-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন শুল্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে মার্কিন-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করেছে, যা বেজিংয়ের সঙ্গে আমেরিকার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিযোগিতায় আরও বলপূর্বক ও একতরফা পর্যায়কে চিহ্নিত করে।
ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর এবং তার পরবর্তী সপ্তাহগুলিতে তাঁর নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে যে সমস্ত বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, তার মধ্যেও তাঁর চিন নীতি বিদেশে আমেরিকার ভূমিকা এবং প্রভাব গঠনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী ও সবচেয়ে নির্ণায়ক উপাদান। ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন (এমএজিএ)’ নীতিমালার একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ প্রবণতা থাকলেও ক্রমবর্ধমান ভাবে চিন ধীরে ধীরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে বলে, এমনকি চিনকে আলাদা করার বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি অনিবার্য কৌশল বলে মনে হচ্ছে। চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চূড়ান্ত শুল্ক বৃদ্ধির বিষয়টি - যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ১৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে এবং চিনের অনুরূপ প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ - আসলে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের কথাই মনে করিয়ে দেয়, যখন তিনি দাবি করেছিলেন যে, চিন ছাড়া সকল দেশের জন্য বেসলাইন ১০ শতাংশে শুল্ক ফিরিয়ে আনার কৌশল ছিল ট্রাম্পের ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কৌশল’। এখনও পর্যন্ত বেজিংয়ের প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করে, চিনা প্রেসিডেন্টের শি জিনপিংয়ের তরফে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দর কষাকষির জন্য ফোন করার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে যেহেতু চিন বলেছে যে, তাদেরকে হুমকি দেওয়া সহজ নয়।
চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চূড়ান্ত শুল্ক বৃদ্ধির বিষয়টি - যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ১৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে এবং চিনের অনুরূপ প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ - আসলে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের কথাই মনে করিয়ে দেয়, যখন তিনি দাবি করেছিলেন যে, চিন ছাড়া সকল দেশের জন্য বেসলাইন ১০ শতাংশে শুল্ক ফিরিয়ে আনার কৌশল ছিল ট্রাম্পের ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কৌশল’।
চিনের উপর উচ্চ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত চিনা বন্দরগুলিকে কার্যত স্থবির করে দিয়েছে। চিনের উপর চাপ কমিয়ে এবং অন্যান্য দেশের উপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো অনিচ্ছাকৃত ভাবে চিনা কৌশলের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন। তবে চিনের প্রতিক্রিয়া সম্ভবত নীতিটিকে একটি সংঘাতমূলক আকার দেবে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধকে যে বিষয়টি আলাদা করে তোলে, তা হল প্রকৃতপক্ষে শীর্ষ ৫০টি রফতানিকারক দেশের মধ্যে কানাডা, চিন এবং মেক্সিকোর মতো শীর্ষ তিনটি রফতানিকারক অংশীদার দেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান বাণিজ্য যুদ্ধ। মার্কিন অর্থনীতির জন্য মূল্যবৃদ্ধি থেকে শুরু করে নিম্ন প্রবৃদ্ধির হার পর্যন্ত মূল্যায়িত হয়। যাই হোক, মার্কিন অর্থনীতিতে প্রাথমিক পর্যায়ে বেশির ভাগ পরিবর্তন এখনও স্পষ্ট না হলেও মার্কিন শুল্কের প্রতি চিনের প্রতিক্রিয়া কিছু সঙ্কেত প্রেরণ করেছে। মার্কিন ব্যবসাগুলি যে বড় ধাক্কার সম্মুখীন এবং যা ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটাতে সক্ষম, তা হল চিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রেয়ার আর্থ বা বিরল খনিজ এবং চুম্বকের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত। এর ফলে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, বিশ্ব জুড়ে গাড়ি নির্মাতা, মহাকাশ সামগ্রী নির্মাতা, অর্ধপরিবাহী সংস্থা এবং সামরিক বাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলিতে প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
চিনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের উত্তরাধিকার, যেখানে বাইডেন প্রশাসন প্রযুক্তি ক্ষেত্রে রফতানি নিয়ন্ত্রণ নীতির মাধ্যমে এই বিষয়টির ভিত্তি গড়ে তুলেছিল। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে চিন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রযুক্তি ও অর্ধপরিবাহীর মতো ক্ষেত্রে মার্কিন শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার জন্য আগ্রাসী ভঙ্গি দেখা গিয়েছিল। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদের শেষে ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর থেকে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খলের উপর নিয়ন্ত্রণে চিনের সক্ষমতা নাটকীয় ভাবে এগিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, চিনা স্টার্ট-আপ ডিপসিকের প্রবেশ কী ভাবে বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে এবং বাজার থেকে কোটি কোটি ডলার মুনাফা তুলেছে, তা কেবল চিনের স্বল্প সময়ের অগ্রগতিরই নয়, বরং মার্কিন-চিন প্রতিযোগিতার পরিবর্তিত প্রকৃতিরও একটি উদাহরণ।
মার্কিন ব্যবসাগুলি যে বড় ধাক্কার সম্মুখীন এবং যা ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটাতে সক্ষম, তা হল চিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রেয়ার আর্থ বা বিরল খনিজ এবং চুম্বকের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত।
প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের উত্তরসূরি বাইডেন প্রশাসন ট্রাম্পের কিছু চিনা নীতি অব্যাহত রাখে এবং ট্রাম্পের আমলের মতো আক্রমণাত্মক সংঘাত ছাড়াই চিনের সঙ্গে মোকাবিলা করার কৌশল তৈরি করে এবং একই সাথে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বজায় রাখার নীতিমালা তৈরি করে। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় মূল মিত্রদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার করার উপর দু’জনেরই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল উল্লেখযোগ্য রকমের বিপরীতমুখী। সর্বোপরি,
বাইডেন প্রশাসনের দেশীয় প্রযুক্তি ও অর্ধপরিবাহী উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংস্কার করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট বিনিয়োগের উপর মনোযোগ চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য মূল বিষয় হয়ে ওঠে। এই লক্ষ্যে সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ ছিল চিপস অ্যান্ড সায়েন্স অ্যাক্ট, যা দেশীয় উৎপাদন এবং গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছিল এবং ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ কর ক্রেডিট আরোপ করেছিল। প্রশাসন চিনের গুরুত্বপূর্ণ এআই এবং অর্ধপরিবাহী উপাদান রফতানি বন্ধ করার জন্য কঠোর রফতানি নিয়ন্ত্রণের উপরও মনোনিবেশ করেছিল, পাশাপাশি একই কাজ করার জন্য মূল মিত্র দেশগুলির সঙ্গে কাজ করেছিল। জোট গঠন এবং মিত্রদের ক্ষমতা বৃদ্ধি ছিল প্রশাসনের একটি প্রধান লক্ষ্য।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় বারের মতো হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তন তাঁর প্রথম মেয়াদের তুলনায় আরও কঠোর জবরদস্তিমূলক আচরণের লক্ষণকে দর্শায়। প্রাথমিক পন্থা ছিল বন্ধু, অংশীদার এবং মিত্রদের উপর নীতিমালা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নির্বিচারে শুল্কের ব্যবহার, যা বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণার মাধ্যমে প্রমাণিত। দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও শুল্ক সমতা অর্জনের উপর বিশেষ ভাবে মনোনিবেশ করার জন্য ট্রাম্পের কার্যনির্বাহী আদেশের ব্যবহার এখন চিনের জন্য সবচেয়ে স্পষ্ট কৌশল। ট্রাম্পের নীতিগুলি চিনের উপর চাপ বজায় রাখার জন্য বাইডেন যুগের নীতিগত ধারাবাহিকতার দিকেও ইঙ্গিত করে। এটি সম্ভবত এআই-এর উপর ট্রাম্পের মনোযোগের সবচেয়ে স্পষ্ট দিক, যা ৩১ মার্চের একটি কার্যনির্বাহী আদেশে প্রমাণিত হয়েছে। এই আদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে। আদেশটি এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগকে সহজতর ও ত্বরান্বিত করবে এবং বিনিয়োগকারীদের নিয়ন্ত্রক অনুমোদন পেতে সহায়তা করবে। আদেশটি বিনিয়োগকারী ও উদ্ভাবকদের আরও ভাল প্রণোদনা প্রদানের জন্য বাইডেন যুগের চিপস প্রোগ্রাম অফিসের জন্যও দায়বদ্ধ থাকবে।
বাইডেন প্রশাসনের দেশীয় প্রযুক্তি ও অর্ধপরিবাহী উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংস্কার করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট বিনিয়োগের উপর মনোযোগ চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জন্য মূল বিষয় হয়ে ওঠে।
ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এখন একটি জবরদস্তিমূলক কৌশল। ২০২৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের কার্যনির্বাহী আদেশের লক্ষ্য হল ‘আমেরিকা ফার্স্ট বিনিয়োগ নীতি’ প্রণয়ন করা। নীতিটি জনগণ ও অর্থনীতির জন্য উপকারী একটি শক্তিশালী, উন্মুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আদেশটিতে চিনকে অত্যাধুনিক গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি অর্জনের জন্য মার্কিন সংস্থা এবং সম্পদে বিনিয়োগ করার অন্যায্য উপায়ের জন্য দায়ী করা হয়। এটি এই বিষয়টির উপরও জোর দেয় যে, চিন মার্কিন সংস্থাগুলিকে সমান প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের অনুমতি