ট্রাম্পের সর্বশেষ জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে মার্কিন সেনা ছাঁটাই এবং ট্রানজ্যাকশনালিজম বা লেনদেনবাদের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ভারতের উপর আরও কঠোর চাপ প্রয়োগের জন্য বেজিংকে কৌশলগত পরিসর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার প্রায় এক বছর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল (ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি বা এনএসএস) প্রকাশ করেছে। শুরুতেই নথিটিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, প্রতিটি ‘অঞ্চল বা দেশ’ই আমেরিকার মনোযোগের যোগ্য নয়; সংক্ষেপে বললে, এটিতে পূর্ববর্তী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের নিজেদের অতিরিক্ত প্রসারিত করার জন্য সমালোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়াও বলা হয়েছে যে, মার্কিন বিদেশনীতি তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আমেরিকার পুনঃশিল্পায়ন, অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন, অভিবাসন এবং পশ্চিম গোলার্ধই এই কৌশলের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
নথিটিতে চিন, মিত্র ও অংশীদারদের প্রতি মার্কিন কূটনৈতিক ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি মৌলিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। চিনের ক্ষেত্রে কৌশলটি প্রতিযোগিতাকে অর্থনৈতিক হিসাবে এবং ওয়াশিংটন-বেজিং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে ‘মৌলিক ভাবে ভারসাম্যহীন’ বলে মনে করে। নথিতে চিনের প্রতি এক তীব্র প্রশংসা রয়েছে। কারণ এনএসএসে বলা হয়েছে যে, দরিদ্রতম দেশগুলির মধ্যে একটি থেকে চিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিকটবর্তী’ দেশে (নিয়ার-পিয়ার) রূপান্তরিত হয়েছে।
নথিতে চিনের প্রতি এক তীব্র প্রশংসা রয়েছে। কারণ এনএসএসে বলা হয়েছে যে, দরিদ্রতম দেশগুলির মধ্যে একটি থেকে চিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিকটবর্তী’ দেশে (নিয়ার-পিয়ার) রূপান্তরিত হয়েছে।
এই কৌশলটি চিনের সঙ্গে আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্পর্কের পুনঃভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করে। নথিতে বিশেষ ভাবে নাম উল্লেখ না করে চিনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে, তারা ‘শিকারী অর্থনৈতিক অনুশীলন’-এর মোকাবিলা করার জন্য মিত্র এবং অংশীদারদের সঙ্গে তার অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে চায়। উপরন্তু, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গোলার্ধ-বহির্ভূত প্রতিযোগীদের ‘বাহিনী স্থাপন’ বা ‘হুমকিপূর্ণ ক্ষমতা’, অথবা পশ্চিম গোলার্ধে কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের ‘মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ’ করার ক্ষমতা অস্বীকার করার জন্য কাজ করবে। এই লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমেরিকা তার সামরিক উপস্থিতি পুনর্গঠন করতে এবং পশ্চিম গোলার্ধে আরও সামরিক সম্পদ বিনিয়োগ করতে চায়।
নথিটিতে মিত্র এবং অংশীদারদের নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আমেরিকার উপর চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সমালোচনা করা হয়েছে, যা দেশটিকে তার নিজস্ব স্বার্থের জন্য প্রান্তিক সংঘাতে টেনে নিয়ে যায়। ‘বোঝা ভাগ করে নেওয়া’র প্রসঙ্গে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি সাহসিকতার সঙ্গে সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাপ্তির কথা বলেছে, যে এত দিন ‘অ্যাটলাসের মতো সমগ্র বিশ্ব ব্যবস্থাকে সমর্থন করে এসেছে।’ ট্রাম্প আমেরিকার মিত্র ও অংশীদারদের তাদের প্রতিবেশীর জন্য ‘প্রাথমিক দায়িত্ব’ গ্রহণ করার আহ্বান জানান। আমেরিকা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নত করতে চায়, যাতে নয়াদিল্লি কোয়াডের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তায় অবদান রাখতে উৎসাহিত হয়। বেজিংয়ের কৌশলবিদরা নথিটি নিয়ে গভীর ভাবে গবেষণা করেছেন এবং তাঁদের নিজস্ব উপায়ে এটি ব্যাখ্যা করছেন। ফুদান ইউনিভার্সিটির শেন ই এনএসএসকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ শক্তির মর্যাদা ধরে রাখা, কৌশলগত ছাঁটাইয়ের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা এবং কৌশলগত প্রত্যাহার অর্জনের জন্য সমন্বয় করার মধ্যে একটি ‘ভারসাম্যমূলক কাজ’ হিসাবে মূল্যায়ন করেন। দ্বিতীয়ত, তিনি মূল্যায়ন করেন যে, একতরফা চুক্তির মাধ্যমে মীমাংসা করার ট্রাম্পীয় প্রবণতার কথাই নথিটিতে লেখা আছে এবং লেনদেনবাদের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য, সুবিধাজনক চুক্তি অর্জনের জন্য শুল্ক এবং জ্বালানি রফতানির মতো অর্থনৈতিক সাধনীকে কাজে লাগাবে এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও চাপের কৌশল ব্যবহার করবে। পরিশেষে, শেন দাবি করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘কাটছাঁট’-এর (রিট্রেঞ্চমেন্ট) মিথ্যা ধারণা প্রদান করছে। কিন্তু আসলে অর্থনৈতিক পুনর্জন্মের জন্য এবং পরে বিশ্ব মঞ্চে শক্তিশালী হয়ে ওঠার জন্য সময় খুঁজছে।
‘বোঝা ভাগ করে নেওয়া’র প্রসঙ্গে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি সাহসিকতার সঙ্গে সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাপ্তির কথা বলেছে, যে এত দিন ‘অ্যাটলাসের মতো সমগ্র বিশ্ব ব্যবস্থাকে সমর্থন করে এসেছে।’
মাও কেজির মতো চিনা বিশ্লেষকরা ভারতের প্রতি ট্রাম্পের নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন দেখেছেন। কারণ এটি ট্রাম্পের ‘পারদসম’ মেজাজ বা চিনের প্রতি অসঙ্গতিপূর্ণ অবস্থানকেই দর্শায়। মাও আমেরিকার নিজস্ব কৌশলগত মনোযোগ বহিরাগত ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চাইতে নিজের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগকে প্রশমিত করাকেই হতাশার প্রধান কারণ হিসেবে দর্শিয়েছে। আমেরিকার মনোযোগের এই পরিবর্তন ওয়াশিংটনকে চিন ও রাশিয়া-সহ ‘চিরাচরিত প্রতিদ্বন্দ্বী’দের প্রতি সতর্ক হতে পরিচালিত করেছে, যাতে তারা তাদের নিজস্ব হতাশা এড়াতে পারে। চিনা কৌশলবিদরা বলেছেন, এর ফলে ট্রাম্প ২.০ আমেরিকার মিত্র এবং অংশীদারদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের আটকানোর জন্য ‘কৌশলগত ঘুঁটি’ হিসেবে নয়, বরং ‘জীবনরেখা’ হিসেবে পুনর্নির্মাণ করতে প্ররোচিত করেছে, যা অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করতে পারে এবং মার্কিন শক্তি পুনরায় পূরণ করতে পারে।
ভারতের ক্ষেত্রে, রবার্ট ব্ল্যাকউইল এবং অ্যাশলে টেলিসের মতো মার্কিন গবেষকরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে, ওয়াশিংটন-নয়াদিল্লি গতিশীলতার ভিত্তি ছিল ‘কৌশলগত পরোপকার’। বেজিংয়ের কৌশলবিদরা বলছেন, ওয়াশিংটনের নয়াদিল্লির উপর কৌশলগত বাজি ধরার কারণ ছিল তার বিশাল জনসংখ্যা, কৌশলগত অবস্থান, উন্নয়নশীল অর্থনীতি এবং তার আদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গি, যা দেশটিকে ‘কর্তৃত্ববাদী প্রতিদ্বন্দ্বী’দের প্রতিপক্ষ করে তুলেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরোপকারের হিসেব ছিল এই যে, অর্থনৈতিক ও সামরিক ভাবে শক্তিশালী ভারত কেবল ওয়াশিংটনের স্বার্থকেই লাভবান করতে পারে না, বরং ক্রমবর্ধমান চিনকে নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করতে পারে। চিনা লেখকরা মনে করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে চিনের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য আমেরিকা ভূ-রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হওয়ায়, বৈজ্ঞানিক, শিল্প ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। নথিতে বাইডেন প্রশাসনের ‘ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস ইনিশিয়েটিভ (আইসিইটি)’ এবং ‘ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর প্রসপারিটি’র মতো প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এই শিথিল প্রযুক্তি স্থানান্তর বিধিনিষেধ ও রফতানি নিয়ন্ত্রণ এবং ভারতকে সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী থেকে পারমাণবিক শক্তি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার দিয়েছে এবং ‘সরবরাহ-শৃঙ্খল স্থিতিস্থাপকতা’ ধারণাটিকে প্রসারিত করেছে, যা নয়াদিল্লিকে ‘ফ্রেন্ড-শোরিং’-এর মাধ্যমে বেজিংয়ের উৎপাদন ক্ষমতা প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করতে সহায়তা করেছে।
