Published on Nov 24, 2025 Updated 13 Hours ago

ভারতের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল পরিকাঠামো এআই প্রতিভা পুল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তার গণনাক্ষমতা ঘাটতি পূরণের জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ প্রদান করে;‌ কিন্তু এই সম্ভাবনা উপলব্ধি করার জন্য পরিকাঠামো, প্রতিভা এবং শাসনব্যবস্থার উপর গভীর দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় প্রয়োজন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণনাক্ষমতা প্রয়োজন। ভারত কি তা দিতে পারবে?

জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্ষমতার ক্ষেত্রে দেশ বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা কম্পিউটিং পাওয়ারের (গণনাক্ষমতা, প্রায়শই সংক্ষেপে 'কম্পিউট' নামে পরিচিত) চাহিদার বিশাল বৃদ্ধির দিকে চালিত করছে। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা ডেটা প্রাপ্যতার জন্য ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, ডেটা সংরক্ষণ পরিচালনার জন্য ডেটা সেন্টার, এবং পরিকাঠামো ডিজাইন, পরিচালনা এবং ব্যবহারের জন্য প্রতিভার প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি করে।

অর্থনৈতিক নেতৃত্ব, সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাবের একটি মৌলিক নির্ধারক হিসেবে এআই উঠে আসার সাথে সাথে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউএস) আধিপত্য বজায় রাখার জন্য সক্রিয়ভাবে তার নীতি, বিনিয়োগ এবং জোট পুনর্নির্মাণ করছে। তবে, খরচ এবং সম্পদ সম্পর্কিত কিছু উদ্বেগ ওয়াশিংটনের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সীমিত করে। প্রথমত, দ্রুত এআই গ্রহণের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার পরিচালনার সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ মূলধন ব্যয়ের চাহিদা বেড়েছে, যার ফলে ইউটিলিটি রেট বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে ৬০ শতাংশ সংস্থার মূল্যস্ফীতি এআই গ্রহণের কারণে ক্লাউড খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বিতীয়ত, এআই ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে এআই প্রতিভা ঘনত্বের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ দেশগুলির মধ্যে নেই। তৃতীয়ত, ম্যাককিনসের একটি প্রতিবেদনে ২০৩০ সালের মধ্যে মার্কিন সরবরাহ ঘাটতি ১৫ গিগাওয়াট হবে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। গবেষণার অনুমান অনুসারে, এক-চতুর্থাংশেরও কম সময়ের মধ্যে, গত ২৫ বছরে নির্মিত ডেটা সেন্টারের তুলনায় কমপক্ষে দ্বিগুণ ডেটা সেন্টার নির্মাণ করা প্রয়োজন। বিশ্বব্যাপী চাহিদা-ক্ষমতার সংকট মোকাবিলায় এই ডেটা সেন্টারগুলি কোথায় এবং কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



ভারত তার সাশ্রয়ী ডিজিটাল পরিকাঠামো, শক্তিশালী ইঞ্জিনিয়ারিং ট্যালেন্ট পুল, এবং ক্রমবর্ধমান কম্পিউট উচ্চাকাঙ্ক্ষাসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি স্বাভাবিক অংশীদার হিসাবে আবির্ভূত হয়।



এই সীমাবদ্ধতাগুলি মোকাবিলা করার জন্য ডেটা সেন্টার ক্লাস্টার তৈরি করা, প্রতিভার বিকাশ ঘটানো, এবং কাঠামো সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক অংশীদারি গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত তার সাশ্রয়ী ডিজিটাল পরিকাঠামো, শক্তিশালী ইঞ্জিনিয়ারিং ট্যালেন্ট পুল, এবং ক্রমবর্ধমান কম্পিউট উচ্চাকাঙ্ক্ষাসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি স্বাভাবিক অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টাগুলিকে এআই কম্পিউট পরিকাঠামোকে (ডেটা, ডেটা সেন্টার পরিকাঠামো এবং প্রতিভা সহ) একটি প্রান্তিক সম্পদ হিসাবে নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতার একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ হিসেবে দেখতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কাঠামোকে, বিশেষ করে ইউএস-ইন্ডিয়া ট্রাস্ট উদ্যোগকে, দুটি লক্ষ্যের দিকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা উচিত: ) আধুনিক এবং সাশ্রয়ী ডেটা সেন্টার তৈরি করা, এবং ) উন্নত এআই অ্যালগরিদম দিয়ে উদ্ভাবন এবং আধুনিক এআই পরিকাঠামো পরিচালনা করার জন্য প্রতিভা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।


ভারতের ডেটা সেন্টার শিল্প: কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যে বৃদ্ধির সম্ভাবনা

