Author : Harsh V. Pant

Published on Apr 18, 2026 Updated 10 Hours ago

এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস-এ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করলেও ইরানের ক্ষতিসাধন এবং ফলাফল নির্ধারণ করার ক্ষমতা রয়েছে।

মার্কিন-ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন ভাবে সংজ্ঞায়িত করছে

২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা এখন আর কোনও বিচ্ছিন্ন সামরিক ঘটনা নয়; এটি পশ্চিম এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যে একটি কাঠামোগত ফাটলে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটন ও ইজরায়েলের যৌথ উদ্যোগে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র অধীনে পরিচালিত একটি পরিকল্পিত ও উচ্চ-প্রভাবশালী নেতৃত্ব-হরণকারী আঘাত হিসেবে যা শুরু হয়েছিল, তা এখন একটি দীর্ঘস্থায়ী বিমান অভিযানে রূপ নিয়েছে, যার পরিণতি এর মূল উদ্দেশ্যকে বহু দূর ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রথম আঘাতের উদ্দেশ্য তেহরানকে হতবাক করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা হলেও পরবর্তী গতিপথ আধুনিক যুদ্ধের একটি পরিচিত হেঁয়ালির দিকেই ইঙ্গিত করে: অর্থাৎ বলপ্রয়োগের ফলে আত্মসমর্পণ নয়, বরং সংহতকরণই ঘটেছে।

সংঘাতের প্রথম প্রহরগুলি একটি নাটকীয় উত্তেজনা বৃদ্ধির পর্যায়ক্রম দ্বারা চিহ্নিত ছিল। আলি খামেনেই এবং আলি লারিজানির মতো শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসল উদ্দেশ্য ছিল ইরানি শাসনের নেতৃত্ব কাঠামোকে নেতৃত্বশূন্য করা। কিন্তু এটি প্রাতিষ্ঠানিক পতন ঘটানোর পরিবর্তে একটি দ্রুত এবং তুলনামূলক ভাবে সুশৃঙ্খল উত্তরাধিকারকে ত্বরান্বিত করেছিল। মোজতবা খামেনেই অসাধারণ দ্রুততার সঙ্গে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। আবার অন্য দিকে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলি তাদের কার্যনির্বাহী কর্তৃত্বকে সুসংহত করে। এই ফলাফলটি একটি গুরুতর ভ্রান্ত ধারণাকেই তুলে ধরে, যা চিরাচরিত ভাবে এই অঞ্চলে বহিরাগত হস্তক্ষেপগুলিকে জর্জরিত করেছে: এবং সেটি হল অবরুদ্ধ আদর্শগত রাষ্ট্রগুলির টিকে থাকার ক্ষমতা।

আলি খামেনেই এবং আলি লারিজানির মতো শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আসল উদ্দেশ্য ছিল ইরানি শাসনের নেতৃত্ব কাঠামোকে নেতৃত্বশূন্য করা।

প্রকৃতপক্ষে, ইরানের প্রতিক্রিয়া তার দীর্ঘস্থায়ী কৌশলগত মতবাদেরই প্রতীক হয়ে উঠেছে, যা সামঞ্জস্যতাকে পরিহার করে অবিচলতাকেই প্রাধান্য দেয়। ইজরায়েলি শহর, উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত ও বাহরাইন জুড়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইরানের সক্ষমতা ও উদ্দেশ্য উভয়কেই জানান দিয়েছে। যদিও এই হামলাগুলির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, কিন্তু এর ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করেছে যে, এর মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি অসামঞ্জস্যপূর্ণ রকমের বেশিই রয়ে গিয়েছে। তেহরানের কৌশল সরাসরি জয়লাভ করা নয়, বরং বিজয়কে অস্বীকার করা।

ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই সংঘাত ইতিমধ্যেই আঞ্চলিক জোটগুলিকে নতুন করে সাজাতে শুরু করেছে। উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলি - যারা চিরাচরিত ভাবে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল - তারা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল উভয়ের সঙ্গেই এক অভূতপূর্ব অভিযানগত সমন্বয়ের মধ্যে নিজেদের খুঁজে পাচ্ছে। এই উদীয়মান জোট কৌশলগতভাবে কার্যকর হলেও এই অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোর ভঙ্গুরতাকে উন্মোচিত করে। এটি একটি সুসংহত জোটের চেয়ে বরং বিভিন্ন উদ্বেগের প্রতিফলন, যা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সামঞ্জস্যের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক হুমকির উপলব্ধি দ্বারা সুস্পষ্ট হয়েছে।

