Author : Vivek Mishra

Expert Speak Raisina Debates
Published on May 10, 2026 Updated 0 Hours ago

ওয়াশিংটন তার আঞ্চলিক অগ্রাধিকারগুলি পুনর্বিন্যাস করার প্রেক্ষাপটে, অপারেশন সিঁদুর ভারত-মার্কিন সম্পর্কের স্থিতিস্থাপকতা ভঙ্গুরতা উভয়কেই উন্মোচিত করেছে।

অপারেশন সিঁদুরের পর মার্কিন প্রশ্ন ও ভারতের কূটনীতি

এই প্রবন্ধটি ‘প্রতিক্রিয়া থেকে পুনর্গঠন: অপারেশন সিঁদুরের এক বছর ’ শীর্ষক প্রবন্ধ সিরিজের একটি অংশ।

অপারেশন সিঁদুর কোন গতানুগতিক সামরিক সংঘাত ছিল না। এটি ছিল ভারত পাকিস্তানের মধ্যে একটি ভারসাম্য পরিবর্তনকারী বিনিময়, যা উভয় দেশের কৌশলগত হিসাব-নিকাশ বদলে দিয়েছিল। এটি ওয়াশিংটনেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, যে দেশটি ঐতিহাসিকভাবেই এদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগ্রহী। অপারেশন সিঁদুর নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নিখুঁতভাবে আঘাত হানার ক্ষেত্রে ভারতের রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি প্রদর্শন করেছিল, যা এই ধারণাটিকে উল্টে দিয়েছিল যে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পারমাণবিক পূর্ব-‌প্রতিরোধ (‌ডেটারেন্স)‌ ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রচলিত সামরিক সংঘাত বৃদ্ধিকে রুখে দেয়। ভারতের জন্য এই ঘটনা থেকে যেমন অনেক শিক্ষা রয়েছে, তেমনই যুদ্ধক্ষেত্রে তার বাইরে এমন অনেক বাস্তব পরিবর্তন এসেছে যা সম্ভবত পরবর্তী সামরিক বিনিময়ের রূপ দেবে। ড্রোন যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক পাল্টা ব্যবস্থা এবং বহিরাগত শক্তির ভূমিকা এমন কিছু পরিবর্তনশীলতার জন্ম দিয়েছিল যা নয়াদিল্লির কাছে তাত্ত্বিকভাবে অপ্রত্যাশিত না হলেও এবার বাস্তবে মোকাবিলা করতে হয়েছিল। তবুও, অপারেশন সিঁদুরের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী পরিণতি হয়তো সামরিক নয়, বরং কূটনৈতিক, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে তীব্রভাবে অনুভূত হয়।


ট্রাম্প প্রশাসন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংকট ও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে আমেরিকাকে একটি সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে আসে।



যে মৌলিক পরিবর্তনগুলি ঘটেছে, তার মধ্যে অন্যতম হল পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের মোড়। ট্রাম্প প্রশাসন ভারত পাকিস্তানের মধ্যকার সংকট সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এই অঞ্চলে আমেরিকাকে একটি সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে আসে। এর দুটি প্রধান কারণ ছিল। মনে হয়, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের বিষয়ে ওয়াশিংটনে চিন্তাভাবনা দানা বাঁধছিল এই প্রেক্ষাপটে যে, ইরান ছিল এই অঞ্চলে তার প্রক্সিদের এক বিশাল নেটওয়ার্কের 'মাথা' পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার বিষয়ে ট্রাম্পের চিন্তাভাবনা অন্তত দুটি চূড়ান্ত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে: প্রথমত, ইরান আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তানকে অভিযান, গোয়েন্দা তথ্য নজরদারির জন্য একটি কৌশলগত প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করা; এবং দ্বিতীয়ত, এই অঞ্চলে নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থ এগিয়ে নিতে পাকিস্তানকে ব্যবহার করা। হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরের সঙ্গে পাকিস্তানের নৈকট্য এবং উপসাগরীয় অংশীদারদের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক গভীর সম্পর্ক ইসলামাবাদকে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার যে কোনও উদীয়মান সামরিক রসদ সরবরাহ কাঠামোর একটি সুবিধাজনক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছিল। ট্রাম্পের লেনদেনমূলক ভাবাবেগহীন প্রবৃত্তি ঠিক সেই মুহূর্তে এই উপযোগিতাটির পুনর্মূল্যায়ন করছিল বলে মনে হচ্ছে, যখন ভারতের দৃঢ় অবস্থান উপমহাদেশে তার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছিল।

