অপারেশন সিঁদুর ভারতের সক্রিয় প্রতিরোধ ব্যবস্থার দিকে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়—কিন্তু আনুষ্ঠানিক মতবাদ এবং প্রাতিষ্ঠানিক গভীরতার অভাবে, প্রহার পদ্ধতিটি একটি স্থায়ী কৌশলগত রূপান্তরের পরিবর্তে একটি খণ্ডকালীন পূর্ব-প্রতিরোধ ব্যবস্থা হয়ে থাকার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এই প্রবন্ধটি ‘প্রতিক্রিয়া থেকে পুনর্গঠন: অপারেশন সিঁদুরের এক বছর ’ শীর্ষক প্রবন্ধ সিরিজের একটি অংশ।
অপারেশন সিঁদুর নিছক একটি সামরিক প্রতিক্রিয়াই নয়, বরং এটি ভারতের ক্রমবিকাশমান সন্ত্রাসবিরোধী মতবাদের কর্মপরিচালনাগত রূপায়ণকেও চিহ্নিত করে: সুচিন্তিত, উত্তেজনা বৃদ্ধিতে প্রাধান্য-দানকারী এবং কৌশলগতভাবে অপরিবর্তনীয়।
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানের রাষ্ট্র-পুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের প্রতিক্রিয়া একটি পূর্বানুমানযোগ্য জ্যামিতিক কাঠামো অনুসরণ করেছে, যার মধ্যে ছিল উস্কানি, সংযম, কূটনৈতিক প্রতিবাদ এবং অবশেষে তার মোকাবিলা। ১৯৯৩ সালের বোম্বে, ২০০১ সালের সংসদ, ২০০৮ সালের মুম্বাই থেকে শুরু করে ২০১৯ সালের পুলওয়ামা পর্যন্ত প্রতিটি নৃশংসতার মোকাবিলা একই চক্রে করা হয়েছে। ভারতীয় বেসামরিক নাগরিকদের এর মূল্য দিতে হয়েছে; আর অপরাধীরা সীমান্তের ওপারের নিরাপদ আশ্রয় থেকে প্রায় সম্পূর্ণ দায়মুক্ত অবস্থায় তাদের কার্যক্রম চালিয়েছে।
২০২৫ সালের এপ্রিলের পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের সরাসরি জবাবে ২০২৫ সালের মে মাসে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়কে তুলে ধরে: এটি সেই নীতির রণকৌশলগত সূচনাকে চিহ্নিত করে, যাকে কৌশলগত বিশ্লেষকেরা ‘প্রহার ডকট্রিন’ বলতে শুরু করেছেন।
জ্যামিতি এখন বদলে গিয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলের পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের সরাসরি জবাবে ২০২৫ সালের মে মাসে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়কে তুলে ধরে: এটি সেই নীতির রণকৌশলগত সূচনাকে চিহ্নিত করে, যাকে কৌশলগত বিশ্লেষকেরা ‘প্রহার ডকট্রিন’ বলতে শুরু করেছেন। এটি এমন একটি অবস্থান যা সংযমের উপর নয়, বরং আগে থেকেই বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়ার (কমপেলেন্স) উপর নির্মিত; শাস্তির উপর নয়, বরং কঠোর মূল্য চাপিয়ে দেওয়ার উপর নির্মিত, যা প্রতিপক্ষের হিসাব-নিকাশকে স্থায়ীভাবে বদলে দেয়।
সারণি ১: সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়ার বিবর্তন (১৯৯৯–২০২৫)

সূত্র: লেখকের সংকলন
পাকিস্তানের সন্ত্রাস-যন্ত্রের স্থাপত্য
'প্রহার ডকট্রিন' কেন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছিল তা বুঝতে হলে প্রথমে প্রচলিত ধারার বাইরের যুদ্ধ কৌশলের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গির কাঠামোটি সতর্কতার সঙ্গে বুঝতে হবে। পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে শুধু সহ্যই করে না; বরং কৌশলগত নীতির হাতিয়ার হিসেবে তাদের লালন-পালন করে, অর্থায়ন করে, অস্ত্রসজ্জিত করে এবং পরিচালনা করে। লস্কর-এ-তৈবা (এলইটি), জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) এবং হাক্কানি নেটওয়ার্কের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে বিপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; তাদের সম্পদ হিসেবে দেখা হয়। ২০২৫ সালের এপ্রিলে সংঘটিত পহেলগাম হত্যাকাণ্ড, যেখানে ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছিল, তাতে পাকিস্তান-সমর্থিত প্রক্সিদের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান ছিল। এর মূল বৈশিষ্ট্য হল: স্থান ও ধর্মের ভিত্তিতে শিকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন এবং অ-রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দায় অস্বীকারের সুযোগ বজায় রাখা।
পারমাণবিক অস্ত্রের নাগালের বাইরে জবরদস্তির হাতিয়ার হিসেবে প্রক্সি ব্যবহারের এই মডেলটি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সবচেয়ে কার্যকর কৌশলগত পদ্ধতি হিসেবে কাজ করেছে। কয়েক দশক ধরে, এটি সরাসরি জবাবদিহি করার ঝুঁকি প্রায় শূন্য রেখে অপ্রতিসম ব্যয় চাপিয়ে দিয়েছে। এদিকে, পারমাণবিক অস্ত্র একটি পূর্ব-প্রতিরোধক (ডেটারেন্স) ছাতা হিসেবে কাজ করে চলেছে, যা প্রচলিত এবং অপ্রচলিত উভয় ধরনের আগ্রাসনকেই আশ্রয় দিয়েছে।