ভারতের এআই ভূদৃশ্যের দুটি মূল শক্তি এই সহযোগিতাকে চালিত এবং আরও গভীর করবে। প্রথমত, ভারত তার শক্তিশালী আইটি পরিষেবা শিল্পের কারণে উল্লম্ব, ক্ষেত্রনির্দিষ্ট এআই সমাধানের উন্নয়নের জন্য প্রস্তুত। দ্বিতীয়ত, চিনের বিপরীতে, যেখান থেকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ওপনএআই-এর মতো মার্কিন সংস্থাগুলি বেরিয়ে গিয়েছিল, ভারতের গণতান্ত্রিক ডেটা ভূদৃশ্যকে কাজে লাগিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক এআই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়।


তবে, উচ্চ পরিমাণে সমস্ত ডেটা কাঠামোগত, পরিষ্কার, লেবেলযুক্ত মেশিন-পঠনযোগ্য নয়। অতিরিক্তভাবে, ভারতের ডেটা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনা সত্ত্বেও খরচ, অনুবর্তিতা পরিচালনাগত নমনীয়তা সম্পর্কিত আন্তঃসংযুক্ত উদ্বেগগুলি স্থায়ী হয়ে গিয়েছে এই জটিলতার কারণে, ভারতের গণনা কৌশলকে সতর্কতার সঙ্গে দুটি বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে: মার্কিন হাইপারস্কেলারদের জন্য বাজার উন্মুক্ত করা এবং দেশীয় প্রয়োজনীয়তা পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাগুলি মোকাবিলা করা। সমাধানটি এই হাইপারস্কেলারদের সঙ্গে অংশীদারি শক্তিশালী করার মধ্যে নিহিত, যাতে সার্বভৌম নীতি কাঠামো এবং শক্তিশালী, সুরক্ষিত মানের বিকাশ ঘটানো যায়।



ভারতের ডেটা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনা সত্ত্বেও খরচ, অনুবর্তিতা পরিচালনাগত নমনীয়তা সম্পর্কিত আন্তঃসংযুক্ত উদ্বেগগুলি স্থায়ী হয়ে গিয়েছে।



দ্বিতীয়ত, ভারতের ক্রমবর্ধমান এআই প্রতিভা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি শক্তি গুণক হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের বাইরে, ভারতের এআই কর্মীবাহিনী বৃহত্তম হয়ে উঠতে পারে। স্ট্যানফোর্ডের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারত ২০২৪ সালে এআই নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্বের সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে:‌ ৩৩. শতাংশ। প্রতিবেদনে ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এআই দক্ষতা অনুপ্রবেশে ভারতের বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যার স্কোর .৫১, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই। ২০২৪ সালে গিটহাব প্রকল্পে এআই-সম্পর্কিত অবদানের ক্ষেত্রে ভারত ইউরোপের চেয়ে এগিয়ে ছিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক পিছনে ছিল। ভবিষ্যতের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রতিবেদনে ন্যাসকম বিসিজি উল্লেখ করেছে যে ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতের এআই পরিষেবাগুলি ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের হতে পারে। তবে, আয়তনবৃদ্ধির ক্ষেত্রে, পুরনো প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে এবং পিছিয়ে থাকা দক্ষতা সম্পর্কে ক্রমাগত উদ্বেগ উদ্ভাবনকে বাধাগ্রস্ত করছে।


এছাড়াও, ডেটা সেন্টার হিসেবে ভারতের আবির্ভাবের ক্ষমতা তার শক্তির চাহিদা পরিচালনা করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। ডেটা সেন্টারগুলির মসৃণ পরিচালনা নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, উচ্চ-ব্যান্ডউইডথ সংযোগ এবং শীতলকরণের পরিকাঠামোর উপর নির্ভরশীল। ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত, ভারতের মোট ইনস্টল করা ডেটা সেন্টারের ক্ষমতা ছিল ,২৬৩ মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ,৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ২০২০ সালের স্তরের তুলনায় . গুণ বেশিমূলত এআই, ক্লাউড ডিজিটাইজেশন প্রবণতা দ্বারা ইন্ধনপ্রাপ্ত। আইসিআরএ পূর্বাভাস দিয়েছে যে ভারতের ডেটা সেন্টারের ক্ষমতা ২০২৭ সালের মার্চ নাগাদ ২০০০-,১০০ মেগাওয়াটে পৌঁছবে, যা ২০২৪ সালের শেষের দিকে প্রায় ,১৫০ মেগাওয়াট ছিল। ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে সাথে উচ্চ শক্তির তীব্রতা, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সবুজ, টেকসই পরিকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত উদ্বেগগুলি নীতিনির্ধারকদের জরুরিভাবে সমাধান করতে হবে।


