দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি চিনের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক হিসাব-নিকাশকে বিঘ্নিত করছে এবং পাকিস্তানের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে তার সম্পর্ককে জটিল করে তুলছে।
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে চিন নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এত বছর ধরে চিন তার প্রধান বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এবং কুনমিং ত্রিপাক্ষিক সম্মেলনের মতো ‘ভারত-বর্জিত’ বহুপাক্ষিক মঞ্চগুলির মাধ্যমে এই অঞ্চলে ভারতের চিরাচরিত আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য নিজের মিত্রদের একটি বলয় তৈরি করতে চেয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি চিনের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে জটিল করে তুলেছে।
পাকিস্তানের ক্ষেত্রে চিনের এই উভয়সঙ্কট অন্য যে কোনও দেশের চেয়ে বেশি স্পষ্ট। যেমনটা জানা গিয়েছে, পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের প্রধান কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দু এবং চিন-পাকিস্তান সম্পর্ক অন্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির সঙ্গে চিনের সম্পর্কের একটি প্রধান নির্ধারক বা সহায়ক।
সম্প্রতি প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কারণে চিন-পাকিস্তান সম্পর্কে কিছু টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। পাকিস্তানের বিষয়ে প্রচুর নেতিবাচক খবর এবং মন্তব্য চিনা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাকিস্তানের আকস্মিক ঝুঁকে পড়ার কারণে চিনা নেটিজেনদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাস এবং ক্ষোভকে তুলে ধরছে।
সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যখন নেতৃত্ব পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্ক জোরদার হয়। চিন স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ ছিল যে, পাকিস্তানিরা ভারতের বিরুদ্ধে চিনা যুদ্ধবিমান ও অস্ত্র ব্যবহার করছিল, অথচ সংঘাতের ক্ষেত্রে ভূমিকার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করছিল।
পাকিস্তানের বিষয়ে প্রচুর নেতিবাচক খবর এবং মন্তব্য চিনা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাকিস্তানের আকস্মিক ঝুঁকে পড়ার কারণে চিনা নেটিজেনদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাস এবং ক্ষোভকে তুলে ধরছে।
এবং এর পর থেকে চিনা ইন্টারনেটে পাকিস্তানবিরোধী প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই।
প্রথমত, বেজিং পাকিস্তানের উপর ক্ষুব্ধ। কারণ পাকিস্তান নাকি পাসনি বন্দরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হস্তান্তর করেছে, যা চিনের গোয়াদর বন্দর থেকে মাত্র কয়েকশো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তারা আশঙ্কা করছে যে, এই বন্দরটি কেবল খনিজ রফতানির কেন্দ্র হিসেবেই কাজ করবে না, যা পাকিস্তানকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেয়ার আর্থ খনিজ সংক্রান্ত বাণিজ্য করার সুযোগ দেবে, বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়াদর বন্দর পর্যবেক্ষণ করতে এবং চিনের সরবরাহ ব্যবস্থা ও শিল্প উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ করতেও সক্ষম করবে।
দ্বিতীয়ত, কেউ কেউ পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেছে যে, তারা তুরস্ককে তাদের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য চিনের উন্নত যুদ্ধবিমানের প্রযুক্তি বিক্রি করে দিয়েছে। তারা যুক্তি দিয়েছে যে, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, চিনের উচিত পাকিস্তানের সঙ্গে আরও সামরিক প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা, যার মধ্যে জে-৩৫ চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত।
অন্যরা পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেছে যে, তারা আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করার জন্য আফগানিস্তানের সঙ্গেই যুদ্ধ করছে। চিনা কর্মকর্তারা এই সংঘাত নিয়ে ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন, যা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন চিন এই দুই বিচ্ছিন্ন প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি স্থাপনের জন্য কঠোর চেষ্টা করছে এবং চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) কাবুল পর্যন্ত সম্প্রসারিত করতে চাইছে।
