Published on Dec 05, 2025 Updated 0 Hours ago

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সত্ত্বেও ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসারিত হওয়া বা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফর থেকে কী আশা করা যায়

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন - ডিসেম্বর নয়াদিল্লি সফর করবেন। চার বছরের মধ্যে এটি তাঁর প্রথম ভারত সফর, যা আবার নিয়মিত ভারত-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের সূচনা করবে। আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের অ্যাজেন্ডাটি বেশ বিস্তৃত, যেখানে জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, বেসামরিক বিমান চলাচল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বিনিয়োগ প্রকল্প এবং শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা এবং সম্ভাব্য চুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক: স্থবিরতা থেকে পুনঃসূচনা

ইউক্রেনের যুদ্ধ ভারতীয় বিদেশনীতির জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল, যা নয়াদিল্লিকে রাশিয়া এবং পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্যমূলক অবস্থান অনুসরণ করতে বাধ্য করেছিল। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে মনে হয়েছিল যে নয়াদিল্লির দৃষ্টিভঙ্গি মস্কোর সঙ্গে পারস্পরিকভাবে উপকারী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বজায় রেখেও, বিশেষ করে জ্বালানি ক্ষেত্রে, শুধু কম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মিথস্ক্রিয়া বজায় রাখার দিকেই ঠেলে দিয়েছে।

যদিও ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও রাজনৈতিক ধুমধাম এড়িয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে সুনির্দিষ্ট আলোচনায় মনোনিবেশ করেছিল, তবুও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিসংখ্যান ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে বাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র ১৩. বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬৮. বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা নিকট ভবিষ্যতে ১০০ বিলিয়ন ডলারের নতুন লক্ষ্য অর্জনের আশা জাগিয়ে তুলেছে। এই বৃদ্ধি মূলত ভারতের বৃহত্তম তেল সরবরাহকারী হিসেবে রাশিয়ার আবির্ভাবের কারণে হয়েছিল, যা মূল্যের দিক থেকে ভারতের মোট তেল আমদানির ৩৫ শতাংশ

২০২৪ সালের জুলাই এবং অক্টোবরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যথাক্রমে মস্কো এবং কাজান সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ উন্মোচন ঘটে। বহিরাগত বাধা সত্ত্বেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতীয় শোধনাগারগুলিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রবাহিত হওয়ার পাশাপাশি ভারত এবং রাশিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সক্ষম হয়েছিল।

ভারতের সতর্কতামূলক ভারসাম্য রক্ষার যুক্তিতে, এই ক্ষেত্রটিকে পূর্বে ওয়াশিংটনের "লাল রেখা" হিসেবে বিবেচনা করা হত, যার উদাহরণ হিসেবে কাউন্টারিং আমেরিকাজ অ্যাডভার্সারিজ থ্রু স্যাঙ্কশনস অ্যাক্ট (সিএএটিএসএ) প্রয়োগের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ এবং রাশিয়ার তেল রাজস্বের উপর বিধিনিষেধের মধ্যে যা মূলত অলক্ষিত ছিল তা হল রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের সঙ্গে নয়াদিল্লির নীরব পুনঃসম্পর্ক স্থাপন, যার ফলে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী চুক্তি হয়েছে।


তেল আমদানির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকায়, শীর্ষ সম্মেলনের লক্ষ্য হবে রাশিয়ায় ভারতীয় রপ্তানি, বিশেষ করে ওষুধ, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা।



পাইপলাইনে থাকা অথবা ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলির মধ্যে রয়েছে প্যানসির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যৌথ উন্নয়ন এবং ভারতের ভোরোনেজ প্রাথমিক সতর্কীকরণ রাডার সিস্টেমের সম্ভাব্য ক্রয়, যার পাল্লা ৬০০০ কিলোমিটারেরও বেশি। এছাড়াও, অপারেশন সিন্দুর জুড়ে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রধান এপি সিং এমনকি রাশিয়ান এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ‘‌একটি গেম-চেঞ্জার’‌ বলে অভিহিত করেছেন। নয়াদিল্লি এস-৪০০ ইউনিটের অতিরিক্ত গুচ্ছ অর্জনে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে, পূর্ববর্তী চুক্তির অধীনে অবশিষ্ট ইউনিটগুলির সরবরাহের সময়সূচি তার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি, এবং ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। এর অর্থ হল ভারত তাদের বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কে দ্রুত অন্তর্ভুক্তির আশা করতে পারে না।

