Published on Jun 27, 2024 Updated 0 Hours ago

বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি গ্রহণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধির নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য ভারতীয় পরিষেবা ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতির বাস্তবায়ন প্রয়োজন

ভারতের বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলা করা: পরিষেবা, দক্ষতা এবং সমতা

ভারতের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) দ্বারা প্রকাশিত মোট আভ্যন্তর উৎপাদনের (জিডিপি) সর্বশেষ অনুমান প্রকাশ করে যে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের সর্বাধিক অংশ পরিষেবাগুলির। অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য পরিষেবার উপর নির্ভরতা একটি সম্পূর্ণ বিকশিত কাজের বাজার দাবি করে, যা কর্মীদের অবাধ প্রবাহ এবং মজুরির ন্যায্য হার নির্ধারণ সক্ষম করে। এই ধরনের ব্যবস্থার অনুপস্থিতি পরিষেবা খাতে অনমনীয়তা সৃষ্টি করবে, বৃদ্ধি হ্রাস করবে, এবং শ্রমিক শ্রেণির উপর অর্থনৈতিক দণ্ড আরোপ করবে। পরিষেবা ক্ষেত্রের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের পটভূমিতে এই প্রবন্ধটি ভারতীয় চাকরির বাজারের বর্তমান কাঠামোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক অন্বেষণ করে। মূল ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে পরিষেবা ক্ষেত্র গঠনে প্রযুক্তির ভূমিকা, ভারতীয় শ্রমবাজারে দক্ষতার অমিল, এবং লিঙ্গ-নিরপেক্ষ কাজের পরিবেশের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিষেবাগুলির ব্যবহার।


অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য পরিষেবার উপর নির্ভরতা একটি সম্পূর্ণ বিকশিত কাজের বাজার দাবি করে, যা কর্মীদের অবাধ প্রবাহ এবং মজুরির ন্যায্য হার নির্ধারণ সক্ষম করে।


প্রযুক্তি ও পরিষেবা

ভারতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছে পরিষেবা ক্ষেত্র, যা জিডিপিতে
৫০ শতাংশের বেশি অবদান রাখে। ক্ষেত্রের সম্প্রসারণ বিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে না, বরং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তা গভীরভাবে জড়িত। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি দক্ষতা, গ্রাহক সন্তুষ্টি, বাজার সম্প্রসারণ এবং সংস্থাগুলির মধ্যে ডেটা-চালিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি অনুঘটক হয়েছে। এটি ই-কমার্স এবং অন্য প্রযুক্তি-ভিত্তিক পরিষেবাগুলির মতো নতুন পরিষেবা বিভাগগুলির জন্ম দিয়েছে, যা ক্ষেত্রটিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে।

পরিষেবা ক্ষেত্রের বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মধ্যে সম্পর্ক পারস্পরিকভাবে উপকারী। পরিষেবা ক্ষেত্র প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে এটি প্রযুক্তি-ভিত্তিক সমাধানগুলিতে আরও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে। নতুন উদ্যোগ এবং তাদের প্রযুক্তিগত চাহিদাগুলি গতিশীল শিল্পে তাদের পা শক্ত জমিতে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতাসক্ষমতা অর্জনের জন্য ক্রমাগত প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য চাপ দেয়। এই প্রতিযোগিতা এবং পার্থক্য করার প্রয়োজনীয়তা গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) এবং উন্মুক্ত উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায়, যা সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও জনসাধারণ উভয়কেই উপকৃত করে।


ডিজিটাল সাক্ষরতা উন্নত করার প্রচেষ্টা ভারত জুড়ে প্রযুক্তি গ্রহণকে আরও ত্বরান্বিত করেছে, যেখানে ৬৯ শতাংশ ব্যবসা "ডিজিটাল ব্যবসা" হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে, এবং দেশটি ৮৭ শতাংশের সর্বোচ্চ ফিনটেক গ্রহণের হার প্রদর্শন করছে৷



৫জি প্রবর্তন এবং
৬জি প্রযুক্তির চলতি বিকাশ উল্লেখযোগ্যভাবে সংযোগ, পরিষেবা সরবরাহের গতি এবং সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে। ডিজিটাল সাক্ষরতা উন্নত করার প্রচেষ্টা ভারত জুড়ে প্রযুক্তি গ্রহণকে আরও ত্বরান্বিত করেছে, যেখানে ৬৯ শতাংশ ব্যবসা "ডিজিটাল ব্যবসা" হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে, এবং দেশটি ৮৭ শতাংশের সর্বোচ্চ ফিনটেক গ্রহণের হার প্রদর্শন করছে৷ ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ কার্যগত দক্ষতা, গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের উন্নতি করেছে, এবং বিশ্বব্যাপী এআই গ্রহণে ভারতকে একটি নেতা হিসাবে তুলে ধরছে। যাই হোক, দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য ভারতকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তির চাহিদা পূরণের মতো চাকরির জন্য প্রাসঙ্গিক দক্ষতা প্রদানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

