জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং এএমআর চাপের মধ্যে ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থাগুলির বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা জোরদার করার জন্য অতিমারি তহবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোভিড-১৯ অতিমারি বহুলাংশে বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন করেছে। এটি আন্তর্জাতিক সমন্বয়, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভিযোজন ক্ষমতা, জরুরি অবস্থার জন্য অপ্রতুল তহবিল, পরিকাঠামোগত ঘাটতি এবং সামগ্রিকভাবে অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়ার (পিপিআর) ক্ষেত্রে প্রকট দুর্বলতাগুলি উন্মোচন করেছে। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে যে, কোনও একটি দেশের রোগের বিপদ সব দেশের জন্যই বিপদ, জি২০ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) বিশ্বজুড়ে অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়ার কাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য বার্ষিকভাবে ১০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিরিক্ত তহবিলের আহ্বান জানিয়েছে। ফলস্বরূপ, ২০২২ সালে বিশ্ব ব্যাঙ্ক একটি বহুপাক্ষিক আর্থিক মধ্যস্থতাকারী তহবিল হিসেবে 'দ্য প্যান্ডেমিক ফান্ড' বা অতিমারি তহবিল প্রতিষ্ঠা করে, যার উদ্দেশ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগের ঘাটতি পূরণ করা এবং আঞ্চলিক, জাতীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়ায় অর্থায়ন করা।
'দ্য প্যান্ডেমিক ফান্ড'-এর লক্ষ্য হল সকল অংশীদারের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় উৎস থেকে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, এবং পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব প্রচার করা।
অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং অর্থায়ন ব্যবস্থার থেকে ব্যতিক্রমী পথে প্যান্ডেমিক ফান্ড শুধুমাত্র অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া (পিপিআর) কার্যক্রমকে সমর্থন করার উপর মনোযোগ দেয়, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলির উপর গুরুত্ব আরোপ করে। এই ফান্ড রোগ নজরদারি, রোগ নির্ণয় এবং পরীক্ষাগার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রচেষ্টা জোরদার করতে এবং কর্মীবাহিনীর সক্ষমতা বিকাশের জন্য অনুদান প্রদান করে। ফান্ডের সমস্ত কার্যক্রমের মূল অন্তর্নিহিত বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে ওয়ান হেলথ, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা, লিঙ্গ সমতা এবং স্বাস্থ্য সমতা। এছাড়াও, প্যান্ডেমিক ফান্ড-এর লক্ষ্য হল সকল অংশীদারের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় উৎস থেকে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, এবং পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব প্রচার করা।
প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার অর্থায়ন
চালু হওয়ার পরপরই, প্যান্ডেমিক ফান্ড ২০২৩ সালের মে মাসে তার প্রথম দফার অর্থায়ন অনুমোদন করে, এবং এরপর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় দফার অর্থায়ন অনুমোদন করে। এই দুই দফায় ফান্ডটি মোট ৮৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান প্রদান করেছে, যা সারণি ১-এ বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়েছে। এই তহবিলের ৪৩ শতাংশ প্রথম দফায় এবং ৫০ শতাংশ দ্বিতীয় দফায় সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলিতে বরাদ্দ করা হয়েছিল।
সারণি ১: প্যান্ডেমিক ফান্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার অর্থায়নের সারসংক্ষেপ
|
অর্থায়ন পর্ব (বরাদ্দ ঘোষণা) |
আবেদনকারী দেশসমূহ |
অনুরোধকৃত তহবিল |
নির্বাচিত প্রস্তাব |
গ্রহীতা দেশসমূহ |
অনুমোদিত তহবিল |
লিভারেজ অনুপাত |
|
১ম দফা |
১৭৯ |
|
১৯ |
৩৭ |
৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার |
৬.৪ |
|
দ্বিতীয় দফা (অক্টোবর, ২০২৪) |
১৪৬ |
৪.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
২৮ |
৫০ |
৫৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার |
