Published on Mar 23, 2024 Updated 0 Hours ago

ভারতীয় এন্টারপ্রাইজগুলি একটি লাভজনক উদ্যোগের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, এবং বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ কার্বন ট্রেডিং বাজারে প্রবেশ করার কথা ভাবছে। এরা ভারতের নির্গমন রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ভারতে কার্বন ট্রেডিং: বিশ্বজোড়া সম্পদের জন্য স্থানীয় পদক্ষেপ

২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির পর থেকে বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমন হ্রাসের জন্য রাষ্ট্রপুঞ্জের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি) কৌশলটি একটি বিশাল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। যদিও তার আগের কিয়োটো প্রোটোকলের জমানায় অ্যানেক্স–১ বা উন্নত দেশগুলিকে অঙ্গীকারের সময়কালের মধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী তাদের নির্গমন কমাতে ২০০৮ থেকে ২০২০ পর্যন্ত একটি সময়কাল ধার্য করা হয়েছিল, প্যারিস চুক্তির সূত্রপাতের সঙ্গে নতুন ‘‌গ্লোবাল ক্লাইমেট অর্ডার’‌ অন্য অংশগ্রহণকারী দেশগুলিকেও বিশ্বব্যাপী বাধ্যতামূলক লক্ষ্য ছাড়াই নির্গমন কমাতে সম্মত করেছে। বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ না করে, প্যারিস চুক্তি তাদের নির্গমন হ্রাস করার জন্য দেশগুলির সক্ষমতা এবং ব্যান্ডউইডথের উপর ভিত্তি করে সাধারণ কিন্তু পৃথগীকৃত দায়িত্বের নীতিকে স্বীকার করে নেয়। তাই এটি একটি সম্মতিমূলক প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যেখানে উন্নত ও উন্নয়নশীল সমস্ত দেশ ২০২০ থেকে শুরু করে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এনডিসি ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে (দেশগুলি এর মধ্যে তাদের প্রতিশ্রুতিগুলি সংশোধন করতে পারে, তবে শুধুমাত্র উপরের দিকে)। প্যারিস চুক্তির কার্যকারিতা নৈতিক সম্মতি এবং ‌প্রতিশ্রুতিভঙ্গের দায়ে ‘‌প্রকাশ্যে চিহ্নিত হওয়ার লজ্জা’‌র উপর নির্ভর করে।

ভারত উচ্চাভিলাষী এনডিসি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেগুলির মধ্যে কিছু,  যেমন
২০৩০ সালের মধ্যে অ–জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক শক্তি সংস্থান থেকে ৫০ শতাংশ ক্রমপুঞ্জিত বৈদ্যুতিক শক্তির স্থাপিত ক্ষমতা, নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য। ২০০৫ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপির নির্গমনের তীব্রতা ৪৫ শতাংশ কমানোর প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কী বলা যায়? সম্মত টাইমলাইন অনুযায়ী এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য ও পর্যবেক্ষণযোগ্য কর্ম পরিকল্পনা আছে কি? জিডিপির নির্গমন তীব্রতার এই লক্ষ্যগুলি পূরণের জন্য অরণ্যায়নের মতো প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বা বৈদ্যুতিক যান (ইভি) বা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রশমন প্রচেষ্টার কার্যকারিতা ও প্রভাব এখনও জানা যায়নি, এবং এটি ঘটনা–পূর্ববর্তী বিশ্লেষণের দাবি রাখে। সাধারণভাবে বলা যায়, যদিও সরকারের অনেকগুলি নির্গমন হ্রাস পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলির মধ্যে অনেকগুলি পরিমাপযোগ্য বা পর্যবেক্ষণযোগ্য নয়।


বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ না করে, প্যারিস চুক্তি তাদের নির্গমন হ্রাস করার জন্য দেশগুলির সক্ষমতা এবং ব্যান্ডউইডথের উপর ভিত্তি করে সাধারণ কিন্তু পৃথগীকৃত দায়িত্বের নীতিকে স্বীকার করে নেয়।



তা করার জন্য গণ–পরিসরে নির্দিষ্ট ডেটা রাখতে হবে, যেমন ২০৩০–এর জন্য জিডিপি প্রক্ষেপণ, বিভিন্ন শক্তি পরিস্থিতির অধীনে বৃদ্ধির চালক, এবং মেথডোলজি। তখন বিভিন্ন শক্তির মিশ্রণ পরিস্থিতির অধীনে জিডিপির কার্বনের তীব্রতা বার করা যেতে পারে।

