ভারত এআই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সময়োপযোগী দক্ষতা বৃদ্ধি অটোমেশনকে বৈষম্যের চালিকাশক্তির পরিবর্তে বৃদ্ধিতে রূপান্তরিত করতে পারে
ভারত এআই-এর পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে। জরুরি এবং বিস্তৃত-ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি ছাড়া, দেশের এআই বিপ্লব অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি নিয়ে আসার পরিবর্তে বৈষম্যকে আরও গভীর করতে পারে। এআই-এর পথচলা নীতিগত, অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন দ্বারা পরিচালিত হতে হবে এবং দক্ষতাই হল এর মূল ভিত্তি। অটোমেশনের অর্থ অপ্রচলিত হয়ে যাওয়া নয় — সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এর অর্থ হতে পারে বৃদ্ধি। ভারত যদি এক্ষেত্রে ভুল করে, তাহলে এআই গ্রামীণ-শহর এবং শহরের মধ্যেকার বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে তুলবে, এবং কয়েকটি মহানগরের অল্প কিছু ডিজিটাল অভিজাত বাকি দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। বৈষম্যের আশ্রয়দাতার পরিবর্তে এআই-কে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য, ভারতকে শিক্ষা, সক্রিয় নীতি এবং অর্থনৈতিক কৌশলগুলিতে এমন সংস্কারের মাধ্যমে তার দক্ষতা ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে যা মানুষকে প্রথমে রাখে।
জরুরি এবং বিস্তৃত-ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি ছাড়া, দেশের এআই বিপ্লব অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি নিয়ে আসার পরিবর্তে বৈষম্যকে আরও গভীর করতে পারে।
শিক্ষা: দক্ষতার সেতুবন্ধন
ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা যা শিক্ষা দেয় এবং এআই-যুগের অর্থনীতির চাহিদার মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার অসুখে ভুগছে। শুধুমাত্র একটি ঐতিহ্যবাহী ডিগ্রি এখন আর আগের মতো স্থিতিশীল ক্যারিয়ারের নিশ্চয়তা দেয় না। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ তরুণ ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে দেখতে পায় যে, তারা যে নিরাপদ মধ্যবিত্ত অফিসের চাকরির স্বপ্ন দেখেছিল তা হয় অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে অথবা এত বদলে গিয়েছে যেসেগুলিকে আর চেনা যাচ্ছে না। অটোমেশন-বর্ধিতকরণের বিভাজন তীব্র। যদিও রুটিন কাজ — কেরানির কাজ থেকে শুরু করে অ্যাসেম্বলি-লাইনের কাজ — অটোমেশনের জন্য অত্যন্ত উর্বর ক্ষেত্র, এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনি। ভারতের শ্রমবাজারে প্রাথমিকভাবে তিনটি দুর্বলতা রয়েছে: অটোমেশনের জন্য উপযুক্ত রুটিন ভূমিকার আধিক্য, বৃত্তিমূলক দক্ষতা বৃদ্ধির সীমিত সুযোগ, এবং মজুরির ব্যবধান বৃদ্ধি। সংক্ষেপে, ভারত এখনও যুবসমাজকে মূলত গতকালের চাকরির জন্য শিক্ষিত করছে, আগামীকালের জন্য নয়।
জরুরি প্রয়োজন হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-যুগের দক্ষতার জন্য শিক্ষার পুনর্গঠন। এর জন্য গণিত, কোডিং এবং ডেটা সায়েন্সে শক্তিশালী মৌলিক বিষয়গুলি স্থাপন করা প্রয়োজন, আর তার সঙ্গে এমন অনন্য মানবিক শক্তিও লালন করা যা এআই সহজেই প্রতিলিপি করতে পারে না। সৃজনশীলতা, জটিল সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, সামাজিক বুদ্ধিমত্তা এবং নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা হল এমন দক্ষতা যা মেশিন দ্বারা প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনা কম, আর সেই কারণে সেগুলি এআই-চালিত চাকরির বাজারে স্নাতকদের জন্য এগুলিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ভারতের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ স্কুল পাঠ্যক্রমের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো সমসাময়িক বিষয়গুলিকে একীভূত করে একটি সূচনা করেছে। কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সিবিএসই)-এর সঙ্গে যুক্ত স্কুলগুলি এখন উচ্চ বিদ্যালয়ে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে এআই পড়ার সুযোগ দেয়। তাছাড়া, সরকারের নতুন স্কিলিং ফর এআই রেডিনেস (সোর) উদ্যোগের মতো কর্মসূচির লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআই সাক্ষরতা বৃদ্ধি করা এবং এআই ধারণাগুলিতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। এই প্রচেষ্টাগুলি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত কর্মীবাহিনীর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তবে এগুলি দ্রুত সম্প্রসারিত করতে হবে এবং ব্যবহারিক শিক্ষার ফলাফলে রূপান্তরিত করতে হবে।
ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা যা শিক্ষা দেয় এবং এআই-যুগের অর্থনীতির চাহিদার মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার অসুখে ভুগছে।
উচ্চশিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য শিল্পের সঙ্গে আরও শক্তিশালী সংযোগ স্থাপন করতে হবে। বাজারের দ্রুত বিকশিত চাহিদা থেকে বিচ্ছিন্নভাবে পাঠ্যক্রম নির্ধারণ করা উচিত নয়। কিছু কোম্পানি শিল্প-প্রাসঙ্গিক এআই প্রশিক্ষণ ও প্রকল্প নিয়ে পড়াশোনা করানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব করছে, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব-বিশ্বের এআই প্রয়োগগুলির সঙ্গে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই ধরণের মডেলগুলিকে আদর্শ করে তুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে পাঠ্যক্রম ডিজাইন করতে পারে, যাতে স্নাতকরা শুধু তত্ত্বই নয় বরং নিয়োগকর্তাদের মূল্যবান প্রয়োগযোগ্য দক্ষতাগুলিও শিখতে পারে। মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল, সার্টিফিকেট এবং বুটক্যাম্পের মতো চটপটে এবং স্ট্যাকেবল ক্রেডেনশিয়ালিং মডেলগুলি সমাধানের আরেকটি অংশ। এই সংক্ষিপ্ত, কেন্দ্রীভূত কোর্সগুলি তরুণ পেশাদারদের বছরের পর বছর ধরে প্রোগ্রামগুলিতে বেঁধে না রেখে দ্রুত নির্দিষ্ট উচ্চ-চাহিদা দক্ষতা অর্জন করতে দেয়। মূলত, শিক্ষার দৃষ্টিভঙ্গি "লার্ন হাউ টু লার্ন (কীভাবে শিখতে হয় তা শেখা)" হতে হবে, যা তরুণদের ক্রমাগত খাপ খাইয়ে নিতে প্রস্তুত করবে এবং প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।
একটি এআই-দক্ষ দেশের জন্য নীতিগত রোডম্যাপ
দক্ষতা বৃদ্ধির বিপ্লবকে অনুঘটন করার ক্ষেত্রে নীতিমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকারকে সক্ষমকারী এবং নজরদারি উভয় ভূমিকাই পালন করতে হবে — দক্ষতা বৃদ্ধির পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি জাতীয় কর্মশক্তি লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য শিল্প ও শিক্ষাব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে। ডিজিটাল দক্ষতার ঘাটতি মোকাবিলা করার জন্য ভারত স্কিল ইন্ডিয়া মিশনের অধীনে বিভিন্ন উদ্যোগ চালু করেছে। উদাহরণস্বরূপ, প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা (পিএমকেভিওয়াই) ৪.০ স্পষ্টভাবে এআই-এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেয়। একইভাবে, জাতীয় শিক্ষানবিশতা প্রচার প্রকল্প (এনএপিএস) প্রযুক্তিগত ভূমিকায় শিক্ষানবিশদের উৎসাহিত করছে; এই কর্মসূচির আওতায় ২০২২-২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ১৪৮০ জন শিক্ষানবিশকে এআই-সম্পর্কিত ভূমিকায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এগুলি সঠিক দিকে পদক্ষেপ, তবে আরও ব্যাপক পদক্ষেপ প্রয়োজন — এআই যুগের জন্য একটি জাতীয় দক্ষতা বৃদ্ধির মিশনের মতো।
