Expert Speak Raisina Debates
Published on Feb 17, 2026 Updated 1 Days ago

এনএসএস-এ ভারতের নাম খুব কম উল্লেখ করা হলেও নথিতে বোঝা সংক্রান্ত পরিবর্তন, ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা এবং চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার উপর জোর দেওয়ার বিষয়গুলি নয়াদিল্লির জন্য ঝুঁকি ও কৌশলগত সুযোগ উভয়ই নিয়ে এসেছে।

ট্রাম্পের এনএসএস এবং ভারতের কৌশলগত দ্বিধা

ডিসেম্বর ট্রাম্প প্রশাসন তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল (ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি বা এনএসএস) প্রকাশ করে। এই নথিটি বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারক এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে নিরন্তর মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং খুব স্বাভাবিক ভাবেই তা শিরোনামে উঠে এসেছে এনএসএস মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এমন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেযা ঐতিহাসিক প্রবণতাগুলিকে প্রতিহত করে মূল মার্কিন স্বার্থের সংজ্ঞা সঙ্কুচিত করেপশ্চিম গোলার্ধকে প্রাথমিক ভূ-রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসাবে মনোনিবেশ করেইউরোপের তথাকথিত সাংস্কৃতিক ধ্বংসের সমালোচনা করে এবং মার্কিন সাংস্কৃতিক যুদ্ধকে সরাসরি দেশে  বিদেশে বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

মূল মার্কিন স্বার্থের এই সঙ্কুচিত সংজ্ঞার মধ্যে ভারতকে প্রান্তিক পরিসরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হচ্ছে কারণ এই নথিতে মাত্র চার বার ভারতের উল্লেখ রয়েছে। ভারতের পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন যেদেশটিকে কেবল বৃহত্তর মার্কিন কৌশলগত অগ্রাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে দর্শানো হয়েছে এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির জন্য কোনও স্পষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়নি। তবে অস্পষ্টতা অবশ্যই খারাপ জিনিস নয়।

এনএসএস মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এমন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে, যা ঐতিহাসিক প্রবণতাগুলিকে প্রতিহত করে মূল মার্কিন স্বার্থের সংজ্ঞা সঙ্কুচিত করে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত  অবাধ রাখাসমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা সংরক্ষণ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের লব্ধতা-সহ নিরাপদ নির্ভরযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখা আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য মূল এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছেমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বন্ধুঅংশীদার এবং মিত্রদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে তবে এটি মার্কিন কৌশলকে নমনীয় বাস্তববাদের কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করেযা অন্যান্য দেশের সঙ্গে আচরণে বাস্তবসম্মত ভাবে সম্ভব এবং কাঙ্ক্ষিত বিষয় সম্পর্কে সচেতন। জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের এই রূপরেখাগুলি ভারতের জন্য সুযোগ  চ্যালেঞ্জ উভয়ই উপস্থাপন করে।

প্রতিবন্ধকতা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রায়শই তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং কোয়াড কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতা প্রায়শই এর সবচেয়ে কার্যকর ক্ষুদ্র-পার্শ্বিক উপাদান হিসেবে উঠে এসেছে তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এনএসএস এই পূর্ববর্তী কাঠামোর উপর ভিত্তি করে কিছু অনুমানকে চ্যালেঞ্জও করে। বিশেষ করেএটি বোঝা ভাগ করে নেওয়া এবং বোঝা সংক্রান্ত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয় এবং ইঙ্গিত দেয় যেমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্রমবর্ধমান ভাবে তার মিত্র  অংশীদারদের তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য প্রাথমিক দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করবে। ঐতিহাসিক ভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের ইউরোপের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সংরক্ষিত এই বোঝা পরিবর্তনের ভাষা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য স্পষ্ট বৈশ্বিক অগ্রাধিকারকেই দর্শায়।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের - যেখানে ইউরোপের মতো কোনও জোট কাঠামো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেই - এই পুনর্নির্মাণের ফলে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেযদিও তা হবে নিতান্তই স্বতন্ত্র উপায়ে। সম্পূর্ণ রূপে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরিবর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত একটি আহ্বায়ক  সমর্থকের ভূমিকা গ্রহণ করবে এবং ইন্দো-প্যাসিফিকে বোঝা ভাগ করে নেয় এমন অংশীদারদের একটি শৃঙ্খলকে সমন্বিত করবে। এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান অর্থনীতি এবং কৌশলগত শক্তি হিসেবে ভারতকে আরও বেশি দায়িত্ব বহন করতে হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এনএসএস এই পূর্ববর্তী কাঠামোর উপর ভিত্তি করে কিছু অনুমানকে চ্যালেঞ্জও করে। বিশেষ করে, এটি বোঝা ভাগ করে নেওয়া এবং বোঝা সংক্রান্ত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয় এবং ইঙ্গিত দেয় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্রমবর্ধমান ভাবে তার মিত্র ও অংশীদারদের তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য প্রাথমিক দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করবে।

ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কী ভাবে পদক্ষেপ করবেতা অবশ্যই তার নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ দ্বারা নির্ধারিত হবে। তবে ভারতের চ্যালেঞ্জ হতে পারেএই অঞ্চলে আরও কিছু করার জন্য নয়াদিল্লিকে কতটা চাপ দেওয়া হচ্ছেতার উপর। এনএসএস যেহেতু ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনকে কেন্দ্রীয় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থাপনে অবিচল রয়েছে - বিশেষ করে ‘যে কোনও একক প্রতিযোগী দেশের আধিপত্য রোধ করা লক্ষ্যে - তাই ভারতের বৃহত্তর নিরাপত্তা ভূমিকা গ্রহণের প্রত্যাশা নয়াদিল্লির তরফে বেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার অনীহার সঙ্গে দ্বন্দ্বমূলক হতে পারে। এই দ্বিধা বিশেষ ভাবে এমন এক সময়ে স্পষ্ট হয়েছেযখন ওয়াশিংটনকে কম নির্ভরযোগ্য বলে মনে হচ্ছেতা সে উচ্চ শুল্ক আরোপের মাধ্যমে হোক বা পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক চ্যানেল খোলার মাধ্যমে হোক না কেন।

একই সময়ে এই অঞ্চলে মার্কিন শক্তির যে কোনও ক্রমান্বয়ের সঙ্কোচন নয়াদিল্লির জন্য একটি বর্ধিত ভূমিকা তৈরি করার সুযোগ প্রদান করতে পারে। আমেরিকার পরিকল্পিত ভাবে পিছিয়ে আসার প্রতিক্রিয়ায় ভারত কী ভাবে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করেতা পর্যবেক্ষণ করা দরকারবিশেষ করে যখন ট্রাম্প প্রশাসন বাণিজ্যিকপ্রযুক্তিগত এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে অংশীদার দেশগুলির বৃহত্তর আঞ্চলিক এবং বহিরাঞ্চলিক দায়িত্ব গ্রহণের ইচ্ছার সঙ্গে সংযুক্ত করছে বলে মনে হচ্ছে।

সুযোগ

এই এনএসএস কিছুটা হলেও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ভূ-রাজনৈতিক মনোযোগ সরিয়ে নিলেও এই স্পষ্ট ধারণা রয়েছে যেমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিনের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় জয়লাভের উপর মনোনিবেশ করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মূল্যায়ন এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে সংযুক্তযা ক্রয়ক্ষমতা সমতার (পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি বা পিপিপি) শর্তাবলিতে বিশ্বের জিডিপির অর্ধেক এবং বাণিজ্যসংস্কৃতিপ্রযুক্তি  প্রতিরক্ষার মতো ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দেশগুলির সঙ্গে তার অব্যাহত সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত। অর্থনৈতিক সম্পর্ককে চূড়ান্ত ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থায়িত্বের সন্ধান করছে এনএসএস চিনের তরফে উত্থাপিত চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তীব্র ভাবে সচেতন বলেও মনে হচ্ছেবিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিকের নিম্ন  মধ্যম আয়ের অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। 

এনএসএস যেহেতু ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনকে কেন্দ্রীয় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থাপনে অবিচল রয়েছে - বিশেষ করে ‘যে কোনও একক প্রতিযোগী দেশের আধিপত্য রোধ করা লক্ষ্যে - তাই ভারতের বৃহত্তর নিরাপত্তা ভূমিকা গ্রহণের প্রত্যাশা নয়াদিল্লির তরফে বেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার অনীহার সঙ্গে দ্বন্দ্বমূলক হতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ কেবল এই অর্থনীতিগুলির সঙ্গে চিনের সম্পৃক্ততার মাত্রা  গতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা নয়বরং এমন ভাবে তা করাযা এই দেশগুলির নিজস্ব পদ্ধতি বা বিশ্বব্যাপী গৃহীত বাজার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না- হতে পারে।

