Author : Rajeev Jayadevan

Published on Jan 17, 2024 Updated 0 Hours ago

অধ্যয়নগুলি ইঙ্গিত দেয় যে অল্পবয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর সঙ্গে কোভিড–১৯ টিকাদানের খুব একটা সম্পর্ক নেই, বরং জীবনশৈলীর সঙ্গে অনেক বেশি সম্পর্ক আছে

তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের আকস্মিক মৃত্যুরহস্যের সমাধান

অতিমারি শুরু হওয়ার পর থেকে তুলনামূলকভাবে অল্পবয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর বিষয়ে মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ ও উদ্বেগ রয়েছে। কিছু ব্যক্তি অনুমান  করেছেন যে এটি একটি সাম্প্রতিক ঘটনা এবং এমনকি এটিকে কোভিড–১৯ টিকার সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে। কোভিড–১৯ এবং এর ভ্যাকসিনের নতুনত্বের পরিপ্রেক্ষিতে এই তত্ত্বগুলি মানু্ষকে আকর্ষণ করেছে। এই নিবন্ধটি অতিমারির আগে প্রাসঙ্গিক বৈজ্ঞানিক সাহিত্যের সংক্ষিপ্তসার এবং জনস্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)–এর সাম্প্রতিক গবেষণা নিয়ে আলোচনা করে এই বিষয়ে স্পষ্টতা প্রদান করে।

কেন অল্পবয়স্করা হঠাৎ মারা যাচ্ছেন?


যদিও এ কথা সত্য যে বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যু বেশি ঘটে, তবে এটি অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে সুস্থ তরুণরাও হঠাৎ মারা যেতে পারেন। এই ধরনের ক্ষেত্রে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ শুধুমাত্র ময়নাতদন্ত দ্বারা শনাক্ত করা যায়। অতীতে এই ধরনের গবেষণাগুলি এমন অল্পবয়স্কদের উপর পরিচালিত হয়েছে যাঁরা পূর্ব সতর্কতা বা সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই হঠাৎ মারা গিয়েছিলেন।

এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে,
অল্পবয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যু বিভিন্ন কারণে ঘটে  এবং, আশ্চর্যজনকভাবে, সবগুলি হৃদরোগ সম্পর্কিত নয়। ময়নাতদন্তের পরেও প্রায় ৫–১০ শতাংশ মৃত্যুর কারণ অশনাক্ত থেকে যায়,  এবং এগুলির জন্য প্রায়শই দায়ী করা হয় অস্বাভাবিক হৃদযন্ত্রের ছন্দকে (অ্যারিথমিয়াস)। ভারতীয় প্রেক্ষাপটে অন্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে সংক্রমণ, স্ট্রোক ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ও শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা। এটি ২০১১ সালের এমন একটি ময়নাতদন্ত সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়েছিল যা বিশেষভাবে ভারতে ১৮–৩৫ বছর বয়সের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর দিকে নজর দিয়েছিল। যাই হোক, বয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর একটি বৃহত্তর অনুপাত হৃদরোগের কারণে হয়। ২০০২ সালে ভারতে প্রকাশিত একটি ময়নাতদন্ত গবেষণা, যা ২৩–৫০ বছর বয়সের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করেছিল, তাতে দেখা গিয়েছিল ৭৭ শতাংশ করোনারি হার্টের অসুখের কারণে হয়েছে; অন্যান্য কারণ হল অর্টোআর্টেরাইটিস, কার্ডিওমায়োপ্যাথি ও স্ট্রোক।


মৃত্যুর প্রকৃত কারণ শুধুমাত্র ময়নাতদন্ত দ্বারা শনাক্ত করা যায়। অতীতে এই ধরনের গবেষণাগুলি এমন অল্পবয়স্কদের উপর পরিচালিত হয়েছে যাঁরা পূর্ব সতর্কতা বা সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই হঠাৎ মারা গিয়েছিলেন।

ভারতে তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কতটা?

দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের অর্ধেকই ঘটে ৫২ বছরের নিচে। এর আংশিক কারণ, পশ্চিমী দেশগুলির বিপরীতে, ভারতের জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে তরুণ, যার গড় (মধ্যমা বা মিডিয়ান) বয়স মাত্র ২৮। এর অর্থ হল ভারতের অর্ধেক জনসংখ্যা ২৮ বছরের নিচে, যা একটি খুব বড় সংখ্যক তরুণ মানুষের উপস্থিতি বোঝায়।

২০১১ সালে প্রকাশিত একটি
উল্লেখযোগ্য গবেষণাপত্র পাঁচ বছরে কেরলের বেশ কয়েকটি গ্রামে মৃত্যুর নিদর্শন পর্যবেক্ষণ করেছে। ১,৬১,৯৪২ জনসংখ্যার মধ্যে ৪,২৭১ জনের মৃত্যু বিশ্লেষণ করার পরে গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন যে ৩৫–৪৪ বছর বয়সীদের মধ্যে করোনারি ধমনী্র রোগে মারা যাওয়ার বার্ষিক সম্ভাবনা ছিল পুরুষদের মধ্যে প্রতি ১০০,০০০ জনে ৫৯ জনের আর মহিলাদের মধ্যে ১৭ জনের। এর অর্থ হল এই বয়সের পুরুষদের মধ্যে প্রতি বছর মৃত্যুর ঝুঁকির পরিমাণ ১:১,৭০০। যখন একটি বৃহৎ জনসংখ্যার উপর প্রয়োগ করা হয়, তখন মৃত্যুর মোট সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হতে পারে, বিশেষ করে যেহেতু  করোনারি চিরাচরিত ঝুঁকির কারণগুলি উপমহাদেশে সাধারণ। বয়স বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে এই ঝুঁকি বাড়ে।


কোভিড ভ্যাকসিনেশনের প্রভাব

বছরের পর বছর ধরে এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে কোভিড–১৯ শুধুমাত্র একটি শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা বা সাধারণ ঠান্ডা লাগা নয়, এবং এটি রক্তনালীগুলির অভ্যন্তরীণ আস্তরণকে প্রভাবিত করতে পারে। অতিমারির প্রাথমিক পর্যায়ে কোভিড–১৯ থেকে মৃত্যু ঘটেছিল নিউমোনিয়া, লাং ক্লট, হৃদরোগ, মায়োকার্ডাইটিস, সেপসিস, কিডনি ব্যর্থতা ও স্ট্রোকের ফলে ।


গবেষণায় এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে মৃত্যুর উচ্চ হার, ৬.৫ শতাংশ, পাওয়া গিয়েছে। নির্দিষ্ট ঝুঁকির কারণগুলির মধ্যে ছিল বয়স সংক্রান্ত কারণ ও পূর্ববিদ্যমান অসুস্থতা।

আইসিএমআর–এর একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় এমন ১৪,৪১৯ জনকে পর্যবেক্ষণ করা হয় যাঁরা সারা দেশে কোভিড–১৯-এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সেরে উঠে ছাড়া পেয়েছিলেন। গবেষণায় এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে মৃত্যুর উচ্চ হার, ৬.৫ শতাংশ, পাওয়া গিয়েছে। নির্দিষ্ট ঝুঁকির কারণগুলির মধ্যে ছিল বয়স সংক্রান্ত কারণ ও পূর্ববিদ্যমান অসুস্থতা। বিলম্বিত মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল হৃদরোগ ও ফুসফুসের রোগ। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে যাঁদের টিকা দেওয়া হয়েছিল তাঁদের পরবর্তী এক বছরের সময়কালে যাঁদের টিকা দেওয়া হয়নি তাঁদের তুলনায় মৃত্যুর সম্ভাবনা কম ছিল।



আকস্মিক মৃত্যুর উপর সর্বশেষ আইসিএমআর গবেষণা কী দেখায়?