একই সময়ে, সংঘাতটি এখনও উল্লম্ব ভাবে না বাড়লেও, আনুভূমিক ভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ইরানের মিত্র অরাষ্ট্রীয় শক্তিগুলি - বিশেষ করে হিজবুল্লাহ - তাদের সম্পৃক্ততা বাড়িয়েছে এবং অন্য দিকে হুতিরাও আরও গভীর ভাবে জড়িয়ে পড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। এই পরিকল্পিত উত্তেজনা বৃদ্ধি অন্তত আপাতত একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু না করে চাপ বজায় রাখার তেহরানের ইচ্ছাকেই প্রতিফলিত করে। কিন্তু ইতিহাস বলে যে, এই ধরনের সীমাগুলি স্বভাবতই অস্থিতিশীল।

ওয়াশিংটনের জন্য এই অভিযানটি একাধারে সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের দাবি এবং কৌশলগত সক্ষমতার পরীক্ষা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জবরদস্তিমূলক আধিপত্যের মতবাদকে আরও জোরদার করেছে। হাজার হাজার অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন এবং যুদ্ধক্ষেত্রে একাধিক বিমানবাহী রণতরী থাকায় এর চিত্রটি সুস্পষ্ট। তবে অন্তর্নিহিত প্রশ্নটি রয়েই যায়: এর শেষ পরিণতি কী? প্রশাসনের ১৫-দফার চরমপত্র — যেখানে ব্যাপক পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং আচরণগত পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে — তা একটি আলোচনার কাঠামোর চেয়ে চরমপন্থী চাপের একটি হাতিয়ার হিসেবেই বেশি প্রতীয়মান হয়েছে।

তেহরানের এই শর্তগুলি প্রত্যাখ্যান এবং এর সঙ্গে ক্ষতিপূরণ ও হরমুজ প্রণালীর উপর সার্বভৌমত্বের নিশ্চয়তার পাল্টা দাবি আসলে দুই পক্ষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধানকেই তুলে ধরে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গোপন কূটনীতি সক্রিয় থাকলেও তা অমীমাংসিতই রয়ে গিয়েছে। এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সংঘাতটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যেখানে কোনও পক্ষই চূড়ান্ত ভাবে জিততে পারবে না, অথচ কেউই তা পরিত্যাগ করতে ইচ্ছুক নয়।

চিন ও রাশিয়া উভয়ই ইরানের প্রতি পরিমিত সমর্থনের অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং তারা সরাসরি সামরিক সংঘাতে না গিয়েও প্রতিরোধ টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত কূটনৈতিক ও বস্তুগত সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে।

আঞ্চলিক শক্তির সম্পৃক্ততা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চিন ও রাশিয়া উভয়ই ইরানের প্রতি পরিমিত সমর্থনের অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং তারা সরাসরি সামরিক সংঘাতে না গিয়েও প্রতিরোধ টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত কূটনৈতিক ও বস্তুগত সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে ইউয়ান-ভিত্তিক জ্বালানি লেনদেন নিয়ে বেজিংয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এটি কেবল সুবিধাবাদকেই নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ডলারের কেন্দ্রীয় প্রভাব খর্ব করার একটি কৌশলগত উদ্দেশ্যকেও নির্দেশ করে, যা একটি দীর্ঘদিনের লক্ষ্য এবং সংঘাতের কারণে এখন তা আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।

ভূ-রাজনৈতিক পরিণতি যদি সুদূরপ্রসারী হয়, তবে এর ভূ-অর্থনৈতিক প্রতিধ্বনি সম্ভবত আরও বেশি অস্থিতিশীল। মাইন স্থাপন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি এবং বিমা প্রত্যাহারের সম্মিলিত প্রভাবে হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সঙ্কীর্ণ পথ দিয়ে তেলের প্রবাহকে কার্যত অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। বৈশ্বিক সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ঝুঁকির মুখে পড়ায়, জ্বালানি বাজারের ওপর এর প্রভাব তাৎক্ষণিক এবং মারাত্মক হয়েছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে অস্থিরতা।

এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব জ্বালানি খাতের বাইরেও বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো প্রধান এশীয় আমদানিকারক দেশগুলি তীব্র সরবরাহ সঙ্কটের সম্মুখীন হচ্ছে এবং অন্য দিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরবর্তী ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খাওয়া ইউরোপীয় অর্থনীতিগুলি নতুন করে স্ট্যাগফ্লেশনারি চাপের (এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা, যেখানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, ধীর প্রবৃদ্ধি এবং উচ্চ বেকারত্ব বিদ্যমান) মুখোমুখি হচ্ছে। জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এই পরিস্থিতি থেকে সুরক্ষিত নয়। ক্রমবর্ধমান জ্বালানি খরচ, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং কঠোর আর্থিক পরিস্থিতি অভ্যন্তরীণ ভোগের উপর চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেছে।

সুতরাং, যা উদ্ভূত হয়েছে তা হল কৌশলগত অতিবিস্তার এবং পদ্ধতিগত দুর্বলতার সংমিশ্রণের একটি চিরায়ত দৃষ্টান্ত। বিশ্ব অর্থনীতি - যা ইতিমধ্যেই তীব্র অনিশ্চয়তার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে - এই মাত্রার একটি ধাক্কা সামলানোর জন্য একেবারেই প্রস্তুত নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি এক অনাকাঙ্ক্ষিত উভয়সঙ্কটের সম্মুখীন: মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি কঠোর করলে তা অর্থনৈতিক মন্দাকে আরও বাড়িয়ে তোলার ঝুঁকি তৈরি করে এবং অন্য দিকে নীতি শিথিল করলে তা মূল্য অস্থিতিশীলতাকে আরও দৃঢ় করার ঝুঁকি তৈরি করে।

তাৎক্ষণিক বাজার বিশৃঙ্খলার বাইরেও এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে কাঠামোগত পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করতে পারে। জ্বালানি বৈচিত্র্যকরণ, সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্গঠন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝোঁক নতুন করে জরুরি হয়ে উঠবে। কিন্তু এই পরিবর্তনগুলি স্বভাবতই দীর্ঘমেয়াদি। স্বল্পমেয়াদে বিশ্ব জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতায় আবদ্ধ, যা একে ভূ-রাজনৈতিক ধাক্কার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল করে তোলে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল অপ্রতিরোধ্য সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করেছে, তবুও ইরানের ক্ষতিসাধন এবং ফলাফল নির্ধারণ করার ক্ষমতা রয়েছে।

সুতরাং, এই সংঘাতের কৌশলগত প্রভাব তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘস্থায়ী দুই-ই। পশ্চিম এশিয়ার জন্য এটি একটি নতুন পর্বের সূচনা করে, যার বৈশিষ্ট্য হল অনমনীয় জোট এবং কূটনৈতিক কৌশলের জন্য সঙ্কুচিত পরিসর। বৈশ্বিক ব্যবস্থার জন্য এটি রীতিনীতির অবক্ষয় সম্পর্কে অস্বস্তিকর প্রশ্ন উত্থাপন করে। পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলা, নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা, এবং অর্থনৈতিক সঙ্কটগুলিকে অস্ত্রে পরিণত করা এখন আর ব্যতিক্রম নয়; বরং এগুলি নজির হয়ে উঠছে।

সংঘাত শুরুর এক মাস পরেও এর থেকে বেরিয়ে আসার কোনও স্পষ্ট পথের অভাব চোখে পড়ার মতো স্পষ্ট। কৌশলগত সাফল্য কৌশলগত স্পষ্টতায় রূপান্তরিত হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল অপ্রতিরোধ্য সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করেছে, তবুও ইরানের ক্ষতিসাধন এবং ফলাফল নির্ধারণ করার ক্ষমতা রয়েছে। এই অসামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করে যে সংঘাতটি চলতে থাকবে। অগত্যা তার বর্তমান তীব্রতায় নয়, বরং এমন রূপে বিদ্যমান, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে ক্রমাগত বিঘ্নিত করতে থাকবে।

নানা দিক থেকে দেখলে, ২০২৬ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ সমসাময়িক ভূ-রাজনীতির দ্বন্দ্বগুলিকে মূর্ত করে তোলে: সমাধানহীন ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণহীন আধিপত্য এবং শেষ পরিণতি ছাড়া সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি। এর উত্তরাধিকার কেবল ভূখণ্ডগত বা সামরিক ফলাফলের নিরিখে পরিমাপ করা হবে না, বরং জোট, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মূল কাঠামো জুড়ে এটি যে গভীরতর রূপান্তর ঘটাতে পারে, তার নিরিখে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।


এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস-এ।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Author

Harsh V. Pant

Harsh V. Pant

Professor Harsh V. Pant is Vice President at Observer Research Foundation, New Delhi. He is a Professor of International Relations with King's India Institute at ...

Read More +