কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ভারতের আরও সুশৃঙ্খল ভূ-অর্থনৈতিক অবস্থানের দিকে ঝোঁকার চিত্র তুলে ধরে, যেখানে বৈদেশিক আর্থিক প্রতিশ্রুতিগুলি বিতরণযোগ্যতা, অনুবর্তিতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দ্বারা নির্ধারিত হয়।
নিঃসন্দেহে ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট এখনও, প্রথমত এবং সর্বাগ্রে, একটি অভ্যন্তরীণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক দলিল। কিন্তু এমন এক বিশ্বে যেখানে নিষেধাজ্ঞাগুলি রাতারাতি করিডোরগুলির পুনর্মূল্যায়ন করতে পারে, যেখানে সরবরাহ শৃঙ্খলকে ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং প্রতিবেশ-রাজনীতি প্রকল্প পাইপলাইনগুলিকে দায়বদ্ধতায় পরিণত করতে পারে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ নীরবে একটি ভূ-অর্থনৈতিক পাঠ্যেও পরিণত হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের পরিসংখ্যানগুলি এই পরিবর্তনকে অস্বাভাবিকভাবে স্পষ্ট করে তোলে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ উপস্থাপিত নথিগুলির বিশ্লেষণ অনুসারে, ২০২৬-২৭ সালে সরকারের মোট ব্যয় ৫৩,৪৭,৩১৫ কোটি টাকা হিসেবে বাজেটে পেশ করা হয়েছে। এই আয়তনের বিপরীতে, ভারতের বৈদেশিক অর্থনৈতিক টুলকিট রুপির দিক থেকে ছোট হলেও সংকেত মূল্যের দিক থেকে বড়: বিদেশ মন্ত্রকের (এমইএ) বাজেট করা হয়েছে ২২,১১৮.৯৭ কোটি টাকার, এবং "দেশগুলিকে সাহায্য" করার জন্য ৫,৬৮৫.৫৬ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় বাজেট করা হয়েছে।
চিত্র: বৈদেশিক সাহায্যে ভারতের বরাদ্দ (কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭) - "দেশগুলিকে সাহায্য"-এর অধীনে দেশভিত্তিক লাইন
Figure
সূত্র: লেখকের নিজস্ব। ভারত সরকারের তথ্য, কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭, ব্যয় বাজেট, বিবৃতি ২৯ "অন্য দেশগুলিকে সাহায্য"
এই দুটি পরিসংখ্যান গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলি বর্ণনা করে যে, ভারত কীভাবে বৈদেশিক প্রতিশ্রুতিগুলিতে আর্থিক পরিসর বরাদ্দ করছে, এবং তা এমন এক মুহূর্তে যখন রাষ্ট্র একই সঙ্গে বৃদ্ধি সহায়তা, মূলধন ব্যয় অগ্রাধিকার, এবং কঠোর, আরও অনুবর্তিতা-নির্ভর বিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় রাখছে। ২০২৬-২৭ সহায়তা কাঠামো যে পরামর্শ দেয় তা হল প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে পশ্চাদপসরণ নয়, বরং ঝুঁকি-মূল্যের সম্পৃক্ততার আরও স্পষ্ট মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা, যার বৈশিষ্ট বিকল্পগুলির সংরক্ষণ, যেখনে অনুবর্তিতা পরিবেশ তরল যেখানে নতুন সম্পৃক্ততা এড়ানো, এবং নিকটবর্তী বিদেশে স্থিতিশীলতাকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিমার একটি রূপ হিসাবে বিবেচনা করা।
ভারতের তাৎক্ষণিক পরিধি এখন একটি মূল রঙ্গমঞ্চ, যেখানে অর্থনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক চাপ এবং জলবায়ু ধাক্কা দ্রুত ভারতের নিজস্ব নিরাপত্তা এবং আর্থিক ঝুঁকির পৃষ্ঠে সঞ্চারিত হতে পারে।
