Author : Prithvi Gupta

Published on Jul 04, 2024 Updated 0 Hours ago

লোহিত সাগর সংকটের পর ক্রমাগত জাহাজ চলাচলের পথ পরিবর্তন প্রধান বণিক দেশগুলির জন্য সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের ক্রমবর্ধমান খরচ এবং পণ্যের উচ্চ মূল্যের কারণে একটি সমস্যা হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে

রেড সি ব্লুজ: সামুদ্রিক বাধাগুলির পর্যালোচনা

লোহিত সাগরের দক্ষিণে বাব আল-মান্দাব প্রণালী, যা কিনা বৃহত্তর পূর্ব উপকূল উত্তর আমেরিকার সামুদ্রিক করিডোরের (ইসিএনএ) একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোক পয়েন্ট, এশিয়াকে ইউরোপের মধ্য দিয়ে উত্তর আমেরিকার পূর্ব দিকের বন্দরগুলির সঙ্গে সংযুক্ত করে। ইসিএনএ-তে মালাক্কা প্রণালী, বাব এল-মান্দেব এবং জিব্রাল্টারের পাশাপাশি সুয়েজ এবং পানামা খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্ট রয়েছে। বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ৫৮ শতাংশ এই করিডোর দিয়ে যাতায়াত করে, যা বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যে এর তাৎপর্য চিহ্নিত করে।

ইজরায়েল-হামাস বিরোধ তার উপকূলীয় অঞ্চলগুলি ছাড়িয়ে বাব এল-মান্দেব প্রণালী এবং সুয়েজ খালে বিস্তৃত হওয়ার ফলে লোহিত সাগর এই অপরিহার্য সামুদ্রিক করিডোরের অন্য সামুদ্রিক চোকপয়েন্টগুলি — জিব্রাল্টার প্রণালী এবং পানামা খাল — এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মার্চের মধ্যে
ইরান, হামাস, লেবাননের হিজবুল্লা, এবং সিরিয়া ও ইরানের ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ার সমন্বিত বৃহত্তর স্ব-ঘোষিত 'প্রতিরোধের অক্ষ'-এর একটি অংশ ইয়েমেনি হুথিরা ৪৪টিরও বেশি জাহাজে বোমা হামলা চালিয়েছে। ফলস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন 'অপারেশন প্রসপারিটি গার্ডিয়ান', ২০টি দেশের একটি নৌ জোট, এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে হুথি হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় ইউএস কমবাইনড টাস্কফোর্স ১৫৩ (৩ এপ্রিল, ২০২৪ সাল থেকে ইতালীয় নৌবাহিনীর কমান্ডের অধীনে)–র শক্তি বৃদ্ধি করেছে।


ইসিএনএ-তে মালাক্কা প্রণালী, বাব এল-মান্দেব এবং জিব্রাল্টারের পাশাপাশি সুয়েজ এবং পানামা খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্ট রয়েছে।



মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের সামরিক অভিযান এবং হুথি বিদ্রোহীদের কর্মকাণ্ডের ফলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে যেখানে মাসে লোহিত সাগরে প্রতিদিন ৫০টি জাহাজ যাতায়াত করত, সেখানে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংখ্যাটি প্রতিদিন আটটি জাহাজে নেমে এসেছে, যার ফলে সামুদ্রিক সরবরাহ শৃঙ্খলের ভঙ্গুরতা এবং চাপ দেওয়ার জন্য এর ভূ-অর্থনৈতিক অস্ত্রায়ণের কথা প্রকাশ পেয়েছে। এই নিবন্ধটি বিশ্বব্যাপী শিপিং শিল্প এবং জাস্ট ইন টাইম (জেআইটি) উৎপাদন শিল্পের উপর লোহিত সাগর সংকটের প্রভাব বিশ্লেষণ করে। এটি লোহিত সাগর সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলের ভঙ্গুরতাকেও চিত্রিত করে।

