Author : Ranjit B Rai

Expert Speak Raisina Debates
Published on Apr 15, 2026 Updated 2 Days ago

নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী এবং ডুবোজাহাজগুলির ভূমিকা থাকলেও পর্যবেক্ষণ, আক্রমণ এবং নির্দেশনার ক্ষেত্রে মহাকাশ সক্ষমতার প্রাধান্য মতবাদ ও সামরিক কাঠামোকে নতুন রূপ দিচ্ছে।

সমুদ্র কৌশলের জন্য আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব কেন অপরিহার্য

যুদ্ধ কৌশলগত শিক্ষা প্রদান করে। ইউরোপ মধ্যপ্রাচ্যের আজকের সংঘাতগুলি বিমানড্রোনক্ষেপণাস্ত্রমহাকাশ সম্পদস্যাটেলাইট এবং আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য অস্ত্রের নাটকীয় অগ্রগতির সঙ্গে উন্মোচিত হচ্ছে। এই অগ্রগতিগুলি দর্শায় যে১৯২১ সালে রচিত কর্নেল জুলিও দুহে- বিমান-কেন্দ্রিক তত্ত্ব, ‘দ্য কমান্ড অফ দ্য এয়ারহ্যালফোর্ড ম্যাকিন্ডারের হার্টল্যান্ড তত্ত্ব এবং আলফ্রেড থেয়ার মাহানের সমুদ্র শক্তি মতবাদের মতো পুরনো কৌশলগত দৃষ্টান্তগুলি ক্রমান্বয়ে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। ম্যাকিন্ডার যুক্তি দিয়েছিলেন যেইউরেশিয়ার হার্টল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তার করে অন্য দিকে মাহান মনে করতেন যেএকটি শক্তিশালী নৌবাহিনীবাণিজ্যিক নৌবহর এবং বিদেশি ঘাঁটি দ্বারা সমর্থিত নৌ আধিপত্যই জাতীয় মহত্ত্ব এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাবের ভিত্তি। মাহানের ধারণাগুলিই সামুদ্রিক শক্তিগুলিরবিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্থানকে রূপ দিয়েছিল কিন্তু বিমান মহাকাশ সক্ষমতার দ্রুত উত্থান এই ভারসাম্যকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। ১৯৮৭ সালের ২৬ জুলাই জাতীয় নিরাপত্তা আইন (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টস্বাক্ষরিত হওয়ার পর মার্কিন বিমান বাহিনী একটি স্বাধীন পরিষেবা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৮৭ সালের ২৬ জুলাই জাতীয় নিরাপত্তা আইন (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট) স্বাক্ষরিত হওয়ার পর মার্কিন বিমান বাহিনী একটি স্বাধীন পরিষেবা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