আমেরিকা অভ্যন্তরীণ ভাবে তার অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করার চেষ্টা করার সঙ্গে সঙ্গে এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আবদ্ধ থাকার গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়েছে। এই ধারণার ক্ষেত্রে মিত্র  প্রতিযোগী অর্থনীতির মধ্যে পার্থক্য হল এমন একটি বিষয়যা ট্রাম্প প্রশাসন বেজিং  নয়াদিল্লির সঙ্গে তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার জন্য হাঁটছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে পরিচালিত অঞ্চলগুলিতে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা সম্প্রসারণ করতে চাইছে যদিও তারা স্বীকার করে নিয়েছে যেগ্লোবাল সাউথকে কার্যকর ভাবে সম্পৃক্ত করার জন্য এখনও তাদের কাছে একটি স্পষ্ট কৌশলের অভাব রয়েছে ফলে সে ক্ষেত্রে ভারতের সামনে নিঃসন্দেহে একটি সম্ভাব্য সুযোগ রয়েছে

এটি কোনও গোপন বিষয় নয় যেট্রাম্প প্রশাসনের ইউরোপের সঙ্গে একটি জটিল সম্পর্ক রয়েছে। যদিও সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও এবং ন্যাটোতে নিযুক্ত মার্কিন স্থায়ী প্রতিনিধি (পারমানেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভম্যাথিউ হুইটেকারের মতো উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ন্যাটোর নম্বর অনুচ্ছেদের প্রতি মার্কিন অঙ্গীকারের ইঙ্গিত প্রদর্শন করেছেনযা আমেরিকার চুক্তির বাধ্যবাধকতা পরিত্যাগ করার উদ্বেগকে দূর করে তবে এনএসএস স্পষ্ট করে দিয়েছে যেট্রাম্প প্রশাসন ইইউ- বন্ধু নয়। এটিতে ব্রাসেলসের আমলাতান্ত্রিক বাড়াবাড়িঅতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণবাকস্বাধীনতার শ্বাসরোধ  অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের কথা বলা হয়েছে এবং ইইউ-কে অবাঞ্ছিতের তালিকায় স্পষ্ট ভাবে স্থান করে দিয়েছে

ভারত এবং ইইউ উভয়েরই এটিকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন দের লেইন জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে এক বছরের মধ্যে তাঁর দ্বিতীয় সফর করেন স্বাভাবিক ভাবেই ভারত এবং ইইউ-এর মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে এটি একটি নিরাপত্তা প্রতিরক্ষা চুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ন্যায্যতাও প্রদান করেছে একই সঙ্গে উভয়ই সহযোগিতার একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে কারণ ভারত এবং ইইউ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তাদের অংশীদারিত্ব প্রসারিত করতে চাইছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন দের লেইন জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে এক বছরের মধ্যে তাঁর দ্বিতীয় সফর করেন স্বাভাবিক ভাবেই ভারত এবং ইইউ-এর মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে এটি একটি নিরাপত্তা প্রতিরক্ষা চুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ন্যায্যতাও প্রদান করেছে

পরিশেষে বলা যায়নয়াদিল্লিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমতরাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকা যে কৌশলগত স্থিতিশীলতা চায়তা দিল্লিতে একটি স্বাগত পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে প্রসঙ্গে বলা দরকারট্রাম্প প্রশাসন ভারতের উপর আরোপিত শুল্কের পরিমাণ হ্রাস করেছে তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি অনেকটাই বিশ বাঁও জলে এনএসএস একটি সুনির্দিষ্ট নীতিগত নীলনকশার পরিবর্তে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির আভাস দিলেওরাশিয়ার প্রতি ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি পরিবর্তনশীল ধারণা প্রশংসনীয়।

দ্বিতীয়তমধ্যপ্রাচ্যকে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি যেমন এআইকোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং রোবোটিক্সের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার জন্য নতুন করে চাপ বাড়ছে তাই এই অঞ্চলের মাধ্যমে পশ্চিমাদের প্রাচ্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য নতুন গতি দেখা যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ভারত এই কৌশলগত সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। এটি প্রযুক্তি সহযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক কাঠামোও বজায় রাখে পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির সঙ্গে ভারত সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে এটি এমন একটি কাঠামোযেটির মাত্রায়ণ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সম্পৃক্ততার বর্ধিত তত্ত্বাবধানে করা যেতে পারে। 

 


রাচেল রিজো অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের সিনিয়র ফেলো

বিবেক মিশ্র অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ডেপুটি ডিরেক্টর

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.