৭.৩ |
সূত্র: দ্য প্যানডেমিক ফান্ড (২০২৫)
এছাড়াও, প্যানডেমিক ফান্ডের অনুদান গুণক প্রভাব ফেলেছিল, যা অতিরিক্ত ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহ-অর্থায়ন এবং সহ-বিনিয়োগ সংগ্রহে সহায়তা করেছে। প্রথম এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে লিভারেজ অনুপাত (প্যানডেমিক ফান্ডের প্রতি ডলারের অনুদানের বিপরীতে সংগৃহীত অতিরিক্ত তহবিল) ছিল যথাক্রমে ৬.৪ এবং ৭.৩। এই অতিরিক্ত সম্পদ দেশীয় উৎস, বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাঙ্ক, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ, উন্নয়ন অংশীদার, বেসরকারি ক্ষেত্র এবং দাতব্য সংস্থা সহ বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল।
এ পর্যন্ত অগ্রগতি
চিত্র ১: তহবিল প্রদানের প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্যানডেমিক ফান্ডের বিশ্বব্যাপী পরিধি
Figure 1
সূত্র: দ্য প্যান্ডেমিক ফান্ড (২০২৪)
চিত্র ১-এ যেমন দেখানো হয়েছে, দ্য প্যান্ডেমিক ফান্ড বিভিন্ন যোগ্য দেশ ও অঞ্চলে প্রকল্প অনুমোদন করেছে। মোট ৪৭টি প্রকল্প থেকে ৭৫টি দেশ উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর কারণ হল একাধিক দেশের বিভিন্ন প্রকল্পে তহবিলের কৌশলগত বরাদ্দ, বিশেষ করে যে প্রকল্পগুলির সুবিধা জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে বিস্তৃত হয়। এছাড়াও, বেশিরভাগ প্রকল্প নজরদারি, পরীক্ষাগার ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ এবং কর্মীবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নিম্ন আয়ের দেশগুলির জন্য এবং ভঙ্গুর ও সংঘাত-বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলিকে সহায়তার জন্য অর্থায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই কৌশলগত বিনিয়োগগুলি বরাদ্দকৃত তহবিলের সর্বোচ্চ প্রভাব নিশ্চিত করবে, যা প্রতিটি অঞ্চলের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং ঘাটতির ক্ষেত্রগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং একই সঙ্গে প্যান্ডেমিক ফান্ডের মূল বিষয়গুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
প্যানডেমিক ফান্ড দ্বিতীয় দফার অর্থায়নের সময়, বিশেষ করে ফলাফল কাঠামোর ক্ষেত্রে উন্নতি সাধনের জন্য অংশীদারদের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে একটি স্বাধীন স্টকপাইলিং রিভিউ ব্যবস্থা তৈরি করেছে।
তবে, এর প্রচেষ্টার জন্য স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি, প্যানডেমিক ফান্ড বিশ্বব্যাপী অতিমারি প্রতিরোধ ও প্রস্তুতি কাঠামোর বর্তমান আর্থিক চ্যালেঞ্জগুলিকে টেকসইভাবে মোকাবিলা করার সক্ষমতা, সমতা ও অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে উদ্বেগ এবং প্রস্তাবগুলির উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বচ্ছতার অভাবের জন্য বিশেষজ্ঞদের থেকে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, প্রথম দফার অর্থায়নের পর, প্যানডেমিক ফান্ড দ্বিতীয় দফার অর্থায়নের সময়, বিশেষ করে ফলাফল কাঠামোর ক্ষেত্রে উন্নতি সাধনের জন্য অংশীদারদের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে একটি স্বাধীন স্টকপাইলিং রিভিউ ব্যবস্থা তৈরি করেছে। যেহেতু এটি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পরিপক্ব হচ্ছে, তাই প্যানডেমিক ফান্ড তার প্রচেষ্টা বাড়াতে এবং ঘাটতির ক্ষেত্রগুলি জরুরিভাবে সমাধানের জন্য নিয়মিত আলোচনাকে গুরুত্ব দেয়।
কেন বৈশ্বিক প্রস্তুতিকে ত্বরান্বিত করা এখনও গুরুত্বপূর্ণ
গবেষণায় অনুমান করা হচ্ছে যে, আগামী ২৫ বছরের মধ্যে কোভিড-১৯-এর মতোই বিপজ্জনক আরেকটি বৈশ্বিক অতিমারি হওয়ার সম্ভাবনা ৪৭-৫৭ শতাংশ। পরিবেশের অবক্ষয়, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ব্যাপক অভিবাসন, শিল্পভিত্তিক কৃষি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের (এএমআর) মতো বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জগুলি রোগের প্রাদুর্ভাবের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চল এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে। অনুমান করা হয়েছে যে, শুধুমাত্র কোভিড-১৯-এর প্রভাবে ভারতের মোট আভ্যন্তর উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষতি হয়েছে ২.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার -— যা বিশ্বব্যাপী জিডিপি ক্ষতির মধ্যে সর্বোচ্চ — এবং এরপরই রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং চিন (১.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
