Books and MonographsPublished on Oct 06, 2022
ballistic missiles,Defense,Doctrine,North Korea,Nuclear,PLA,SLBM,Submarines

ব্যবহৃত রান্নার তেলের খাদ্যপ্রবাহে প্রত্যাবর্তন: চারটি ভারতীয় শহরে একটি গবেষণা

ব্যবহৃত রান্নার তেলের খাদ্যপ্রবাহে প্রত্যাবর্তন: চারটি ভারতীয় শহরে একটি গবেষণা

নির্বাহী সারসংক্ষেপ

ভূমিকা

গত এক দশকে ভারতের মাথাপিছু ভোজ্য তেলের ব্যবহার প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবহৃত রান্নার তেলের (ইউ সি ও) উৎপাদনও বেড়েছে। ইউ সি ও হল ভাজা ও রান্নার পর অবশিষ্ট তেল, যা বাড়ি এবং বাণিজ্যিক খাদ্য উৎপাদন ও পরিষেবা ব্যবসা উভয় ক্ষেত্রেই তৈরি হয়। ব্যাপক বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণা ইউ সি ও–র বারবার ব্যবহারকে ক্যানসার, হৃদরোগ এবং অঙ্গের ক্ষতি সহ বেশ কয়েকটি অ–সংক্রামক রোগের কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। স্বাস্থ্যের উপর প্রতিকূল প্রভাবের কারণে ভারত সহ অনেক দেশেই ইউ সি ও–র ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যাই হোক, বাড়িতে এবং বাণিজ্যিক পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতে ইউ সি ও–র প্রায় ৬০ শতাংশ খাদ্যশৃঙ্খলে ফিরে আসে।

খাদ্য সরবরাহে ইউ সি ও–র ক্রমশ বেশি ব্যবহারের মোকাবিলা করার জন্য ভারতের খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক ফুড অ্যান্ড সেফটি স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফ এস এস এ আই) রিপারপাস ইউজড কুকিং অয়েল (আর ইউ সি ও) উদ্যোগটি শুরু করেছিল। এর লক্ষ্য হল ইউ সি ও–কে খাদ্য শৃঙ্খল থেকে দূরে সরিয়ে জৈব জ্বালানি, সাবান এবং ওলিও–কেমিক্যাল সহ অন্যান্য বর্জ্য–থেকে–সম্পদ তৈরির শিল্পের দিকে সরানোর জন্য একটি আইনি এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা। যাই হোক, এই উদ্যোগটি সীমিত প্রভাব ফেলেছে। তার কারণগুলির মধ্যে আছে নীতির ফাঁকফোকর (‌যেমন তাজা ভোজ্য তেলের সঙ্গে ইউ সি ও দিয়ে টপ আপ করার অনুমতি)‌, যাকে আরও জটিল করে তোলে নিম্ন স্তরের সামাজিক সচেতনতা, ইউ সি ও উৎপাদকদের অনুবর্তিতার অভাব এবং এফ এস এস এ আই ও রাজ্যস্তরের খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ দ্বারা তৃণমূল স্তরে অকার্যকর বাস্তবায়ন।

গবেষণার উদ্দেশ্য

ভারতে ইউ সি ও ব্যবহারের জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রভাবগুলি চিহ্নিত করার মতো গবেষণার অভাব পূরণ করতে বর্তমান অধ্যয়নটি ইউ সি ও কীভাবে বাণিজ্যিক খাদ্যপ্রবাহে এসে যায় তার পরিমাণ, প্রবণতা ও প্রক্রিয়াগুলি পরীক্ষা করেছে। চারটি ভারতীয় মেট্রোয়–দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা ও চেন্নাই–ফুড বিজনেস অপারেটরদের (এফ বি ও) আচরণগত অনুশীলনগুলি পরীক্ষা করে গবেষণাটি নিম্নলিখিত প্রবণতার উপর আলোকপাত করে:

• এফ বি ও–গুলির ধরন এবং অবস্থান অনুসারে ভোজ্য তেলের ব্যবহার;
• এফ বি ও–গুলির ধরন এবং অবস্থান অনুসারে ইউ সি ও উৎপাদন;
• এফ বি ও–গুলির ধরন এবং অবস্থান অনুসারে ইউ সি ও ব্যবহার;
• এফ বি ও–গুলির ধরন এবং অবস্থান অনুসারে ইউ সি ও নিকাশ; এবং
• এফ বি ও–গুলির ধরন এবং অবস্থান অনুসারে খাদ্য নিরাপত্তা আইন এবং আর ইউ সি ও উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা।

ভোজ্য তেলের দামের পরিবর্তন, এফ বি ও–গুলির সচেতনতার স্তর, এবং বর্জ্য সংগ্রহের পরিকাঠামোর উন্নয়ন কীভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা এবং আর ইউ সি ও উদ্যোগের প্রবিধানগুলির অনুবর্তিতার মাত্রা প্রভাবিত করে তাও গবেষণায় খতিয়ে দেখা হয়েছে।