জিডিপির পূর্বোক্ত আনুমানিক নির্গমন তীব্রতা এবং এনডিসি প্রতিশ্রুতি সংখ্যার মধ্যে উদীয়মান উপস্থাপিত পার্থক্য বিবেচনা করে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, সিমেন্ট, তাপবিদ্যুৎ ক্ষেত্র ইত্যাদির মতো তুলনামূলকভাবে নির্গমন–নিবিড় ক্ষেত্রসহ ক্ষেত্রনির্দিষ্ট জিএইচজি নির্গমন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পরিমাণগত লক্ষ্যগুলি স্থির করা যেতে পারে প্রতিটি ক্ষেত্রের বিশ্বব্যাপী সর্বোত্তম অনুশীলনের উপর ভিত্তি করে, তবে দেশীয় সামর্থ্য বিবেচনায় রেখে। লক্ষ্যগুলি পূর্ণ হবে ধরে নিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট নির্গমন তীব্রতা হ্রাসের হিসাব করার সময় নির্গমনে অনুমিত হ্রাসকে বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।


ভারতে কার্বন বাণিজ্যের প্রয়োজন ও উত্থান

চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলিতে যোগ্য সংস্থাকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে বাধ্য করা উচিত। যেমন, যদি গড়ে ইস্পাত ক্ষেত্র বর্তমানে ২.৫ টন সিওটু সমানুপাতিক /  প্রতি টন ইস্পাত উৎপাদন নির্গত করে, এবং লক্ষ্য হয় একে পর্যায়ক্রমে ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৭ টন সিওটু সমানুপাতিকে নামিয়ে আনা, তাহলে সেই স্পেসিফিকেশনের ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিটি যোগ্য সংস্থাকে সেই পর্যায়ক্রমিক হ্রাসের পথটি অনুসরণ করতে হবে। ২০৩০ পর্যন্ত সময়কালকে টাইম ব্লকে ভাগ করা যেতে পারে, এবং প্রতিটি ব্লকের জন্য একটি লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা যেতে পারে। এই লক্ষ্য পূরণে অক্ষম যে কোনও সংস্থা তার বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত–অর্জনকারী অন্য কোনও সংস্থা থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনতে পারে। একটি কার্বন ক্রেডিট এক টন সিওটু হ্রাসের সমতুল্য হবে। কার্বন ক্রেডিট–এর এই সংজ্ঞা সব বাধ্যতামূলক ক্ষেত্রগুলির মধ্যে ‌সেক্টর–অ্যাগনস্টিক‌ হতে পারে। একটি উপযুক্ত নিয়ামক ব্যবস্থা থাকলে কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং মেকানিজম কার্বন নিঃসরণ পরিকল্পিতভাবে কমাতে সাশ্রয়ীভাবে সাহায্য করবে।


প্রোটোকলের অধীনে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে নির্গমন বাণিজ্য কার্যত একটি নন–স্টার্টার হিসাবে রয়ে গেছে, কারণ নির্গমন হ্রাসের আদেশ অ্যানেক্স–১ দেশগুলির জন্য প্রযোজ্য ছিল।



কিয়োটো প্রোটোকলের ‘‌ক্যাপ অ্যান্ড ট্রেড’‌ পদ্ধতির সমালোচনা এখন সুপরিচিত। প্রোটোকলের অধীনে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে নির্গমন বাণিজ্য কার্যত একটি নন– স্টার্টার হিসাবে রয়ে গেছে, কারণ নির্গমন হ্রাসের আদেশ অ্যানেক্স–১ দেশগুলির জন্য প্রযোজ্য ছিল। যাই হোক, ভারত–সহ উদীয়মান অর্থনীতির অনেক প্রকল্প ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম)–এর অধীনে স্বেচ্ছাভিত্তিক বিশ্ব কার্বন ক্রেডিট বাজারে সম্মতি দিয়েছে এবং অংশগ্রহণ করেছে। এই ব্যবস্থাটি উৎপাদক দেশের পাশাপাশি বিদেশের নির্গমন হ্রাসের দ্বিগুণ গণনা এবং অযৌক্তিক ক্রেডিট গ্রহণ সহ বিভিন্ন ত্রুটি ও অসঙ্গতির কারণে সমালোচিত হয়েছিল। যদিও কপ২৬ একটি বিশ্বব্যাপী কার্বন বাজার তৈরির সুযোগ উন্মুক্ত করেছে, একটি ভালভাবে কার্যকরী আন্তর্জাতিক কার্বন ট্রেডিং বাজারের জন্য আরও অনেক কিছু করা দরকার।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারত সরকার শক্তি সংরক্ষণ আইন, ২০০১–এর অধীনে ২৮ জুন
কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং স্কিম (সিসিটিএস) নোটিফাই করার মাধ্যমে একটি স্বাগত পদক্ষেপ করেছে। এই স্কিমটি নির্বাচিত ক্ষেত্রগুলির জন্য জিএইচজি নির্গমনের তীব্রতা হ্রাস লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। স্বচ্ছ মূল্য আবিষ্কারের সঙ্গে একটি নিয়ন্ত্রিত অভ্যন্তরীণ কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং বাজার গড়ে তোলা এই প্রকল্পের লক্ষ্য। ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি (বিইই) প্রকল্পটি পরিচালনা করতে এবং প্রকল্পের অধীনে বাধ্যতামূলক সংস্থাগুলির লক্ষ্য প্রণয়নে একটি মুখ্য ভূমিকা পালন করে, এবং সেন্ট্রাল ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশন (সিইআরসি) কার্বন ক্রেডিট শংসাপত্রের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে৷