আইসিএমআর–এর আরেকটি গবেষণায় ১৮–৪৫ বছর বয়সের মধ্যে এমন ৭২৯ জনের দিকে নজর দেওয়া হয় যাঁদের ‘‌সুস্বাস্থ্য’‌ থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ মারা গিয়েছেন। ১ অক্টোবর ২০২১ এবং ৩১ মার্চ ২০২৩–এর মধ্যে ঘটে যাওয়া মৃত্যুগুলি অধ্যয়ন করা হয়েছিল, যার মধ্যে মূলত ডেল্টা যুগের শেষ ভাগ ও ওমিক্রন যুগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ডেল্টা যুগ হল একটি সময়কাল যা কোভিড–১৯–এর ডেল্টা রূপের সংক্রমণ দ্বারা চিহ্নিত হয়েছিল। পূর্ববর্তী আইসিএমআর অধ্যয়নের বিপরীতে, এই গবেষণাটি শুধু এমন মানুষের দিকে নজর দেয়নি যাঁদের কোভিড–১৯ হয়েছিল, কারণ এঁদের কাজ ছিল বিশেষভাবে আকস্মিক মৃত্যুর অধ্যয়ন করা।

যে ৭২৯ জন মারা গিয়েছিলেন তাঁদের তুলনাযোগ্য বয়স, লিঙ্গ ও স্থানীয়তার ২,৯১৬ জন অন্য মানুষের (‌কনট্রোল)‌ সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল একই জনগোষ্ঠীর মধ্যে থাকা অন্য ব্যক্তিদের তুলনায় যাঁরা হঠাৎ মারা গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে নির্দিষ্ট ঝুঁকির কারণ ছিল কি না তা খুঁজে বার করা। শনাক্ত করা ঝুঁকির কারণগুলি হল ধূমপান, প্রচুর মদ্যপান এবং মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে তীব্র শারীরিক কার্যকলাপ। এছাড়াও, যারা কোভিড–১৯ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে যাঁদের পরিবারে আকস্মিক মৃত্যুর ইতিহাস ছিল এবং টিকা না–দেওয়া ব্যক্তিদের আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি ছিল।


১ অক্টোবর ২০২১ এবং ৩১ মার্চ ২০২৩–এর মধ্যে ঘটে যাওয়া মৃত্যুগুলি অধ্যয়ন  করা হয়েছিল, যার মধ্যে মূলত ডেল্টা যুগের শেষ ভাগ ও ওমিক্রন যুগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ডেল্টা যুগ হল একটি সময়কাল যা কোভিড–১৯–এর ডেল্টা রূপের সংক্রমণ দ্বারা চিহ্নিত হয়েছিল।

 

সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে টিকাদান আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়নি। বিপরীতে, লেখকরা রিপোর্ট করেছেন যে টিকা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করেছে।

এই সবের অর্থ কী দাঁড়াল?

গবেষণাটি সাধারণত শ্রুত এই অভিযোগকে খণ্ডন করে যে কোভিড–১৯ টিকা দেওয়ার ফলে তরুণরা মারা যাচ্ছিল। এই ধরনের দাবিগুলি প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় ফরোয়ার্ড করা হয়, এবং কারণ নির্বিশেষে যখনই একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি হঠাৎ মারা যান তখনই তা পুনঃপ্রচারিত হয়।

গবেষণাটি আরও নিশ্চিত করে যে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অল্প বয়স্কদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক সম্পর্কে ইতিমধ্যে কী জানা ছিল: তামাক ও অ্যালকোহল ব্যবহার স্বীকৃত ঝুঁকির কারণ। এটি মূলত ‘দ্য ল্যানসেট’–এ প্রকাশিত
ইন্টারহার্ট গবেষণায় দেখানো হয়েছে।


তরুণদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি কীভাবে কমানো যায়?