গবেষণা পদ্ধতি

অধ্যয়নটিতে একটি মিশ্র পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিস্তৃত ভাবে সংশ্লিষ্ট গবেষণার পর্যালোচনা, বিশেষজ্ঞ ও অংশীদারদের সাক্ষাৎকার এবং প্রাথমিক ডেটার পরিসংখ্যানগত ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের সমন্বয়ে বাণিজ্যিক ইউ সি ও তৈরি হওয়া, তার ব্যবহার এবং খাদ্যপ্রবাহে প্রবেশের মানচিত্রটি পরীক্ষা করা হয়েছে। ভারতের চারটি মেট্রোয়–মুম্বই, দিল্লি, চেন্নাই ও কলকাতায়–৫০৭টি (১০১টি বড় এবং ৪০৬টি ছোট) এফ বি ও–কে নিয়ে সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে৷

ফলাফল

অধ্যয়নটি ভারতে এফ বি ও–গুলির মধ্যে ইউ সি ও ভোক্তা এবং উৎপাদকদের শনাক্তকরণে বর্তমান জ্ঞানের ফাঁক পূরণ করতে চেয়েছে, এই ব্যবসাগুলির মধ্যে ইউ সি ও ব্যবহারের পরিমাণ হিসাব করেছে, ইউ সি ও বিক্রয় ও উপভোগের চালকগুলি চিহ্নিত করেছে, এবং বাস্তুতন্ত্রের উপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োগের প্রভাব সমীক্ষা করেছে।
সমীক্ষার মূল ফলাফলগুলি নিম্নরূপ:

• ছোট খাবারের দোকানগুলি সস্তার রান্নার তেল কেনে, কিন্তু তাদের খরচের শতাংশ হিসাবে তেলের জন্য খরচ বেশি হয়: বড় রেস্তোরাঁর তুলনায় ছোট খাবারের দোকানগুলি সাধারণত তাদের রান্নার তেল কেনার জন্য অনেক কম অর্থ ব্যয় করে। এইভাবে, ছোট রেস্তোরাঁগুলির খারাপ মানের রান্নার তেল বা ‘‌খুচরো’‌ (প্যাকেজ করা নয়)  বিক্রি হওয়া তেল কেনার সম্ভাবনা বেশি থাকে, যা ইউ সি ও–র সঙ্গে মিশ্রিত হতে পারে। শহরগুলির ছোট রেস্তোরাঁগুলি তাদের দৈনিক বাজেটের ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ রান্নার তেলের জন্য ব্যয় করে।

• বড় খাবারের দোকানে ইউ সি ও উৎপাদনের পরিমাণ কম করে দেখানো হয়: মোট যে ১০১টি বড় রেস্তোরাঁকে নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে, তার আটটি বাদে বাকি সবগুলি দৈনিক ১০ লিটারের কম ইউ সি ও উৎপাদনের কথা রিপোর্ট করেছে৷ ৭০ শতাংশ বড় খাবারের দোকানে মোট দৈনিক ৫০ লিটারের বেশি রান্নার তেলের খরচের পরিপ্রেক্ষিতে এটা সম্ভব যে তাদের মধ্যে অনেকে তাদের ইউ সি ও উৎপাদন অনেক কম রিপোর্ট করছে। (এফ এস এস এ আই নির্দেশিকা শুধু সেই এফ বি ও–গুলির জন্য প্রযোজ্য যারা প্রতিদিন ৫০ লিটারের বেশি রান্নার তেল ব্যবহার করে।)

• ভোজনশালাগুলি শেষ বিন্দু পর্যন্ত ইউ সি ও পুনরায় ব্যবহার করতে থাকে: চারটি শহরের বেশিরভাগ বড় খাবারের দোকানগুলির স্ব–প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ভাজার জন্য রান্নার তেল প্রতিদিন পরিবর্তন করা হয়। যাই হোক, ছোটখাটো খাবারের দোকানের মধ্যে, বিশেষ করে দিল্লি ও কলকাতায়, উত্তরদাতারা দাবি করেছেন যে তাঁরা শেষ বিন্দু পর্যন্ত ইউ সি ও দিয়ে রান্না করেন। একইভাবে, মুম্বই ও চেন্নাইয়ের উত্তরদাতারা কম পরিমাণে ইউ সি ও অবশিষ্ট থেকে যাওয়ার দাবি করেছেন, যা ইউ সি ও ব্যবহারের উচ্চ প্রবণতা নির্দেশ করে।

