Published on Nov 25, 2025 Updated 0 Hours ago

ভারতে স্থিতিশীল শহর গড়ে তোলার জন্য বেসরকারি ক্ষেত্রের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য

ব্যবধান পূরণের জন্য

এবারের বর্ষার সময় গুরুগ্রাম, বারাণসী এবং মুম্বইয়ের জলমগ্ন রাস্তাগুলির নাটকীয় চিত্র জাতীয় মনোযোগ আকর্ষণ করে। দিল্লির প্রধান রাস্তাগুলি নদীতে পরিণত হওয়া থেকে শুরু করে বেঙ্গালুরুর মতো শহরগুলি রাতের প্রবল বৃষ্টিপাতের পরে স্থবির হয়ে পড়া পর্যন্ত, এটি স্পষ্ট যে ভারতের শহরগুলি ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের মুখোমুখি হওয়ার জন্য নির্মিত হয়নি। অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের ধরন, দীর্ঘায়িত শুষ্ক আবহাওয়া, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং নগরে  বন্যা এখন আর বিরল নয়, বরং বর্ষার ক্যালেন্ডারের একটি পূর্বাভাসযোগ্য অংশ হয়ে উঠছে। এবং যদিও সরকারি হস্তক্ষেপযেমন উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থা বা দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া ইউনিটপ্রয়োজনীয়, তবে এগুলি যথেষ্ট নয়। এটি স্বীকার করার সময় এসেছে যে স্থিতিশীল শহর তৈরি করতে একটি প্রায়শই উপেক্ষিত খেলোয়াড়ের কাঠামোগত অংশগ্রহণের প্রয়োজন হবে: বেসরকারি ক্ষেত্র।

সংজ্ঞা অনুসারে, স্থিতিশীল শহর হল সেইগুলি যেগুলি জলবায়ু-সম্পর্কিত ধাক্কাগুলির পূর্বাভাস দিতে, ব্যাঘাত শোষণ করতে এবং নিজেকে পুনরুদ্ধার করতে পারে। কিন্তু স্থিতিশীলতার পথ দুটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ দ্বারা বাধাগ্রস্ত: প্রথমত, স্থানীয় জলবায়ু ঝুঁকি তথ্যের এবং শহর-স্তরের পরিকল্পনায় এর একীকরণের অনুপস্থিতি; এবং দ্বিতীয়ত, এমন আধুনিক প্রযুক্তিগত সরঞ্জামগুলির সীমিত প্রয়োগ যা ভবিষ্যতের জন্য উপযুক্ত নগর ব্যবস্থা আপগ্রেড করতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই, বেসরকারি ক্ষেত্রের ভূমিকা অনুঘটক হিসেবে পালন করতে হবেসহায়ক খেলোয়াড় হিসেবে নয়, বরং ভারতের নগর স্থিতিস্থাপকতার যাত্রার সহ-স্থপতি হিসেবে। আইন অনুসারে শীর্ষ কর্পোরেটদের শতাংশ সিএসআর তহবিল থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বরাদ্দ করার বাধ্যবাধকতা কেন? এটি নিশ্চিত করবে যে বেসরকারি ক্ষেত্রের বিশাল বা এমনকি মাঝারি আকারের কোম্পানিগুলি সামগ্রিক বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে স্থিতিস্থাপক শহর নির্মাণের এই জরুরি বিষয়টির প্রতি সংবেদনশীল হবে।

জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার ভিত্তি হল ঝুঁকি বোঝাএটি কোথায় কেন্দ্রীভূত, কীভাবে এটি বিকশিত হচ্ছে এবং কে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে, বেশিরভাগ ভারতীয় শহরের স্থানীয় জলবায়ু ঝুঁকি মূল্যায়নের সুযোগ নেই, তা নিয়ে পদক্ষেপ করার জন্য ব্যবস্থা তো দূরের কথা। ২০২৩ সালে পরিচালিত সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের একটি সমীক্ষা অনুসারে, ভারতীয় শহরের ১০ শতাংশেরও কমের কাছে একটি মৌলিক জলবায়ু ঝুঁকির মানচিত্র রয়েছে। যেখানে তথ্য বিদ্যমানযেমন আইএমডি বা রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেতখনও তা প্রায়শই মোটা দাগের, বিক্ষিপ্ত বা তা কার্যকর নগর পরিকল্পনা সিদ্ধান্তে রূপান্তরিত হয় না।