ইতালীয় বিমানশক্তি সংক্রান্ত তাত্ত্বিক দুহে জোর দিয়েছিলেন যেআকাশে আধিপত্যই নির্ণায়ক: কৌশলগত বোমাবর্ষণ শত্রুর শিল্প ভিত্তি এবং মনোবল ধ্বংস করে দিতে পারে এবং ‘আকাশের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করাই বিজয়ের অর্থ’ তিনি প্রতিপক্ষের প্রতিরোধের ইচ্ছা ক্ষমতা ভেঙে দেওয়ার জন্য এমনকি সামুদ্রিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধেও দ্রুত আক্রমণাত্মক বিমান অভিযানের পক্ষে ছিলেন। এই মতামতের জন্য তিনি তীব্র ভাবে সমালোচিত হলেও তাঁর মূল অন্তর্দৃষ্টি  অর্থাৎ আকাশ শ্রেষ্ঠত্ব যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণ করতে পারে নতুন করে প্রাসঙ্গিকতা লাভ করেছে কারণ উন্নত আকাশ ব্যবস্থার নাগালনির্ভুলতা এবং প্রাণঘাতী ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চতুর্থ বছরে পদার্পণকারী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং চতুর্থ সপ্তাহে চলমান ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েল-মার্কিন ঝটিকা আক্রমণ দুহে- চিন্তাভাবনাকে সত্য প্রমাণ করে কারণ এই শতাব্দীতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মুরের সূত্রের মতো প্রবণতার অধীনে ত্বরান্বিত হচ্ছে অর্থাৎ সামরিক বিষয়ে প্রযুক্তির একটি বিশাল প্রভাব রয়েছে। উদ্ভাবনগুলি সাধারণত তাৎক্ষণিক সমস্যা চ্যালেঞ্জের ব্যবহারিক সমাধান হিসাবে শুরু হয়তার পর মতবাদের আকার ধারণ করে এবং বাহিনীরণকৌশল যুদ্ধ বিন্যাসকে (অর্ডার অফ ব্যাটল বা অরব্যাটনতুন রূপ দেয়। এই উদ্ভাবনগুলি অর্থনৈতিকরাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যবস্থার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে এবং মহড়াঅভিযান যুদ্ধের মাধ্যমে এদের কৌশলগত তাৎপর্য যাচাই করা হয়। এর ফলস্বরূপ সামরিক বিষয়ে যে বিপ্লব (রেভোলিউশন ইন মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স বা আরএমএঘটছেতা পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করছে: রকেট প্রযুক্তিড্রোননিখুঁত যুদ্ধাস্ত্রবৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকোয়ান্টাম প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রের উন্নতি সম্মিলিত ভাবে যুদ্ধ করার পদ্ধতিকে বদলে দিচ্ছে।

চিরাচরিত ভাবে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ ডাচব্রিটিশ এবং পরবর্তীতে মার্কিন সাম্রাজ্যগুলিকে বাণিজ্য পথ সুরক্ষিত করতেশক্তি প্রদর্শন করতে এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতিহত করতে সক্ষম করেছিল। সামুদ্রিক আধিপত্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ নিরাপদ সমুদ্রপথ এবং নৌ-প্রবেশাধিকার বাণিজ্যসম্পদের প্রাপ্তি এবং অবরোধ আরোপের ক্ষমতা নির্ধারণ করত। কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তিগত প্রবণতার কারণে যুদ্ধজাহাজ  বড় বিমানবাহী রণতরীগুলি আকাশসমুদ্র এবং মহাকাশ-ভিত্তিক মঞ্চ থেকে পরিচালিত দূরপাল্লার আক্রমণের কাছে ক্রমশ অরক্ষিত হয়ে পড়ছে। ফলস্বরূপলেখকের যুক্তি অনুযায়ী, ‘সমুদ্রের আধিপত্যই দেশগুলির ভাগ্য নির্ধারণ করে’… এই প্রবাদটিকে সংশোধন করে ‘আকাশের আধিপত্যই ক্রমশ নির্ধারণ করছে কে সমুদ্র নিয়ন্ত্রণ করবে’… এমনটা করা উচিত।

চতুর্থ বছরে পদার্পণকারী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং চতুর্থ সপ্তাহে চলমান ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েল-মার্কিন ঝটিকা আক্রমণ দুহে-র চিন্তাভাবনাকে সত্য প্রমাণ করে। কারণ এই শতাব্দীতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মুরের সূত্রের মতো প্রবণতার অধীনে ত্বরান্বিত হচ্ছে অর্থাৎ সামরিক বিষয়ে প্রযুক্তির একটি বিশাল প্রভাব রয়েছে।