ভারতের জন্য, এই হিসাব-নিকাশগুলির তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। এগুলি শুধু নয়াদিল্লিতেই অস্বস্তি তৈরি করেনি, বরং ভারতের কূটনৈতিক রণকৌশলের পরিসরও সংকুচিত করে দিয়েছিলবিশেষ করে ট্রাম্পের বারবার করা এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যে, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তিনি একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। এই দাবিটি, যা মূলত অপ্রমাণিত এবং ভারতীয় কর্মকর্তাদের দ্বারা অস্বীকৃত, মূলত নিজেকে অপরিহার্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার জন্য ওয়াশিংটনের বৃহত্তর ইচ্ছাকেই প্রতিফলিত করেছিল, তা ভারত এই ধরনের উপস্থাপনাকে স্বাগত জানাক বা না জানাক। যে দেশটি ভারত-পাকিস্তান নামক হাইফেন-‌যুক্ত আখ্যান থেকে নিজেকে দূরে রাখতে কয়েক দশক ধরে বিনিয়োগ করেছে, তার জন্য ট্রাম্পের এই অবস্থান ছিল একটি কূটনৈতিক ধাক্কা।

অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক ইরান সংকটে মার্কিন অবস্থানকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের তাৎক্ষণিক উদ্দেশ্য পূরণে, এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের মধ্যে আলোচনা সহজতর করার জন্য কূটনৈতিক পরিসর একটি মধ্যপন্থা প্রদানেও সহায়ক হয়েছিল। যখন তেহরানে সরাসরি মার্কিন কূটনৈতিক যোগাযোগ  সীমিত ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে ইসলামাবাদ একটি নেপথ্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিল। ট্রাম্প প্রশাসন ভারত পাকিস্তানের মধ্যকার এই সংঘাতকে অবশ্যই কাজে লাগিয়েছে ইসলামাবাদের সঙ্গে আরও বেশি সহযোগিতা দাবি করে এর মধ্যে ছিল ক্রিপ্টো ভেঞ্চারে বিনিয়োগ, বালুচিস্তানে পাকিস্তানের খনিজ সম্পদে সম্ভাব্য বিনিয়োগ থেকে শুরু করে জ্বালানি সরবরাহ চুক্তি পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়। এই বিষয়গুলি হয়তো ট্রাম্পকে ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট যুক্তি জুগিয়েছে, যা কখনও কখনও ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্যেও ঘটেছে। ট্রাম্পের জন্য, যাঁর অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি বণিকবাদী শোষণমূলক, এটি কোনও আদর্শ ছিল না, বরং ছিল একটি সুযোগ।


এই দাবিটি, যা মূলত অপ্রমাণিত এবং ভারতীয় কর্মকর্তাদের দ্বারা অস্বীকৃত, মূলত নিজেকে অপরিহার্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার জন্য ওয়াশিংটনের বৃহত্তর ইচ্ছাকেই প্রতিফলিত করেছিল, তা ভারত এই ধরনের উপস্থাপনাকে স্বাগত জানাক বা না জানাক।



এই পুনর্গঠনে নয়াদিল্লিকে অন্য যে কোনও অংশীদারের চেয়ে বেশি রাজনৈতিক মূল্য দিতে হয়েছে, কারণ ভারত পাকিস্তানকে একসূত্রে গেঁথে তাদের মধ্যে মধ্যস্থতা করার ট্রাম্পের প্রচেষ্টা ভারতে ভালভাবে নেওয়া হয়নি ভারতের কূটনীতি হোয়াইট হাউসের কোনও ব্যক্তির উপর নির্ভর না করে, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যায়নের উপরই নির্ভর করেছে। কিন্তু এই কৌশলগত ধৈর্য, যতই বিচক্ষণ হোক না কেন, তারও একটি সীমা আছে। ভারতের উপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ, যার মধ্যে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত ছিল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে এবংঅপারেশন সিঁদুর’-পরবর্তী ভারত-মার্কিন সম্পর্কের প্রতিবন্ধকতাগুলিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। এটি নয়াদিল্লিকে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক চাপ সামলানোর পাশাপাশি এক অস্থিতিশীল পশ্চিমী ফ্রন্টে পথ চলার মতো অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে নিয়ে আসে। শুল্কের প্রশ্নটি একটি সার্বভৌম অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের কাঠামোগত স্নায়ুতেও আঘাত হানে। এর উপর আরোপিত শাস্তি ইঙ্গিত দেয় যে, ট্রাম্প প্রশাসন কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং লেনদেনমূলক সম্মতির মধ্যে পার্থক্য করতে অনিচ্ছুক ছিল।