এটি একটি বিপজ্জনক অন্ধ পরিসর তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা জানি যে আহমেদাবাদ নাগপুরের মতো শহরে তাপপ্রবাহ গত দশকে দীর্ঘ এবং তীব্রতর হয়েছে, কিন্তু আশেপাশের এলাকাগুলিতে যে বৃক্ষরোপণের অভাব রয়েছে বা উচ্চ পৃষ্ঠ-‌তাপমাত্রা রয়েছে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রায়শই নগর পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত থেকে অনুপস্থিত থাকে। একইভাবে, বারাণসী বা পাটনার মতো শহরগুলি নিয়মিত নদী এবং ভূপৃষ্ঠের বন্যার সম্মুখীন হয়, কিন্তু তাদের মাস্টার প্ল্যানগুলি ভবিষ্যতের বৃষ্টিপাতের অনুমান বা নিষ্কাশন ঝুঁকি মডেলগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়।

বেসরকারি ক্ষেত্র এই ব্যবধান পূরণে সহায়তা করতে পারে। ভূ-স্থানিক সংস্থা, ডেটা বিজ্ঞান সংস্থা এবং বেসরকারি জলবায়ু-ঝুঁকি পরামর্শদাতাদের কাছে ইতিমধ্যেই রাস্তার স্তরে বিশদ দুর্বলতাগুলি ম্যাপ করার সরঞ্জাম রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, বেশ কয়েকটি ভারতীয় স্টার্ট-আপযেমন ব্লু স্কাই অ্যানালিটিক্স এবং স্যাটসিওররিয়েল টাইমে শহুরে তাপ দ্বীপ, বন্যা সমভূমি, জলের চাপ এবং ভূমি-ব্যবহারের পরিবর্তন ট্র্যাক করার জন্য স্যাটেলাইট ডেটা, মেশিন লার্নিং এবং এআই মডেল ব্যবহার করছে। এই ডেটা সেটগুলি, যদি নগর পরিকল্পনাবিদ এবং পৌর সংস্থাগুলির কাছে প্রাপ্তিযোগ্য হয়, তাহলে অভিযোজিত নকশা কৌশলগুলিকে সক্ষম করতে পারেজোনিং নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ পর্যন্ত, যা স্থানীয় ঝুঁকি প্রোফাইল অনুসারে তৈরি করা হয়।

তাছাড়া, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমাকারী এবং রিয়েল এস্টেট খেলোয়াড়দের জলবায়ু ঝুঁকি পরিমাপ এবং প্রকাশ করার জন্য একটি বাণিজ্যিক প্রণোদনা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি সম্পত্তি ডেভেলপারদের অনুমোদন পাওয়ার আগে 'জলবায়ু সম্ভাব্যতা নিরীক্ষা' পরিচালনা করতে বলা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে বন্যা বা তাপজনিত চাপের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিকে আগে থেকেই সুরক্ষিত করা যেতে পারে। ক্রেতাদের জন্য এটি ন্যায্য অনুশীলন হবে যদি তাদের সচেতন করা হয় যে ডেভেলপাররা এই অডিটটি সন্তোষজনকভাবে পাস করেছে নাকি অন্য কিছু পরামিতি মেনে চলতে বাধ্য হয়েছে। ম্যাককিনসে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট (২০২০)-‌এর একটি প্রতিবেদন দেখায় যে যেসব শহর জলবায়ু-ঝুঁকি বিশ্লেষণকে পরিকল্পনার সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত করে, তারা চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলির সময় পরিকাঠামোগত ক্ষতির ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।

চ্যালেঞ্জ শুধু ডেটা জোগাড় করাই নয়, বরং তা নকশায় রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রেও। এখানেও, বেসরকারি ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞস্থপতি প্রকৌশলী থেকে শুরু করে উপকরণ বিজ্ঞানী নির্মাণ সংস্থাজলবায়ু তথ্যকে স্থিতিস্থাপক নগর আকারে একীভূত করতে পারে। যেমন, সিঙ্গাপুর বা টোকিওর মতো শহরে বন্যা-সহনশীল স্থাপত্য, তাপ-প্রতিফলিত ছাদ উপকরণ, এবং প্যাসিভ কুলিং ডিজাইন ক্রমবর্ধমানভাবে মোতায়েন করা হচ্ছে।

