এই প্রতিবেদন সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় মানি কন্ট্রোল-এ।
যে মুহূর্তে জোটের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার দুর্বল বলে মনে হবে, ঠিক তখন রাশিয়া ও চিনের কৌশলগত হিসেব-নিকেশও বদলে যাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের সমালোচনাকে আরও তীব্র করে আটলান্টিক সম্পর্কে আবারও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, জোট থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়াটা কেবল কথার মারপ্যাঁচ ছিল না, বরং এটি এমন একটি নীতিগত বিকল্প, যা নাকি ‘পুনর্বিবেচনার ঊর্ধ্বে’।
ন্যাটোকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে ট্রাম্পের খারিজ করে দেওয়া এবং চলমান ইরান সঙ্কটের সময় হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ অভিযান ও বৃহত্তর রসদ সরবরাহ প্রচেষ্টায় ইউরোপীয়দের সমর্থনে অনীহা নিয়ে তাঁর দৃশ্যমান হতাশা… উভয়ই তাঁর বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গির ধারাবাহিকতা ও তীব্রতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। ট্রাম্পের কাছে জোটগুলি আর মোটেই পবিত্র নয়, বরং এগুলি হল তাৎক্ষণিক উপযোগিতার নিরিখে নিতান্তই বিচার্য উপকরণ মাত্র।
ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের হতাশা
অনেক দিক থেকেই এটি একটি পরিচিত সুর। তাঁর প্রথম মেয়াদ থেকেই ট্রাম্প ন্যাটোকে একটি লেনদেনমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছেন এবং ক্রমাগত যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি অসম বোঝা বহন করছে, যেখানে ইউরোপীয় মিত্ররা আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চয়তার উপর ভর করে বিনা পরিশ্রমে নানাবিধ সুবিধে ভোগ করছে।
অবশ্য, এই সমালোচনা যে পুরোপুরি নিষ্ফল হয়েছে, তা নয়। ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসনের পর ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা ব্যয় উল্লেখযোগ্য রকমের বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ন্যাটোর অধিকাংশ সদস্য দেশ জিডিপির ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে বা তা পূরণ করেছে। তবুও ট্রাম্পের দৃষ্টিকোণ থেকে এই সমন্বয়গুলি অপ্রতুল, বিশেষ করে যখন ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলিতে - যেমন ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে - মিত্রদের সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে না।
ইরান সঙ্কট জোটের মধ্যে ঐক্যের সীমাবদ্ধতা উন্মোচন করেছে
বর্তমান মুহূর্তটিকে যা স্বতন্ত্র করে তোলে, তা কেবল পুরনো অভিযোগের পুনরাবৃত্তি নয়, বরং যে প্রেক্ষাপটে সেগুলি ব্যক্ত করা হচ্ছে সেটি। ইরান সঙ্কট এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে, যখন স্বার্থের ভিন্নতা দেখা দেয়, তখন মিত্রশক্তির ঐক্যের সীমাবদ্ধতা ঠিক কতটুকু। বেশ কিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্র মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানে যুক্ত হতে অনীহা প্রকাশ করেছে, যা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং হুমকির বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়।
বেশ কিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্র মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানে যুক্ত হতে অনীহা প্রকাশ করেছে, যা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং হুমকির বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়।
ট্রাম্পের জন্য, এই অনিচ্ছা তাঁর এই যুক্তিকেই আরও শক্তিশালী করে যে, ন্যাটো নীতিগত ভাবে শর্তহীন হওয়ার দাবি করলেও কার্যত এটি শর্তসাপেক্ষ। যদি জোটটি মার্কিন উদ্দেশ্য পূরণে ‘স্বয়ংক্রিয়’ না হয়, তবে তাঁর দৃষ্টিতে এর মৌলিক যুক্তিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
ন্যাটোর উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা সংস্থাটিকেই দুর্বল করে দেয়