এ ছাড়াও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে চিনের কৌশলগত মহলে পাকিস্তান কর্তৃক ‘চিনের রেয়ার আর্থ সম্পদ চুরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হস্তান্তর করা’ এবং এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রতিযোগিতায় চিনের তুরুপের তাসকে দুর্বল করে দেওয়া নিয়ে ব্যাপক শোরগোল হয়েছে। চিনা জনমত পাকিস্তানকে ‘সেতু পুড়িয়ে ফেলা’, ‘চিনের শত্রুকে সাহায্য করা’ এবং ‘চিনা জনগণের স্বার্থের ক্ষতি করা’র জন্য তীব্র সমালোচনা করেছে। জনমতের পরিসরে, কেউ কেউ পাকিস্তানকে সম্বোধন করার জন্য ‘巴铁’ (চিন-পাকিস্তান লৌহসম ভ্রাতা) শব্দবন্ধটি বদলে ‘芭比Q’ (চিন-পাকিস্তান বারবিকিউড বা সম্পর্ক পুড়ে একেবারে খাক) ব্যবহার করেছে।
চিনা জনমত পাকিস্তানকে ‘সেতু পুড়িয়ে ফেলা’, ‘চিনের শত্রুকে সাহায্য করা’ এবং ‘চিনা জনগণের স্বার্থের ক্ষতি করা’র জন্য তীব্র সমালোচনা করেছে।
প্রকৃতপক্ষে, চিনের অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর নাগাদ পাকিস্তান চিনা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিরল মৃত্তিকা সরবরাহ করছিল, যা চিনকে ৯ অক্টোবর বিরল মৃত্তিকা সম্পর্কিত প্রযুক্তির রফতানি কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নতুন নিয়মকানুন প্রবর্তন করতে প্ররোচিত করেছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চিনে এমন তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল যে, চিনা সরকার হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিল এবং পুনরায় নিশ্চিত করে যে, চিন ও পাকিস্তান সর্বকালের কৌশলগত অংশীদার, তাদের মধ্যে একটি অটুট বন্ধুত্ব রয়েছে এবং পাকিস্তান-মার্কিন খনিজ সহযোগিতা সম্পর্কে চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে আগে থেকেই যোগাযোগ হয়েছিল।
এ ছাড়াও চিনে পাকিস্তান-বিরোধী সংবাদ ও মতামতের বিরুদ্ধে কিছু অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে এবং সেগুলিকে গুজব ছড়ানো হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, গ্লোবাল টাইমসের প্রাক্তন সম্পাদক হু সিজিনের একটি সাম্প্রতিক নিবন্ধ - যেখানে পাকিস্তানকে চিনের বিরল মৃত্তিকা সম্পদ চুরির জন্য সমালোচনা করা হয়েছিল - সেটি প্রধান প্রধান গণমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে (গুয়াঞ্চা ডট কম) - কিন্তু এটি এখনও চিনের ইন্টারনেট জগতে প্রচারিত হচ্ছে। সাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের লিউ জোংয়ি এবং চায়না ইনস্টিটিউটস অফ কনটেম্পোরারি ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস-এর (সিআইসিআইআর) ওয়াং শিদার মতো বিশিষ্ট চিনা বিশ্লেষকরা পাকিস্তানের বিষয়ে চিনা জনমতকে শান্ত করার জন্য চিন এবং চিনের বাইরের (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত-সহ) স্বার্থান্বেষী মহলের উপর দোষ চাপাচ্ছেন।
চিনা ইন্টারনেটে একটি বিকল্প যুক্তির প্রচার করা হচ্ছে যে, যেহেতু পাকিস্তানের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তার আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে টেনে এনে কিছু স্বল্পমেয়াদি মুনাফা অর্জনের সুযোগ দিলে কোনও ক্ষতি নেই। সর্বোপরি, মার্কিন-পাকিস্তান সহযোগিতা প্রকল্পগুলি সফল হওয়া কঠিন এবং বিশেষ করে নয়াদিল্লির সম্মুখীন হওয়ার ক্ষেত্রে চিনের সমর্থন ছাড়া পাকিস্তান খুব বেশি কিছু করতে পারে না। পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের উচ্চ-গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে যে, চিনকে পাকিস্তানের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে বর্তমান ঝুঁকে পড়ার বিষয়ে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রয়োজন নেই, তবে সতর্কতা বজায় রাখা উচিত।
