল অভিযান চালানোর কৌশলগুলি গাজায় ইজরায়েলের বর্তমান লক্ষ্যগুলির মতোই ছিল।

তাদের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সাফল্যের দ্বারা চালিত অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির ক্রমবর্ধমান শক্তি কোনও নতুন ঘটনা নয়, এবং তা তাদের রাজনৈতিক মূল সড়কে ওঠার পথ যেমন করে দেয় না, তেমনই সংলাপে জড়িত হওয়ার অনুমতিও দেয় না। গবেষক কলিন ক্লার্ক সম্প্রতি বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটানোর কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেছেন, যেমন প্রভিশনাল আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির ১৯৯৮ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ৩০ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটাতে লন্ডনের সঙ্গে গুড ফ্রাইডে চুক্তিতে সম্মত হওয়া থেকে হিজবুল্লার ১৯৯২ সাল থেকে লেবাননে নির্বাচনে অংশগ্রহণ। এ থেকে প্রতীয়মান যে প্রতিটি জঙ্গি–সঙ্কটের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে আদর্শগত চ্যালেঞ্জ পর্যন্ত নিজস্ব নীলনকশা থাকে। অন্যরা, যেমন গবেষক সারা হারমাউচ ও নাকিসা জাহানবানি আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে একটি পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র এবং অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গিদের মধ্যে সম্পর্ক কখনই জিরো সাম গেম (‌একের যতটা লাভ, অন্যের ততটা ক্ষতি)‌ নয়। জর্ডনে ড্রোন হামলার পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ের জন্য উপলব্ধ বিকল্পগুলি ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ের জন্যই ধাঁধা তুলে ধরে, এবং দেখায় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ব্যর্থতা কীভাবে হুতি ও অন্যদের নিজস্ব ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করছে।

তিন মার্কিন সেনার হত্যা মার্কিন দেশে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রশাসনের উপর চাপ বাড়িয়ে তোলে শুধু প্রক্সিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু না–করে সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। বিকল্প পথটি হল ইরানের বাইরে এই প্রক্সি যুদ্ধক্ষেত্রে ও এর আশেপাশে একজন সিনিয়র ইরানি ব্যক্তিত্বকে টার্গেট করা, যেমন ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলেমানিকে
হত্যার মতো আক্রমণ চালানো। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা ভিন্ন, কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের বছরে প্রবেশ করছে, এবং ইতিমধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে ক্রমবর্ধমানভাবে চ্যালেঞ্জিং ইউক্রেন অঙ্গনে জড়িয়ে পড়েছে। জর্ডনে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, “আমরা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা ভাবছি না।’‌’‌ ইজরায়েলের প্রতি বাইডেনের লাগামহীন সমর্থনেরও দুটি প্রধান ফ্রন্ট রয়েছে। প্রথমটি অভ্যন্তরীণ, কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি জনসংখ্যার মার্কিন রাজনীতি ও ব্যবসা উভয় ক্ষেত্রেই প্রচুর প্রভাব রয়েছে। দ্বিতীয়ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি আরও জোরালোভাবে প্রচার করছে, এবং তারা একটি পতনশীল মহাশক্তি হিসাবে চিনের জন্য জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে বলে প্রচারিত আখ্যান পিছনে ঠেলে দিচ্ছে। একে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির পরে একটি পথ সংশোধন হিসাবেও দেখা যেতে পারে, যিনি এখন এই বছর বাইডেনকে আবার রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী হয়ে চ্যালেঞ্জ করতে চাইছেন, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্রদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।


জর্ডনে ড্রোন হামলার পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ের জন্য উপলব্ধ বিকল্পগুলি ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ের জন্যই ধাঁধা তুলে ধরে, এবং দেখায় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ব্যর্থতা কীভাবে হুতি ও অন্যদের নিজস্ব ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য  করছে।