তবে এই ধরনের বাগাড়ম্বরের পরিণতি তাৎক্ষণিক বিবাদের অনেক ঊর্ধ্বে বিস্তৃত। ১৯৪৯ সাল থেকে ন্যাটো ইউরোপীয় নিরাপত্তার ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে আছে এবং এর অনুচ্ছেদ ৫-এর নিশ্চয়তা বড় আকারের সংঘাতের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তবে এর বিশ্বাসযোগ্যতা আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতির চেয়ে জোটের কেন্দ্রীয় স্তম্ভ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুভূত নির্ভরযোগ্যতার উপর বেশি নির্ভর করে। যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে সেই নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন সৃষ্ট অনিশ্চয়তা প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেই ক্ষয় করতে শুরু করে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যেমন সতর্ক করেছেন, এই ধরনের আলোচনা কেবল ন্যাটোর সমালোচনাই করে না, বরং এটি ধীরে ধীরে একে অন্তঃসারশূন্য করে তোলে।
আইনগত ভাবে ন্যাটো থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার মোটেও সহজ নয়। চুক্তির বাধ্যবাধকতা এবং ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ আইনগত সীমাবদ্ধতা মিলে আকস্মিক প্রস্থানের সম্ভাবনাকে ক্ষীণ করে তোলে। তবে আরও বাস্তবসম্মত এবং তর্কসাপেক্ষে আরও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিটি হল, মার্কিন প্রতিশ্রুতির ক্রমান্বয়িক শিথিলতা। এটি সৈন্য মোতায়েন হ্রাস, অভিযানগত সমন্বয় কমিয়ে আনা অথবা মার্কিন পারমাণবিক বলয়ের বিষয়ে ইচ্ছাকৃত অস্পষ্টতার আকার নিতে পারে।
এই ধরনের পদক্ষেপগুলি আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহারের পর্যায়ে না পৌঁছলেও একই ধরনের প্রভাব ফেলবে: অর্থাৎ অনিশ্চয়তার মাধ্যমে ন্যাটোর প্রতিরোধমূলক বিশ্বাসযোগ্যতার দুর্বলতা।
টালমাটাল প্রতিশ্রুতি রাশিয়ার আচরণ বদলে দিতে পারে
ইউরোপের জন্য এর কৌশলগত প্রভাব সুদূরপ্রসারী। অনুচ্ছেদ ৫-এর বিশ্বাসযোগ্যতা বরাবরই মার্কিন সামরিক সক্ষমতার উপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ ভাবে নির্ভরশীল ছিল, বিশেষ করে গোয়েন্দা, নজরদারি, কৌশলগত পরিবহণ এবং পারমাণবিক প্রতিরোধের মতো উচ্চ স্তরের ক্ষেত্রগুলিতে। আমেরিকার টালমাটাল প্রতিশ্রুতি অনিবার্য ভাবে ভ্লাদিমির পুতিনের কাছ থেকে সুবিধাবাদী আচরণের জন্ম দেবে, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প ধারাবাহিক ভাবে ন্যাটোকে রাশিয়ার প্রভাব বলয়ে একটি প্রতিকূল হস্তক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছেন।
এ হেন পরিস্থিতিতে মস্কো বাল্টিক অঞ্চলে হাইব্রিড অভিযান, ইউক্রেনের উপর চাপ বৃদ্ধি অথবা সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার সীমা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত সীমিত প্রচলিত অনুপ্রবেশের মাধ্যমে জোটের দৃঢ়সংকল্প যাচাই করতে প্রলুব্ধ হতে পারে।
সাম্প্রতিক ব্যয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও ইউরোপীয় সামরিক বাহিনীগুলি এখনও মার্কিন ভূমিকার হ্রাস পূরণের জন্য প্রস্তুত নয়।
আমেরিকার টালমাটাল প্রতিশ্রুতি অনিবার্য ভাবে ভ্লাদিমির পুতিনের কাছ থেকে সুবিধাবাদী আচরণের জন্ম দেবে, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প ধারাবাহিক ভাবে ন্যাটোকে রাশিয়ার প্রভাব বলয়ে একটি প্রতিকূল হস্তক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছেন।
এই ব্যবধানটি কেবল পরিমাণগত নয়, বরং গুণগতও, বিশেষ করে সেই সব ক্ষেত্রে, যেখানে গভীর সমন্বয় এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ প্রয়োজন। ফলস্বরূপ, একটি অবিশ্বস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাবনা এমন এক ধরনের দুর্বলতা তৈরি করে, যা দ্রুত প্রশমিত করা যায় না। এই অসামঞ্জস্যতাই ট্রাম্পের বক্তব্যকে এত তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে: নীতি পরিবর্তন ছাড়াই, বিচ্ছিন্নতার ধারণা মস্কোর কৌশলগত হিসেব-নিকেশ বদলে দিতে পারে।
ইউরোপীয় নেতারা এই ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন
একই সময়ে ইউরোপের প্রতিক্রিয়া একটি পরিচিত দ্বৈততা প্রকাশ করে - উদ্বেগ এবং নতুন করে জেগে ওঠার উচ্চাকাঙ্ক্ষা। এক দিকে, আন্তঃআটলান্টিক নিশ্চয়তার ক্ষয় নিয়ে সুস্পষ্ট উদ্বেগ রয়েছে; অন্য দিকে, বৃহত্তর কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতি রয়েছে। ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলি - যৌথ ক্রয় থেকে শুরু করে দ্রুত-প্রতিক্রিয়া সক্ষমতার উন্নয়ন পর্যন্ত - নতুন করে জরুরি হয়ে উঠছে। প্যারিস এবং বার্লিনের নেতারা - যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আরও আত্মনির্ভরশীল ইউরোপের সমর্থক - তাঁরা এখন দেখছেন যে, তাঁদের যুক্তিগুলি মহাদেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