• ইউ সি ও কীভাবে নিকাশ করা হবে তা বড় খাবারের দোকানের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ: দিল্লি, মুম্বই ও কলকাতার বড় খাবারের দোকানের মধ্যে ৫৩ শতাংশ দাবি করেছে যে তারা ড্রেনে ইউ সি ও ফেলে দেয়। এই সংখ্যাটি উল্লেখযোগ্যভাবে কম চেন্নাইয়ে, যেখানে খাবারের দোকানের একটি বৃহত্তর অনুপাত স্বীকৃত সংগ্রাহক বা অ্যাগ্রেগেটরদের কাছে ইউ সি ও বিক্রি করে। ইউ সি ও ড্রেনে নিকাশ করার দাবিটি চ্যালেঞ্জ করে বিশেষজ্ঞ ও অংশীদারেরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে এটি অবিরত ইউ সি ও ব্যবহার এবং সেই সঙ্গে অননুমোদিত ব্যবসায়ীদের কাছে পুনঃবিক্রয় করার একটি আবরণ, এবং ড্রেনে ফেলে দেওয়ার পরিমাণ ন্যূনতম। ছোট খাবারের দোকানের ইউ সি ও ফেলে দেওয়ার সমস্যাটি হয় না, কারণ তারা স্বীকার করে যে তারা শেষ বিন্দু পর্যন্ত তাদের রান্নার তেল পুনরায় ব্যবহার করে।

• মূল্যের প্রণোদনা ইউ সি ও বিক্রয়কে চালিত করে: খাবারের দোকানগুলি, বিশেষ করে চেন্নাইতে, এ কথা রিপোর্ট করেছে যে ইউ সি ও পুনরায় ব্যবহার না–করার এবং বর্জ্য তেল অ্যাগ্রেগেটর ও সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করার সময় প্রাপ্ত ভাল দাম এক্ষেত্রে মূল চালক।

• স্থানীয় শাসন সংস্থাগুলির পরিকাঠামোগত সহায়তা ইউ সি ও সংগ্রহে সহায়তা করে: চেন্নাইয়ের স্থানীয় শাসন সংস্থাগুলি ইউ সি ও সংরক্ষণ ও নিকাশে খাবারের দোকানগুলিকে সহায়তা করে। অন্য তিনটি শহরে এ ধরনের ব্যবস্থা নেই। এর ফলে চেন্নাইয়ের বেশি সংখ্যক ভোজনশালা ইউ সি ও আলাদা করে রাখে এবং মনোনীত  সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে,যা এটি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে যে ইউ সি ও খাদ্যপ্রবাহ থেকে সরানো হয়েছে।

• প্রবিধান সম্পর্কে সচেতনতা আরও ভাল অনুবর্তিতা নিয়ে আসে: চেন্নাইয়ের উত্তরদাতাদের ব্যতিক্রম ছাড়া আর ইউ সি ও উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা কম। চেন্নাইতে বড় এবং ছোট খাবারের দোকানের একটি বৃহত্তর অংশ ইউ সি ও পুনরায় ব্যবহার করে না এবং মনোনীত সংগ্রাহক এবং অ্যাগ্রেগেটরদের মাধ্যমে এটি নিকাশ করে। বড় খাবারের দোকানের তুলনায় ছোট খাবারের দোকানগুলিতে খাদ্য নিরাপত্তা বিধি সম্পর্কে সচেতনতা কম, বিশেষ করে দিল্লি ও কলকাতায়। ছোট খাবারের দোকানগুলি অবাধে তাদের রান্নায় ইউ সি ও পুনরায় ব্যবহার করে। এই গবেষণার জন্য লিনিয়র রিগ্রেশন মডেলটি নির্দেশ করে যে বড় ও ছোট উভয় ধরনের খাবারের দোকানের জন্য উচ্চ স্তরের সচেতনতা তাদের রান্নার তেল পুনরায় ব্যবহার করার সম্ভাবনা ৯৮ শতাংশ কমিয়ে দেবে।

নীতি সুপারিশ

খাদ্যপ্রবাহে ইউ সি ও প্রবাহের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত আরও অনেক কিছু করতে পারে। কৌশলটির জন্য সরকার এবং এফ বি ও সেক্টর, চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের নেটওয়ার্ক, এবং সেইসঙ্গে ভোক্তা অধিকার গোষ্ঠীগুলি সহ সমস্ত অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। এই প্রতিবেদন নিম্নলিখিত নীতি সুপারিশ করে:

• ইউসিও প্রবিধানগুলিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা: বাস্তবায়ন ক্ষমতার খামতির কারণে এখনও পর্যন্ত এফ এস এস এ আই দ্বারা অনুমোদিত তাজা তেলের সঙ্গে ইউ সি ও টপ আপ করার অভ্যাস বন্ধ করা দরকার। নির্দেশিকাগুলিকে প্রসারিত করা উচিত ইউ সি ও–র প্রাণীর খাদ্য এবং পরিবারের ব্যবহার সহ খাদ্যপ্রবাহে পুনরায় প্রবেশের সমস্ত সম্ভাব্য উপায়গুলি বন্ধ করার জন্য। এফ এস এস এ আই–এর বিবেচনা করা দরকার কীভাবে আর ইউ সি ও অনুবর্তিতা দিনে ৫০ লিটারের কম তেল ব্যবহার করে এমন ভোজনশালাগুলির ক্ষেত্রেও প্রসারিত করা যায়।

• প্রয়োগের ক্ষমতা উন্নত করা: রাজ্যস্তরের খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ, যেগুলি ইউ সি ও ব্যবস্থাপনার নিয়মগুলি প্রয়োগ করে, তারা প্রায়শই কম কর্মী, এবং সাজসরঞ্জাম ও টাকার অভাবে ভোগে। এফ এস এস এ আই–কে অবশ্যই তৃণমূল স্তর থেকে উপর পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।

• স্বাস্থ্যের উপর ইউ সি ও পুনর্ব্যবহারের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা প্রচার করা: এফ এস এস এ আই–কে খাদ্য শিল্প সমিতি, ভোক্তা গোষ্ঠী, শিল্প সংস্থা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদ সহ বাস্তুতন্ত্রের অন্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে জড়িত থাকতে হবে, যাতে এফ বি ও–গুলিকে লক্ষ্য করে কার্যকর ও অবিরাম সচেতনতা প্রচার শুরু করা যায়। ভোক্তাদের জন্য সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানও চালানো প্রয়োজন, যাতে ইউ সি ও ব্যবহারের ঝুঁকিগুলি তুলে ধরা যায় এবং পারিবারিক স্তরে ইউ সি ও নিকাশের বিষয়ে কার্যকরী তথ্য দেওয়া যায়।

• শিল্পের স্বনিয়ন্ত্রণ উন্নত করা: খাদ্য উৎপাদন এবং পরিষেবা শিল্পের অংশীদারদের তাদের সদস্যদের খাদ্য সুরক্ষা মান এবং প্রবিধানগুলি মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।

• ইউ সি ও সংগ্রহের জন্য পরিকাঠামো বিকাশ করা: এই সমীক্ষাটি দেখিয়েছে যে অনুবর্তিতা নির্ভর করে সহায়ক পরিকাঠামোর উপর, যার মধ্যে ইউ সি ও সংগ্রহকারী ও অ্যাগ্রেগেটররাও আছেন। এফ এস এস এ আই বেসরকারি সেক্টরের দক্ষতা ব্যবহার করতে পারে, এবং সেই সঙ্গে ইউ সি ও স্টোরেজ, সংগ্রহ ও নিকাশের জন্য ভৌত পরিকাঠামো উন্নত করতে স্থানীয় স্বশাসন সংস্থাগুলির সঙ্গে বৃহত্তর সরকারি–বেসরকারি সহযোগিতার পথ তৈরি করতে পারে।

• বৃত্তাকার অর্থনীতির নীতিগুলি প্রচার করুন: যেহেতু জৈব জ্বালানি, সাবান ও ওলিও–রাসায়নিক সহ অ–খাদ্য ক্ষেত্রে ইউ সি ও–র উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে, তাই বাজারচালিত প্রণোদনা ব্যবস্থার মাধ্যমে ইউ সি ও খাদ্যপ্রবাহ থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি বিকল্প কাঠামো তৈরি করার সুযোগ আছে। এটি বৃত্তাকার অর্থনীতির নীতিগুলিকে চালিত করতে সাহায্য করবে, এবং ইতিবাচক স্বাস্থ্যের ফলাফলও এনে দেবে।

ভূমিকা

সামগ্রিক ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতে ভোজ্য তেলের ব্যবহার বেড়েছে। অন্যান্য কারণও বৃদ্ধিকে চালিত করেছে, যার মধ্যে আছে নগরায়ণ, রুচি ও পছন্দের পরিবর্তন, এবং প্রধানত মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির কারণে ক্রমবর্ধমান ক্রয়ক্ষমতা। অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ও আর এফ) দ্বারা ২০১৫ সালের একটি সমীক্ষা–সহ বিভিন্ন গবেষণায় এই বিষয়গুলির প্রমাণ পাওয়া গেছে।[১]