এটি আসলে অর্থনৈতিক কূটনীতির একটি পোর্টফোলিও পদ্ধতি। একটি একক করিডোরের উপর জোর দেওয়া বা প্রতিটি অনুদান লাইনকে ভূ-রাজনৈতিক পুরস্কার-শাস্তি চক্র হিসেবে পড়ার পরিবর্তে, বাজেট এমন একটি ভারতকে নির্দেশ করে যা এখন ভূ-অর্থনীতিকে সংজ্ঞায়িত করে এমন তিনটি কঠিন সীমাবদ্ধতার প্রতি ক্রমবর্ধমানভাবে মনোযোগী। প্রথমত, ব্যয় করার ক্ষমতা আর বাস্তবায়নের ক্ষমতার মতো নয়—কারণ তৃতীয় দেশের বিধিনিষেধগুলি অর্থপ্রদান, শিপিং, বিমা, ব্যাঙ্কিং চ্যানেল এবং অংশীদার সমন্বয়কে ব্যাহত করতে পারে। দ্বিতীয়ত, প্রতিবেশী অঞ্চলে রাজনৈতিক মন্থন অনুদানের "বিতরণযোগ্যতা" পরিবর্তন করে, যেখানে পাইপলাইনের সময় কৌশলগত উদ্দেশ্যের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। তৃতীয়ত, ভারতের তাৎক্ষণিক পরিধি এখন একটি মূল রঙ্গমঞ্চ, যেখানে অর্থনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক চাপ এবং জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুত ভারতের নিজস্ব নিরাপত্তা এবং আর্থিক ঝুঁকির পৃষ্ঠে সঞ্চারিত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, বিদেশের জন্য বরাদ্দ ঘোষণামূলক বিবৃতির পরিবর্তে সুসংহত উপকরণ হিসাবে পড়া সবচেয়ে ভাল।
প্রতিবেশী লাইন: স্থিতিশীলতা এবং বাস্তবায়নযোগ্যতা
২০২৫-২৬ সালে ৪০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমানের পর, ২০২৬-২৭ সালে চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য সবচেয়ে স্পষ্ট শিরোনাম হল "শূন্য" রেখা। একটি সরল পাঠ এটিকে কৌশলগত পরিত্যাগের প্রমাণ হিসাবে বিবেচনা করবে, যখন আরও সঠিক পাঠ হল যে এটি নিষেধাজ্ঞা-সংবেদনশীল পরিবেশের একটি বাজেটের এবং ঝুঁকি-ব্যবস্থাপনার সংকেত। বাজেট সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি বারবার এই শূন্য বরাদ্দকে পুনর্নবীকৃত নিষেধাজ্ঞার অনিশ্চয়তার সঙ্গে যুক্ত করেছে, যার মধ্যে সময়সীমাবদ্ধ মকুব বা ছাড়ের পরিসর সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে যা দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন এবং বিমা সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কাঠামোগতভাবে আশ্বস্ত করে না। এর অর্থ এই নয় যে ভারত চাবাহারকে একটি সংযোগ বিকল্প হিসাবে মূল্যায়ন করা বন্ধ করে দিয়েছে; পরিবর্তে, নয়াদিল্লি এমন একটি সময়ে নতুন রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততা সীমিত করছে যখন অনুবর্তিতা পরিবেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মূল্যায়ন করা কঠিন।
একই যুক্তি এমন একটি পদক্ষেপের ক্ষেত্রেও রয়েছে যা প্রথম নজরে বিপরীত মনে হতে পারে। আফগানিস্তানের বরাদ্দ ২০২৫-২৬ বাজেট অনুমানে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ কোটি টাকা হয়েছে। ভারত যখন চাবাহার থেকে সরে যাচ্ছে এবং আফগানিস্তানকে বিকল্প পথ হিসেবে বিবেচনা করছে, তখন এটি পড়তে লোভনীয়। তবে এই ব্যাখ্যাটি খুব সরল রৈখিক। যাতায়াত সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তা ঝুঁকি, ব্যাঙ্কিং ঘর্ষণ এবং তৃতীয় দেশের উপর নির্ভরতা বাধ্যতামূলক থাকার কারণে আফগানিস্তান একটি সহজ বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে না। একটি অনিশ্চিত পরিবেশে বিকল্প-নির্মাণ হিসাবে পড়া হলে তবেই এই বৃদ্ধি আরও অর্থবহ হয়। এটি যা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতে পারে না সম্পদগুলিকে তেমন একটি করিডোরে আটকে না রেখে একটি পরিমাপিত সম্পৃক্ততাকে সমর্থন করে, যা মানবিক বৈধতা বজায় রাখে এবং ভারতকে আঞ্চলিকভাবে উপস্থিত রাখে। অস্থির প্রেক্ষাপটে, এমনকি সামান্য বাজেট লাইনও পথগুলি খোলা রেখে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে এবং ইঙ্গিত দেয় যে ভারত সরে যাচ্ছে না।