দক্ষতা বৃদ্ধির বিপ্লবকে অনুঘটন করার ক্ষেত্রে নীতিমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকারকে সক্ষমকারী এবং নজরদারি উভয় ভূমিকাই পালন করতে হবে — দক্ষতা বৃদ্ধির পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি জাতীয় কর্মশক্তি লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য শিল্প ও শিক্ষাব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে।
একটি চটপটে জাতীয় দক্ষতা বৃদ্ধির অ্যাজেন্ডার জন্য বেশ কয়েকটি চালিকা গুরুত্বপূর্ণ:
❅ ক্ষুদ্র-প্রমাণপত্র (মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়ালস) এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই)-এর মতো নিয়ন্ত্রকদের মাধ্যমে সরকারের উচিত ক্ষুদ্র-প্রমাণপত্র এবং অনলাইন সার্টিফিকেশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া, এবং যোগ্যতা কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করা। এটি শিক্ষার্থী এবং মধ্য-ক্যারিয়ার কর্মীদের জন্য এআই, ডেটা সায়েন্স এবং ডিজিটাল সাক্ষরতার স্বীকৃত স্বল্পমেয়াদী কোর্সগুলিকে ভর্তুকি দিতে পারে। এটি ক্রমাগত শিক্ষাকে সাশ্রয়ী করে তুলবে এবং আনুষ্ঠানিক ডিগ্রির বাইরে বিকল্প পথগুলিকে বৈধতা দেবে।
❅ শিক্ষানবিশিতা এবং শিল্প অংশীদারিত্ব: সরকারকে প্রযুক্তি সংস্থা এবং স্টার্টআপগুলির সাথে সহযোগিতায় শিক্ষানবিশি কর্মসূচিগুলি প্রসারিত করতে হবে, এবং তা শুধু ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায় নয় বরং ডিজিটাল দক্ষতায়। এআই উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তায় শিক্ষানবিশদের গ্রহণের জন্য সংস্থাগুলিকে কর ছাড় বা উপবৃত্তি দেওয়া যেতে পারে। নন-ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলিতে নিয়োগকর্তা-নেতৃত্বাধীন শক্তিশালী প্রশিক্ষণ উদ্যোগ থাকতে হবে। সরকার এখানে একটি সুবিধা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করতে পারে এবং শিল্পগুলিকে অ্যাকাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে, যাতে চাকরির জন্য প্রস্তুত স্নাতক তৈরির কর্মসূচিগুলি তৈরি করা যায়।
❅ সকলের জন্য ডিজিটাল সাক্ষরতা: সরকার যেমন একসময় গণসাক্ষরতার পক্ষে ছিল, এখন তাদের অবশ্যই সর্বজনীন ডিজিটাল সাক্ষরতা নিশ্চিত করতে হবে। এটি স্কুল স্তর থেকে শুরু হয় — প্রতিটি শিশুর মৌলিক কোডিং, ডেটা এবং এআই দক্ষতা অর্জন করা উচিত। এর মধ্যে জনসম্প্রদায়-ভিত্তিক কর্মসূচিগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা এমন মানুষদের কাছে ডিজিটাল দক্ষতা পৌঁছে দেয় যারা বাদ পড়েছে। লক্ষ্যযুক্ত ডিজিটাল সাক্ষরতা অভিযান, সম্ভবত পাবলিক লাইব্রেরি, আইসিটি ল্যাব এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে, সমাজের সমগ্র অংশকে এআই তরঙ্গের থেকে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করতে পারে। এর অর্থ হল সকলের জন্য একই ধরণের বৃহৎ-শহরের নিদর্শন বেছে নেওয়ার পরিবর্তে একটি প্রত্যন্ত গ্রাম, একটি টিয়ার-৩ শহর, এবং একটি অনানুষ্ঠানিক নগর বসতির জন্য আলাগা আলাদা অ্যাক্সেস মডেল তৈরি করা।