এই বিপরীতমুখী পরিবর্তন নৌবাহিনী বা স্থলবাহিনীকে অপ্রাসঙ্গিক করে তোলে না। সেনাবাহিনীনৌবাহিনী  বিমানবাহিনীর মধ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা অভিযান অর্থাৎ যৌথতা অপরিহার্যই থেকে যায়। স্থলবাহিনী ভূখণ্ড ধরে রাখেনৌবাহিনী এখনও সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সামুদ্রিক শক্তি প্রদর্শন করতে পারেএবং বিমানবাহিনী গতিনাগাল নির্ভুলতা প্রদান করে। তবে মহাকাশ সক্ষমতা এখন পর্যবেক্ষণআঘাত হানা এবং নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক স্তর সরবরাহ করে সেগুলি হল অবিরাম নজরদারিদ্রুত কৌশলগত চালনাস্তরভিত্তিক আঘাত হানা এবং স্থিতিস্থাপক রসদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। যখন বিমানশক্তি নেতৃত্ব দেয়তখন এটি যুদ্ধের কার্যকারিতা বহুগুণে বাড়িয়ে তোলেশত্রু নিধনের ধারাবাহিকতাকে খর্ব করেমিত্রপক্ষের হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করে এবং আকাশ থেকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহআকাশবাহিত সেন্সর  আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যবস্থার মতো সক্ষমতার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ অঞ্চল থেকে উপকূলীয় গভীর জলের পরিবেশ পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রের রূপদান করে।

পারমাণবিক এসএসবিএন সাবমেরিন পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রদান করেকিন্তু ডুবোজাহাজের হুমকি অর্থাৎ এসএসএন সাবমেরিনের উপর আক্রমণ এখনও গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তবে ডুবন্ত সোনার-যুক্ত ডুবোজাহাজ-বিরোধী যুদ্ধ হেলিকপ্টারম্যাগনেটিক অ্যানোমালি ডিটেক্টর (ম্যাড), সোনোবুয়োনীল-সবুজ লেসার-সহ আকাশবাহিত সেন্সর এবং স্বয়ংক্রিয়আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য টর্পেডোর মতো আকাশ-চালিত ব্যবস্থা ব্যবহার করে এগুলি প্রশমিত করা যেতে পারে। ভারত-সহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রের কাছে ১২টি পি-৮আই সামুদ্রিক টহল বিমান২৪টি পারমাণবিক এমএইচ-৬০আর হেলিকপ্টার এবং এমকে ৪৮ টর্পেডো রয়েছেযাদের ইতিমধ্যেই এই ধরনের সমন্বিত সক্ষমতা আছে। সুতরাং শুধুমাত্র বৃহৎ নৌবহরের উপর নির্ভর না করেসমন্বিত বিমান-নৌ অভিযান ডুবোজাহাজ হুমকি দমন করতে এবং সমুদ্র নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করতে পারে। নাবিকবিহীন সশস্ত্র প্ল্যাটফর্ম - যা ছোট নাবিকবিহীন জাহাজ (বা স্মল আনক্রিউড ভেসেলনামে পরিচিতপ্রণালী  সঙ্কীর্ণ জলপথে টহল দিতে পারে এবং জানা যায় যেহরমুজ প্রণালীর জন্য ইরানের কাছে ধরনের যান রয়েছে।

নিঃসন্দেহেমার্কিন সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স একটি প্রভাবশালী শক্তি হিসেবেই রয়ে গিয়েছে কিন্তু মার্কিন অভিযানগুলি থেকে শিক্ষা নিয়ে চিনের দ্রুত সামরিক অর্থনৈতিক উত্থান ক্ষমতার প্রদর্শনকে নতুন রূপ দিচ্ছে - বিশেষ করে দক্ষিণ চিন সাগরে - যা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাকে বদলে দিচ্ছে। ১৯৮০-এর দশক থেকে শুরু হওয়া সাম্প্রতিক মার্কিন অভিযান হস্তক্ষেপ এবং অতি সম্প্রতি ইউক্রেনের জন্য ফাইভ আইজ-এর গোয়েন্দা বস্তুগত সহায়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অভিযানগুলি দর্শায় যেকী ভাবে বিমান শক্তি এবং অভিযানগত সক্ষমতা কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। চলমান আঞ্চলিক সংঘাতগুলিতে — যেমন ইরানি লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে মার্কিন-ইজরায়েল পদক্ষেপ বিমান শক্তিই নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছেযদিও বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপের মতো নৌ সম্পদগুলি ক্রমবর্ধমান নির্ভুল এবং দূরপাল্লার অ্যান্টি-অ্যাক্সেস/এরিয়া-ডিনায়াল (এ২/এডি) ব্যবস্থার হুমকির মুখে কাজ করছে। ইরান এমনকি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে দিয়েগো গার্সিয়াতে হামলা চালানোর চেষ্টাও করেছে।