অন্যদিকে, ইরানের জন্যও পরিস্থিতি মোটেই সাদা–কালো নয়। তেহরানের কাছে এখন সামান্য কোনও বিকল্প উপলব্ধ হবে যদি ইজরায়েল গাজায় একধাপ পিছিয়ে যায়। হুতি, হামাস, হিজবুল্লা ও কাত’‌আইব হিজবুল্লার ম্তো অন্যদের মতাদর্শগত বিনিয়োগ ইরানের জন্য বাস্তব রাজনীতির পরিসরকে সীমিত করে। শুধু  পশ্চিমীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য ইরানের এই ধরনের গোষ্ঠীগুলির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন বন্ধ করে দেওয়া বা  পিছিয়ে যেতে বলা তার নিজের তৈরি করা ‘‌প্রতিরোধ‘‌ নকশাকে ক্রমশ দুর্বল করে দিতে পারে। এই মুহূর্তে, তেহরান বলতে পারে যে এই গোষ্ঠীগুলি স্বতন্ত্র প্রকৃতির এবং তাদের উপর ইরানের কোনও প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ নেই। এটি প্যালেস্তাইন দাবিকে সমর্থন করার জন্য দেশটিকে পুরোভাগে স্থান করে দেবে, এমনকি কাতার বা তুর্কিয়ের মতো সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রগুলিরও আগে, যাদের অবস্থান শিয়া ইসলামের ক্ষমতার আসনের বিপরীত আদর্শগত বর্ণালীতে।

২০২১ সালে তালিবানের আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ অর্জন থেকে শুরু করে ইয়েমেনে হুতিদের উত্থান — বিগত পাঁচ বছরে অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গি কুশীলবেরা বৈশ্বিক ব্যবস্থায় আরও বেশি রাজনৈতিক এবং ভূ–রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করেছে,  বিশেষ করে পশ্চিমের এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রান্তিক পরিধিতে। যদিও এই বাস্তবতা পশ্চিমী শক্তিগুলির জন্য দূরত্ব থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তুলনামূলকভাবে আরও গ্রহণযোগ্য হতে পারে, আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলির জন্য এটি এমন একটি প্রবণতা যা উল্লেখযোগ্য অস্বস্তি সৃষ্টি করবে। পশ্চিম ও চিনের মধ্যে একটি বৃহত্তর ভূ–রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা (এখন ইউক্রেন সংঘাতের পর রাশিয়াও এতে যোগ দিয়েছে) ও বহু–মেরুত্বের অভিঘাত এই অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গি কুশীলবদের সামনে এখনকার কৌশলগত বিভেদের মধ্যে স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
হামাস নেতৃত্বের সাম্প্রতিক রাশিয়া সফর এই পরিস্থিতিকে আরও বেশি করে তুলে ধরেছে, এবং হুতিরাও লোহিত সাগরে চিন বা রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করছে না বলে জানা গিয়েছে।


হুতি, হামাস, হিজবুল্লা ও কাত’‌আইব হিজবুল্লার ম্তো অন্যদের মতাদর্শগত বিনিয়োগ ইরানের জন্য বাস্তব রাজনীতির পরিসরকে সীমিত করে।

অ–রাষ্ট্রীয় জঙ্গি কুশীলব, যাদের মধ্যে অনেকেই রাষ্ট্রপুঞ্জ–সহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে চিহ্নিত, তাদের আচরণ ও ক্ষমতার এই পরিবর্তনগুলি নিরাপত্তা নীতির খামখেয়ালি, অবস্থা–ভিত্তিক ও স্বল্পমেয়াদি বাস্তবায়নে বাধ্য করছে৷ পরিবর্তে যা প্রয়োজন তা হল বর্তমান প্রবণতার অন্তর্নিহিত পর্যবেক্ষণযোগ্য পরিবর্তনগুলির দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা–নিরীক্ষা, যাতে একটি পুনর্বিকাশশীল বিশ্বব্যবস্থার মধ্যে এই জাতীয় গোষ্ঠীগুলির প্রভাব বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আরও ভাল প্রতিক্রিয়া তৈরি করা হয়।



কবির তানেজা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের একজন ফেলো

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Author

Kabir Taneja

Kabir Taneja

Kabir Taneja is a Fellow with Strategic Studies programme. His research focuses on Indias relations with West Asia specifically looking at the domestic political dynamics ...

Read More +