চিনা কৌশলবিদরা বলেছেন, এর ফলে ট্রাম্প ২.০ আমেরিকার মিত্র এবং অংশীদারদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের আটকানোর জন্য ‘কৌশলগত ঘুঁটি’ হিসেবে নয়, বরং ‘জীবনরেখা’ হিসেবে পুনর্নির্মাণ করতে প্ররোচিত করেছে, যা অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করতে পারে এবং মার্কিন শক্তি পুনরায় পূরণ করতে পারে।
বেজিংয়ের কৌশলগত সম্প্রদায় বিশ্বাস করে যে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতনের উদ্বেগ বহিরাগত ভূ-রাজনৈতিক হুমকি সম্পর্কে উদ্বেগকে ছাপিয়ে যায়, যার ফলে অভ্যন্তরীণ প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর এই উদ্বেগ ট্রাম্পকে ‘শত্রু-বন্ধু’ দ্বিপাক্ষিকতার চিরাচরিত যুক্তি ভেঙে দিতে পরিচালিত করেছে। মাও ট্রাম্প ২.০-এর অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত পরার্থপরতার ধারণা থেকে দূরে সরে যাওয়া একটি দেশ বলে মনে করেন এবং যুক্তি দেন যে, এই পরিবর্তনের ফলে উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের ‘নাটকীয় ভাবে অবনতি হয়েছে’। চিনা গবেষক সম্প্রদায়ের মধ্যে এই অনুভূতি রয়েছে যে, এনএসএসের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের প্রতি তার সমর্থন পর্যালোচনা করছে। মার্কিন কৌশলগত শৃঙ্খলায় ভারতের ‘অভাব’-এর জন্য চিনা গবেষকরা দেশের ‘স্বাধীন বৈদেশিক নীতি’ এবং ‘বিদেশি শক্তির আদেশ অন্ধ ভাবে অনুসরণ করতে অনিচ্ছুক’ মনোভাবকেই দায়ী করছেন। চিনা পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যেহেতু ‘স্বাধীন দৃষ্টিভঙ্গি’ ভারতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বড় ধরনের ছাড় দিতে বাধা দেয়, তাই ট্রাম্প ২.০ তার কৌশলগত সমীকরণে নয়াদিল্লিকে ‘বিনিয়োগকৃত পরিসর’ থেকে নিছকই ‘দায়বদ্ধতা’য় নামিয়ে এনেছে।
মার্কিন-ভারত ভাঙনের আর একটি কারণ হিসেবে ওয়াশিংটনের নিজস্ব উদ্বেগকে দায়ী করা হচ্ছে। মার্কিন এনএসএসের একটি অংশ বিশ্বাস করে যে, ‘ভারতের উত্থান’-এর নেপথ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি বিদ্যমান এবং এটি ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই পূর্বাভাসও রয়েছে যে, চিন যদি তার প্রতিরক্ষা, শিল্প এবং প্রযুক্তিগত শক্তি বৃদ্ধি করে তার অবস্থানকে সুসংহত করে, তা হলে এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে প্রতিযোগিতাকে তীব্র করবে।
এনএসএস-এ চিনা গবেষকরা বিশ্ব মঞ্চ থেকে আমেরিকার প্রত্যাহার এবং ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে বিচ্ছিন্নতাই দেখতে পাচ্ছেন।
যদি চিনা গবেষকদের মূল্যায়ন ভারতকে তার সরকারি প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে পারে, তা হলে নিরাপত্তার প্রভাব সম্পর্কে ভারতকে সতর্ক থাকতে হবে। এনএসএস-এ চিনা গবেষকরা বিশ্ব মঞ্চ থেকে আমেরিকার প্রত্যাহার এবং ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে বিচ্ছিন্নতাই দেখতে পাচ্ছেন। আমেরিকা ইতিমধ্যেই চিনের সঙ্গে ‘জি২’ গঠনের কথা তুলে ধরেছে। এই সমস্ত কারণের সংমিশ্রণে এটি পশ্চিম গোলার্ধে তার নিজস্ব ‘প্রভাব বলয়’ তৈরি করতে পারে, যা আমেরিকা তৈরি করতে চাইছে।
এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার ফলে এটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) আরও যুদ্ধবাজ অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। ভারত ও চিনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্তের প্রাধান্যের বিষয়টি সামনে এসেছে। অরুণাচল প্রদেশের একজন ভারতীয় পর্যটক মূল ভূখণ্ডে ভ্রমণের সময় হয়রানির শিকার হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। আবার ২০২৫ সালের শুরুতে চিন জিনজিয়াং প্রদেশের হোতান প্রদেশে দু’টি কাউন্টি গঠনের ঘোষণা করেছে, যেখানে তার দখলে থাকা লাদাখের অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই নয়াদিল্লিকে বেজিংয়ের পুনর্নবীকৃত কৌশলগত আত্মবিশ্বাসের বিষয়টির উপর মনোযোগ দিতে হবে।
কল্পিত এ মানকিকর অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Kalpit A Mankikar is a Fellow with Strategic Studies programme and is based out of ORFs Delhi centre. His research focusses on China specifically looking ...
Read More +