Published on Apr 11, 2023 Updated 0 Hours ago

বিকল্প শক্তি সমাধানকে সফল করে তোলার জন্য লভ্যতা, সাশ্রয় এবং সুবিধার উপর জোর দেওয়া উচিত

সৌর কুকার দিয়ে কি ভারতে এলপিজি-কে প্রতিস্থাপন করা উচিত?

এই প্রতিবেদনটি কম্প্রিহেনসিভ এনার্জি মনিটর: ইন্ডিয়া অ্যান্ড দি ওয়ার্ল্ড সিরিজের অংশ


ভারতের প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের জ্বালানি সপ্তাহে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (আইওসি) তৈরি একটি টুইন-টপ সোলার কুকিং স্টোভ ‘সূর্য নূতন’-এর অনুমোদন করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, খুব শীঘ্রই ৩০ মিলিয়ন ভারতীয় পরিবারে এই স্টোভ পৌঁছে যাবে। তেল আমদানির পরিমাণ কমাতে এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক (এমওপিএনজি) দ্বারা গৃহীত উদ্যোগের একটি অংশ হল এই সৌর কুকার। তেল আমদানি কমাতে এমওপিএনজি-র অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে পেট্রোলিয়ামভিত্তিক পরিবহণ জ্বালানির সঙ্গে ইথানল মিশ্রণের প্রবিধান ২০ শতাংশে বৃদ্ধি করা, সাতাত প্রকল্পের (সাশ্রয়ী মূল্যের পরিবহণের জন্য স্থিতিশীল বিকল্প) অধীনে মূল্য ৪৫ টাকা/কেজি থেকে ৫৪ টাকা/কেজিতে বৃদ্ধি করে সঙ্কুচিত বায়োগ্যাস সংগ্রহের ক্রয় বৃদ্ধি করা এবং হাইড্রোজেন মিশনের অধীনে হাইড্রোজেনের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি। যেমনটা কল্পনা করা হয়েছে, যদি সৌর কুকারের গণ অভিযোজন ঘটানো সম্ভব হয়, তা হলে এটি বায়োমাস পোড়ায় এমন গ্রামীণ পরিবারগুলিতে অভ্যন্তরীণ দূষণ হ্রাস করবে। একই সঙ্গে এলপিজি-র (তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ব্যবহার হ্রাস করবে যা গ্রিন হাউস গ্যাসের (জিএইচজি) নির্গমন কমাবে এবং এলপিজি আমদানি কমিয়ে ভারতের শক্তি নিরাপত্তার কাজে সেই কাজে অবদান রাখবে। কিন্তু গ্রামীণ পরিবারগুলি কি স্বেচ্ছায় সৌর কুকার গ্রহণ করবে?

সূর্য নূতন

আইওসি-র মতে, সৌর কুকারটি এমন এক মিশ্র মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা সৌরশক্তি এবং বিকল্প জ্বালানি উভয় ব্যবহারেই সক্ষম। কারণ এই কুকারের ডিজাইনটি বিকিরণকারী এবং পরিবাহী তাপের ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে দেয়। সোলার কুকারের দাম ১২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে৷ উৎপাদন বাড়ানো হলে স্টোভের মূল্য কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইওসি অনুসারে, ‘সূর্য নূতন’ প্রতি পরিবারে প্রতি বছরে ছয় থেকে আটটি সিলিন্ডারের বার্ষিক খরচ অনুমান করে এক থেকে দুই বছরের পেব্যাক সময় প্রদান করে৷

সৌর কুকারের আগের মডেলগুলির জন্য স্টোভটিকে বাইরে রাখতে হত এবং রান্নার প্রক্রিয়াটি ধীর ছিল। রাতে, মেঘলা দিনে বা বৃষ্টি হলে এই কুকার ব্যবহার করা যেত না। ‘সূর্য নূতন’ সৌর রান্নার ব্যবস্থা তাপশক্তি সঞ্চয়স্থান (টিইএস) ব্যবহার করে এই প্রতিবন্ধকতার কিছুটা অতিক্রম করতে পেরেছে, যার ফলে ঘরের ভিতরে রান্না এবং সূর্যের আলো না থাকলেও রান্না করা সম্ভব। স্টোভ ঘরে থাকলে সৌর প্যানেল সূর্য থেকে শক্তি সংগ্রহ করে, বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা গরম করার উপাদানের মাধ্যমে তাকে তাপে রূপান্তর করে, একটি তাপীয় ব্যাটারিতে তাপশক্তি সঞ্চয় করে এবং ঘরের ভেতরে রান্নায় ব্যবহারের জন্য শক্তিকে পুনরায় রূপান্তর করে। ‘সূর্য নূতন’-এর নির্মাণকারীরা দাবি করেন যে, এই স্টোভে অন্তত ১০ বছর রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন নেই এবং সৌর প্যানেলটির আয়ু ২৫ বছর। রাসায়নিক শক্তির আকারে বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চয় করে এমন ব্যাটারির বিপরীতে, সৌর কুকারের সুবিধার সঙ্গে তাপীয় ব্যাটারিগুলিকে আর চার্জ করতে হবে না।

