Published on Mar 19, 2024 Updated 0 Hours ago

অতিমারির পর থেকে ভারতে নারীদের বিরুদ্ধে অনলাইন হুমকি বেড়েছে, কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, শিল্প–সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের সমন্বয় একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে

প্যানিক রুম? মহিলাদের জন্য একটি নিরাপদ সাইবারস্পেসের দিকে

এই নিবন্ধটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস সিরিজের অংশ



ডেভিড ফিঞ্চারের ২০০২ সালের থ্রিলার ‘প্যানিক রুম’-এ এক মা ও মেয়ে একটি ভল্টের মতো "প্যানিক রুম"-‌এ আশ্রয় নিতে বাধ্য হন যখন অনুপ্রবেশকারীরা তাঁদের নিউ ইয়র্ক ব্রাউনস্টোন ভেঙ্গে প্রবেশ করে। তিনজনের মুখোমুখি হওয়ার অর্থ আক্রান্ত হওয়া বা এমনকি মৃত্যু। কিন্তু বাইরের জগতের জানালা হিসেবে কয়েকটি ক্যামেরা-‌সহ একটি অগম্য ঘরে নিজেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য তালাবদ্ধ করে রাখাও একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হতে পারে।

সাইবার স্পেসে নারীদের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে, কিন্তু সেখানে কোনও নিরাপদ আশ্রয়স্থল নেই যেখানে তাঁরা পিছু হটে আশ্রয় নিতে পারেন, এবং কোনও সুরক্ষিত অঞ্চল নেই যেখানে বসে তাঁরা তাদের মর্যাদার বিপদ কেটে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।
একটি বিশ্বব্যাপী সমীক্ষা দেখায় যে ৬০ শতাংশ মেয়ে ও মহিলা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে হয়রানির সম্মুখীন হয়েছেন, এবং তাঁদের এক-পঞ্চমাংশ হয় তাঁদের সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছেন বা কমিয়ে দিয়েছেন। একইভাবে, ইউএন উইমেন দেখেছে যে বিশ্বব্যাপী ৫৮ শতাংশ মেয়ে এবং যুবতী নারী কোনও না কোনও ধরনের অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছে, আর ট্রোলিং, স্টকিং, ডক্সিং এবং অন্যান্য ধরনের অনলাইন লিঙ্গ-ভিত্তিক হিংসা (ওজিবিভি) ডিজিটাল যুগের নতুন বিপদ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে।


সূত্র: লেখক; ইওরস্টোরি
YourStory   থেকে সংকলিত পরিসংখ্যান।


ভারতীয় প্রেক্ষাপট

ভারতের তরুণ জনসংখ্যা বিশ্বের বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার দিক থেকে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। মহিলা ভারতীয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ঘটনা, কিন্তু এটি ভার্চুয়াল পরিসরগুলিতে আরও বেশি মহিলাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। প্রকৃতপক্ষে,
নারীদের বিরুদ্ধে অনলাইন অপরাধের ঘটনা  —যেমন যৌন হয়রানি, ধমক, ভয় দেখানো, ধর্ষণ বা মৃত্যুর হুমকি, সাইবারস্টকিং, এবং ছবি ও ভিডিওর অ-সম্মতিমূলক শেয়ারিং—সবই ক্রমেই বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে৷

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো অনুসারে, মহিলাদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধের রিপোর্ট করা কেস ২০১৭ সালের ৪,২৪২ থেকে বেড়ে ২০১৯ সালে ৮,৭৩০–এ দাঁড়িয়েছে৷ কোভিড-১৯ অতিমারি এবং এর কারণে লকডাউনের সময়টিতে ওজিবিভি বিস্ফোরিত হয়েছিল৷ স্ব-বিচ্ছিন্নতার দীর্ঘ মাসগুলিতে ভারতে ইন্টারনেট ব্যবহার ৫০-৭০ শতাংশ বেড়েছে, এবং ২০২১ সালের শেষ নাগাদ দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেস প্রায় ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। মহিলা এবং মেয়েরা আগের চেয়ে বেশি ঘন ঘন অনলাইনে যেতে শুরু করেছেন, এবং ওজিবিভি ও হয়রানির ঘটনাও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের চার বছর পরেও মহিলাদের জন্য এই ভয়ঙ্কর হুমকি কমেনি।


সংকট মোকাবিলা

ভারত সরকার বিভিন্ন স্তরে মহিলাদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ দমন করার জন্য কাজ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কঠোর আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা, রিপোর্টিং মেকানিজম স্থাপন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (এলইএ) সক্ষমতা তৈরি করা, নারীদের অনলাইন নিরাপত্তার প্রসারের প্রচেষ্টা, এবং তার পাশাপাশি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির অনুবর্তিতার জন্য চাপ দেওয়া, এবং অংশীদারদের জন্য সচেতনতা কর্মসূচি চালানো।

বিধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের নির্দেশ দিয়ে কার্যকরভাবে প্রতিশোধমূলক পর্নোকে রোধ করার বিধান রয়েছে।



 
ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি) অ্যাক্ট ২০০০  , উদাহরণস্বরূপ, শারীরিক গোপনীয়তা লঙ্ঘন করার জন্য ইলেকট্রনিক উপায় ব্যবহার করা, এবং অশ্লীল বা দণ্ডনীয় যৌন সুস্পষ্ট কাজের সামিল এমন সামগ্রী প্রকাশ বা প্রেরণ করার ক্ষেত্রে নাগরিকদের, এবং বিশেষত মহিলাদের, সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করে৷ একইভাবে, সাইবার পরিসরকে আরও নিরাপদ এবং আরও বিশ্বস্ত ও জবাবদিহিযোগ্য করার জন্য একটি সাহসী প্রয়াস হিসাবে, আইটি (ইনটারমিডিয়ারি গাইডলাইনস অ্যান্ড ডিজিটাল মিডিয়া এথিক্স কোড) রুলস ২০২১ এনেছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারীদের নিশ্চিত করতে হবে যে ব্যবহারকারীরা "অশ্লীল", "অন্যের গোপনীয়তার পক্ষে আক্রমণাত্মক", বা "লিঙ্গের ভিত্তিতে অপমান বা হয়রানি" করার মতো তথ্য হোস্ট, আপলোড বা শেয়ার করবেন না। বিধিতে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের নির্দেশ দিয়ে কার্যকরভাবে প্রতিশোধমূলক পর্নোকে রোধ করার বিধান রয়েছে।

রিপোর্টিং মেকানিজমগুলি এলইএ-গুলিকে কাজ শুরু করার জন্য একটি প্রয়োজনীয় সূচনা বিন্দু দিয়েছে। এদিকে
ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল, যা প্রাথমিকভাবে তার প্রাথমিক বছরগুলিতে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নমূলক বিষয়বস্তু রিপোর্ট করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল, অনেক ভুক্তভোগীর প্রথম যোগাযোগের পোর্ট। অতি সম্প্রতি, সমস্ত ধরনের সাইবার অপরাধের রিপোর্টিং করার জন্য পোর্টালের কার্যক্রম এবং একটি সহকারী হেল্পলাইন তৈরি করা হয়েছে। সরকার ওজিবিভি এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে, এলইএ-কে প্রশিক্ষণ দিতে, এবং সাইবার ফরেনসিক সক্ষমতা উন্নত করতে "নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ" (সিসিপিডব্লিউসি) প্রকল্প চালায়। অ্যাডভোকেসি এবং সক্ষমতা বিকাশ — প্রায়শই প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম এবং নাগরিক সমাজ সংস্থাগুলির (সিএসও) সঙ্গে অংশীদারিত্বে সম্পাদিত — অনলাইনে মহিলাদের নিরাপত্তার প্রচারের জন্য সরকারের প্রচেষ্টার একটি মূল ভিত্তি হয়ে চলেছে৷

 

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপগুলি ওজিবিভি-র বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার একটি ভিত্তিমূলক স্তর প্রদান করলেও এখনও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলির উপর কাজ করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে রয়ে গেছে। আজ, বেশিরভাগ প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্মে বিষয়বস্তুর মান এবং সম্প্রদায় নির্দেশিকা রয়েছে, যা নারীদের হয়রানি করা বা তাঁদের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা বিষয়বস্তুকে নিষিদ্ধ করে। সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি আপত্তিকর মন্তব্যগুলি সনাক্ত করতে এবং অপসারণ করতে নিয়মিতভাবে এআই এবং মেশিন লার্নিং (এমএল) ব্যবহার করে। যেমন ২০১৮ সালের প্রথম দিকে ইনস্টাগ্রাম মহিলাদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক এবং আপত্তিজনক ভাষা সনাক্ত করতে এমএল ব্যবহার করা শুরু করেছিল; এবং এখন কার্যত প্রতিটি প্রধান প্ল্যাটফর্মে—ফেসবুক, এক্স (আগের টুইটার), টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, এবং ইউটিউব-সহ—কন্টেন্ট রিপোর্টিং মেকানিজম এবং ব্যবহারকারী ব্লকিং টুলস অন্তর্ভুক্ত।

সরকার ওজিবিভি এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে, এলইএ-কে প্রশিক্ষণ দিতে, এবং সাইবার ফরেনসিক সক্ষমতা উন্নত করতে "নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ" (সিসিপিডব্লিউসি) প্রকল্প চালায়।



টেক জায়ান্টরাও নারীদের নিরাপত্তা জোরদার করতে নাগরিক সমাজের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব করছে। একটি সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হল মেটা বেশ কয়েকটি ভারতীয় সিএসও-র সহযোগিতায় ভারতে
StopNCII.org চালু করেছে। এটি একটি অগ্রগামী প্ল্যাটফর্ম যা অ-সম্মতিমূলক অন্তরঙ্গ চিত্রের (এনসিআইআই) বিস্তারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায়। একই সঙ্গে, মেটা উইমেন'স সেফটি হাবও চালু করেছে, যা একাধিক ভারতীয় ভাষায় উপলব্ধ, এবং তা মহিলাদের অনলাইনে নিরাপদ থাকার জন্য সরঞ্জাম এবং সংস্থান সরবরাহ করে।


পরবর্তী পদক্ষেপ?

নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করা নারীর মর্যাদা সমুন্নত রাখতে, তাঁদের ডিজিটাল সুস্থতা নিশ্চিত করতে, এবং ইন্টারনেটে তাঁদের মৌলিক অধিকারকে সমর্থন করার জন্য অপরিহার্য। এটি স্মার্ট অর্থনীতিও তৈরি করে। যেমন ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন পর্যবেক্ষণ করেছে, আরও ৬০০ মিলিয়ন নারীকে অনলাইনে আনলে এবং রাখা হলে তা বিশ্ব জিডিপি
১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাড়িয়ে দিতে পারে।


ভারতে ওজিবিভি এবং সহযোগী ঝুঁকি মোকাবিলার মূল বিল্ডিং ব্লকগুলি বিদ্যমান। তবে বিদ্যমান আইন ও নীতির প্রয়োগ জোরদার করা যেতে পারে; এবং বেসরকারি ক্ষেত্রকে, বিশেষ করে বিগ টেক-‌কে, অনলাইন ক্ষতি মোকাবিলার জন্য নিজস্ব পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়ামক প্রয়োজনীয়তাগুলি মেনে চলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে আরও সক্রিয় হতে হবে।


নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ তৈরি করা নারীর মর্যাদা সমুন্নত রাখতে, তাদের ডিজিটাল সুস্থতা নিশ্চিত করতে, এবং ইন্টারনেটে তাদের মৌলিক অধিকারকে সমর্থন করার জন্য অপরিহার্য।



ভারতীয় দণ্ডবিধি, আইটি আইন ২০০০, এবং আইটি বিধি ২০২১ অপরাধীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য একটি আইনি ভিত্তি প্রদান করলেও সম্ভবত এখন ভার্চুয়াল পরিসরগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মহিলাদের অশালীন প্রতিনিধিত্ব (নিষিদ্ধকরণ) আইন ১৯৮৬
সংশোধন করার সময় এসেছে — একটি প্রস্তাব যা প্রায় এক দশক আগে সংসদের সামনে আনা হয়েছিল। এর উপর, ভারতীয় আদালতগুলি অনলাইনের চেয়ে অফলাইনে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধকে বেশি গুরুত্ব দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। যেসব ক্ষেত্রে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ধরনের অপরাধের অভিযোগ আনা হয়, সেখানে অফলাইন অপরাধের দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এই ধরনের ভারসাম্যহীনতা, যদি থেকে থাকে, তা সংশোধন করা উচিত, এবং অপরাধের অবস্থান নির্বিশেষে ন্যায়বিচার সমানভাবে পরিবেশন করা উচিত।


একই সময়ে, প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম এবং ইন্টারনেট মধ্যস্থতাকারী — ওজিবিভি-র প্রাথমিক সাইটগুলি — উভয়কেই আরও বেশি দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করতে হবে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের ব্রডব্যান্ড কমিশনার যেমন উল্লেখ করেছেন, মধ্যস্থতাকারীদের "অনলাইনে নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য উচ্চস্তরের ‌ও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া উচিত"। এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে "অনলাইন হিংস্রতা প্রতিরোধ, সনাক্তকরণ, প্রতিক্রিয়া এবং নিরীক্ষণ" এবং "অবৈধ বিষয়বস্তু ফিল্টারিং, ব্লক করা এবং অপসারণ করার জন্য [...] যখনই প্রয়োজন হয় পদ্ধতিগতভাবে উন্নত করার’‌’‌ মাধ্যমে কার্যকর করা উচিত। অবশেষে, ডিজিটাল সাক্ষরতা জোরদার করতে, বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করতে, এবং অনলাইন নিরাপত্তার প্রচারের জন্য সংস্থান বিকাশের জন্য সরকার ও ব্যবসার সঙ্গে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে সিএসও-দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই সমস্ত পদক্ষেপের সংমিশ্রণ মহিলাদের জন্য একটি নিরাপদ সাইবার স্পেস তৈরির দিকে দীর্ঘ পথ নিয়ে যেতে পারে।



অনির্বাণ শর্মা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডেপুটি ডিরেক্টর এবং সিনিয়র ফেলো

শ্রুষ্টি জয়ভায়ে অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একজন রিসার্চ ইন্টার্ন

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.