❅ লক্ষ্যযুক্ত প্রশিক্ষণ ভর্তুকি: খরচ একটি প্রধান বাধা, বিশেষ করে ছোট ব্যবসার এবং নিম্ন আয়ের ব্যক্তিদের জন্য, যাঁরা নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চান। নীতিনির্ধারকদের এআই সরঞ্জাম এবং প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম কেনার জন্য এমএসএমই এবং কর্মীদের অনুদান, ভাউচার বা কম সুদের ঋণ প্রদান করা উচিত। ক্ষুদ্র-উদ্যোগের জন্য, অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি গ্রহণে ভর্তুকি দেওয়ার জন্য খরচ-ভাগাভাগি বা অনুদান-ভিত্তিক মডেলগুলির সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, রাজ্যগুলি বিনামূল্যে বা উচ্চ ভর্তুকি দিয়ে স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করতে পারে, যা কর্মীদের তাদের জীবিকা নির্বাহে বিরতি না দিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর্থিক বোঝা কমিয়ে এই ভর্তুকিগুলি ব্যাপকভাবে পুনঃদক্ষতা বৃদ্ধির অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে।
উপসংহার
বৃহত্তর স্তরে, সরকারকে তার দক্ষতা উন্নয়ন প্রশাসনকে আরও সুবিন্যস্ত করতে হবে। বর্তমানে একাধিক মন্ত্রক ও সংস্থা ওভারল্যাপিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। স্পষ্ট লক্ষ্যমাত্রা-সহ একটি সমন্বিত কাঠামো জবাবদিহিতা উন্নত করবে। তহবিল রিয়েল-টাইমে সমন্বয় করা নিশ্চিত করার জন্য ডেটা-চালিত পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। পরিশেষে, নীতিগুলিকে সক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক দক্ষতা বৃদ্ধি উৎসাহিত করতে হবে: আরও বেশি নারীকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে উৎসাহিত করতে হবে, গ্রামীণ ও শহুরে দরিদ্রদের অনলাইন প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, এবং স্থানীয় ভাষায় প্রশিক্ষণে সহায়তা করতে হবে। সমতা-কেন্দ্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি সামাজিক বিভাজনকে আরও প্রশস্ত করার পরিবর্তে সেতুবন্ধনের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।
ভারতের এআই-এর সঙ্গে মিলন একইসঙ্গে সমৃদ্ধির এক নতুন যুগে প্রবেশের প্রতিশ্রুতি এবং সামাজিক বিভাজনকে আরও তীব্র করার ঝুঁকি বহন করে। নির্ধারক উপাদান হবে দক্ষতা।
ভারতের এআই-এর সঙ্গে মিলন একইসঙ্গে সমৃদ্ধির এক নতুন যুগে প্রবেশের প্রতিশ্রুতি এবং সামাজিক বিভাজনকে আরও তীব্র করার ঝুঁকি বহন করে। নির্ধারক উপাদান হবে দক্ষতা। ভারতকে চটপটে শিক্ষার্থী তৈরির জন্য শিক্ষার বিষয়টিকে নতুন করে কল্পনা করতে হবে, ক্রমাগত দক্ষতা উন্নয়নকে উৎসাহিত করার জন্য নীতি পুনর্নির্মাণ করতে হবে, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রূপান্তরের মূলে মানব পুঁজি স্থাপনের জন্য অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্গঠিত করতে হবে। কর্মের জন্য জানলা সংকীর্ণ: ২০২৫ সালের মধ্যে, এআই ও অটোমেশন বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮৫ মিলিয়ন কর্মসংস্থানকে স্থানচ্যুত করতে পারে, আবার একইসঙ্গে ৯৭ মিলিয়ন এমন নতুন ভূমিকা তৈরি করতে পারে যা মানব-যন্ত্র সহযোগিতার এই নতুন যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভারতের তরুণ কর্মিবাহিনী এই সুযোগগুলির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করতে পারে, যদি তাদের সময়মতো উপযুক্ত করে তোলা হয়।
আর্য রায় বর্ধন অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসির একজন জুনিয়র ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Arya Roy Bardhan is a Junior Fellow at the Centre for New Economic Diplomacy, Observer Research Foundation. His research interests lie in the fields of ...
Read More +