Authors : Aparna Roy | Sasha Ranjan

Expert Speak Raisina Debates
Published on Mar 27, 2026 Updated 0 Hours ago

ভারতের যুব-চালিত স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্র দেশের ক্রমাগত বায়ু দূষণ সঙ্কট মোকাবিলায় মাত্রাযোগ্য, প্রযুক্তি-সক্ষম সমাধান প্রদান করে।

বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ভারতের স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্রকে কাজে লাগানো দরকার

ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে উত্তর ভারত আবারও বায়ু দূষণের এক জরুরি অবস্থার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেযা পূর্বাভাসযোগ্য এবং স্থায়ী এক সময় যাকে নিতান্তই মৌসুমী ধোঁয়াশা বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলতা এখন একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সঙ্কটে পরিণত হয়েছেবিশেষ করে দিল্লি এবং বৃহত্তর জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের (এনসিআর) জন্য। আইকিউএয়ারের ২০২৪ সালের বিশ্ব বায়ু মানের প্রতিবেদন অনুসারেভারতের বার্ষিক গড় পিএম২. ঘনত্ব ৫০. মাইক্রোগ্রাম/ ঘনমিটার ছিল, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রস্তাবিত সীমার দশগুণেরও বেশি। দিল্লির পরিস্থিতি আরও খারাপ দীপাবলির পরে বায়ু মানের সূচকের মাত্রা উদ্বেগজনক ভাবে ৯৯৯ ছুঁয়েছে এবং ২০২৫ সালের অক্টোবর  নভেম্বর জুড়ে ‘গুরুতরপর্যায়ে প্রবেশ করেছে

২০২৪ সালে ভারত বিশ্বব্যাপী পঞ্চম সর্বাধিক দূষিত দেশ হিসাবে স্থান পেয়েছেবিশ্বের ২০টি সবচেয়ে দূষিত শহরের মধ্যে ১৩টি শহরই এর সীমানার মধ্যে অবস্থিত। জনস্বাস্থ্যের প্রভাবও সমান ভাবে গুরুতর। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে২০২৩ সালে ভারতে সমস্ত মৃত্যুর প্রায় ১৫ শতাংশ বায়ু দূষণের সংস্পর্শের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।

ভারতের যুবসমাজ তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং অত্যাধুনিক ও সাশ্রয়ী সমাধানের পরিকল্পনা ও প্রয়োগ করার ক্ষমতার মাধ্যমে বায়ু দূষণ শাসনের দু’টি সবচেয়ে স্থায়ী বাধা মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে: উৎসে নির্গমন কমাতে মাত্রাযোগ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের প্রযুক্তির অভাব এবং ঘন, নির্ভরযোগ্য, বৃহৎ আকারের বায়ু মান পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার অনুপস্থিতি।

এই পরিসংখ্যানগুলি সরকারের জন্য জরুরি পরিস্থিতির ঊর্ধ্বে উঠে একটি শক্তিশালীবহু-স্তরের কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়যা প্রধান দূষণকারী ক্ষেত্রগুলি - কৃষিশিল্পতাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রনির্মাণ এবং পরিবহণ  - জুড়ে নির্গমন হ্রাস করতে পারে এবং একই সঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর দেশের নির্ভরতা ক্রমাগত হ্রাস করতে পারে। সঙ্কট মোকাবিলার জন্য এই জাতীয় কৌশলটিতে  ভারতের মূল অংশীদারদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

ভারতের যুবসমাজ তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং অত্যাধুনিক  সাশ্রয়ী সমাধানের পরিকল্পনা  প্রয়োগ করার ক্ষমতার মাধ্যমে বায়ু দূষণ শাসনের দুটি সবচেয়ে স্থায়ী বাধা মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে: উৎসে নির্গমন কমাতে মাত্রাযোগ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের প্রযুক্তির অভাব এবং ঘননির্ভরযোগ্যবৃহৎ আকারের বায়ু মান পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার অনুপস্থিতি।

বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক তরুণদের দরুন ভারতে আজ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্র রয়েছেযেখানে প্রায় ৭২ শতাংশ প্রতিষ্ঠাতা ৩৫ বছরের কম বয়সি। তরুণ সামাজিক উদ্যোক্তাদের সমীক্ষা দর্শায় যেদুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি জলবায়ু পরিবর্তন এবং সম্পর্কিত পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সংক্রান্ত উদ্যোগে নিযুক্ত। এই বাস্তুতন্ত্র - যা বিশ্ববিদ্যালয়ইনকিউবেটর এবং প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্যোগগুলিতে স্থাপিত - বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কিন্তু তা অপ্রতুল সম্পদের প্রতিনিধিত্ব করে।

এই শাসনব্যবস্থার ব্যবধানের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রকাশগুলির মধ্যে একটি হল উত্তর ভারতে খড় পোড়ানো। শুধুমাত্র পাঞ্জাবেই ২০২৪ সালে ধানের খড় উৎপাদন বেড়ে ১৯.৫২ মিলিয়ন টনে পৌঁছেছেযার মধ্যে ১৩. মিলিয়ন টন ইন-সিটু ব্যবস্থাপনার জন্য নির্ধারিত ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য দেখায় যেখড় পোড়ানো ২০২৪ সালে দিল্লির পিএম২. স্তরে গড়ে ১০. শতাংশ অবদান রেখেছিলযা নির্দিষ্ট দিনে ৩৫ শতাংশে পৌঁছেছিল। যদিও পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা সরকার ২০২১ সাল থেকে খড় পোড়ানোর ঘটনা ৯০ শতাংশেরও বেশি হ্রাসের দাবি করেছে, তবে আইফরেস্টের সাম্প্রতিক গবেষণা দর্শায় যেএই পরিসংখ্যানগুলি সমস্যাটিকে উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস করতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যেস্যাটেলাইট-ভিত্তিক ব্যবস্থাগুলি প্রায়শই পুরো ২৪ ঘণ্টার চক্র জুড়ে খোলা আগুন ধরাতে ব্যর্থ হয়যা পর্যবেক্ষণের জন্য অপরিলক্ষিত পরিসর তৈরি করে এটি অবমূল্যায়িত নির্গমনভুল কণা ঘনত্বের অনুমান এবং ত্রুটিপূর্ণ বায়ু মানের মডেলের দিকে চালিত করে।

এই বিচ্ছিন্নতা একটি বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে: বিশ্বাসযোগ্যরিয়েল-টাইম তথ্য এবং কৃষকদের জন্য কার্যকর বিকল্প ছাড়া প্রয়োগ  প্রশমন প্রচেষ্টা সফল হতে পারে না। সচেতনতার অভাবের কারণে খড় পোড়ানো অব্যাহত থাকে নাবরং তা থাকে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং সুবিধাজনক অবশিষ্টাংশ ব্যবস্থাপনার বিকল্পগুলি সীমিত থাকার কারণে।

লক্ষ্যযুক্ত সরকারি সহায়তা - যেমন নিশ্চিত ক্রয়, ক্রয়ের দরুন গ্যারান্টি এবং উদ্ভাবন-সংযুক্ত অনুদান - দিয়ে এই সমাধানগুলি দ্রুত মূলধারার প্রশমন কৌশলগুলিতে একীভূত করা যেতে পারে এবং রাজ্যগুলিতে বিস্তৃত করা যেতে পারে।

ভারতের স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্র এই ব্যবধান পূরণ করতে শুরু করেছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত আরওয়াই এনার্জিস ধানের অবশিষ্টাংশকে উচ্চ মানের জৈববস্তুপুঞ্জ জ্বালানিতে রূপান্তর করে এবং শিল্প ব্যবহারকারীদের কাছে সারা বছর ধরে সরবরাহ করেযা কৃষকদের খোলা আগুনে পোড়ানোর একটি স্থিতিশীল বিকল্প প্রদান করে। লক্ষ্যযুক্ত সরকারি সহায়তা - যেমন নিশ্চিত ক্রয়, ক্রয়ের দরুন গ্যারান্টি এবং উদ্ভাবন-সংযুক্ত অনুদান - দিয়ে এই সমাধানগুলি দ্রুত মূলধারার প্রশমন কৌশলগুলিতে একীভূত করা যেতে পারে এবং রাজ্যগুলিতে বিস্তৃত করা যেতে পারে।