দক্ষতাজনিত বিভাজন

ভারতে শ্রমশক্তির মধ্যে দক্ষতার কারণে ব্যবধান একটি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ। প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে মাত্র
৫১.২৫ শতাংশ যুবা নিয়োগযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। দেশের বৈচিত্র্যময় আর্থ-সামাজিক অবস্থার কারণে এই সমস্যাটি আরও বেড়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার এবং অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের তা প্রভাবিত করে, কারণ তাঁরা মানসম্পন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ পান না। এই পরিস্থিতি শুধুমাত্র দারিদ্র্যের চক্রকে স্থায়ী করে না, বরং মজুরি বৈষম্যকেও বাড়িয়ে তোলে। সমস্যাটি আরও জটিল হয়েছে যোগাযোগ, গুরুত্ব সহকারে চিন্তাভাবনা, ও নেতৃত্বের মতো অ-প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের উপর অপ্রতুল জোর দেওয়ার কারণে, যার চাহিদা ক্রমবর্ধমান। বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠক্রম থেকে এই দক্ষতার অনুপস্থিতি নিয়োগকর্তাদের শুধুমাত্র মুষ্টিমেয় প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট থেকে প্রার্থী বাছাই করতে উদ্বুদ্ধ করে। অতিরিক্তভাবে, শেখানো দক্ষতা এবং নিয়োগকর্তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতার মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অমিল রয়েছে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিতদের মধ্যেও বেকারত্ব তৈরি করে।

চিত্র ১: বছরের পর বছর ধরে ভারতীয় শ্রমশক্তির কর্মসংস্থান

সূত্র: ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্ট ডেটা (
২০২২,, ২০২৪)  ) থেকে লেখকদের দ্বারা সংকলিত

এই ব্যবধান পূরণের প্রচেষ্টার মধ্যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যেমন শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলি (আইটিআই) আপগ্রেড করার উদ্যোগ এবং ২০০৯ সালে ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এনএসডিসি) প্রতিষ্ঠা, যার লক্ষ্য ২০২২ সালের মধ্যে
 ১৫০ মিলিয়ন মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। এই উদ্যোগগুলি শিক্ষাগত ফলাফলগুলিকে বাজারের প্রয়োজনের সঙ্গে সারিবদ্ধ করার দিকের পদক্ষেপগুলির প্রতিনিধিত্ব করে, এবং ভারতীয় শ্রমবাজারের মধ্যে কর্মসংস্থান ও বৈষম্যের মোকাবিলার জন্য প্রযুক্তিগত ও অ-প্রযুক্তিগত উভয় দক্ষতার বিকাশের গুরুত্বের উপর জোর দেয়৷

লিঙ্গ ভারসাম্য নিশ্চিত করা

ভারতে নারী নিয়োগযোগ্যতা ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পুরুষের কর্মসংস্থানের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে বেশি ছিল, যা ২০২৪ সালে কমে গিয়েছে। হোয়েআইবিজ ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্ট তাদের সমীক্ষার এগারো বছরের মধ্যে
সাত বছর এটি উচ্চতর পেয়েছে। যাই হোক, নারী ও পুরুষ শ্রমশক্তির অংশগ্রহণের মধ্যে একটি ক্রমাগত ব্যবধান রয়েছে, যা পুরুষদের তুলনায় নারীদের নিয়োগের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পক্ষপাতের ইঙ্গিত দেয়। সৌভাগ্যবশত, নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বছরের পর বছর ধরে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পক্ষপাত কমছে, কিন্তু এখনও উন্নতির প্রয়োজন আছে।

ভারত সরকার লিঙ্গ-অন্তর্ভুক্ত কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে, যার লক্ষ্য কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গব্যবধান পূরণ করা, মহিলা শ্রমিকদের নিয়োগকে আরও লাভজনক করে তোলা, এবং তার পাশাপাশি বেতনে বৈষম্য না হয় তা নিশ্চিত করা।

একটি উল্লেখযোগ্য আইন হল
১৯৭৬ সালের সম পারিশ্রমিক আইন, যা সমান কাজের জন্য সমান বেতন নিশ্চিত করার মাধ্যমে লিঙ্গের মধ্যে মজুরি ব্যবধান দূর করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। যাই হোক, এই আইনটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়, যেমন "একই কাজ বা একই প্রকৃতির কাজ"-এর সংকীর্ণ ব্যাখ্যা বা বৈষম্য প্রমাণ করার জন্য কর্মচারীদের দায়িত্ব, যা কর্মক্ষেত্রের ক্ষমতার গতিশীলতা এবং আইনি জটিলতার কারণে কঠিন।