চ্যালেঞ্জ শুধু ডেটা জোগাড় করাই নয়, বরং তা নকশায় রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রেও



দ্বিতীয় প্রধান বাধা হল জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলি বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করতে, প্রতিক্রিয়া জানাতে এবং পুনরুদ্ধার করতে শহরগুলিকে সহায়তা করার জন্য প্রযুক্তিগত সমাধানের অভাব। বেসরকারি ক্ষেত্র এই শূন্যতা পূরণের জন্য অনন্যভাবে অবস্থান করছে, আয়তনবৃদ্ধিযোগ্য, মডিউলার এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তি প্রদান করে যা সরকার একা দ্রুত কার্যকর করতে পারে না।

নগর বন্যার কথা ধরুন। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল দুর্বল পর্যবেক্ষণের কারণে দুর্যোগের জলের ড্রেনগুলি আটকে যাওয়া। মুম্বইয়ের সান্তাক্রুজে অবস্থিত বিখ্যাত মিলান সাবওয়ে গত দুই দশক ধরে প্রতি বছর বন্যায় ডুবে যাচ্ছে, যার ফলে গাড়ি ছাড়াও অনেকের জীবনও ডুবে যাচ্ছে। আজ পর্যন্ত বন্যা এড়াতে কোনও কার্যকর সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০২২ সালে, মুম্বই মেট্রোপলিটন রিজিওন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি সেন্সর-ভিত্তিক স্মার্ট ড্রেনেজ সিস্টেম পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে, যা চোক পয়েন্ট ওভারফ্লো হওয়ার আগে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করতে পারে। এই সিস্টেমগুলি পৌর প্রকৌশলীদের দ্বারা নয়, বরং একটি বেসরকারি আইওটি (ইন্টারনেট অফ থিংস) সংস্থা দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। হায়দরাবাদে, একটি বেসরকারি আবহাওয়া প্রযুক্তি কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারিত্বে আকস্মিক বন্যার জন্য একই রকম সেন্সর-ভিত্তিক প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।

এটা বোঝা কোন রকেট বিজ্ঞানের ব্যাপার নয় যে এগুলো দুর্যোগ এবং কোন অদ্ভুত ঘটনা নয়। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) হল নীতি নির্দেশিকা নির্ধারণকারী শীর্ষ সংস্থা, অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (এমএইচএ) হল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য নোডাল মন্ত্রক। প্রধানমন্ত্রী এনডিএমএ- নেতৃত্ব দেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এসডিএমএ) তত্ত্বাবধান করেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৫, ভারতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি আইনি কাঠামো নির্ধারণ করেছে, যা কার্যকর প্রতিক্রিয়া এবং দুর্যোগ প্রশমনের জন্য একটি স্তরবদ্ধ কাঠামো। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এনডিএমএ দ্বারা সংগঠিত করা সত্ত্বেও, এবং ঝুঁকি হ্রাসে বিভিন্ন অংশীদারের ভূমিকা দায়িত্বের রূপরেখা দেওয়া সত্ত্বেও, অনেক শহরের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া বিপর্যয় প্রচুর। অতএব, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে সমানভাবে দূরবর্তীভাবে বিকশিত হিসাবে বিবেচনা করতে হলে বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ একটি অপরিহার্য শর্ত হয়ে ওঠে।


একটি বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিময় মডেল হল আরবান লিভিং ল্যাব, যেখানে বেসরকারি উদ্ভাবকেরা শহরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রযুক্তি-নেতৃত্বাধীন সমাধান তৈরির জন্য কাজ করেন।



একইভাবে, রিমোট সেন্সিং এবং ড্রোন-ভিত্তিক নজরদারি পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল অঞ্চলে নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করতে, জলাভূমিতে অবৈধ দখলদারি ট্র্যাক করতে, এবং দুর্যোগ-পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত অবস্থা মূল্যায়ন করতে সাহায্য করতে পারে। সাধারণত শহর সরকারগুলির এই ক্ষমতাগুলির অভাব থাকে, তবে বেসরকারি ক্ষেত্র একটি পরিষেবা মডেল হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে পারে। একই কথা প্রয়োজ্য জল সরবরাহ বা উদ্ধার কাজের সময় জনস্বাস্থ্য সতর্কতার জন্য ট্র্যাফিক চলাচল বা রিয়েল-টাইম তাপ সূচক মানচিত্রায়নের ক্ষেত্রে পূর্বাভাসমূলক বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেও।

একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতিময় মডেল হল আরবান লিভিং ল্যাব, যেখানে বেসরকারি উদ্ভাবকেরা শহরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রযুক্তি- নেতৃত্বাধীন সমাধান তৈরি করতে কাজ করেন। উদাহরণস্বরূপ, বেঙ্গালুরু আরবান অবজারভেটরি একাধিক উৎস থেকেনাগরিকদের অভিযোগ, আবহাওয়া ফিড, ভূমি রেকর্ডতথ্য একত্রিত করে শহরকে জলবায়ু-সম্পর্কিত ব্যাঘাতের প্রতি আরও দক্ষভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে সহায়তা করে। এই ল্যাবগুলি ভারতীয় শহরগুলির উপযুক্ত জলবায়ু প্রযুক্তির জন্য ইনকিউবেটর হয়ে উঠতে পারে, তবে তাদের সহযোগিতা করার জন্য সরকারি ক্ষেত্রের উন্মুক্ততা এবং পাইলটগুলির বাইরে আয়তনবৃদ্ধির জন্য বেসরকারি ক্ষেত্রের প্রস্তুতি প্রয়োজন।

জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার জন্য অনেক প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপসৌর মাইক্রো-গ্রিড, প্রকৃতি-ভিত্তিক বর্জ্য জল পরিশোধন, জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক নির্মাণদীর্ঘমেয়াদে যে কর্মসংস্থান সঞ্চয় তৈরি করতে পারে তা স্বীকার করাও গুরুত্বপূর্ণ। এখানেই সরকারকে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে: সবুজ ক্রয় মান, কর্মক্ষমতা-সংযুক্ত প্রণোদনা এবং ফলাফল-ভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা যা নগর কাঠামোতে স্থিতিস্থাপকতা তৈরির জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলিকে পুরস্কৃত করে।

নগর বাস্তুতন্ত্রে বেসরকারি ক্ষেত্রকে প্রায়শই দূষণকারী বা মুনাফা-প্রত্যাশী হিসাবে দেখা হয়। কিন্তু জলবায়ু ধাক্কার মাত্রা তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে এই দৃষ্টিভঙ্গি পশ্চাদমুখী বিপরীতমুখী হয়ে পড়ছে। ভারতীয় শহরগুলি শুধু সরকারি পদক্ষেপের মাধ্যমে স্থিতিস্থাপক হয়ে উঠবে না। আবার স্থিতিস্থাপকতা বাজারের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। যা প্রয়োজন তা হল সহ-শাসনের একটি নতুন মডেল, যেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি দিকনির্দেশনা এবং জবাবদিহিতা কাঠামো নির্ধারণ করে এবং বেসরকারি ক্ষেত্র উদ্ভাবন, তথ্য, মূলধন এবং বাস্তবায়ন ক্ষমতা নিয়ে আসে।

এটি শুধু বেশি রকমের উচ্চাকাঙ্ক্ষী নয়। এটি ইতিমধ্যেই ঘটছেখণ্ডিত প্রতিশ্রুতিময় উপায়ে। সামনের কাজ হল কাঠামো আয়তন তৈরি করা। যা  জরুরি তা হল রিয়েল এস্টেটে ঝুঁকি প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা, জলবায়ু-প্রতিরোধী প্রযুক্তিগুলিকে উৎসাহিত করা, এবং নিশ্চিত করা যে প্রতিটি নগর পরিকাঠামোগত সিদ্ধান্ত শুধু খরচ বা সুবিধার দ্বারা নয়, বরং স্থিতিস্থাপকতার দ্বারা পরিচালিত হয়।



এই ভাষ্যটি প্রথমে বিজনেস ইন্ডিয়া প্রকাশিত হয়েছিল।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Aparna Roy

Aparna Roy

Aparna Roy is a Fellow and Lead Climate Change and Energy at the Centre for New Economic Diplomacy (CNED). Aparna's primary research focus is on ...

Read More +
Swapnil Kothari

Swapnil Kothari

Read More +