আসন্ন ঝড়ের প্রস্তাবনা

লোহিত সাগর এশিয়া থেকে ইউরোপের সবচেয়ে ছোট সমুদ্র পথ। আন্তর্জাতিক শিপিং ট্র্যাফিকের
প্রায় ১৫ শতাংশ, যার পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার/বছর, এবং বৈশ্বিক কনটেনার ট্র্যাফিকের ৩৩ শতাংশ, যার পরিমাণ মাসিক ১,৫০০ বাণিজ্যিক জাহাজ, এবং বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের ১০ শতাংশ (প্রতিদিন ৮.৮ মিলিয়ন ব্যারেল) ও বৈশ্বিক গ্যাসের ৮ শতাংশ এখান দিয়ে যায়। পচনশীল পণ্য, অটোমোবাইল উৎপাদন, রাসায়নিক উৎপাদন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং বেশিরভাগ শিপিং শিল্পের মতো জেআইটি শিল্পের জন্যও রেড সি ট্রানজিট চ্যানেল গুরুত্বপূর্ণ। এই দুর্ভোগ এমন সময় এসেছে যখন বৈশ্বিক উৎপাদন অর্থবর্ষ ২৩-‌এর তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ইতিমধ্যেই কন্টেনার, কার্গো জাহাজ এবং কনটেনার জাহাজের চাহিদা বেড়েছে।

স্বল্পমেয়াদি মূল্য বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যে বিলম্বের জন্যও সরাসরি লোহিত সাগর সংকটকে দায়ী করা যেতে পারে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে কন্টেনার জাহাজগুলি ইউরোপে পৌঁছনোর জন্য
দীর্ঘ কেপ অফ গুড হোপ রুট ব্যবহার করছে, যার জন্য উত্তর-আটলান্টিক ও ইউরোপীয় গন্তব্যগুলিতে পৌঁছনোর জন্য বাড়তি ৪,৫৭৫ নটিক্যাল মাইল (২৯ শতাংশ বৃদ্ধি) পেরোতে হচ্ছে এবং ১২-১৪ দিন অতিরিক্ত সময় লাগছে। অধিকন্তু, দীর্ঘ নৌযান দূরত্ব পেরোতে  প্রতিটি রাউন্ড ট্রিপের জন্য ১১টি জাহাজের জায়গায় ২৩টি জাহাজের বহর লাগছে। অতিরিক্তভাবে, বিমা প্রিমিয়াম বেড়ে মোট খরচের ২ শতাংশে (০.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে) দাঁড়িয়েছে; প্রতি ট্রিপে জ্বালানি খরচ বেড়েছে ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, এবং (উদাহরণস্বরূপ) চিন থেকে নেদারল্যান্ডে রাউন্ড ট্রিপের সামগ্রিক খরচ গড়ে ২৫০ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক শিপিং শিল্পের স্থিতিস্থাপকতা এবং কিছু কন্টেনার/বাণিজ্যিক শিপিংয়ের বাড়তি ক্ষমতা আপাতত প্রভাব কমিয়ে রেখেছে। তবে, সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের মধ্যে শুধুমাত্র বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিই নয়, জেআইটি উৎপাদন শিল্পের উপর স্থায়ী প্রভাবও থাকতে পারে।


পচনশীল পণ্য, অটোমোবাইল উৎপাদন, রাসায়নিক উৎপাদন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং বেশিরভাগ শিপিং শিল্পের মতো জেআইটি শিল্পের জন্যও রেড সি ট্রানজিট চ্যানেল গুরুত্বপূর্ণ।



লোহিত সাগর সঙ্কটের কারণে জেআইটি শিল্পগুলি ইতিমধ্যে বিলম্ব এবং বর্ধিত ব্যয়ের ধাক্কায় ভুগছে, যেমন টেসলা, টাটা মোটরস, গেশ্যেম জিএমবিএইচ অ্যান্ড কো কেজি, সুজুকি, ফোকসভাগেন, মিশেলিন, ডানলপ ইত্যাদির মতো বহুজাতিক কোম্পানি। এই কোম্পানিগুলো এশিয়ার বাজার থেকে রাসায়নিক, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ, মাইক্রোচিপ এবং পরিশোধিত গুরুত্বপূর্ণ ধাতু সংগ্রহ করে। তাদের গুরুত্বপূর্ণ মূল্য শৃঙ্খলে আকস্মিক ব্যাঘাত তাদের (এবং অন্য অনেক কোম্পানির) উৎপাদন ও অ্যাসেম্বলি লাইন বন্ধ করতে বা সাময়িকভাবে তাদের
কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। উপরন্তু, ইউরোপের রাসায়নিক ক্ষেত্র এবং ব্রিটেন ও জার্মানির মতো অর্থনীতির উৎপাদন ক্ষেত্রগুলি সরবরাহ শৃঙ্খলের বাধার কারণে হ্রাসমান উৎপাদন নিবন্ধন করছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ অর্থনীতির উৎপাদন ও পরিষেবা খাতের অবস্থার বিশদ বর্ণনা করে একটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক ম্যানুফ্যাকচারিং পারচেসিং ম্যানেজার ইনডেক্স (পিএমআই)-এর ৫টি উপ-সূচকের মধ্যে ৪টি জার্মানিব্রিটেনের জন্য বছরের-‌সঙ্গে-‌বছরের ভিত্তিতে কম সংখ্যা নিবন্ধিত করেছে। লোহিত সাগরের সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নিত হওয়ার প্রভাব হচ্ছে উৎপাদন ও নতুন অর্ডার কমে যাওয়া। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রাথমিকভাবে উৎপাদন খাতে একাধিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে এই অর্থনীতিগুলি আগে থেকেই চাপের মধ্যে ছিল।