নয়াদিল্লি এমন একটি সময়ে নতুন রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততা সীমিত করছে যখন অনুবর্তিতা পরিবেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মূল্যায়ন করা কঠিন।
রাজনৈতিক মন্থনের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্যতার একই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের বরাদ্দ কমানো সবচেয়ে ভালভাবে বোঝা যায়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এখানে বরাদ্দ ৬০ কোটি টাকা, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রাককলনের ১২০ কোটি টাকা থেকে কম। এই ক্ষেত্রে, আর্থিক ব্যবস্থা এবং প্রকল্পের ক্রম কিন্তু সংকেতের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। অনুদানের রেখা সাধারণত প্রকল্পের পাইপলাইন, অনুমোদন, ক্রয় প্রস্তুতি এবং স্থল সম্ভাব্যতার গতির সঙ্গে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। যখন রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল থাকে, তখন সরকারগুলি প্রায়শই নতুন বিবেচনামূলক দায়বদ্ধতা ধীর করে দেয়, এমনকি বাণিজ্য, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং দৈনন্দিন যোগাযোগের মতো ক্ষেত্রে নিয়মিত সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও। ২০২৬-২৭ বিধানটি একটি সতর্ক অবস্থান প্রতিফলিত করে যা, আপাতত শিরোনাম অনুদানের প্রকাশকে সীমিত করে, যেখানে এটি ইতিমধ্যেই কার্যকর রয়েছে সেখানে অন্তর্নির্মিত সহযোগিতাকে রক্ষা করে এবং সরবরাহের পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে উঠলে আবার আয়তন বৃদ্ধি করার সুযোগ সংরক্ষণ করে।
বিপরীতে, নেপালের জন্য তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল বরাদ্দ এবং শ্রীলঙ্কার জন্য বর্ধিত বরাদ্দের মধ্যে রাজনৈতিক বার্তা কম, বরং স্থিতিশীলকরণ কৌশল বেশি। নেপালের বাজেট ৮০০ কোটি টাকা, যা ২০২৫-২৬ বাজেট প্রা্ককলনে ৮৩০ কোটি টাকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আর শ্রীলঙ্কার বাজেট ৩০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৪০০ কোটি টাকা হয়েছে। নেপালে, যেখানে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বেশি এবং নির্বাচন আসন্ন বলে ব্যাপকভাবে রিপোর্ট করা হয়, সেখানে পূর্বাভাসযোগ্য সমর্থন সাধারণত ইঙ্গিত দেয় যে ভারত নির্দিষ্ট ব্যক্তিত্ব বা স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক সারিবদ্ধতার সঙ্গে জড়িত থাকার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠান এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করতে চায়।
শ্রীলঙ্কায় যুক্তিটি আরও সরাসরি ব্যাপ্ত-ভূঅর্থনৈতিক, কারণ স্থিতিশীলতা এবং পুনরুদ্ধার আঞ্চলিক গণপণ্য হিসেবে কাজ করে। অর্থনৈতিক অস্থিরতার একটি নতুন ঢেউ ভারতে আবার শিরোনাম হবে; এটি অভিবাসনের চাপ এবং অবৈধ প্রবাহ থেকে শুরু করে ভারতের সামুদ্রিক নৈকট্যে বাইরের শক্তির জন্য বৃহত্তর কৌশলগত পরিসর পর্যন্ত ব্যাপ্ত তাৎক্ষণিক ঝুঁকি বহন করবে। একত্রে বিবেচনা করলে, এই বরাদ্দগুলি আশেপাশের রেখাগুলিতে বৃহত্তর প্রকরণকে শক্তিশালী করে: যেখানে নিষেধাজ্ঞা ও অনুবর্তিতার অনিশ্চয়তা বাস্তবায়নকে জটিল করে তুলতে পারে সেখানে সম্পৃক্ততা সীমিত করা, যেখানে মানবিক বৈধতা এবং স্থিতিশীলতার লভ্যাংশ অর্থপূর্ণ সেখানে সম্পৃক্ততা আরও গভীর করা, এবং যেখানে ভঙ্গুরতা সরাসরি আঞ্চলিক প্রভাবের দিকে পরিচালিত করতে পারে সেখানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