১। তামাক ব্যবহার এবং মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।
২। যদি বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের উপসর্গ থাকে, তাহলে কারণ নির্ধারণ করতে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং সেই অনুযায়ী এগিয়ে যান।
৩। সুষম খাদ্য ও সক্রিয় জীবনধারার সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।
৪। যাঁদের অল্প বয়সে হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে, তাঁদের অতিরিক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে এবং তাঁদের অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে হবে।
৫। স্থূলতা, রক্তে শর্করা, রক্তচাপ ও এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রার মতো পরিবর্তনযোগ্য ঝুঁকির কারণগুলির নিয়ন্ত্রণ হার্ট অ্যাটাকের সামগ্রিক ঝুঁকি হ্রাস করবে।
৬। সর্বশেষ আইসিএমআর সমীক্ষা অনুযায়ী এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই যে টিকা নেওয়া আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়। অন্যদিকে, কোভিড–১৯ নিজেই ভবিষ্যতে একাধিক
স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে লং কোভিড — যার একাধিক দীর্ঘস্থায়ী লক্ষণ রয়েছে এবং যা সংক্রমণের পর সপ্তাহ বা মাস ধরে চলতে পারে — এবং এটি মৃত্যুহার বৃদ্ধি করে, বিশেষ করে তাঁদের মধ্যে যাঁদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন। অতএব, কোভিড–১৯ এর ঝুঁকি কমানোর কৌশল সাহায্য করবে।


কোভিড–১৯–এর পরে ব্যায়াম কি বিপজ্জনক?

এই প্রসঙ্গে রুটিন কার্যকলাপ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং কঠোর ব্যায়ামের মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। রুটিন কার্যকলাপের মধ্যে রয়েছে নৈমিত্তিক হাঁটা এবং গৃহস্থালির কাজ করা। নিয়মিত ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে দ্রুত হাঁটা, হালকা জগিং এবং সাঁতার কাটা। কঠোর ব্যায়ামের উদাহরণগুলির মধ্যে অর্ধ–ম্যারাথন দৌড়নো বা জিমনেসিয়ামে ভারী ওজন তোলার মতো তীব্র ওয়ার্কআউট করা অন্তর্ভুক্ত।

ব্যায়াম একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, এবং এতে একটি সংক্ষিপ্ত বাধা স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলবে না।

যদিও বেশিরভাগ মানুষ যাঁরা সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত হয়েছেন  তাঁরা রুটিন ক্রিয়াকলাপ আবার শুরু করতে পারেন, তাঁদের অবশ্যই অনুশীলন পুনরায় শুরু করার সময় অপেক্ষাকৃত সতর্ক থাকতে হবে। যদি ব্যক্তিটি সুস্থ থাকেন, কোভিড–১৯ হালকা হয়ে থাকে এবং কোনও অবশিষ্ট লক্ষণ না থাকে, তাহলে নিয়মিত ব্যায়াম ৭–১৪ দিন পরে আবার শুরু করা যেতে পারে। শরীরের প্রতিক্রিয়া সাবধানে পর্যবেক্ষণ করে ধীরে ধীরে শুরু করা এবং কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা ভাল। ব্যায়াম একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, এবং এতে একটি সংক্ষিপ্ত বাধা স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলবে না। অতএব, এই বিষয়ে একটি মৃদু ও ভারসাম্যযুক্ত পন্থা অবলম্বন করা বুদ্ধিমানের কাজ।


অন্যদিকে, অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্যগত সমস্যার মানুষ, যাঁরা উপসর্গ অনুভব করেন, এবং যাঁরা কোভিড–১৯–এর পরে কঠোর ব্যায়াম করতে চান, তাঁদের অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

সাম্প্রতিক আইসিএমআর গবেষণায় তীব্র শারীরিক কার্যকলাপ এবং গুরুতর কোভিড–১৯–কে তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতএব, যে ব্যক্তিদের কোভিড–১৯ সংক্রমণ প্রবল ছিল, তাঁদের ব্যায়াম করার সময় আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের অবশ্যই কঠোর বা অনভ্যস্ত ব্যায়াম থেকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। নিরাপদে এটি করার বিষয়ে একজনের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।



ডাঃ রাজীব জয়দেবন হলেন ভারতীয় মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের কোচিন শাখার প্রাক্তন সভাপতি এবং ন্যাশনাল আইএমএ কোভিড টাস্ক ফোর্সের ‌কো–চেয়ারম্যান

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.