গত পাঁচ বছরে যদিও ভারতের ভোজ্য তৈলবীজের উৎপাদন ৪৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে, তা দেশের চাহিদার ৪০ শতাংশের মতো মেটাতে পারে। ভোজ্য তেলের বার্ষিক উপভোগের পরিমাণ ২৫ মিলিয়ন টন, যার ৬০ শতাংশ হয় গৃহস্থালি ক্ষেত্রে এবং ৪০ শতাংশ বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে (যেমন, খাদ্য উৎপাদন, হোটেল, রেস্তোরাঁ, এবং অন্যান্য সংস্থা যারা খাদ্য পরিবেশন করে, একত্রে ফুড বিজনেস অপারেটর বা এফ বি ও)।[২]  ২৫ মিলিয়ন টনের মধ্যে মাত্র ১০.৫ মিলিয়ন টন দেশীয় উৎপাদন থেকে আসে।[৩] বাকি ৫৮ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার মধ্যে ৮৬ শতাংশ পাম তেল ও সয়া তেল। এই উচ্চ আমদানি নির্ভরতা অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোজ্য তেলের দামের উচ্চ অস্থিরতার কারণ। বিশ্বব্যাপী ভোজ্যতেলের সরবরাহে বাধার কারণে ২০২১ সালের প্রথম দিকে দাম ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।[৪]

২০০৫–০৬ সালে মাথাপিছু ১১.২ লিটার থেকে ভোজ্য তেলের ব্যবহার ২০১৫–১৬ সালে বেড়ে হয়েছে ১৯.৫ লিটার, এবং সেই সঙ্গে ব্যবহৃত রান্নার তেল (ইউ সি ও) উৎপাদন একইভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।[৫] ইউ সি ও–কে বর্জ্য ভোজ্য চর্বি এবং প্রাণী বা উদ্ভিজ্জ উৎসের তেল হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়, যা রান্নার খাবার এবং বিশেষ করে উচ্চ তাপমাত্রায় ভাজার অবশিষ্ট উপজাত।[৬] ইউ সি ও–র প্রাথমিক উৎপাদক হল গৃহস্থালি এবং এফ বি ও।

এমন অনস্বীকার্য প্রমাণ রয়েছে যে বারবার ইউ সি ও সেবনের ফলে ক্যান্সার ও কার্ডিওভাসকুলার রোগ সহ অনেক অ–সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, এবং অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।[৭],[৮] তা সত্ত্বেও গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে ইউ সি ও–র ৬০ শতাংশ খাদ্যপ্রবাহে ফিরে আসার পথ খুঁজে পায়।[৯]

২০১৮ সালে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফ এস এস এ আই) ভোজ্যতেল ব্যবহার এবং ইউ সি ও নিকাশের নিরাপত্তা মান খোঁজার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। পরবর্তিকালে বায়োডিজেল উৎপাদনে ইউ সি ও–র টেকসই এবং অ–বিপজ্জনক নিকাশের ব্যবস্থার জন্য একটি নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া তৈরি করতে ২০১৮ সালে রিপারপাস ইউজড কুকিং অয়েল (‌আর ইউ সি ও) উদ্যোগ চালু করা হয়েছিল।[১০] অতি সম্প্রতি, আর ইউ সি ও উদ্যোগের পরিধি প্রসারিত করা হয়েছে যাতে সাবান ও লুব্রিকেন্ট তৈরিতেও ইউ সি ও ব্যবহার করে এর নিষ্পত্তি করা যায়। এই উদ্যোগটি ইউ সি ও খাওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং উপযুক্ত নিষ্পত্তি পদ্ধতি সম্পর্কে বেশ কয়েকটি জনসচেতনতামূলক প্রচারণাও চালু করেছে। এই উদ্যোগগুলি এই সত্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যে ইউ সি ও–কে আরও ভালভাবে অন্য ক্ষেত্রে, যেমন বায়োডিজেল এবং ওলিও–কেমিক্যাল–এ, ফিরিয়ে আনা যেতে পারে এবং তার ফলে জনস্বাস্থ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করার পরিবর্তে বৃত্তাকার অর্থনীতি এবং স্থায়িত্বের নীতিগুলিকে উন্নীত করা যেতে পারে। যাই হোক, উদ্যোগটি তার লক্ষ্যগুলি পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি, কারণ সামাজিক সচেতনতা কম রয়েছে, বাস্তবে এর রূপায়ণ দুর্বল, এবং ইউ সি ও উৎপাদকেরা প্রায়শই বিধিগুলি মেনে চলে না।

যদিও এফ এস এস এ আই নিয়মগুলি ১ জুলাই ২০১৮–এ কার্যকর হয়েছে, খাদ্য উৎপাদন এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অনুবর্তিতার মাত্রা কম ছিল।[১১] তা ছাড়া যেহেতু আর ইউ সি ও উদ্যোগের নিয়মকানুন শুধু যারা প্রতিদিন ৫০ লিটারের বেশি ভোজ্য তেল ব্যবহার করে তেমন এফ বি ও–গুলির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, তাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষুদ্র খাদ্য ব্যবসায়ী সংস্থাগুলির একটি বড়  অংশ যে কোনও নিয়ন্ত্রক তদারকি থেকে বেঁচে যায়।[১২] ফলস্বরূপ, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে উৎপন্ন বর্জ্য তেল পুনরায় ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্যপ্রবাহে ফিরে আসে, বা রাস্তার ধারের খাদ্য বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি হয়ে যায়। মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে,[১৩] দাম ‘‌প্রতিস্থাপন প্রভাব’‌ এ ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করে, কারণ ব্র্যান্ডেড ও প্যাকেজ করা ভোজ্য তেলের তুলনায় ইউ সি ও অনেক কম দামে বিক্রি হয়।