এ ছাড়াও, চিনের অনেকেই মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ হওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ভারতের উপর আশা রাখছেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের নেতৃত্বের মধ্যে বর্তমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে ভারত ইতিমধ্যেই অসন্তুষ্ট। এটি অবশ্যই মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও গভীর হতে বাধা দেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে যে, চিনের একটি উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ করা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে তার সম্পর্ককে জটিল করার প্রয়োজন নেই। ২০২৪ সালের বাংলাদেশ সঙ্কটের সময় চিনের অবস্থানও একই রকম ছিল। যদিও তারা এই সঙ্কটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং এই অঞ্চলে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল, তবে বেজিং নিজেদের আড়ালে রেখেছিল এবং বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ভারত-মার্কিন মতবিরোধকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর আশা করেছিল। চিনা ভাষ্যকাররা প্রাথমিক ভাবে ইউনূস সরকারকে একটি মার্কিনপন্থী (বাইডেন প্রশাসনপন্থী) সত্তা হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল এবং দেশে তাদের বিআরআই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত ছিল। ওয়াশিংটনে সরকার পরিবর্তনের পরেই বাংলাদেশ ও চিনের নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। যদিও সম্প্রতি বাংলাদেশের চিনের কাছ থেকে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনার কথা শোনা যাচ্ছে, তবে চিনা পক্ষ বাংলাদেশের রাজনীতি ও সামরিক বাহিনীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গভীর অনুপ্রবেশ নিয়ে সন্দিহান রয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকালের সন্ধিক্ষণে রয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত একটি দ্বিমেরু অবস্থা থেকে পরিবর্তিত হচ্ছে, যা আগে চিন-ভারত প্রতিযোগিতা দ্বারা চালিত হত এবং এখন এটি একটি ত্রিমেরু বা বহুমেরু ব্যবস্থায় পরিণত হচ্ছে।
তুলনামূলক ভাবে দেখলে, ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের পার্লামেন্ট যখন ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এমসিসি (মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ কর্পোরেশন) অবকাঠামো সহায়তা চুক্তিটি অনুমোদন করে, তখন চিনের প্রতিক্রিয়া ছিল অনেক বেশি তীব্র এবং চিন সন্দেহ করেছিল যে, এই প্রসঙ্গে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। সম্প্রতি চিনা সমাজের একাংশ চিনপন্থী ওলি সরকারের পতনের নেপথ্যে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে এবং কাঠমান্ডু থেকে উদ্ভূত অনিশ্চয়তার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। মায়ানমারেও দেশটির বিরল খনিজ সম্পদ নিয়ে চিন-মার্কিন প্রতিযোগিতা বাড়ছে এবং অনেক চিনা সংবাদমাধ্যম ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে মায়ানমারের স্থানীয় সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে চিনের বিরল খনিজ সম্পদের উপর আধিপত্য ভাঙার যৌথ প্রচেষ্টার অভিযোগ করেছে।
সামগ্রিক ভাবে চিনা মূল্যায়ন হল এই যে, দক্ষিণ এশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকালের সন্ধিক্ষণে রয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত একটি দ্বিমেরু অবস্থা থেকে পরিবর্তিত হচ্ছে, যা আগে চিন-ভারত প্রতিযোগিতা দ্বারা চালিত হত এবং এখন এটি একটি ত্রিমেরু বা বহুমেরু ব্যবস্থায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে চিন-মার্কিন পরাশক্তি প্রতিযোগিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে উঠছে এবং যা সার্বিক ভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎকেই আরও জটিল ও গতিশীল করে তুলছে। এই অঞ্চলে চিনা উপস্থিতিকে লক্ষ্য করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের বৃহত্তর সহযোগিতার একটি নতুন আঞ্চলিক প্রবণতা কি দেখা যাবে (যেমনটা চিনা পক্ষ প্রায়শই সন্দেহ করে), না কি তীব্রতর চিন-মার্কিন পরাশক্তি প্রতিযোগিতা শেষ পর্যন্ত চিরাচরিত চিন-ভারত প্রতিযোগিতাকে ছাপিয়ে যাবে এবং এই অঞ্চলে ভারত-চিন সহযোগিতার জন্য নতুন পথ খুলে দেবে? এটি নিঃসন্দেহে লক্ষ্য করার মতোই একটি বিষয়।
অন্তরা ঘোষাল সিং অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Antara Ghosal Singh is a Fellow at the Strategic Studies Programme at Observer Research Foundation, New Delhi. Her area of research includes China-India relations, China-India-US ...
Read More +