Published on Oct 28, 2021 Updated 0 Hours ago

দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা আর রাজ্যের নেতাদের স্বাধিকার দেওয়া, এই দুইয়ের ভারসাম্য রক্ষা একটা কৌশলপূর্ণ ও কঠিন কাজ।

ক্রমপ্রসারমান হাইকমান্ড সংস্কৃতি:‌ ভারতে দলগুলির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ

দেশের দুই প্রধান জাতীয় দল ভারতীয় জনতা পার্টি (‌বিজেপি)‌ ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেস (‌আইএনসি) অনেকগুলি রাজ্যে নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটানোয় সেগুলি সংবাদের শিরোনাম হয়ে চলেছে। গত কয়েক মাসে বিজেপি উত্তরাখণ্ড, গুজরাত ও কর্নাটকে তিনজন মুখ্যমন্ত্রীকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বদলে দিয়েছে। আইএনসি সম্প্রতি খবরে উঠে এসেছে দলের প্রবীণ এবং পঞ্জাবের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা অমরিন্দর সিং–এর পদত্যাগ এবং প্রথম দলিত মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিকে দিয়ে তাঁকে প্রতিস্থাপিত করার কারণে। আইএনসি একই ধরনের নেতৃত্ব পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে, যেখানে তা ধীরে ধীরে একটা বড় ধরনের সঙ্কটের চেহারা নিচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোর মূলে রয়েছে ‘‌হাইকমান্ড’‌ সংস্কৃতি, অর্থাৎ দলগুলির তলার স্তরগুলির উপর শীর্ষ জাতীয় নেতৃত্বের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, যার ফলে রাজ্য শাখাগুলি তাদের স্বাধিকার হারায়।

হাইকমান্ড সংস্কৃতির অর্থ

হাইকমান্ড সংস্কৃতির সূচনা কী ভাবে হয়েছিল তা দেখতে হলে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে ১৯৭০–এর দশকের গোড়ার দিকে। ১৯৬৯ সালে কংগ্রেস ভাঙল, আর ১৯৭১–এর জাতীয় নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধী বিরাট জয় পেলেন। সেই সময় থেকে আইএনসি এসে গেল গান্ধী পরিবারের কড়া নিয়ন্ত্রণে, যা আজও বজায় আছে। হাইকমান্ড একাই কংগ্রেস–শাসিত রাজ্যগুলি এবং দলের সব কটি রাজ্য শাখার গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ সংক্রান্ত সব কিছু নির্ধারণ করে থাকে। বিজেপি, যে দলটা আগে বামেদের মতোই অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র মেনে চলার জন্য পরিচিত ছিল, এখন তাদের ক্যারিসম্যাটিক নেতা প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং দলের রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজিস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসে পড়েছে। ২০১৪ সালে জাতীয় স্তরে রাজনৈতিক ভাবে ঘর গুছিয়ে ফেলার পর থেকেই দলটি হাইকমান্ড সংস্কৃতি অনুসরণ করতে শুরু করেছে ইচ্ছামত অধিকাংশ বিজেপি–শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিয়ে বা বদলে দিয়ে। এই ভাবে তলার স্তরগুলোর উপর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ছড়ি ঘোরানো দেশের অন্য প্রধান আঞ্চলিক দলগুলিতেও দেখা যায়।

হাইকমান্ড সংস্কৃতির সূচনা কী ভাবে হয়েছিল তা দেখতে হলে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে ১৯৭০এর দশকের গোড়ার দিকে। ১৯৬৯ সালে কংগ্রেস ভাঙলআর ১৯৭১এর জাতীয় নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধী বিরাট জয় পেলেন। সেই সময় থেকে আইএনসি এসে গেল গান্ধী পরিবারের কড়া নিয়ন্ত্রণেযা আজও বজায় আছে।

অন্তর্দলীয় যুক্তরাষ্ট্রীয়তার স্বরূপ

ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক বাস্তবতার দেশে রাজ্য রাজনীতিতে বিভিন্ন প্রজন্মের পার্থক্য, স্থানীয় রাজনৈতিক অভিজাতদের মধ্যেকার লড়াই ও একগুচ্ছ স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী নানা ধরনের গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকবেই। ফলে এখানে দলকে রাজ্য পর্যায়ে ঐক্যবদ্ধ রাখতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কিছুটা নিয়ন্ত্রণ থাকতেই হয়।

তবে হাইকমান্ড সংস্কৃতি, যা এখন ভারতীয় রাজনীতির অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে গিয়েছে, তা অনেক সময় রাজ্যস্তরের দলীয় শাখার স্বাধিকার ভয়ঙ্কর ভাবে খর্ব করে, কারণ দল বেশিরভাগ সময় জাতীয় নেতৃত্বের ইচ্ছানুসারে কাজ করে থাকে। জাতীয় রাজনৈতিক দল একবার একটা রাজ্যে ক্ষমতায় এলে তখন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা বেছে নেওয়ার প্রশ্নে হাইকমান্ড আনুপাতিক ভাবে অনেক বেশি অধিকার প্রয়োগ করে থাকে, আর রাজ্যের বিধায়কদের এ বিষয়ে সামান্যই কিছু বলার অধিকার থাকে অথবা আদৌ থাকেই না। ভারতীয় সংবিধানে একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের বিধায়কদের তাঁদের নেতা হিসেবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা বেছে নেওয়ার অধিকার দেওয়া থাকলেও এই প্রবণতা তাকে কলঙ্কিত করে।