এলপিজি-র প্রতিবন্ধকতা

১৯৭০-এর দশকে ভারতীয় রান্নাঘরে বায়োমাস (জ্বালানি কাঠ) থেকে এলপিজিতে রূপান্তর এখনও সম্পূর্ণ হয়নি, বিশেষ করে গ্রামীণ হেঁশেলে। যাইহোক, এলপিজি হল একমাত্র জ্বালানি যা অন্তত অর্ধেক গ্রামীণ পরিবারের প্রাথমিক রান্নার জ্বালানি হিসাবে বায়োমাসকে প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক দ্বারা পরিচালিত পঞ্চম জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা ২০১৯-২০২১ (এনএফএইচএস-৫) অনুসারে, ৮৮.৬ শতাংশ শহুরে পরিবার প্রাথমিক রান্নার জ্বালানি হিসাবে এলপিজি বা পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি) ব্যবহার করে, যেখানে ৪২ শতাংশ গ্রামীণ পরিবার এলপিজি ব্যবহার করে৷

১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত এলপিজি-র ঘাটতি বলতে বোঝায় যে, শুধুমাত্র ধনী এবং ভালভাবে সংযুক্ত পরিবারেরই এলপিজি ব্যবহারের সুযোগ ছিল। যখন এলপিজি-র ঘাটতি কম হয়, তখন বেশ কয়েকটি দক্ষিণী রাজ্য সরকার ‘দারিদ্র্য সীমার নীচে’ (বিপিএল) থাকা পরিবারগুলিতে ভর্তুকি বা বিনামূল্যে এলপিজি সংযোগ বিতরণের জন্য উত্সর্গীকৃত কর্মসূচি চালু করে। এটি দক্ষিণী রাজ্যগুলিতে এলপিজি লভ্যতা-সহ পরিবারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। এই মডেলটি রাজ্য স্তরে এলপিজি কর্মসূচি বিতরণকারী সরকারগুলির জন্য রাজনৈতিক সমর্থন জোগাড় করতে সফল হয়েছিল এবং ২০০৯ সালে রাজীব গান্ধী গ্রামীণ এলপিজি বিতরণ (আরজিজিএলভি) প্রকল্পের আকারে কেন্দ্রে গৃহীত হয়েছিল। ২০১৬ সালে বর্তমান সরকার কিছু ছোটখাটো পরিবর্তনের সঙ্গে আরজিজিএলভি-কে পুনঃস্থাপন করেছে এবং এটিকে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা (পিএমইউওয়াই) হিসাবে পুনরায় চালু করেছে।

ধোঁয়াবিহীন এবং উন্নত রান্নার স্টোভ এবং বায়োগ্যাস স্টোভের ক্ষেত্রে, দরিদ্র পরিবারের জন্য প্রাথমিকভাবে এলপিজি-র লভ্যতা টপ-ডাউন প্রকল্পের উপর বেশি নির্ভর করে এবং আর্থিকভাবে সীমাবদ্ধ পরিবারের জন্য উপলব্ধ বটম-আপ সিদ্ধান্ত এবং পছন্দের উপর কম নির্ভরশীল। যাইহোক, স্থিতিশীল ব্যবহার পারিবারিক আয় এবং রান্নার অভ্যাসের মতো আচরণগত সমস্যাগুলির উপর নির্ভর করে। রান্নার অভ্যাসের ক্ষেত্রে এলপিজি ন্যূনতম আগ্রাসী এবং এলপিজি থেকে বায়োমাসে ফিরে যাওয়া আর্থিক সীমাবদ্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত যা অতিমারির সময় দ্বারা প্রকট হয়েছে।