যদিও ইউ সি ও সেবনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিগুলিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিদ্যমান অধ্যয়ন রয়েছে, ভারতে চ্যালেঞ্জের পুরো বিষয়টি বোঝার ক্ষেত্রে এই অধ্যয়নগুলির মধ্যে বড়সড় খামতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদিও গবেষণাগুলি ইউ সি ও ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জিনোটক্সিক ও কার্সেনোজেনিক ঝুঁকির কথা নথিভুক্ত করেছে, তারা ইউ সি ও ব্যবহারের আর্থ–সামাজিক গতিশীলতা বা পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ, জনস্বাস্থ্যের ফলাফল, এবং জনসম্প্রদায়ের উপর স্বাস্থ্য ব্যয় ও উৎপাদনশীলতার প্রভাব ব্যাখ্যা করে না।[১৪]

বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে কীভাবে ইউ সি ও খাদ্য প্রবাহে ফিরে আসে সেই সংক্রান্ত জ্ঞানের শূন্যতা পূরণ করার ‌চেষ্টা করা হয়েছে এই অধ্যয়নটিতে। এটি গৃহস্থালি পর্যায়ে ইউ সি ও উপভোগের বিষয়টির সঙ্গে জড়িত নয়। এটি ভারতের চারটি শহরে — দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং চেন্নাইয়ে — বাণিজ্যিক খাদ্য পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলির ভোজ্য তেলের ব্যবহার এবং ইউ সি ও তৈরি হওয়ার অনুশীলনগুলি পরীক্ষা করে। এই সমীক্ষার ফলাফলগুলি বাণিজ্যিক স্তরে ইউ সি ও উৎপাদন এবং ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আরও স্পষ্টতা প্রদান করে, বাণিজ্যিক খাদ্য তৈরির সময় যে কারণগুলি ইউ সি ও–র পুনর্ব্যবহারে উৎসাহ দেয় তা চিহ্নিত করে, এবং এমন অনুধাবন তৈরি করে যা নীতিগুলিকে উন্নত করতে এবং দেশে ইউ সি ও ব্যবস্থাপনার জন্য নিয়ন্ত্রক ও প্রয়োগকারী ব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

অধ্যয়নের পদ্ধতি

প্রতিবেদনটিতে চারটি বিভাগ রয়েছে। ভূমিকার পর বিভাগ ২ ইউ সি ও সেবনের স্বাস্থ্যগত প্রভাবের উপর বিদ্যমান গবেষণাগুলি পরীক্ষা করেছে। বিভাগ ৩  ইউ সি ও সেবনের পাশাপাশি সামগ্রিক ইউ সি ও বাস্তুতন্ত্রের বৈশ্বিক ও জাতীয় প্রবণতাকে চিহ্নিত করেছে, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, ইউ সি ও ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারে বিশ্বব্যাপী সর্বোত্তম অনুশীলনগুলি চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছে। বিভাগ ৪ চারটি মহানগর জুড়ে বাণিজ্যিক ইউ সি ও উৎপাদন, ব্যবহার এবং নিকাশের নিদর্শনগুলি তুলে ধরেছে, এবং এর চালকগুলির পরিমাণগত ও গুণগত বিশ্লেষণের ফলাফল উপস্থাপন করেছে। এটি চিকিৎসা ও পুষ্টি পেশাদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ফলাফলও উপস্থাপন করে। প্রতিবেদনটি ভারতে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে, ইউ সি ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নত ব্যবস্থাপনার জন্য সুপারিশের একটি সেট দিয়ে শেষ হয়েছে।

প্রথম পদক্ষেপটি ছিল ভারতে ইউ সি ও ব্যবহার ও  ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত চর্চায় বিদ্যমান খামতি চিহ্নিত করা। লেখকরা অ্যাকাডেমিক আলোচনা, মিডিয়া রিপোর্ট, এবং কনজিউমার নলেজ প্রোডাক্ট, যেমন প্রেস রিলিজ, বিজ্ঞাপন এবং প্যামফ্লেট  খতিয়ে দেখেছেন। খামতিগুলি চিহ্নিত করার পর ভারতে ইউ সি ও বাস্তুতন্ত্রের পরিমাণগত ও গুণগত বিশ্লেষণ করার জন্য একটি প্রাথমিক সমীক্ষা করা হয়েছিল। প্রাথমিক সমীক্ষা হয় দুটি পর্যায়ে: চারটি মেট্রো শহর জুড়ে একটি কাঠামোগত সমীক্ষা,[১৫] এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও পুষ্টিবিদদের সাক্ষাৎকার।