শুধুমাত্র বৃহৎ নৌবহরের উপর নির্ভর না করে, সমন্বিত বিমান-নৌ অভিযান ডুবোজাহাজ হুমকি দমন করতে এবং সমুদ্র নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করতে পারে।

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা স্পষ্টতই একটি কঠোর ওয়েস্টফ্যালিয়ান (তিরিশ বছর যুদ্ধের শেষে ১৬৪৮ সালে পিস অফ ওয়েস্টফ্যালিয়ার পর যা উদ্ভূত হয়), নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থা থেকে সরে যাচ্ছে। বৃহৎ শক্তিগুলি তাদের ভূখণ্ডগত কূটনৈতিক প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করছে এবং প্রায়শই বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান আইনি সীমাবদ্ধতা এড়িয়ে চলছে। এই রীতিনীতির পশ্চাদপসরণপ্রযুক্তিগত বিস্তার এবং তীব্রতর প্রতিযোগিতার সঙ্গে মিলিত হয়ে ভবিষ্যতের ভূ-রাজনৈতিক পরিণতি সম্পর্কে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। সম্পদের প্রতিযোগিতা বিশেষ করে তেল নিয়ে সংঘাতের একটি শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে রয়ে গিয়েছে।

বিমানশক্তির দৃষ্টান্তমূলক ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতের বালাকোট (২০১৯) এবং অপারেশন সিঁদুরের (মে২০২৫) মতো হামলাগুলিযা নৌবাহিনীর কম সম্পৃক্ততার সময়েও নিখুঁত বিমান হামলার কৌশলগত উপযোগিতা প্রদর্শন করেছে। একই ভাবেইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং ইজরায়েল-ইরান সংঘাতের মতো ঘটনাগুলি দর্শায় যেড্রোন এবং দূরপাল্লার নিখুঁত অস্ত্রের পাশাপাশি আকাশ মহাকাশ সক্ষমতা কী ভাবে আধুনিক যুদ্ধকে রূপ দেয়। ডব্লিউ বি ইয়েটসের সেই কবিতাযা এক শতাব্দী আগে যুদ্ধের আসন্ন বিশৃঙ্খলাকে ধারণ করেছিল  ‘সব কিছু ভেঙে পড়ছে; ভরকেন্দ্র আর ধরে রাখতে সক্ষম নয়’ (‘থিংস ফল অ্যাপার্ট, দ্য সেন্টার ক্যান নট হোল্ড’) — আজকের এই অস্থির পরিবেশে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়।

সংক্ষেপেনৌ আকাশ শক্তির মধ্যে ভারসাম্য পরিবর্তিত হচ্ছে এবং আকাশ সংক্রান্ত শ্রেষ্ঠত্ব ক্রমশ সামুদ্রিক অঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে। যদিও নৌবাহিনীসেনাবাহিনী এবং ডুবোজাহাজ তাদের ভূমিকা ধরে রেখেছে বিশেষ করে যখন আকাশ শক্তির সঙ্গে তা সমন্বিত হয়  শনাক্তকরণআক্রমণ এবং কম্যান্ডের ক্ষেত্রে মহাকাশ সক্ষমতার প্রাধান্য মতবাদ এবং শক্তি কাঠামোকে নতুন রূপ দিচ্ছে। অতীতের সেই মূলমন্ত্রকে — অর্থাৎ সমুদ্র শক্তিই নিয়তি এমন এক যুগের জন্য অবশ্যই সংস্কার করা জরুরিযেখানে আকাশের আধিপত্যই মূলত নির্ধারণ করে দেয় যেসমুদ্রে কার আধিপত্য থাকবে।

 


রঞ্জিত বি রাই ইন্ডিয়ান মেরিটাইম ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.