২০২৫ সালের এপ্রিলে সংঘটিত পহেলগাম হত্যাকাণ্ড, যেখানে ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছিল, তাতে পাকিস্তান-সমর্থিত প্রক্সিদের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান ছিল। এর মূল বৈশিষ্ট্য হল: স্থান ও ধর্মের ভিত্তিতে শিকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন এবং অ-রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দায় অস্বীকারের সুযোগ বজায় রাখা।
পাকিস্তানের সামরিক কর্তৃপক্ষ ধরে নিয়েছিল যে, একটি ‘দায়িত্বশীল শক্তি’ হিসেবে পরিচিত হওয়ার ভারতের আকাঙ্ক্ষা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের ইচ্ছাকে সব সময় ছাপিয়ে যাবে। ত্রিশ বছর ধরে, সেই বাজি সফল হয়েছিল।
সারণি ২: অপারেশন সিঁদুর (২০২৫) থেকে প্রাপ্ত অপারেশনাল সংকেত
সূত্র: লেখকের সংকলন
প্রহার মতবাদের প্রকৃত অর্থ কী
প্রহার, একটি হিন্দি শব্দ যার অর্থ আঘাত হানা, শুধু নিরাপত্তা সংস্থাগুলিতে ব্যবহৃত একটি শব্দ নয়; এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ধারণাগত মতবাদ যা সক্রিয় দমনমূলক ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, এবং প্রতিপক্ষের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে, উৎসস্থলে, নির্ভুল অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোতে আঘাত হানার ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে, এবং একই সঙ্গে ইচ্ছাকৃত সংকেতের মাধ্যমে উত্তেজনার বিভিন্ন স্তর নিয়ন্ত্রণ করে। ভারতের নেতৃত্ব ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা’ এবং ‘আলোচনা ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
অপারেশন সিঁদুর একই সঙ্গে তিনটি মাত্রায় এটিকে কার্যকর করেছে। প্রথমত, গতিগত অভ্রান্ততা — স্ক্যাল্প ক্রুজ মিসাইল এবং হ্যামার অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত রাফাল যুদ্ধবিমান পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) জুড়ে নয়টি চিহ্নিত সন্ত্রাসী পরিকাঠামো কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে মুরিদকেতে লস্কর-ই-তৈবার সদর দপ্তর এবং বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মোহাম্মদের স্থাপনাগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি ছিল সক্ষমতা এবং অভিপ্রায় উভয়েরই একটি ঘোষণা।
ভারত শুধু সন্ত্রাসবাদের জবাবই দেয়নি; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংঘাতের নিয়মকানুনকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে।
দ্বিতীয়ত, সচেতনভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ — ভারত সুস্পষ্টভাবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর স্থাপনা, বিমান ঘাঁটি বা প্রচলিত সামরিক সম্পদে হামলা করা থেকে বিরত থেকেছে, এবং এই পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে যে এটি পাকিস্তান রাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ নয়, বরং পাকিস্তানের সন্ত্রাসী পরিকাঠামো নির্মূল করা।
তৃতীয়ত, যুগপৎ তথ্যভিত্তিক অভিযান: প্রথমবারের মতো, ভারত প্রায় রিয়েল-টাইমে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তার নিজস্ব হামলার বিবরণ দিয়েছে, এবং স্থানাঙ্ক, ছবি ও একটি সুসংগঠিত কৌশলগত যোগাযোগ কাঠামো প্রকাশ করেছে যা পাকিস্তানকে ঘটনার বিবরণ নির্ধারণের সুযোগ দেয়নি। সুতরাং, ভারত শুধু সন্ত্রাসবাদের জবাবই দেয়নি; এটি ভবিষ্যতের জন্য সংঘাতের নিয়মকানুন নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।
পারমাণবিক সীমার নিচে অভিযান পরিচালনা
'প্রহার' পদ্ধতির সমালোচকেরা সঠিকভাবেই পারমাণবিক দিকটিকে কেন্দ্রীয় কৌশলগত ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেন। পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতার সীমা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, এবং অপ্রতিসম প্রচলিত দুর্বলতার উপর ভিত্তি করে গঠিত তাদের 'প্রথম-ব্যবহার' নীতি তাত্ত্বিকভাবে এমনকি সীমিত ভারতীয় প্রচলিত হামলার জবাবেও পারমাণবিক সংকেত দেওয়ার অনুমতি দেয়।
এই দ্বিধা সত্ত্বেও, 'অপারেশন সিঁদুর' প্রমাণ করেছে যে ভারত পাকিস্তানের পারমাণবিক রেড লাইন সম্পর্কে একটি পরিশীলিত ধারণা তৈরি করেছে। সামরিক স্থাপনার পরিবর্তে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে এবং প্রাথমিক হামলার পর ইচ্ছাকৃতভাবে একটি অভিযানিক বিরতি দিয়ে ভারত দৃঢ় সংকল্প ও সংযম উভয়েরই ইঙ্গিত দিয়েছে।