এই সমস্যাগুলি সত্ত্বেও, আপাতত, বৈশ্বিক পণ্যের দামগুলি মূলত সঙ্কট থেকে নিরাপদ বলে মনে হচ্ছে। যাই হোক, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), চিন ও নেদারল্যান্ডের মতো প্রধান বাণিজ্য দেশগুলির জন্য ক্রমাগত সামুদ্রিক পথ পরিবর্তন একটি সমস্যা হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে। এরা লোহিত সাগরের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি-আমদানি করে, যার মধ্যে তেল ও গ্যাস প্রধান।
চিনভারতের ইইউ রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ (বছরে ৫৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) লোহিত সাগর দিয়ে যায়।

ভারতীয় সরবরাহ শৃঙ্খল এবং অর্থনীতির উপর প্রভাব

আয়তনের দিক থেকে ভারতের বহিরাগত বাণিজ্যের ৮০ শতাংশ (৫০ শতাংশ রপ্তানি এবং ৩০ শতাংশ আমদানি) লোহিত সাগর দিয়ে যায়। ভারত
এই ট্রানজিট রুট দিয়ে পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপে অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে শস্য, চাল, গম, মসলা এবং অন্য পচনশীল পণ্য রপ্তানি করে, এবং পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপ থেকে সার, মূলধনী পণ্য, তেল ও গ্যাস আমদানি করে। যাই হোক, কেপ অফ গুড হোপ পুনরায় ব্যবহার করা এবং লোহিত সাগরে টেকসই অবরোধের ফলে ভারতের সরবরাহ শৃঙ্খলের উপর প্রভাব পড়তে পারে।

উচ্চতর ট্রানজিট খরচ, যাতায়াতের সময় এবং বিমা প্রিমিয়ামের ক্রমবর্ধমান প্রভাবগুলি দীর্ঘমেয়াদে তেল, আনুষঙ্গিক অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ, সার ও মূলধনী পণ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলির খরচকে প্রভাবিত করতে পারে। শিপিং বিলম্বের ফলে মূলধনী দ্রব্যের জন্য অবাঞ্ছিত ইনভেন্টরি তৈরি হতে পারে, এবং পশ্চিম এশিয়া থেকে সারের (প্রাথমিকভাবে ইজরায়েল, জর্ডন ও মিশর থেকে পটাশ ও অ্যালাম)  চালানে স্থায়ী বিলম্ব দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে।


নয়াদিল্লির রুশ ও ইরাকি তেল আমদানি এই চার মাসে দ্বিগুণ হয়েছে, যা আরও ব্যয়বহুল হতে বাধ্য কারণ তারা দীর্ঘ কেপ অফ গুড হোপ রুটে ধরে চলাচল করছে।



এই অনুমানগুলি লোহিত সাগর দিয়ে যাতায়াতকারী পণ্যগুলির জন্য পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বারা প্রমাণিত হয়। ইউরোপে ভারতের প্রক্রিয়াকৃত অপরিশোধিত রপ্তানি ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ এর মধ্যে ১৮ শতাংশ
হ্রাস পেয়েছে (১.৩১ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন থেকে ১.১১ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে)। তেল সমৃদ্ধ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে (যা লোহিত সাগরের পথ দিয়ে চলাচল করে) ভারতের আমদানি একই সময়ে অর্ধেক হয়ে গেছে। নয়াদিল্লির রুশ ও ইরাকি তেল আমদানি এই চার মাসে দ্বিগুণ হয়েছে , যা আরও ব্যয়বহুল হতে বাধ্য কারণ তারা দীর্ঘ কেপ অফ গুড হোপ রুটে চলাচল করছে। ইরাক থেকে তেল আমদানি ২৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ শক্তির চাহিদা এবং ক্রমবর্ধমান তেল ও শিপিং খরচের ভারসাম্য নয়াদিল্লিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব থেকে  তেল আমদানি পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য করে, যার ফলে রুশ ও ইরাকি তেল আমদানি বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে।