একটি উল্লেখযোগ্য আইন হল ১৯৭৬ সালের সম পারিশ্রমিক আইন, যা সমান কাজের জন্য সমান বেতন নিশ্চিত করার মাধ্যমে লিঙ্গের মধ্যে মজুরি ব্যবধান দূর করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।



২০১৭-এর ম্যাটারনিটি বেনিফিট (সংশোধন) আইন হল আরেকটি প্রগতিশীল পদক্ষেপ। এতে প্রদত্ত মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২ থেকে বাড়িয়ে ২৬ সপ্তাহ করা হয়েছে, এবং বৃহত্তর প্রতিষ্ঠানগুলিতে বাড়ি থেকে কাজ করা বা এবং ক্রেশ সুবিধার বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। আইনটি বেসরকারি ক্ষেত্রে পিতৃত্বকালীন ছুটি প্রবর্তনের সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করে, ভাগ করে নেওয়া শিশু যত্নের দায়িত্বগুলি প্রচার করে, এবং মহিলাদের কর্মজীবনের অগ্রগতিতে সহায়তা করে৷

উপরন্তু, সরকার মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে মিশন শক্তি এবং ডে-‌এনআরএলএম স্কিমের মতো
প্রকল্প চালু করেছে। এই উদ্যোগগুলির মধ্যে রয়েছে মহিলাদের জন্য একচেটিয়া প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, শিল্পভিত্তিক কোর্স এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের সংস্থা এবং এনজিওগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব। দক্ষতা উন্নয়নে মহিলাদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য আইটিআই এবং আইটিসি-তে ৩০ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।

সারণী ১: ২০২৪-এ প্রবেশকারী কর্মশক্তিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি

সূত্র:
ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্ট ২০২৪

আইনসভায়
সংরক্ষিত আসন এবং সরকারি চাকরিতে সহজে প্রবেশের মাধ্যমে নারীদের রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতে অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা হয়েছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ এবং কার্যনির্বাহী ভূমিকায় নারীদের পদোন্নতিও লিঙ্গ ব্যবধান বন্ধ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্বের অবস্থানে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণ ব্যবসার জন্য উচ্চ উপার্জন ও তহবিলের  সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি কর্মসংস্থানে লিঙ্গসমতাকে উন্নত করার জন্য একটি বিস্তৃত পদ্ধতির প্রতিনিধিত্ব করে, এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মশক্তি অর্জনে আইনি সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আর্থিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে।

উপসংহার

পরিষেবা ক্ষেত্র হল ভারতীয় অর্থনীতির মূল বৃদ্ধির চালক, যা সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ উভয়ই উপস্থাপন করে। এগুলি মোকাবিলা করার জন্য বিচক্ষণ নীতি ও কার্যকর বাস্তবায়নের সঙ্গে বহুমুখী পদ্ধতির প্রয়োজন হবে। দক্ষতার ঘাটতির সমস্যা সমাধানের জন্য পিপিপি এবং নীতিগুলি থাকলেও সেগুলির বাস্তবায়ন কার্যকর করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিত বাজারের দক্ষতার চাহিদা মেটাতে তাদের পাঠক্রম আপডেট করার দিকে মনোনিবেশ করা।


প্রযুক্তিগত অগ্রগতি উপভোগ করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে অবশ্যই তাদের পাঠক্রম আপডেট করা এবং সর্বশেষ উদ্ভাবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা নিশ্চিত করতে হবে।



প্রযুক্তিগত অগ্রগতির একটি বাধ্যবাধকতা আছে:‌ অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত দক্ষতার উন্নতি প্রয়োজন। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি উপভোগ করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে অবশ্যই তাদের পাঠক্রম আপডেট করা এবং সর্বশেষ উদ্ভাবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা নিশ্চিত করতে হবে। অধিকন্তু, সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য লিঙ্গসমতা অপরিহার্য। আইনগুলি লিঙ্গ ভারসাম্যহীনতা দূর করার অভিপ্রায়কে প্রতিফলিত করে, তবে সেগুলির কার্যকরী বাস্তবায়ন জরুরি। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং নেতৃত্বের সুযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন অর্থনীতির সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উন্মুক্ত করবে। এই পদক্ষেপগুলি নিশ্চিত করবে যে ভারতীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগানো হয়েছে এবং সুবিধাগুলি সুষমভাবে বণ্টন করা হয়েছে।




আর্য রায় বর্ধন অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একজন গবেষণা সহকারী

বেদান্ত রাউত অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একজন রিসার্চ ইন্টার্ন

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Arya Roy Bardhan

Arya Roy Bardhan

Arya Roy Bardhan is a Research Assistant at the Centre for New Economic Diplomacy, Observer Research Foundation. His research interests lie in the fields of ...

Read More +
Vedant Routh

Vedant Routh

Vedant Routh is a Research Intern at the Observer Research Foundation ...

Read More +