কৃষি ছাড়াওভারতের বায়ু দূষণ সঙ্কট তার জীবাশ্ম জ্বালানি-নির্ভর বৃদ্ধির মডেলের সঙ্গে গভীর ভাবে জড়িত। বিদ্যুৎ খাতে কয়লা আধিপত্য বজায় রেখেছেযা ২০২৫ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৭০ শতাংশ। অর্থপূর্ণ নির্গমন হ্রাস অর্জনের জন্য পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি স্থাপন ত্বরান্বিত করা এবং শক্তি-নিবিড় শিল্পগুলিতে দক্ষতা উন্নত করা উভয়ই প্রয়োজন। এখানে আবারও স্টার্ট-আপগুলি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে। আইআইটি মাদ্রাজ-ইনকিউবেটেড ওয়াঙ্কেল এনার্জি সিস্টেমস বর্জ্য তাপ পুনরুদ্ধার ডিভাইস তৈরি করছেযা ভারতের প্রক্রিয়া শিল্পগুলিতে আনুমানিক ৬৬,০০০ কোটি টাকার বার্ষিক শক্তি ক্ষতিকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করে। এই ধরনের প্রযুক্তি জ্বালানি খরচ কমায়নির্গমন কমায় এবং শিল্প প্রতিযোগিতা উন্নত করে এই সব কিছুই পরিবেশগত লক্ষ্যগুলিকে অর্থনৈতিক প্রণোদনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।

ভারতের বায়ু দূষণ প্রতিক্রিয়ার দ্বিতীয় প্রধান বাধা হল সীমিত পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। দেশের ,০৪১টি সেনসাস টাউনের মাত্র ১২ শতাংশে বর্তমানে অবিচ্ছিন্ন বায়ু মান পর্যবেক্ষণ স্টেশন রয়েছেযার ফলে প্রায় ৪৭ শতাংশ জনসংখ্যা নির্ভরযোগ্য নজরদারি ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের মতে১০০,০০০ থেকে ১০ লক্ষের মধ্যে জনসংখ্যার শহরগুলিতেই পিএমসালফার ডাই অক্সাইডনাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডকার্বন মনোক্সাইড এবং পৃষ্ঠস্তরের ওজোনের মতো দূষণকারীদের জন্য হাজার হাজার অতিরিক্ত মনিটরের প্রয়োজন। এই ব্যবধানগুলি নির্গমনের মূল কেন্দ্র শনাক্তকরণ এবং স্থানীয় দূষণের প্রবণতা মূল্যায়নে উল্লেখযোগ্য শূন্য স্থান তৈরি করে।

স্টার্ট-আপগুলি তথ্য-চালিত উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে আসছেযা কম খরচে পর্যবেক্ষণ কভারেজ উল্লেখযোগ্য ভাবে প্রসারিত করতে পারে। জলবায়ু-প্রযুক্তি স্টার্ট-আপঅ্যাম্বিসরকারি স্টেশনইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটিসেন্সর এবং স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ থেকে ইনপুট সমন্বিত করে হাইপার-লোকালরিয়েল-টাইম এবং পূর্বাভাসিত বায়ু মানের তথ্য সরবরাহ করে। এর বিশ্লেষণ নীতিনির্ধারকনগর পরিকল্পনাকারী এবং প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দূষণের কেন্দ্রগুলি চিহ্নিত করতে এবং স্পাইকগুলির পূর্বাভাস দিতে সক্ষম করেযার ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে শক্তিশালী করা হয়।

একই ভাবেরেসপিরার তার পণ্যঅ্যাটমসের মাধ্যমে বায়ুর গুণমান পর্যবেক্ষণকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করেছেযা রিয়েল টাইমে পিএম২. এবং কার্বন মনোক্সাইডের মতো দূষণকারী পদার্থ পরিমাপ করার জন্য স্মার্ট বাস কেবিনে সেন্সর স্থাপন করে। এই প্রেক্ষাপট-নির্দিষ্ট পদ্ধতি তথ্যের প্রাপ্যতা  স্বচ্ছতা উভয়ই বৃদ্ধি করেযাত্রীদের কেবিনের বায়ুর গুণমান সম্পর্কে অবহিত করে এবং জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি করে।