সহযোগিতার জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক পরিকল্পনা

এই চ্যালেঞ্জগুলির পরিপ্রেক্ষিতে, এআই কম্পিউট পরিসরে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতার জন্য একটি অন্তর্নিহিত বাস্তবতাকে স্বীকার করা উচিত: এই যুগে শক্তি যেমন মূল্যবোধ সহযোগিতার দ্বারা যতটা সম্ভব রূপায়িত হবে, তেমনই প্রক্রিয়াকরণের গতির দ্বারাও। মার্কিন প্রযুক্তিগত প্রাধান্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য চিন যখন দ্রুত তার এআই ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, ভারত ওয়াশিংটনকে লাভবান করার জন্য একটি গণতান্ত্রিক এবং ডেটা-সমৃদ্ধ ভিত্তি প্রদান করে। চিনের উপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব বজায় রাখার জন্য মার্কিন বাজিকে সমর্থন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চিন তার প্রধান পরিকাঠামো প্রকল্প বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-‌এর অংশ হিসেবে, বিশেষ করে হুয়াওয়ে, আলিবাবা বাইদুর মতো বৃহৎ প্রযুক্তি উদ্যোগগুলির বহির্মুখী সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথ দেশগুলিতে সক্রিয়ভাবে ডেটা সেন্টার তৈরি করছে হুয়াওয়ে একাই ডেটা সেন্টার তৈরিতে বার্ষিক ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে। গ্লোবাল সাউথের প্রযুক্তি পরিকাঠামোকে প্রভাবিত করার জন্য আমেরিকার যে কোনও কৌশলই ভারতকে পিছনে ফেলে যেতে পারে না। অধিকন্তু, দীর্ঘমেয়াদে, 'কম্পিউট-অ্যাজ--সার্ভিস'-এর কেন্দ্র হিসেবে ভারতের উত্থান গ্লোবাল সাউথ- একটি নেতা হিসেবে তার ভবিষ্যৎ অবস্থানকেও উন্নত করবে।



মার্কিন প্রযুক্তিগত প্রাধান্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য চিন যখন দ্রুত তার এআই ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, ভারত ওয়াশিংটনকে লাভবান করার জন্য একটি গণতান্ত্রিক এবং ডেটা-সমৃদ্ধ ভিত্তি প্রদান করে।



উচ্চপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলতি প্রচেষ্টাকে সহজতর করার জন্য কয়েকটি মূল অগ্রাধিকার উঠে এসেছে। ভারতের অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার অ্যাকাডেমিক এবং গবেষণা সহযোগিতা জোরদার করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রথমত,এআই কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য আন্তঃদেশীয় গবেষণা সহযোগিতা কেন্দ্রীয় বিষয়। হাজার হাজার ভারতীয় প্রকৌশলীর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলি ইতিমধ্যেই তাইওয়ান, বেলজিয়াম সিঙ্গাপুরের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে চুক্তি করেছে ট্রাস্ট উদ্যোগের অধীনে আলোচনাকে কাজে লাগিয়ে ভারতের মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে একই রকম সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হল সেমিকন্ডাক্টর ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্টারন্যাশনাল (সেমি) এবং সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (এসআইএ)-‌এর মতো শিল্প সংস্থাগুলি, যারা মার্কিন দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ভারতের নিজস্ব এআই বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য এই সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে। উপরন্তু, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর মিশন শুধু আরও বিস্তৃত পরিচিতি পাবে না, বরং এটি দেশীয় নীতিগুলিকে সমর্থন করার জন্য বিশ্বব্যাপী মানগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্য বিকাশে সহায়তা করতে পারে। তাছাড়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অ্যাকাডেমিয়া-থেকে-শিক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য, ভারতের উচিত পার্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আরও সমঝোতাপত্র (এমওইউ)‌) সন্ধান করা।


দ্বিতীয়ত, উচ্চপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির জন্য ভাগ করা প্রোটোকল এবং প্রশাসনিক নিয়মাবলি প্রয়োজন। উচ্চপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য দ্বিপাক্ষিক প্রযুক্তি স্থানান্তরের একটি শক্তিশালী কাঠামো অপরিহার্য। জাতীয় বৈদ্যুতিক গ্রিড বিকাশ, প্রান্তিক ডেটা সেন্টারে সহ-বিনিয়োগ এবং উন্নত শীতল প্রযুক্তির প্রাপ্যতা সহজতর করার জন্য প্রস্তাবিত ইউএস-ইন্ডিয়া রোডম্যাপ-এর অধীনে ভারতের যৌথ সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা উচিত। ট্রাস্ট উদ্যোগের সাফল্য মূলত নির্ভর করে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশীয় শিল্প কৌশলগুলিকে কার্যকরভাবে সমন্বয় করতে পারে কি না তার উপর।



মেঘা শ্রীবাস্তব ডক্টরাল রিসার্চ স্কলার এবং মণিপাল একাডেমি অফ হায়ার এডুকেশনের ভূ-রাজনীতি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ডক্টর টিএমএ পাই ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.