Published on Jul 25, 2022 Updated 0 Hours ago
ভারতে জলবিদ্যুতের অগ্রগতি: বেসরকারি ক্ষেত্রের ভূমিকা

এই প্রতিবেদনটি ‘কম্প্রিহেনসিভ এনার্জি মনিটর : ভারত এবং বিশ্ব’ সিরিজের অন্তর্গত।


পটভূমিকা

আই ই এ-র (ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি) কার্যনির্বাহী পরিচালক ২০২১ সালে মন্তব্য করেছিলেন যে জলবিদ্যুৎ দূষণমুক্ত বিদ্যুতের উৎসের নিরিখে এক বিস্মৃত দৈত্যস্বরূপ এবং নেট জিরো বা শূন্য নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশগুলি সত্যিই আগ্রহী হলে এটিকে অব্যবহিত ভাবে শক্তি ও জলবায়ু কর্মসূচিতে যথার্থ ভাবে ফিরিয়ে আনতে হবে। এটি ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। কারণ ভারতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা বা পরিমাণ এবং মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে এটির ভাগ ক্রমশ তলানিতে এসে ঠেকেছে। ১৯৪৭ সালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৩৭% এবং মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৫৩%। ২০২১-২২ সালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার পরিমাণ (জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ছোট উৎস এবং পাম্পচালিত আধার বাদে) ছিল ১১ শতাংশের সামান্য বেশি এবং মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১১%। জলবিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উৎপাদনের বৃদ্ধি সহজতর করে তুলতে সরকার ১৯৯১ সালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রটি বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য খুলে দেয়। তা সত্ত্বেও বর্তমানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার নিরিখে বেসরকারি ক্ষেত্রের অবদান ১০ শতাংশের চেয়েও কম, যা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিক্ষেত্রে ৯৬% এবং তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ৩৬% অংশীদারিত্বের তুলনায় নিম্নতম।

বর্তমানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার নিরিখে বেসরকারি ক্ষেত্রের অবদান ১০ শতাংশের চেয়েও কম, যা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিক্ষেত্রে ৯৬% এবং তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ৩৬% অংশীদারিত্বের তুলনায় নিম্নতম।

জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে অগ্রগতির পর্যায়

১৯৪৭-৬৭ সালের মধ্যে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩% এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ১১%। এটি ছিল বৃহৎ বহুমুখী আধারভিত্তিক বাঁধ নির্মাণের কাজে সরকার পরিচালিত বৃদ্ধির একটি পর্যায়। এই সময়কালে সরকারি অর্থায়নে ‘ভারতের মন্দির’ তকমাযুক্ত বৃহৎ আকারের বাঁধগুলি নির্মিত হয়, যেগুলির প্রধান লক্ষ্য ছিল সেচের কাজে জলের জোগান দেওয়া ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। পরবর্তী দশকগুলিতে (১৯৬৭-৮৭) জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৮% বৃদ্ধি পেলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় মাত্র ৫%। ঠিক এই সময়েই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক বৃদ্ধি জলবিদ্যুৎ উৎপাদনকে প্রতিস্থাপিত করতে শুরু করে এবং অধিকাংশ বৃহৎ আকারে্র বাঁধগুলি খালভিত্তিক সেচ ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হতে থাকে। রাজ্যস্তরে বিদ্যুৎ মূল্যে ভর্তুকি দেওয়ার ফলে দেশব্যাপী পাম্প দ্বারা ভূগর্ভস্থ জল উত্তোলনে বৃদ্ধি লক্ষ করা গেলেও অধিকাংশ পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস ছিল কয়লা। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাবৃদ্ধি হ্রাসের প্রক্রিয়াটি ১৯৮৭-২০০৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল এবং এর ফলে উৎপাদন ক্ষমতার বৃদ্ধি এবং উৎপাদনের পরিমাণ উভয়েই হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৩ শতাংশে। বৃহৎ বাঁধের বিরোধিতায় ১৯৮০-র দশকে শুরু হওয়া সামাজিক ও পরিবেশগত আন্দোলন এই সময়ে তীব্র আকার ধারণ করে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রটি বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য উন্মুক্ত রাখা হলেও উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনের পরিমাণ উভয়েই প্রায় ২০০৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ১ শতাংশে নেমে এসেছে।