দেয় না, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর ক্ষেত্রে এবং তাই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য চিনা সংস্থাগুলিকে অনুমতি না দেওয়ার মার্কিন পদক্ষেপগুলি ন্যায্যতা পেয়েছে। চিনের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকারকে খর্ব করা এখন ট্রাম্প প্রশাসনের একটি কেন্দ্রীয় লক্ষ্য হবে। কারণ বেজিং প্রযুক্তিতে দ্রুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নির্ণায়ক হতে চলেছে। বর্তমান প্রবণতা কোনও ইঙ্গিত না দিলেও ট্রাম্প প্রশাসন সম্ভবত দেশে সক্ষমতা তৈরির কৌশল চালিয়ে যাবে এবং যেখানে সম্ভব সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে চিনের প্রবেশাধিকারকে বাধা দেবে এবং সমমনস্ক মিত্রদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করবে। চিন ছাড়া সকল দেশের উপর উচ্চ শুল্ক ৯০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার মাধ্যমে চিনের সঙ্গে ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা হতে পারে। কারণ ট্রাম্প খাতভিত্তিক প্রভাব মূল্যায়ন করে ভারসাম্য বজায় রাখতে চান। ‘পারস্পরিক শুল্ক’ থেকে স্মার্টফোন, কম্পিউটার এবং কিছু অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাদ দেওয়া চিনের জন্য কেবল একটি স্বস্তির কারণ হতে পারে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন অর্ধপরিবাহী ও ওষুধের উপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করতে পারে।
চিন-মার্কিন যুদ্ধের নতুন উত্তেজনার কারণে বিশ্ব জুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্গঠনের অনুমানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও চুম্বকের মতো বিষয়গুলিতে চিনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হতে পারে প্রাথমিক দিক। এ দিকে, মার্কিন শুল্কের সঙ্গে চিনের অভিযোজন বিশ্ব জুড়ে বৃহৎ শক্তি প্রতিযোগিতা এবং বাণিজ্যকে রূপদানকারী সবচেয়ে বড় বহিরাগত প্রভাবগুলির অন্যতম হবে। তাই শি জিনপিংয়ের ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়া সফর বাণিজ্য যুদ্ধের আসন্ন প্রভাব মোকাবিলায় চিনের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে। ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনায় সর্বোচ্চ শুল্ক আরোপিত দেশগুলির মধ্যে ভিয়েতনামের মতো দেশগুলির জন্য চিনের সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয় পারস্পরিক সুবিধা বয়ে আনতে পারে।
নীতিটি জনগণ ও অর্থনীতির জন্য উপকারী একটি শক্তিশালী, উন্মুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে।
ট্রাম্প প্রশাসনিক ক্ষমতা গ্রহণের পর মাত্র কিছু দিনই কেটেছে। কিন্তু এর নীতিগুলি ইতিমধ্যেই বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির পুরনো নিয়মগুলিকে ব্যাহত করেছে এবং আমেরিকার প্রাধান্য ফিরে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি নতুন শৃঙ্খলা আরোপের হুমকি প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। যেহেতু শুল্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অংশীদারদের জন্যও একটি উদ্বেগের কারণ, তাই ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বের অন্যান্য অংশের মতোই চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তাঁর প্রাথমিক হাতিয়ার হিসেবে শুল্কের মাধ্যমে বলপ্রয়োগ ব্যবহার অব্যাহত রাখে কি না, তা এখনও দেখার বিষয়।
ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, চিন সম্ভবত মার্কিন কৌশলগত মূল্যায়নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গতিশীল চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে। ট্রাম্প প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কাজ করার মূল্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, যা এই সুবিশাল অঞ্চলে সাধারণ হুমকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই বিষয়টি কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতেও প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ-সহ ট্রাম্প প্রশাসনের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জোট এবং অংশীদারিত্ব জোরদার করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ইউএস-ইন্দোপাকম পরিদর্শন করেছেন। ট্রাম্পের অধীনে কেন্দ্রীয়তা ধরে রাখা ইন্দো-প্যাসিফিক এমন একটি অঞ্চল হয়ে উঠতে পারে, যেখানে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণের সমন্বয় ঘটবে।
বিবেক মিশ্র অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ডেপুটি ডিরেক্টর।
অক্ষত সিং অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের রিসার্চ ইন্টার্ন।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Vivek Mishra is Deputy Director – Strategic Studies Programme at the Observer Research Foundation. His work focuses on US foreign policy, domestic politics in the US, ...
Read More +