সিসিটিএস বিজ্ঞপ্তি একটি বড় কাঠামো প্রদান করে। স্কিমটির উড়ান নিশ্চিত করার জন্য আরও অনেক বিস্তারিত খুঁটিনাটি যোগ করা দরকার;‌ যেমন, এই স্কিমের অধীনে কোন ক্ষেত্রগুলিকে (দায়বদ্ধ সংস্থা) অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এই ধরনের ক্ষেত্র (সংস্থা) নির্বাচনের মানদণ্ড কী হবে, ক্ষেত্রীয় ও সংস্থাগত স্তরে কীভাবে সামগ্রিক জাতীয় স্তরের এনডিসি জিএইচজি নির্গমন লক্ষ্যগুলিকে আলাদা করে প্রয়োগ করা হবে; জিএইচজি নির্গমন নিরীক্ষণ, রিপোর্টিং এবং যাচাই করার জন্য পরিকল্পিত প্রক্রিয়া কী হবে; এবং কার্বন ক্রেডিট সার্টিফিকেট ইস্যু করার মানদণ্ড ও সেগুলির বৈধতার সময়কাল কী হবে, এই সব প্রশ্ন থাকছে।


ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি (বিইই) প্রকল্পটি পরিচালনা করতে এবং প্রকল্পের অধীনে বাধ্যতামূলক সংস্থাগুলির লক্ষ্য প্রণয়নে একটি মুখ্য ভূমিকা পালন করে, এবং সেন্ট্রাল ইলেক্ট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশন (সিইআরসি) কার্বন ক্রেডিট শংসাপত্রের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে৷



প্রস্তাবিত সিসিটিএস–তে যোগ্য অংশগ্রহণকারীদের শ্রেণী এবং এর পরিধিও বাড়ানো প্রয়োজন — এখনও পর্যন্ত একে বিইই–এর পিএটি (সম্পাদনা, অর্জন ও বাণিজ্য) স্কিমের নিছক প্রসারণ বলে মনে হচ্ছে। সহজে কেনাবেচা এবং ভাল মূল্য নির্ধারণে সহায়তা করার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাঙ্ক ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া উচিত। কৃষি, অরণ্যায়ন ও ভূমি ব্যবহার, পরিবহণ, এয়ারলাইন্স, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, এবং কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শক্তি ও শিল্প খাতের বাইরের উৎস/ক্রিয়াকলাপ থেকে জিএইচজি নির্গমনকে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রকল্পের পরিধি বাড়ানো উচিত। কার্বন ক্রেডিটে ফিউচার ট্রেডিং ব্যবস্থাটিকে কমোডিটি ডেরিভেটিভস ট্রেডিং এক্সচেঞ্জে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। বিইই এবং সিইআরসি–র কাজের এক্তিয়ার বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই এগুলি ভারতে কার্বন ট্রেডিং কাঠামো বিকাশের জন্য সঠিক সংস্থা নাও হতে পারে। এই বিষয়টি আমাদের কার্বন ব্যবসায়ের জন্য একটি স্বায়ত্তশাসিত ও বিশেষ নিয়ামকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনায় নিয়ে  আসে।