ভারত-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে বাণিজ্য সহযোগিতা প্রাধান্য পাবে। বাণিজ্য লেনদেনের দ্রুত বৃদ্ধির সময়কাল সম্ভবত তার শীর্ষে পৌঁছেছে। যদিও রাশিয়ার দুটি বৃহত্তম তেল কোম্পানির (রোসনেফ্ট লুকোয়েল) বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলি রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানি সম্পর্ক সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার সম্ভাবনা কম, তবে এটি স্পষ্টতই বিশ্বায়িত ভারতীয় ব্যবসাগুলিকে ভবিষ্যতের লেনদেন থেকে বিরত রাখবে, যার ফলে রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানি কমবে। এবং যদি অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম সরবরাহ হ্রাস করা হয়, তবে এটি বাণিজ্য পরিসংখ্যানের ঊর্ধ্বমুখী গতিপথকে উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করবে। তেল আমদানির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকায়, শীর্ষ সম্মেলনের লক্ষ্য হবে রাশিয়ায় ভারতীয় রপ্তানি, বিশেষ করে ওষুধ, যন্ত্রপাতি এবং কৃষি পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা।

ভারতের উপর ট্রাম্পের চাপ এবং মোদীর প্রতিক্রিয়া

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির শুরুর সময়কাল ভারত-মার্কিন সম্পর্কের জন্য এক কঠিন পথে পরিণত হয়েছে। যদিও নয়াদিল্লি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনেক দাবি মেনে নিতে ইচ্ছুক ছিল, যার মধ্যে মার্কিন জ্বালানি সম্পদ এবং অস্ত্রের বর্ধিত ক্রয় অন্তর্ভুক্ত ছিল, এই ধরনের নমনীয়তা তাকে লিবারেশন ডে শুল্কের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে বাধা দেয়নি। এর পরেই ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ ঘটে, এবং তিনি নিজেকে যুদ্ধবিরতির পিছনে প্রধান শক্তি হিসেবে ঘোষণা করেন। ভারত পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য তাঁর জেদ ভারতীয় কূটনীতির জন্য একটি কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা নয়াদিল্লিকে বারবার এই দাবিগুলি খণ্ডন করতে বাধ্য করেছে।

তার উপরে, ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার জন্য মার্কিন-রাশিয়া আলোচনায় কোনও বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার নিকটতম অর্থনৈতিক অংশীদারদের মাধ্যমে মস্কোর উপর চাপ প্রয়োগের দিকে ঝুঁকেছে। এর ফলে রাশিয়া-সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচিতে ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যে কারণে তার বিভিন্ন পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। আরোপিত পদক্ষেপগুলি কৃষি, অটোমোবাইল উৎপাদন, অ্যালুমিনিয়াম ইস্পাত উৎপাদন, তামা প্রক্রিয়াকরণ এবং টেক্সটাইল সহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় শিল্পকে প্রভাবিত করেছে।

এই সমস্যা সমাধান করা নয়াদিল্লির জন্য দ্বিপর্যায়-পদক্ষেপের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথমত, এমন একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিয়ে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা কমিয়ে আনবে, এবং নিজস্ব উৎপাদকদের রক্ষা করার পাশাপাশি মার্কিন দেশের রপ্তানিতে আরও বেশি বাজার প্রবেশাধিকার প্রদান করবে; এবং দ্বিতীয়ত, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি এমনভাবে কমানো যা জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রতিবেদনগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য আলোচনা ভালভাবে এগিয়ে চলেছে, এবং প্রথম পর্যায় এখন ‘‌সমাপ্তির কাছাকাছি ’‌

ট্রাম্প যখন ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ করতে রাশিয়াকে বাধ্য করার আরও উপায় খুঁজছেন, তখন সম্ভবত মার্কিন কংগ্রেস রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির উপর ‘‌অত্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা’‌ আরোপ করার আইন পাস করবে।



গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, ভারতের মার্কিন তেল আমদানি বাড়ছে। ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বার্ষিক প্রায় . মিলিয়ন টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির জন্য এক বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা ভারতের বার্ষিক এলপিজি আমদানির প্রায় ১০ শতাংশ। একই সঙ্গে, দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কার কারণে, বিশেষ করে বেসরকারি ভারতীয় শোধনাগারগুলির রাশিয়ার তেল আমদানি হ্রাস পাচ্ছে।