নিষেধাজ্ঞা-জর্জর বিশ্বে করিডোর কৌশল
মার্কিন-চালিত, নিষেধাজ্ঞা-জর্জর পরিবেশে, করিডোর কৌশল এখন আর শুধু ভৌগোলিক বা ঘোষিত উদ্দেশ্য দ্বারা সংজ্ঞায়িত হয় না। এটি ক্রমবর্ধমানভাবে রাষ্ট্র এবং অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলির জন্য গৌণ ঝুঁকি তৈরি না করে কোনও প্রকল্পের অর্থায়ন, বিমা এবং পরিচালনা সম্ভব কি না তার উপর নির্ভরশীল। চাবাহার এই পরিবর্তনকে অস্বাভাবিক স্পষ্টতার সঙ্গে চিত্রিত করে। কৌশলগত যুক্তি অক্ষত রয়েছে, কারণ এটি এমন একটি পশ্চিমমুখী সংযোগ বিকল্প সংরক্ষণ করে যা ভারতকে অংশীদার হতে এবং বাজারে প্রবেশাধিকার বৈচিত্র্যময় করতে সহায়তা করে। তবুও ২০২৬-২৭ সালে শূন্য বিধান ইঙ্গিত দেয় যে কৌশলগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে এখন অনুবর্তিতা সম্ভাব্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে, এবং যখন সেই সম্ভাব্যতা অনিশ্চিত, তখন আর্থিকভাবে বিচক্ষণ পছন্দ হল পূর্বাভাসযোগ্য শর্তে বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে এমন দায়বদ্ধতায় না গিয়ে নতুন সরকারি ব্যয় স্থগিত করা।
বাজেটটি একাধিক বিকল্পকে কার্যকর রাখার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়, এবং সেই সঙ্গে ভারত যে শর্তগুলির অধীনে নতুন করে সম্পৃক্ত হবে তা কঠোর করে।
এই কারণেই পরিবর্তিত অবস্থানকে বিচ্ছিন্নতার চেয়ে ঝুঁকিমুক্তকরণ হিসাবে বর্ণনা করা ভাল। বাজেটটি একাধিক বিকল্পকে কার্যকর রাখার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়, এবং সেই সঙ্গে ভারত যে শর্তগুলির অধীনে নতুন করে সম্পৃক্ত হবে তা কঠোর করে। প্রতিবেশ জুড়ে, একই যুক্তি একটি ভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে প্রযোজ্য হয়। রাজনৈতিক অস্থিরতাকে এমন একটি অস্থায়ী ব্যাঘাত হিসাবে বিবেচনা করা হয় না যা ফলাফলকে প্রভাবিত না করে উপেক্ষা করা যেতে পারে, বরং বিতরণের এমন একটি উপাদান নির্ধারক হিসাবে বিবেচনা করা হয় যা অনুদান পর্যায়ক্রম এবং প্রকল্পক্রম গঠন করে।
এর বৃহত্তর অর্থ হল যে ভারতের অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও স্পষ্টভাবে কর্মক্ষম বিশ্বাসযোগ্যতার উপর নোঙর করা হচ্ছে। করিডোরের দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ হবে, তবে ব্যাঙ্কযোগ্যতা বজায় রাখার, অর্থ প্রদান এবং সরবরাহের পথগুলিকে সুরক্ষিত করা এবং বহু বছরের সময়সীমার মধ্যে অংশীদার জোটগুলিকে আত্মবিশ্বাসী রাখার ক্ষমতাও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে। এইভাবে পড়লে ২০২৬-২৭ বাজেট একটি হ্রাসকৃত আঞ্চলিক ভূমিকা নির্দেশ করে না, বরং একটি আরও সুশৃঙ্খল ভূ-অর্থনৈতিক পদ্ধতি নির্দেশ করে, যা সুসংযুক্ত প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কৌশলগত স্থান সংরক্ষণ করে, বহিরাগত ব্যয়কে বাস্তবায়নযোগ্য পথের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে, এবং প্রতিবেশী স্থিতিশীলতাকে ভারতের নিজস্ব অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার সরাসরি ইনপুট হিসাবে বিবেচনা করে।
সৌম্য ভৌমিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি (সিএনইডি)-এর ফেলো এবং বিশ্ব অর্থনীতি ও স্থায়িত্ব বিভাগের প্রধান।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr. Soumya Bhowmick is a Fellow and Lead for World Economies and Sustainability at the Centre for New Economic Diplomacy (CNED) at the Observer Research ...
Read More +