নীতির বাস্তবায়ন

১৯৯১ সালে ভারতীয় অর্থনীতির আংশিক উদারীকরণের পর থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলির প্রবেশ সহজতর করে তোলার উদ্দেশ্যে একগুচ্ছ নীতি প্রণয়ন করা হয়। ১৯৯১ সালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রটি বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য খুলে দেওয়া হয় এবং ১৯৯২ সালে ১৬% রিটার্ন অন ইক্যুইটি মঞ্জুর করা হয়। ব্যাপক সম্ভাবনা থাকার দরুন দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অংশে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলার কাজ সহজতর করার জন্য ১৯৯৮ সালে জলবিদ্যুৎ নীতির প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯৫ সালে সরকারের তরফে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কেন্দ্রগুলির জন্য দুই ভাগ শুল্ক সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, যেটিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগীদের কয়েকটি উদ্বেগ দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিদ্যুৎ আইন ২০০৩, জাতীয় বিদ্যুৎ নীতি ২০০৫ এবং শুল্ক নীতি ২০০৬-এর বিজ্ঞপ্তিগুলিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। শিল্প প্রকল্পগুলির দ্বারা প্রভাবিত মানুষজনের পুনর্বাসন এবং পুনঃস্থাপন সংক্রান্ত ২০০৭ সালের নীতিটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির একটি অন্যতম প্রধান উদ্বেগের প্রশমন করে। জলবিদ্যুৎ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য সরকার ২০০৩ সালে ৫০০০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। নীতিটির প্রধান লক্ষ্য ছিল জমি অধিগ্রহণ এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়ার কাজ দ্রুততর করে তোলা। জলবিদ্যুৎ উন্নয়নে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলির অংশগ্রহণের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রচার চালাতে এই কেন্দ্রীয় সরকারি নীতিটির পরপরই একাধিক রাজ্যস্তরীয় নীতির প্রণয়ন করা হয় এবং এ ক্ষেত্রে প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণ করার জন্য যোগ্য নির্মাণকারী নির্বাচনের ক্ষমতা রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের (এস ই বি) হাতে তুলে দেওয়া হয়। ১৯৯৬ সালে ১ বিলিয়ন ভারতীয় টাকার চেয়ে বেশি মূলধন বিনিয়োগকারী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির জন্য কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (সি ই এ) তরফে প্রযুক্তিগত-অর্থনৈতিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়, পরবর্তী কালে যেটির মাত্রা বৃদ্ধি করে ২.৫ বিলিয়ন ভারতীয় টাকা ধার্য করা হয়। রাজ্য সরকারি সংস্থাগুলি দ্বারা প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রকল্পগুলির জন্য সি ই এ প্রযুক্তিগত-অর্থনৈতিক ছাড়ের সীমা ১০ বিলিয়ন ভারতীয় টাকা পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। বেসরকারি সংস্থাগুলিকে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেওয়ার ফলে তারা রান-অব-দ্য-রিভার (আর ও আর) প্রকল্পগুলিকে সাদরে গ্রহণ করে।

বেসরকারি ক্ষেত্রের ভূমিকা: রান অব দ্য রিভার প্রকল্প

তত্ত্বগত ভাবে আর ও আর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি প্রথাগত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো একটি বাঁধের আড়ালে বৃহদাকার জলাধারগুলিতে জল সঞ্চয় না করে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করে। এই প্রকল্পগুলিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রবাহিত জলের প্রাকৃতিক ধারাকে সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে চালনা করে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে নীচে ফেলা হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের  পরে এই জলরাশিকে আবার নদীখাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। একটি বিশালাকার জলাধারের অনুপস্থিতি স্থানীয় মানুষদের স্থানান্তর বা উৎখাতের সমস্যাটি এড়িয়ে যেতে সাহায্য করে। একই রকম ভাবে নদীর বাস্তুতন্ত্রের উপরেও প্রাকৃতিক প্রবাহ ব্যবহারের প্রভাব সীমিত। বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের জন্য আর ও আর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি মূলধন ব্যয় (জল সঞ্চয়কারী বাঁধের তুলনায়), প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং স্থানীয় পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতের পরিমাণ হ্রাস করতে সাহায্য করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল এ ক্ষেত্রে উদ্যোগকারীরা বাঁধ প্রকল্পের তুলনায় অনেক আগেই আকর্ষণীয় মুনাফার মুখ দেখতে পান। ২০০৮ সালের ভারতের জলবিদ্যুৎ নীতিতে বেশ কিছু উদার ছাড় দেওয়া হয়, যেগুলি বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ক্ষেত্রটির সঙ্গে যুক্ত জলবিদ্যুৎ সংক্রান্ত ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বেসরকারি উদ্যোগকারীদের মুনাফার মাত্রা বৃদ্ধির জন্য এই ঝুঁকিগুলির ভার জনসাধারণের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়। সর্বাত্মক জলবিদ্যুৎ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী জলবিদ্যুতের জন্য শুল্ক ব্যবস্থা বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের প্রকল্পের  নকশা বৃদ্ধি করার জন্য কোনও অর্থনৈতিক প্রণোদনা দেয়নি। বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা প্রকল্পগুলির জন্য উচ্চ ক্ষমতার সম্ভাবনা দর্শিয়েছিলেন। এমনকি যখন জলের অভাব স্পষ্ট এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কম এবং ক্রেতাদের কম বিদ্যুতের জন্য বেশি অর্থ প্রদান করতে হচ্ছিল, তখনও ‘ডিজাইন এনার্জি’ উৎপাদনের জন্য তাঁরা সম্পূর্ণ প্রাপ্য অর্থ পেতেন।

বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের জন্য আর ও আর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি মূলধন ব্যয় (জল সঞ্চয়কারী বাঁধের তুলনায়), প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং স্থানীয় পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতের পরিমাণ হ্রাস করতে সাহায্য করে।

হিমালয়ের কোলের রাজ্যগুলি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলিতে কাজ করার সুবিধে তুলে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়ে ওঠে যা মউ (মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং) রুট হিসেবে পরিচিত ছিল৷ অনুকূল নীতি থেকে ব্যাপক লাভের আশায় অভিজ্ঞ এবং অনভিজ্ঞ বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা হিমালয়-সন্নিবিষ্ট রাজ্যগুলি থেকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দখল নেওয়ার জন্য আগ্রাসী ভাবে একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে, জলবিদ্যুৎ থেকে ব্যাপক মুনাফার প্রত্যাশা বা হাইড্রো ডলার ওয়েলথের ফলে হিমালয়ের রাজ্যগুলিতে এম ও ইউ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রায় এক দশক পরে, পরিবেশগত, সামাজিক এবং আর্থিক ফলাফল সম্পর্কে ইতিবাচক অনুমানগুলি ভুল প্রমাণিত হওয়ায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আবার একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়ে পড়ে।

সমস্যা

বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি প্রায়শই ভারতীয় শক্তিক্ষেত্রে সরকারের নিবিষ্ট ভূমিকাকে একটি দায় হিসেবে তুলে ধরে। যদিও বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরে জ্বালানি, জল এবং পরিবেশগত ক্ষেত্রের উপর সরকারি আধিপত্যকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো একটি নতুন তুলনামূলক উচ্চ-ঝুঁকিসম্পন্ন ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। সরকারের উপস্থিতি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ‘সামাজিকীকরণ’ অর্থায়ন করে বেসরকারি বিনিয়োগের ঝুঁকি কমিয়েছে। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য খোলা বাজারের পরিবর্তে চুক্তি এবং নিলামের ব্যবহার পরিবেশগত সমস্যা, জলবিদ্যুৎ সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা এবং সামাজিক অংশগ্রহণের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামতের প্রান্তিকীকরণকেই তুলে ধরে। চুক্তিগত ভাবে নির্ধারিত ব্যয় প্রতিক্রিয়াভিত্তিক মূল্য ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রশাসনিক ভাবে গ্রাহকদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিকারী ডিকার্বনাইজেশনের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারি তৎপরতা পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি প্রকল্পগুলির সঙ্গে সংযুক্ত বেসরকারি ক্ষেত্রের ঝুঁকি কমানো এবং মুনাফা বৃদ্ধির পথকেই অনুসরণ করে। এ কথা সময়ই বলবে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলি আদৌ ভারতের শক্তি ব্যবস্থাকে ডিকার্বনাইজ করতে এবং সকলকে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রচুর পরিমাণ শক্তি সরবরাহ করতে সক্ষম হবে কি না।

সূত্র: tndindia.com
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Vinod Kumar Tomar

Vinod Kumar Tomar

Vinod Kumar, Assistant Manager, Energy and Climate Change Content Development of the Energy News Monitor Energy and Climate Change. Member of the Energy News Monitor production ...

Read More +
Lydia Powell

Lydia Powell

Ms Powell has been with the ORF Centre for Resources Management for over eight years working on policy issues in Energy and Climate Change. Her ...

Read More +
Akhilesh Sati

Akhilesh Sati

Akhilesh Sati is a Programme Manager working under ORFs Energy Initiative for more than fifteen years. With Statistics as academic background his core area of ...

Read More +