প্রাথমিক সমীক্ষার প্রথম পর্বে চারটি শহরে ৫০৭টি বাণিজ্যিক এফ বি ও মালিকদের  সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে একটি কাঠামোগত প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে। প্রশ্নাবলির মাধ্যমে এফ বি ও–দের মধ্যে ইউ সি ও ভোক্তা ও উৎপাদকদের শনাক্তকরণ, তাদের ইউ সি ও ব্যবহারের পরিমাণ, ইউ সি ও বিক্রয় ও ব্যবহারের চালক, এবং বাস্তুতন্ত্রের উপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োগের প্রভাব চিহ্নিত করার বর্তমান জ্ঞানের খামতি পূরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। নমুনা দুটি বিভাগ থেকে নেওয়া হয়েছিল: বড় খাবারের দোকান, যার মধ্যে ছিল বসে খাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁ, কুইক সার্ভিস রেস্তোরাঁ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিন এবং বিবাহের ও ব্যাঙ্কোয়েট হল, যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৫০ লিটারের বেশি রান্নার তেল ব্যবহার করা হয়; এবং ছোটখাটো খাবারের দোকান, যেমন রাস্তার ধারের ভোজনশালা, খাবারের গাড়ি, ও ভাজার স্টল। বর্ণনামূলক পরিসংখ্যান ও ইকনোমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে অধ্যয়নটি ইউ সি ও পুনর্ব্যবহার, বিক্রয় ও প্রবিধানগুলির অনুবর্তিতা প্রভাবিত করে এমন ভেরিয়েবলগুলির মধ্যে সংযোগগত (‌অ্যাসোসিয়েটিভ)‌ ও কার্যকারণগত সম্পর্ক বোঝার চেষ্টা করেছে। গবেষণাটি চারটি শহর জুড়ে এফ বি ও–গুলির আচরণগত অনুশীলনের স্থানিক ভিন্নতার মানচিত্রও তৈরি করেছে।

দ্বিতীয় পর্বে ৩২ জন ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের সঙ্গে বিশেষজ্ঞ সাক্ষাৎকারের একটি সিরিজ ছিল, যাতে ইউ সি ও সেবন এবং রোগী ও বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের মধ্যে এর কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা এবং জ্ঞানের মাত্রার খতিয়ান নেওয়া যায়।

যদিও গবেষণা দলটি বিশ্লেষণের পদ্ধতির গুণমান এবং ব্যাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য তাদের সর্বোত্তম প্রচেষ্টা চালিয়েছে, তা সত্ত্বেও এই অধ্যয়ন নিম্নলিখিত সীমাবদ্ধতাগুলি স্বীকার করে:
• এটি ভারতে সম্পূর্ণ ইউ সি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের মানচিত্র তৈরি করার চেষ্টা করে না।
• যদিও এটি কিছু পরিমাণে ইউ সি ও সেবনের স্বাস্থ্যগত প্রভাব এবং কীভাবে তা দেশে রোগের বোঝাকে আরও বিস্তৃত করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করে, কিন্তু এখানে বিশেষভাবে পরিবার–স্তরের ইউ সি ও ব্যবহার পরীক্ষা করেনি।
• সমীক্ষার প্রথম পর্বে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে উত্থাপিত বেশিরভাগ প্রশ্ন, বিশেষ করে ইউ সি ও বাজারের ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রশ্নগুলি, ছিল এমন অনুশীলন সংক্রান্ত যা আইনত অনুমোদিত না–হলেও এখনও অব্যাহত রয়েছে৷ এই ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াগুলি রিপোর্ট করার সময় সেগুলিকে প্রসঙ্গ–অনুসারী করে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল।
• সমীক্ষার উভয় পর্যায়ই পরিচালিত হয়েছিল এমন সময়ে যখন সারা দেশে  কোভিড–১৯ অতিমারি সংক্রমণের সংখ্যা ছিল উচ্চ। গবেষণা দল এই কারণে গবেষণায় অপারেশনাল অসুবিধার কথা স্বীকার করে নিচ্ছে।

সমীক্ষার সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়ুন এখানে


লিঙ্কের জন্য মূল নিবন্ধ দেখুন:‌ https://www.orfonline.org/research/diversion-of-used-cooking-oil-into-the-food-stream/