অসম্পূর্ণ রূপান্তর

স্বাধীনতার প্রাথমিক বছরগুলিতে প্রায় সমস্ত পরিবার রান্নার জন্য জ্বালানি হিসাবে জ্বালানি কাঠ এবং পশুর শুকনো গোবর ব্যবহার করত। গৃহস্থালির রান্নার জ্বালানি নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা প্রশাসক অভিজাতদের অগ্রাধিকারকেই প্রতিফলিত করে। নীতি প্রণয়নকারী শিক্ষিত অভিজাত পরিকল্পনাবিদদের কাছে গৃহস্থালির রান্নার জ্বালানির চাহিদা ছিল জাতি গঠনের বৃহত্তর প্রকল্পের সমান্তরাল ক্ষতি স্বরূপ। গ্রামীণ রান্নার জ্বালানি ছিল অদক্ষতা ও দূষণের উৎস এবং শিল্পায়ন ও উন্নয়নকে অগ্রগতির জন্য তাদের ব্যবহার কমানো জরুরি। রান্নার জ্বালানি হিসাবে পশুর শুকনো গোবর ব্যবহারকে অপচয় হিসাবে দেখা হয়েছিল। কারণ পশুর গোবর খাদ্য উৎপাদনকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সার হিসাবে বেশি মূল্যবান বলে মনে করা হয়েছিল। গৃহস্থালির জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত কাঠকে সরকারি পরিকল্পনাবিদ এবং পরিবেশবাদী গোষ্ঠীর দ্বারা দ্রুত বনক্ষয়ের জন্য দায়ী করা হয়। সে সময়ে এমন একটি সুপারিশ করা হয় যে, জ্বালানি কাঠের চাষের জন্য প্রতি গ্রামে ৫০ একর জমি বরাদ্দ করে ‘সামাজিক বন’ গড়ে তোলা হবে যাতে বনক্ষয়ের মতো বাহ্যিকতা সীমিত করা যায়। কিন্তু পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়নি।

১৯৭০ এবং ’৮০-এর দশকে, গ্রামীণ পরিবারগুলিতে ধোঁয়াবিহীন কাঠ পোড়া রান্নার স্টোভ বিতরণ করার কর্মসূচিগুলি একই উদ্যোগের সঙ্গে চালু করা হয়েছিল, যা বর্তমান সৌর রান্নার স্টোভের প্রচারেও প্রদর্শিত হয়। তবে এটি খুব বেশি সফল হয়নি, কারণ এটি ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়নি ও ব্যবহৃত হয়নি। পরে গবাদি পশুর গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের জন্য একটি উদ্যোগ চালু করা হয়। গবাদি পশু পালন প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারের অংশ হওয়ার দরুন এ কথা বিশ্বাস করা হত যে, বায়োগ্যাস একটি এলপিজি স্টোভের মতো স্টোভ এবং উচ্চ-তাপমাত্রার নীল শিখা গ্রামীণ পরিবারগুলিতে রান্নার প্রাথমিক জ্বালানি হিসাবে বায়োমাস এবং কেরোসিনের ব্যবহারকে প্রতিস্থাপন করবে। ১৯৮০-র দশকে দেশে প্রায় ৭৫,০০০ বায়োগ্যাস ইউনিট কার্যকর ছিল বলে জানা গিয়েছে। যাইহোক, এটি দীর্ঘমেয়াদে ব্যর্থ হয় এবং অনেক বায়োগ্যাস ইউনিটকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্টোভের উচ্চ প্রাথমিক মূল্য (৯০০০ টাকা), নারীদের পরিবর্তে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা, বায়োগ্যাস ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণে অসুবিধা… এই কারণগুলিকে ব্যর্থতা হিসেবে দর্শানো হয়েছে। গ্রামীণ রান্নাঘরের জন্য একটি বিকল্প হিসাবে সাধারণ বক্স সৌর কুকারকে প্রচার করার ধারণাটি পাইলট এবং প্রদর্শনী পর্যায়ের বাইরে বেরোয়নি।

জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত সুযোগ মূল্য এবং বায়োমাস ও কেরোসিনের স্টোভ থেকে নির্গত ধোঁয়া থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যাগুলি ধোঁয়াবিহীন কার্যকর রান্নার স্টোভ, বায়োগ্যাস স্টোভ এবং সৌর কুকার ব্যবহারের পক্ষে মত দান করতে বাধ্য করেছে। প্রাথমিক হলেও গ্রাহকদের ঘরে ঘরে আলো এবং রান্নার জন্য বিকেন্দ্রীকৃত পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি সমাধানগুলি প্রযুক্তিকে স্থানান্তরিত করে। এটি ভোক্তাদের উপর রক্ষণাবেক্ষণের বোঝারও পরিবর্তন ঘটায়। সাধারণত, গ্রামীণ পুরুষ ও মহিলারা দিনের বেলায় কৃষিক্ষেত্রে বা সংশ্লিষ্ট কাজে শ্রম প্রদান করেন। ফলে কুকার এবং সৌর প্যানেলের মতো ডিভাইসগুলি বজায় রাখার জন্য খুব কমই সময় দেন। অন্য ভাবে দেখতে গেলে, সৌর কুকার ব্যবহারের সুযোগ ও খরচ এলপিজি স্টোভের চেয়ে বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শহুরে ধনীদের চেয়ে গ্রামীণ দরিদ্রদের মধ্যে নতুন এবং কিছুটা অসুবিধাজনক জ্বালানির দিকে তাঁদের প্রভাবিত করার ধারণা। জলবায়ু পরিবর্তনের স্বার্থে শহুরে পরিবারগুলিকে এলপিজি থেকে সৌর কুকারে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেওয়ার সাহস খুব কম নেতাই দেখাবেন। খুব সম্ভবত গ্রামীণ মহিলারা তাঁদের শহুরে সমকক্ষদের মতো ব্যবস্থা চান, যার মধ্যে রয়েছে সৌর এবং এলপিজি স্টোভের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা।

ভারতে চার বছরের র‍্যান্ডমাইজড কন্ট্রোল ট্রায়াল থেকে ল্যাবরেটরি প্রমাণিত উন্নত রান্নার স্টোভ ব্যবহারের ফলাফলের প্রমাণ এ কথাই দর্শায় যে, প্রশ্বাসজনিত ধোঁয়াগ্রহণ প্রাথমিকভাবে কমে গেলেও এর প্রভাব দুই বছরের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যায়। স্বাস্থ্যের ফলাফল বা জিএইচজি নির্গমনে কোনও পরিবর্তন হয়নি। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, পরিবারগুলি অনিয়মিত এবং অনুপযুক্ত ভাবে স্টোভ ব্যবহার করে, তাদের রক্ষণাবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবহারও হ্রাস পেয়েছে। বিশ্লেষণ থেকে একটি সমালোচনামূলক অন্তর্দৃষ্টি উঠে এসেছে যে, অভ্যন্তরীণ বায়ুদূষণ হ্রাস এবং সেই সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য অর্থ প্রদানের ইচ্ছাও ছিল কম। সেনেগালে সৌর স্টোভের ব্যবহার পরীক্ষা সংক্রান্ত আর একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, স্টোভ বিতরণের ছয় মাস পরে আগুনের কাছাকাছি রান্না করার সময় ব্যয় করার পরিমাণের মধ্যে কোনও পার্থক্য ছিল না এবং যেহেতু পরিবারগুলি তাদের চিরাচরিত বায়োমাস স্টোভ ব্যবহারই অব্যাহত রেখেছে, তাই জ্বালানি ব্যবহার মাত্র ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই বিশ্লেষণের মূল বার্তা হল যে, কম কার্বন প্রযুক্তিগুলি অবশ্যই বাস্তব বিশ্বের প্রেক্ষিতে পরীক্ষা করা উচিত, যেখানে আচরণ সম্ভাব্য সুবিধাগুলির হ্রাস ঘটায়।

জলবায়ু কেন্দ্রিক আখ্যানের অধীনে প্রস্তাবিত এলপিজি থেকে সোলার কুকারে স্থানান্তরণের বিষয়ে গ্রামীণ দরিদ্ররা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রান্তিকতার শিকার হওয়ার পরিবর্তে প্রস্তাবিত বায়োমাস/এলপিজি স্টোভ ব্যবহারের মাধ্যমে দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে অপরাধী এবং জ্বালানি ব্যবহারে তাঁদের কোনও বিকল্প নেই। বিকল্প শক্তির সমাধানের সাফল্যের জন্য প্রথমে লভ্যতা, সাশ্রয় এবং সুবিধার উপর জোর দিতে হবে এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের উপর মনোনিবেশ করতে হবে। অন্য কোনওভাবে তা সম্ভব নয়।

সূত্র: ন্যাশনাল হেলথ সার্ভে, বিভিন্ন বিষয়
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Vinod Kumar Tomar

Vinod Kumar Tomar

Vinod Kumar, Assistant Manager, Energy and Climate Change Content Development of the Energy News Monitor Energy and Climate Change. Member of the Energy News Monitor production ...

Read More +
Lydia Powell

Lydia Powell

Ms Powell has been with the ORF Centre for Resources Management for over eight years working on policy issues in Energy and Climate Change. Her ...

Read More +
Akhilesh Sati

Akhilesh Sati

Akhilesh Sati is a Programme Manager working under ORFs Energy Initiative for more than fifteen years. With Statistics as academic background his core area of ...

Read More +