বাজার দক্ষতা

একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক যা নিয়ে আলোচনা এবং বিতর্ক দরকার তা হল আন্তর্জাতিক কার্বন বাণিজ্য বাজারে ভারতের অংশগ্রহণ এবং এই পর্যায়ে কার্বন ক্রেডিট রপ্তানির অনুমতি দেওয়া উচিত কিনা। এর জন্য পণ্যের উদ্ভাবন এবং প্রতিস্থাপনযোগ্যতার প্রয়োজন হবে। অন্যদিকে, কার্বন বাজারের ডেরিভেটিভ সেগমেন্টে এফআইআই–সহ আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের কথাও ভাবা উচিত। সুবিধা হল তারা বাজারে পর্যাপ্ত কেনাবেচার সুবিধা আনতে সাহায্য করবে, এবং হেজিং এবং মূল্য আবিষ্কারেও সাহায্য করবে। গল্পের উল্টো দিকটি এই সত্যের মধ্যে নিহিত যে এটি অত্যধিক ফাটকার সঙ্গে বিপরীত ফলদায়ী প্রমাণিত হতে পারে। অন্য একটি নিয়ামক দৃষ্টিকোণ থেকে, ভারতীয় নিয়ামকের আন্তর্জাতিক নিয়ামক নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত যাতে
নিয়ামক সালিশের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।


গল্পের উল্টো দিকটি এই সত্যের মধ্যে নিহিত যে এটি অত্যধিক ফাটকার সঙ্গে বিপরীত ফলদায়ী প্রমাণিত হতে পারে।



বাজারের দক্ষতা পরিমাপ করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হল যে জাতীয় পর্যায়ে কার্বন ক্রেডিট মূল্য কার্বনের সামাজিক মূল্য প্রতিফলিত করছে। কার্বনের সামাজিক ব্যয় (এসসিসি) হল কার্বন নির্গমনের অতিরিক্ত একক দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক ব্যয়ের একটি অনুমান। এটা আবার নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের তথ্য ও জ্ঞানের উপর। সক্ষমতা তৈরিতে এখানে নিয়ামকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।


অনুমান…

ভারতীয় এন্টারপ্রাইজগুলি একটি লাভজনক উদ্যোগের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, এবং ক্রমসমৃদ্ধ বৈশ্বিক কার্বন বাণিজ্যের বাজারগুলিতে প্রবেশ করতে চলেছে যেখানে উন্নত অঞ্চলগুলিতে ঝুঁকি ও দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা এক সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে। তবুও, এটি কেবল লাভের বিষয়ে নয় — এই সংস্থাগুলি ভারতের নিজস্ব নির্গমন রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মূল বিষয়টি হল বৈশ্বিক সুযোগের সঙ্গে স্থানীয় দায়িত্বের ভারসাম্য: ভারতীয় খেলোয়াড়দের কি আন্তর্জাতিক বাজারে নামা উচিত এবং আমাদের কার্বন ক্রেডিটগুলির জন্য বিদেশী ক্রেতাদের স্বাগত জানানো উচিত? একটি সাধারণ নিষেধাজ্ঞা এই ঝুঁকি নিয়ে আসে যে বিশ্বব্যাপী পা রাখার সুযোগ নষ্ট হবে, যে সুযোগের জন্য তৈরি হতে সময় ও বিশ্বাস প্রয়োজন। তাহলে প্রাজ্ঞ পদক্ষেপ কী হবে? প্রথমে আমাদের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) লক্ষ্যগুলি অর্জনের একটি স্পষ্ট পথ তৈরি করা। তারপরে, সাবধানে পরিমাপ করে, পর্যায়ক্রমে, কার্বন ক্রেডিট রপ্তানির দ্বার উন্মুক্ত করা, আন্তর্জাতিক গতিশীলতার উপর ঈগলের মতো দৃষ্টি রেখে। এটা শুধু ট্রেডিং নয়; এটি একটি পরিবেশ–সচেতন মোচড়ের সঙ্গে কৌশলগত বিশ্বব্যাপী সম্পৃক্ততা।



অজয় ত্যাগী অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একজন ডিস্টিংগুইশড ফেলো

নীলাঞ্জন ঘোষ অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একজন ডিরেক্টর

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Ajay Tyagi

Ajay Tyagi

Ajay Tyagi specialises in the financial sector especially the capital markets. He has also worked extensively in the environment and energy sectors. He served as the ...

Read More +
Nilanjan Ghosh

Nilanjan Ghosh

Dr Nilanjan Ghosh is a Director at the Observer Research Foundation (ORF) in India, where he leads the Centre for New Economic Diplomacy (CNED) and ...

Read More +