মনে হচ্ছে, পাকিস্তানের পারমাণবিক ধাপ্পাবাজি এমন একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্রমশ কার্যকারিতা হারাচ্ছে, যে রাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্রের নিচের পরিসরে কাজ করার সক্ষমতা এবং মতাদর্শগত ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে।
ফলাফলটি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। পাকিস্তানের সামরিক কর্তৃপক্ষ এমন সব স্থাপনার উপর সুনির্দিষ্ট, অস্বীকারযোগ্য এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থনযোগ্য হামলার সম্মুখীন হয়েছিল, যেগুলিকে মদত দেওয়ার কথা তারা আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করে, এবং উত্তেজনা বাড়ানোর পরিবর্তে উত্তেজনা কমানোর পথ বেছে নিয়েছিল। মনে হচ্ছে, পাকিস্তানের পারমাণবিক ধাপ্পাবাজি এমন একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্রমশ কার্যকারিতা হারাচ্ছে, যে রাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্রের নিচের পরিসরে কাজ করার সক্ষমতা এবং মতাদর্শগত ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে।
কাঠামোগত ঘাটতি
তবে, অপারেশন সিঁদুরের সামরিক সাফল্য যেন যা কাঠামোগতভাবে অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে, তা আড়াল না করে। এই ডকট্রিনটি ভুল ব্যাখ্যার ঝুঁকিতে রয়েছে, বিশেষ করে ভবিষ্যতে ভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্ব বা সামরিক কমান্ড দ্বারা পরিচালিত সংকটকালে। ভারতের এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত কোনও জাতীয় সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কমপেলেন্স ডকট্রিন নেই। এর তথ্যযুদ্ধের কাঠামো, যেমনটা অন্যত্র ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে, তা খণ্ডিত ও প্রতিক্রিয়ানির্ভর রয়ে গিয়েছে; আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিপক্ষের পাল্টা আখ্যানগুলি পুনরায় প্রাধান্য পাওয়ার আগে সিঁদুরের প্রথম ৪৮ ঘণ্টায় অর্জিত আখ্যানগত সুবিধাগুলি ধরে রাখতে এটি অক্ষম। গোয়েন্দা তথ্য থেকে আক্রমণ পর্যন্ত চক্রটি দৃশ্যত উন্নত হলেও, প্রহার ডকট্রিনের অধীনে অভিযানগুলিকে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনার পরিবর্তে একটি নিয়মিত রুটিন পূর্ব-প্রতিরোধক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় গতিতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়নি।
গোয়েন্দা তথ্য থেকে আক্রমণ পর্যন্ত চক্রটি দৃশ্যত উন্নত হলেও, প্রহার ডকট্রিনের অধীনে অভিযানগুলিকে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনার পরিবর্তে একটি নিয়মিত রুটিন পূর্ব-প্রতিরোধক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় গতিতে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়নি।
প্রতিক্রিয়ানির্ভর সংযম থেকে আগে থেকেই বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়ায় রূপান্তরটি ঐতিহাসিক। কিন্তু যে মতবাদটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে প্রয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, যার কোনও মতবাদগত বিধিবদ্ধকরণ, তথ্যযুদ্ধের সঙ্গে একীকরণ, এবং বিভিন্ন প্রশাসন ও সংকটকালে এটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক স্থায়িত্ব নেই, তা একটি অর্ধসমাপ্ত বিপ্লব হয়েই থেকে যায়।
ভারতের কৌশলগত কাজ হল প্রহার-কে তার প্রদর্শিত অবস্থান থেকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়া, যাকে প্রতিপক্ষেরা স্থায়ী, অনুমানযোগ্য এবং অনিবার্য বলে মনে করবে। কেবল তখনই ভারতের সংযমকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের কয়েক দশক ধরে চলা শোষণের অবসান ঘটবে।
সৌম্য অবস্থি অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর সিকিউরিটি, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড টেকনোলজির ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr Soumya Awasthi is a Fellow, Centre for Security, Strategy and Technology at the Observer Research Foundation. Her work focuses on the intersection of technology and ...
Read More +