নয়াদিল্লি জর্ডন ও ইজরায়েল থেকে প্রচুর পরিমাণে একটি সার, মিউরেট অফ পটাশ (এমওপি), 
আমদানি করে (যথাক্রমে ১৫ এবং ৩০ শতাংশ আমদানি)। ভারত সরকার পর্যাপ্ত সঞ্চয় বজায় রাখলেও, লোহিত সাগরের সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হলে সারের দাম বাড়বে। যা বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খল জালিকার মাধ্যমে কাজ করে এবং মূলধনী দ্রব্যের উপর নির্ভর করে সেই ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের ক্ষেত্রে রাসায়নিক, অটোমোবাইল ও সেমিকন্ডাক্টরের মতো জেআইটি উৎপাদন শিল্পগুলি সরবরাহের শৃঙ্খলগুলি প্রসারিত হলে সমস্যায় পড়ে। কারণ বিলম্বিত সরবরাহ এদের যাতায়াতের খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্ডার কনভারসনের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় মন্থরতা আনে। ফলস্বরূপ, ক্ষেত্রটিকে অতিরিক্ত ইনভেন্টরি পরিচালনা এবং সম্ভাব্য অর্ডার কনভারসন হ্রাসের দ্বৈত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়, যা এই উদ্যোগগুলির সামগ্রিক ব্যবসায়িক গতিশীলতা এবং কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

উপসংহার

লোহিত সাগরের সংকট বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলের ভঙ্গুরতা প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে জেআইটি উৎপাদনে, যা দক্ষ সামুদ্রিক পরিবহণের উপর অনেক বেশি নির্ভর করে। দীর্ঘ কেপ অফ গুড হোপ রুটের মাধ্যমে জাহাজগুলিকে পুনরায় রুট করার ফলে উল্লেখযোগ্য খরচ বৃদ্ধি, বিলম্ব এবং ব্যাঘাত ঘটেছে। যদিও বৈশ্বিক শিপিং শিল্পের স্থিতিস্থাপকতা প্রাথমিক প্রভাবকে কমিয়ে দিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান শিপিং খরচ এবং গ্রাহকদের জন্য উচ্চ মূল্য, চাপযুক্ত জেআইটি উৎপাদন এবং অন্তত স্বল্প মেয়াদে বিশ্ব বাণিজ্যের উপর বিরূপ প্রভাব অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।


লোহিত সাগরের সংকট বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলের ভঙ্গুরতা প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে জেআইটি উৎপাদনে, যা দক্ষ সামুদ্রিক পরিবহণের উপর অনেক বেশি নির্ভর করে। 



সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি রিপোর্টে বিশ্ব ব্যাঙ্কের পিঙ্ক শিট
মনে করছে রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের শুরুতে বিশ্বব্যাপী দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার পর এখন তা দ্বন্দ্বের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। তবুও, ২০২২ সালে, খাদ্য ও শক্তির মান শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল, এবং এর তরঙ্গ প্রভাব এখনও বিশ্বজুড়ে অনুভব করা যেতে পারে। এই উভয় সংকটই একক চোক পয়েন্টের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা হ্রাস, বাফার স্টক (স্ট্যাকযোগ্য পণ্যগুলির জন্য) তৈরি, এবং ঝুঁকি কমাতে ও সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করতে বিকল্প সোর্সিং/রাউটিং বিকল্পগুলি অন্বেষণ করার আহ্বান জানায়।



পৃথ্বী গুপ্ত অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের জুনিয়র ফেলো

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Author

Prithvi Gupta

Prithvi Gupta

Prithvi works as a Junior Fellow in the Strategic Studies Programme. His research primarily focuses on analysing the geoeconomic and strategic trends in international relations. ...

Read More +