এটি একটি পদ্ধতিগত সমস্যা প্রতিফলিত করে: ক্রয় পথপ্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এবং স্থিতিশীল জনসাধারণের তহবিলের অভাবে প্রতিশ্রুতিশীল প্রযুক্তিগুলি প্রায়শই স্থবির হয়ে পড়ে।

তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উদ্ভাবন এখনও পাইলট এবং প্রদর্শনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ২০১৯ সালে আইআইটি দিল্লির শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিকল্পিত একটি সৌরশক্তিচালিত৫জি-সক্ষম বায়ু দূষণ পর্যবেক্ষণ যন্ত্র তার প্রাথমিক প্রদর্শনীর বাইরে অগ্রসর হতে ব্যর্থ হয়েছে। এটি একটি পদ্ধতিগত সমস্যা প্রতিফলিত করে: ক্রয় পথপ্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এবং স্থিতিশীল জনসাধারণের তহবিলের অভাবে প্রতিশ্রুতিময় প্রযুক্তিগুলি প্রায়শই স্থবির হয়ে পড়ে।

স্টার্ট-আপ উদ্ভাবনগুলিকে বিচ্ছিন্ন পরীক্ষা হিসাবে বিবেচনা করার পরিবর্তে সরকারগুলিকে জাতীয় পরিষ্কার বায়ু কর্মসূচিস্মার্ট সিটিজ মিশন এবং পৌরসভা পর্যবেক্ষণ কাঠামোর মতো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভাবে তাদের সমন্বিত করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ের সমাধানগুলি যাতে স্থিতিশীল শাসন সরঞ্জামে রূপান্তরিত হয়তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি সংস্থাগবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্ট-আপগুলির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।

স্টার্ট-আপ উদ্ভাবনগুলিকে বিচ্ছিন্ন পরীক্ষা হিসাবে বিবেচনা করার পরিবর্তে সরকারগুলিকে জাতীয় পরিষ্কার বায়ু কর্মসূচিস্মার্ট সিটিজ মিশন এবং পৌরসভা পর্যবেক্ষণ কাঠামোর মতো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভাবে তাদের সমন্বিত করতে হবে।

ভারতের স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্রের ভূমিকা প্রযুক্তি স্থাপনের বাইরেও বিস্তৃত। বায়ু মানের তথ্যের প্রবেশাধিকারের গণতান্ত্রিকীকরণ এবং জনসচেতনতা উন্নত করেএই উদ্যোগগুলি জবাবদিহিতা এবং নাগরিক সম্পৃক্ততাকে শক্তিশালী করে। আইআইটি মাদ্রাজ- অবস্থিত সেন্স-ইওর-এয়ার প্রাইভেট লিমিটেডইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং তথ্য বিশ্লেষণ ক্ষমতা ব্যবহার করে সাশ্রয়ী মূল্যের পর্যবেক্ষণ সমাধান এবং নতুন পার্টিকুলেট পরিমাপ ডিভাইস তৈরি করে এই পদ্ধতির উদাহরণ দেয়যা ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানগুলিকে জ্ঞাত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে।

২০৭০ সালের জন্য ভারতের নেট-জিরো প্রতিশ্রুতি কেবল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে না। এটি দেশের প্রযুক্তিগত এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বিভিন্ন পরিসরে সম্প্রসারণের ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে। তার স্টার্ট-আপ বাস্তুতন্ত্রকে ক্ষমতায়িত করে - বিশেষ করে দূষণহীন শক্তি, স্থিতিশীল পরিবহণ এবং বায়ু মানের পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে - ভারত জলবায়ু উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পরিমাপযোগ্য অগ্রগতিতে রূপান্তর করতে পারে এবং সঙ্কট ব্যবস্থাপনা থেকে দীর্ঘমেয়াদি বায়ু সংক্রান্ত গুণমানভিত্তিক শাসনের দিকে চালিত হতে পারে।

 


অপর্ণা রায় অবপজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোমেসির ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনার্জির প্রধান গবেষক

সাশা রঞ্জন অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের রিসার্চ ইন্টার্ন।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.