তবুও, ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কখনও লাইনচ্যুত হয়নি;‌ এবং বিশ্বের উদীয়মান ভূ-রাজনীতিতে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা সেই বিশ্বাসটি অটুট রয়েছে। ভারত উপলব্ধি করেছে যে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গিআমেরিকা ফার্স্ট’-এর এক অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব থেকে উদ্ভূত, যা হয়তো নয়াদিল্লির লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, কিন্তু সম্পর্কটিকে ইতিবাচক রাখার একটি তাগিদ রয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়, প্রযুক্তি হস্তান্তর, আইসিইটি- মতো কাঠামোর মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান, এবং কোয়াড কাঠামোর মতো বিষয়গুলিতে ব্যপ্ত এই সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক গভীরতা শীর্ষপর্যায়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী বলে প্রমাণিত হয়েছে। ট্রাম্পের সহকারী বিদেশ সচিব ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাও তাঁর দিল্লি সফরের সময় ভারতকে মনে করিয়ে দেন যেআমেরিকা চিনের সঙ্গে করা ভুলের পুনরাবৃত্তি করবে না এর মাধ্যমে তিনি ভারতকে কার্যত এটাই বুঝিয়েছেন যে, এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অতীত ধারা হয়তো শেষ হয়ে গিয়েছে। এই মূল্যায়নটি ভারতের জন্য সুযোগ এবং ঝুঁকি উভয়ই বয়ে আনতে পারে। একদিকে, এটি ভারতকে তার বৃহৎ শক্তিগুলির সঙ্গে সম্পর্ককে বৈচিত্র্যময় করতে এবং আরও স্বাধীনভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে জোরদার করে। অন্যদিকে, এটি এই উদ্বেগ সৃষ্টি করে যে যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে কি না। ল্যান্ডাওয়ের বার্তাটি সতর্কভাবে পড়লে দেখা যায়, এটি এক ধরনের শর্তসাপেক্ষ অংশীদারি, যা শুধু বিদ্যমান মিলকে স্বাগত জানানোর পরিবর্তে মার্কিন পছন্দের সঙ্গে কৌশলগত সামঞ্জস্য দাবি করে। এটি ওবামা বাইডেন আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদ্যমান তুলনামূলকভাবে উদার কাঠামো থেকে একটি বিচ্যুতি।


ভারতের উপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ, যার মধ্যে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ সারচার্জও অন্তর্ভুক্ত ছিল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-পরবর্তী ভারত-মার্কিন সম্পর্কের প্রতিবন্ধকতাগুলিতে নতুন মাত্রা যোগ করে।



সম্ভবত অপারেশন সিঁদুর-পরবর্তী সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হল এই যে, অতীতের মার্কিন প্রশাসনগুলি এই অঞ্চলের প্রতি যেভাবে ইন্দো-প্যাসিফিক অগ্রাধিকার তৈরি করেছিল, তা হয়তো ট্রাম্প প্রশাসনের সময় একইভাবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে না। যেখানে বাইডেন কোয়াডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং ইন্দো-প্যাসিফিককে চিনা সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে একটি নিয়মভিত্তিক শৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরতে বিনিয়োগ করেছিলেন, সেখানে ট্রাম্পের প্রবণতা আরও বেশি দ্বিপাক্ষিক, লেনদেন-কেন্দ্রিক এবং ভারতের দীর্ঘমেয়াদি  কৌশলগত পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত বহুপাক্ষিক কাঠামোর প্রতি আরও উদাসীন বলে মনে হয়। এটি তাৎপর্যপূর্ণ। ইন্দো-প্যাসিফিকে মার্কিন সম্পৃক্ততার উপর ভারতের বাজি শুধু চিনকে প্রতিহত করার জন্যই ছিল না, বরং এটি নিশ্চিত করার জন্যও ছিল যে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামোতে এমন একটি পাল্টা ভারসাম্য থাকবে যা ভারত বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একা সরবরাহ করতে পারত না। যদি ওয়াশিংটনের মনোযোগ সরে যায়, অথবা জোট গঠন থেকে সরে এসে সমঝোতার দিকে তার আঞ্চলিক সম্পৃক্ততার রদবদল ঘটে, তবে নয়াদিল্লির কৌশলগত পরিবেশ উল্লেখযোগ্যভাবে আরও কঠিন হয়ে ওঠে।

সুতরাং, সিঁদুর-পরবর্তী মুহূর্তটি ভারতের সামনে একটি আপাত-বিরোধিতার চিত্র তুলে ধরেছে: এই সংকট একদিকে যেমন ভারত-মার্কিন সম্পর্কের স্থিতিস্থাপকতা প্রকাশ করেছে, তেমনই অন্যদিকে এক বিশেষ ধরনের মার্কিন নেতৃত্বের অধীনে এর কাঠামোগত ভঙ্গুরতাও তুলে ধরেছে। ভারতের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ শুধু এই সংকটের তাৎক্ষণিক পরিণতি সামাল দেওয়াই নয়, বরং এমন একটি সময়ের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার অংশীদারিত্বের শর্তাবলিকে রূপ দেওয়া, যখন আমেরিকার নির্ভরযোগ্যতা আর একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা নয়।



বিবেক মিশ্র অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ডেপুটি ডিরেক্টর।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.