তবে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে রাশিয়া-সম্পর্কিত অন্য বাধাগুলির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখা গল্পের শেষ নয়। মার্কিন-রাশিয়া সংলাপ যখন ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে, ভারত তখন মার্কিন রাশিয়া-বিরোধী পদক্ষেপের ফায়ারিং লাইনে থাকতে প্রস্তুত। ট্রাম্প যখন ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ করতে রাশিয়াকে বাধ্য করার আরও উপায় খুঁজছেন, তখন সম্ভবত মার্কিন কংগ্রেস রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির উপর ‘‌অত্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা’‌ আরোপ করার আইন পাস করবে।

২০২৫ সালের রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আইনে রাশিয়া থেকে উৎপাদিত তেল, ইউরেনিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম বা পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ‘‌জেনেশুনে’‌ ক্রয়কারী বা স্থানান্তরকারী দেশগুলির উপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের একটি প্রক্রিয়া প্রস্তাব করা হয়েছে। যেহেতু মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপগুলির উপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কর্তৃত্ব থাকবে, তাই বিলটি ভারতের উপর ডেমোক্লিসের তরবারি হয়ে উঠতে পারে, যা রাশিয়া থেকে তার জ্বালানি আমদানিকে আরও চাপে ফেলতে পারে। তাছাড়া, ভারত যখন রাশিয়ার সঙ্গে বড় বড় প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন সিএএটিএসএ- আওতায় দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞার হুমকি থেকে গিয়েছে এবং ট্রাম্প প্রশাসন পুনরুজ্জীবিত ভারত-রাশিয়া প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে ভেঙে ফেলার জন্য এগুলি ব্যবহার করতে পারে।

যদিও ভারত সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সতর্ক ছিল, তবুও নয়াদিল্লির সঙ্গে ট্রাম্পের প্রকাশ্য কূটনীতি দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি ত্রুটি তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর কিছু সিনিয়র উপদেষ্টা যেভাবে তাঁদের মন্তব্যের মাধ্যমে ভারতকে অবজ্ঞা করেছেন, তা মোদীর জন্য  একটি অভ্যন্তরীণ দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে তিনি তাঁর প্রথম দুই মেয়াদে যেমন করেছিলেন সেইভাবে ভারত-মার্কিন অ্যাজেন্ডা এগিয়ে নিয়ে চলার জন্য তাঁর বিকল্পগুলি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, তাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিঃসন্দেহে অব্যাহত থাকবে। তবে, সাম্প্রতিক বিতর্কগুলি, যা জনসাধারণের চেতনায় গভীরভাবে প্রবেশ করেছে, তা ভারত-মার্কিন সম্পর্কের উপর আস্থা হ্রাস করবে।

এদিকে, পুতিনের এই সফর ভারতে রাশিয়ার অবস্থান আরও জোরদার করার জন্য প্রস্তুত। নয়াদিল্লির জন্য রাশিয়ার ‘‌সময়-পরীক্ষিত অংশীদার’‌ হিসেবে আখ্যান অভ্যন্তরীণ কথনে এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যে, ভারতের বিদেশনীতি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বহিরাগত ধাক্কা থেকে মুক্ত। এই কারণে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্তর্নিহিত শর্তগুলি ততটা শক্তিশালী না হলেও, এবং একাধিক বিষয় অংশীদারিত্বকে প্রসারিত হতে বাধা দিলেও, ভারত রাশিয়ার সঙ্গে তার অংশীদারিত্বে বিনিয়োগ চালিয়ে যাবে। তাই পুতিনের সফরের ফলাফল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একটি সংকেত পাঠানোর মতোই হবে, পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উদ্বেগগুলিকেও প্রশমিত করবে যে ভারত ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।



এই ভাষ্যটি প্রথম দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট -‌ প্রকাশিত হয়েছিল।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Harsh V. Pant

Harsh V. Pant

Professor Harsh V. Pant is Vice President - ORF and Studies at Observer Research Foundation, New Delhi. He is a Professor of International Relations with ...

Read More +
Aleksei Zakharov

Aleksei Zakharov

Aleksei Zakharov is a Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. His research focuses on the geopolitics and geo-economics of Eurasia and the Indo-Pacific, with particular ...

Read More +