দুটো জাতীয় দলকেই দেখা যায় হাইকমান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠাতে, যাঁরা রাজ্যের নেতা ও বিধায়কদের সঙ্গে ‘‌পরামর্শ’‌ করেন;‌ কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় নেতৃত্বকে। সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কর্নাটকের বিজেপি বিধায়ক দল ও পঞ্জাবে কংগ্রেস বিধায়ক দলের কথা, যারা প্রস্তাব নিয়ে যথাক্রমে বিজেপি হাইকমান্ড, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী মোদী ও অমিত শাহকে, এবং কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী স্থির করার দায়িত্ব সমর্পণ করেছিল। একই ভাবে দেখা যায় হাইকমান্ড সরাসরি রাজ্য মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন এবং রাজ্য সরকার কী ভাবে কাজ করবে তা দেশের রাজধানীতে বসে প্রভাবিত করছে। এর ফলে মুখ্যমন্ত্রীদের এবং রাজ্য নেতৃত্বের স্বাধিকার খর্ব হচ্ছে। এমনকি দলগুলির রাজ্য শাখার শীর্ষ নেতা বা অন্য পদাধিকারীরা দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের মাধ্যমে উঠে আসার পরিবর্তে হাইকমান্ড দ্বারা সরাসরি মনোনীত হচ্ছেন।

একবার একটা রাজ্যে ক্ষমতায় এলে তখন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা বেছে নেওয়ার প্রশ্নে হাইকমান্ড আনুপাতিক ভাবে অনেক বেশি অধিকার প্রয়োগ করে থাকেআর রাজ্যের বিধায়কদের  বিষয়ে সামান্যই কিছু বলার অধিকার থাকে অথবা আদৌ কোনও অধিকারই থাকে না।

রাজ্যগুলির উপর জাতীয় নেতৃত্বের এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ কী ভাবে প্রতিষ্ঠিত হল তার ব্যাখ্যা হিসেবে দুটি কারণের কথা বলা যায়। প্রথম, ইতিহাস প্রমাণ করে জাতীয় স্তরের শক্তিশালী নেতারা রাজ্যের ভাল রকমের গণভিত্তিসম্পন্ন জেদি নেতাদের উত্থান সম্পর্কে কতটা উদ্বিগ্ন থাকতেন। ১৯৭০ ও ১৯৮০–র দশকে ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসে বার বার অবাধ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী মুখ্যমন্ত্রীদের বদলে রাজনৈতিক ভাবে কমজোরি ও হাইকমান্ডের অনুগত লোকেদের মসনদে বসানো হত। এখন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মতো শক্তিশালী নেতাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিজেপিতে ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটছে। অর্থাৎ, অধিকাংশ বিজেপি–শাসিত রাজ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থাভাজন মনোনীত মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়োগ করা হচ্ছে। এর ব্যতিক্রম হিসেবে আছেন মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং চৌহান, উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ ও অসমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এঁদের সকলেরই এখনও বেশ কিছুটা নিজস্ব প্রভাব আছে।

দুটি রাজনৈতিক দলে এই প্রবণতার মূলে আছে নিজের দলের জনপ্রিয় আঞ্চলিক নেতার রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনার সামনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের নিরাপত্তাহীনতা। কাজেই রাজ্যগুলিতে প্রচারবিমুখ মনোনীত নেতাদের রাখতে পারলে, এবং মাঝেমধ্যেই নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটালে, রাজ্যগুলির উচ্চাকাঙ্ক্ষী নেতাদের ডানা ছেঁটে দেওয়া যায়। অনেক সময় স্থিতাবস্থা বজায় রাখা বা নেতৃত্বের পরিবর্তন আনার ঘটনার যুক্তি হিসেবে বলা হয় তুলনায় কমবয়সী নেতাদের পরিবর্তে অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হল, যেমন রাজস্থানে শচীন পাইলটের পরিবর্তে হাইকমান্ডের অশোক গেহলটকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে। আবার কখনও কখনও বলা হয় ‘নতুন মুখ’‌ তুলে আনা হল, যেমন গুজরাত ও কর্নাটকে বিজেপি করেছে।

হাইকমান্ড দলের টাকা পয়সা একদম নির্ণায়ক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করেআর তার মধ্যে থাকে রাজ্যগুলো থেকে আসা টাকাপয়সাও। এটা করা হয় যাতে নিজেদের ইচ্ছামতো এই দুষ্প্রাপ্য সম্পদের ভাগবাঁটোয়ারা করে জাতীয় নেতৃত্ব সব সময় পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারে।