[১] নীলাঞ্জন ঘোষ ও অন্যান্য, “ইন্ডিয়া’‌জ এফ টি এ–জ উইথ ইস্ট অ্যান্ড সাউথইস্ট এশিয়া: ইমপ্যাক্ট অফ ইন্ডিয়া–মালয়েশিয়া সি ই সি এ অন দ্য এডিবল অয়েল ভ্যালু চেন,” অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন অকেশনাল পেপার নাম্বার ৭৩, অক্টোবর ৬, ২০১৫।
[২] রিপারপাস ইউজড কুকিং অয়েল, এফ এস এস এ আই।
[৩] শুভম শঙ্খধর, “হোয়াই এডিবল অয়েল প্রাইসেস আর অন ফায়ার,” ইন্ডিয়া টুডে, জুন ১৬, ২০২১।
[৪] হরিকৃ্ষ্ণ শর্মা, ‘‘কনসার্নড’ অ্যাজ অয়েল প্রাইসেস সোর টু ইলেভন–ইয়ার হাই, গভর্নমেন্ট টেকস স্টক,” দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, মে ২৬, ২০২১।
[৫] “বাইং অফ পাম অয়েল ফ্রম মালয়েশিয়া,” বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০।
[৬] পরিবেশ, অরণ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক, ভারত সরকার, এপ্রিল ৪, ২০১৬।
[৭] “রিসাইকলড কুকিং অয়েলস: অ্যাসেসমেন্ট অফ রিস্কস ফর পাবলিক হেলথ,” ইউরোপার্ল, সেপ্টেম্বর ২০০০।
[৮] গাই ক্রসবি, “ডু কুকিং অয়েলস প্রেজেন্ট আ হেলথ রিস্ক?‌” আই এফ টি, মে ১, ২০১৮।
[৯] রিপারপাস ইউজড কুকিং অয়েল, এফ এস এস এ আই।
[১০] “স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর অন রেগুলেটরি অ্যাকশন এগেনস্ট ম্যালপ্র‌্যাক্টিসেস ইন ডিজপোজাল অফ ইউজড কুকিং অয়েল,” এফ এস এস এ আই, জানুয়ারি ২৭, ২০২২।
[১১] অনিলা কুরিয়েন, “কুকিং অয়েল রিইউজ টু বি ট্র‌্যাকড,” ডেকান হেরাল্ড, ফেবরুয়ারি ২০, ২০১৯।
[১২] টি এন এন, “ওয়ান ইন টেন স্ট্রিট ফুড ভেন্ডরস ইন তামিল নাডু রিইউজেস কুকিং অয়েল,” দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, জুন ২৬, ২০২২।
[১৩] কাঞ্চন শ্রীবাস্তব, “ইউজড কুকিং অয়েল ইন ইন্ডিয়া ডাইভার্টেড টু ফুড চেন; পাবলিক হেলথ অ্যান্ড বায়োডিজেল সেক্টরস সাফার,” আর্থ জারনালিজম নেটওয়র্ক, আগস্ট ১২, ২০২১।
[১৪] রেখাদেবী পেরুমালা বেঙ্কট এবং রাজাগোপাল সুব্রহ্মণ্যম, “ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য ডিলিটারিয়াস হেলথ এফেক্টস অফ কনজাম্পশন অফ রিপিটেডলি হিটেড ভেজিটেবল অয়েল,” টক্সিকোলজি রিপোর্টস, (২০১৬), ৬৩৬-৬৪৩.
[১৫] প্রাথমিক সমীক্ষাটি ২০২২ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৪টি শহরে মুখোমুখি (এফ টি এফ) কলম–কাগজ নিয়ে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার (পি এ পি আই) আকারে ইমপেটাস রিসার্চ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

মতামত লেখকের নিজস্ব।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Contributors

Oommen C. Kurian

Oommen C. Kurian

Oommen C. Kurian is Senior Fellow and Head of Health Initiative at ORF. He studies Indias health sector reforms within the broad context of the ...

Read More +
Mona

Mona

Mona is a Junior Fellow with the Health Initiative at Observer Research Foundation’s Delhi office. Her research expertise and interests lie broadly at the intersection ...

Read More +
Debosmita Sarkar

Debosmita Sarkar

Debosmita Sarkar is a Junior Fellow with the Sustainable Development and Inclusive Growth Programme, Centre for New Economic Diplomacy at Observer Research Foundation. Her research ...

Read More +
Abhijit Mukhopadhyay

Abhijit Mukhopadhyay

Abhijit was Senior Fellow with ORFs Economy and Growth Programme. His main areas of research include macroeconomics and public policy with core research areas in ...

Read More +
Niharika

Niharika

Niharika is an Economic Associate at Koan Advisory Group a New Delhi-based consultancy. Her current research focus includes sustainability gender issues international trade and development.

Read More +
Nikhil Goveas

Nikhil Goveas

Nikhil Goveas is Head of Special Projects at Koan Advisory Group a New Delhi-based consultancy. Nikhil leads Koan's work on agriculture and sustainability.

Read More +