তবুও স্বায়ত্তশাসনের পথটি সহজ বা বিতর্কহীন নয়। ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে হুমকি উপলব্ধির ক্ষেত্রে ভিন্নতা অব্যাহত রয়েছে; পূর্বাঞ্চলীয় সদস্য দেশগুলি রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, অন্য দিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাষ্ট্রগুলি ভূমধ্যসাগর ও উত্তর আফ্রিকার অস্থিতিশীলতার উপর বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। এই ভিন্নতা একটি সুসংহত কৌশলগত রূপকল্প তৈরির প্রচেষ্টাকে জটিল করে তোলে। সর্বোপরি, বিশ্বাসযোগ্য সামরিক সক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য শুধু আর্থিক বিনিয়োগই নয়, বরং রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সময়েরও প্রয়োজন। এই উপাদানগুলির প্রায়শই অভাব দেখা যায়।
ইউরোপের বাইরেও দুর্বল হয়ে পড়া ন্যাটোর প্রভাব সমান ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আন্তঃআটলান্টিক সংহতির এই ক্ষয় একটি অধিকতর খণ্ডিত ও বহুকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দিকে বৃহত্তর পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করবে। বিশেষ করে চিন এই ধরনের বিভাজনকে ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বৈশ্বিক শাসন প্রতিষ্ঠান উভয় ক্ষেত্রেই তার কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের একটি সুযোগ হিসেবে দেখবে।
জোটের প্রতি তার দায়বদ্ধতা থেকে সরে আসছে বলে মনে করা হলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অন্যান্য অঞ্চলে অংশীদারদের একত্রিত করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে, যার ফলে তার সামগ্রিক কৌশলগত অবস্থানও দুর্বল হয়ে পড়বে।
আন্তঃআটলান্টিক সংহতির এই ক্ষয় একটি অধিকতর খণ্ডিত ও বহুকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দিকে বৃহত্তর পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করবে।
ওয়াশিংটনের জন্য ঝুঁকি শুধু নিরাপত্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে যে জোটের জাল তৈরি করেছে, তা কেবল তার সামরিক শক্তিকেই নয়, বরং তার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকেও টিকিয়ে রেখেছে। এই সম্পর্কগুলি দুর্বল হয়ে পড়লে বৈশ্বিক বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং কূটনীতিতে আমেরিকার প্রভাব কমে যেতে পারে, যা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ফলাফল নির্ধারণে তার সক্ষমতাকে সীমিত করে দেবে। এই অর্থে দেখলে, জোটের প্রতি লেনদেনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির পরিণাম এর সমর্থকদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
এখানে ন্যাটোর চাইতেও বড় একটি বিষয় ঝুঁকির মুখে রয়েছে
শেষ পর্যন্ত যা ঝুঁকির মুখে রয়েছে তা কেবল ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নয়, বরং সম্মিলিত নিরাপত্তার সেই বৃহত্তর যুক্তি, যা যুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সংজ্ঞায়িত করেছে। ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে একটি জাতীয়তাবাদী, স্বার্থ-চালিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার চিরস্থায়ী মূল্যের মধ্যেকার একটি মৌলিক দ্বন্দ্বকে তুলে ধরে। যদিও তাঁর বাগাড়ম্বর ইউরোপকে বৃহত্তর আত্মনির্ভরশীলতার দিকে ঠেলে দিতে সফল হতে পারে — যা আমেরিকার একটি দীর্ঘদিনের উদ্দেশ্য — তবে এই রূপান্তর সম্ভবত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকিতে পরিপূর্ণ থাকবে।
ন্যাটো যখন এই পরিবর্তনশীল মুহূর্তটির মোকাবিলা করছে, তখন মূল প্রশ্নটি শুধু এই নয় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জোটে থাকবে কি না, বরং এটি যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের মিত্র হতে চায়। এর উত্তর শুধু ইউরোপীয় নিরাপত্তার ভবিষ্যৎই নয়, বরং আগামী দশকগুলিতে বিশ্বব্যবস্থার রূপরেখাও নির্ধারণ করবে।
এই প্রতিবেদন সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় মানি কন্ট্রোল-এ।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Professor Harsh V. Pant is Vice President at Observer Research Foundation, New Delhi. He is a Professor of International Relations with King's India Institute at ...
Read More +