দ্বিতীয় এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে কারণটি হাইকমান্ড সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে তা হল দলের অর্থের কেন্দ্রীকরণ। হাইকমান্ড দলের টাকা পয়সা একদম নির্ণায়ক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, আর তার মধ্যে থাকে রাজ্যগুলো থেকে আসা টাকাপয়সাও। এটা করা হয় যাতে নিজেদের ইচ্ছামতো এই দুষ্প্রাপ্য সম্পদের ভাগ–বাঁটোয়ারা করে জাতীয় নেতৃত্ব সব সময় পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারে। দলের প্রার্থীদের নির্বাচনে লড়ার জন্য টাকা পয়সা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে যে হেতু ভারতে নির্বাচনগুলো দিন দিন আগের তুলনায় আরও বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে, আর সেই সুযোগে হাইকমান্ডের আধিপত্য আরও বেশি বেড়ে যাচ্ছে।

হাইকমান্ড সংস্কৃতির সীমাবদ্ধতা

তবে হাইকমান্ডের রাজ্য নেতৃত্বের উপর নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করে জাতীয় নেতৃত্বের জনপ্রিয়তা ও ক্ষমতার উপর, এবং একই সঙ্গে রাজ্যের নেতাদের স্বার্থের উপর। দেখা গেছে জাতীয় নেতাদের জনপ্রিয়তায় ভর করে দলের নির্বাচনী সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলে রাজ্য নেতারাও হাইকমান্ডের সামনে মাথা ঝোঁকাতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। জাতীয় নেতৃত্বও যখন নির্বাচনী পরিসরে শক্তিশালী থাকে, তখন নানা রকমের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বিলি করে রাজ্য শাখার মধ্যেকার ভিন্ন মতের গোষ্ঠীগুলির দাবি মেনে নেয়। কাজেই নিজের সেরা সময়কার কংগ্রেস এবং এখন নিজের কর্তৃত্বের সময়কার বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রশ্নে বেশি ভাল জায়গায় আছে।

অধিকাংশ আঞ্চলিক দল তৈরিই হয়েছে হাইকমান্ডের সঙ্গে মতবিরোধে ক্ষুব্ধ জনভিত্তিসম্পন্ন আঞ্চলিক নেতাদের কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়ার কারণে। তারপর তাঁরা নিজেদের দল তৈরি করেছেন এবং অনেকে অসাধারণ রাজনৈতিক সাফল্য পেয়েছেন।

কংগ্রেসের নিকট অতীত ও এখনকার অবস্থা এই ইঙ্গিত দেয় যে রাজনৈতিক ভাবে দুর্বল জাতীয় নেতৃত্বের পক্ষে রাজ্য শাখার বিভিন্ন গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়েছে, এবং তার ফলে অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষী রাজনৈতিক নেতা দল ছেড়ে চলে গেছেন। এঁদের মধ্যে আছেন মমতা ব্যানার্জি থেকে শুরু করে শরদ পওয়ার, জগন মোহন রেড্ডি হয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার মতো নেতারা যাঁরা মনে করেছিলেন দলের হাইকমান্ডের বজ্রমুষ্টির বাইরে তাঁদের ভবিষ্যৎ বেশি উজ্জ্বল। ঘটনা হল অধিকাংশ আঞ্চলিক দল তৈরিই হয়েছে হাইকমান্ডের সঙ্গে মতবিরোধে ক্ষুব্ধ জনভিত্তিসম্পন্ন আঞ্চলিক নেতাদের কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়ার কারণে। তারপর তাঁরা নিজেদের দল তৈরি করেছেন এবং অনেকে অসাধারণ রাজনৈতিক সাফল্য পেয়েছেন।

ভারতে, যেখানে বহুস্তরীয় বৈচিত্র ও যুক্তরাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে দিল্লিভিত্তিক জাতীয় নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে রাজ্যগুলিতে প্রয়োজন বিকেন্দ্রীকৃত রাজনৈতিক পরিমণ্ডল, যাতে করে সেখানে স্থানীয় রাজনৈতিক বৈশিষ্টের ভিত্তিতে দলের মধ্যে প্রকৃত যুক্তরাষ্ট্রীয়তার অনুসারী রাজনৈতিক বিকাশ সম্ভব হয়। কিন্তু জাতীয় দলগুলির ভেতর জাঁকিয়ে–বসা হাইকমান্ড সংস্কৃতি নিজেদের রাজনৈতিক নিরাপত্তাহীনতার বোধ ও ভিন্নমত উপড়ে ফেলার চেষ্টার কারণে রাজ্যে রাজ্যে যোগ্য নেতাদের হারায়। এভাবে তা শুধু দলের সম্ভাবনারই ক্ষতি করে না, একই সঙ্গে বৈচিত্রময় বহুদলীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের যা মূল ভিত্তি সেই অন্তর্দলীয় যুক্তরাষ্ট্রীয়তার পরিসরও সঙ্কুচিত করে। দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা আর রাজ্যের নেতাদের স্বাধিকারকে সম্মান করা, এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা অবশ্যই একটা চ্যালেঞ্জ এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে তার মোকাবিলা করতে হলে অভ্যন্তরীণ কাজকর্মের গণতন্ত্রীকরণ করতে হবে। সেই কাজটা কঠিন, কিন্তু প্রচেষ্টা হিসেবে কদর পাওয়ার যোগ্য।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.