এই প্রেক্ষাপটে, প্যান্ডেমিক ফান্ডের গুরুত্বকে কোনও ভাবেই খাটো করে দেখা যায় না। অতিমারি প্রস্তুতি ও প্রতিরোধে (পিপিআর) এর ভূমিকা সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ প্রমাণিত হয়েছিল, যখন এর দ্বিতীয় দফার অর্থায়নের অংশ হিসেবে সাব-সাহারান আফ্রিকার ১০টি দেশের পাঁচটি প্রকল্পের জন্য ১২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দ্রুত অনুমোদন করা হয়েছিল, যা এমপক্সের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়াও, ডিসেম্বর ২০২৪-এ প্যান্ডেমিক ফান্ড ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৃতীয় দফার অর্থায়ন ঘোষণা করে।
অর্থায়নের ঘাটতি
প্রদত্ত অনুদানগুলি শুধু যথেষ্ট পরিমাণে বড় ছিল না, বরং অতিরিক্ত সম্পদও সংগ্রহ করতেও সাহায্য করেছে, তবুও উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়ে গিয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৭ সালের জন্য প্যানডেমিক ফান্ডের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এই সময়ের মধ্যে ফান্ডটি প্রতি বছর ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যার লিভারেজ অনুপাত হবে কমপক্ষে ৪.৮, যাতে অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়ার (পিপিআর) কাঠামোর অধীনে উচ্চ-অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলোতে প্রকল্পগুলি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করা যায়।
প্যান্ডেমিক ফান্ড বেসরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) বহির্ভূত অর্থায়নের উৎসগুলিকে একত্রিত করার জন্য উদ্ভাবনী বিকল্পের মাধ্যমে টেকসই অর্থায়নের জন্য মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদি পথ খুঁজছে, এবং এর জন্য একটি পৃথক সম্পদ সংগ্রহের কৌশল প্রণয়নে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এছাড়াও, ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউএস) প্যান্ডেমিক ফান্ডে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, এবং ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমস্ত অনুদান পরিশোধ করে বৃহত্তম দাতায় পরিণত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৩ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা অনুমোদন আইন পাঁচ বছরের মধ্যে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত অনুদানের অনুমোদন দেয়। তবে, রাজনৈতিক ও বাজেট সংক্রান্ত চাপের কারণে এই তহবিল বিতরণের বিষয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। যদি এই অনুদানগুলো বাস্তবে না আসে, তবে তা প্যান্ডেমিক ফান্ডের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে, প্যান্ডেমিক ফান্ড বেসরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) বহির্ভূত অর্থায়নের উৎসগুলিকে একত্রিত করার জন্য উদ্ভাবনী বিকল্পের মাধ্যমে টেকসই অর্থায়নের জন্য মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদি পথ খুঁজছে, এবং এর জন্য একটি পৃথক সম্পদ সংগ্রহের কৌশল প্রণয়নে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সামনের পথ
যেহেতু বিশ্ব নতুন এবং পুনরাবৃত্ত অতিমারি বিপদের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, তাই প্যান্ডেমিক ফান্ড বিশ্বজুড়ে অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি এবং প্রতিকার সক্ষমতা জোরদার করার জন্য একটি বৈশ্বিক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। অতিরিক্ত সম্পদ সংগ্রহ, আন্তঃক্ষেত্রীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে তহবিল প্রদানের সক্ষমতা এর গুরুত্ব প্রমাণ করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, যা অপরিহার্য অতিমারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি এবং প্রতিকার কর্মসূচিগুলিতে বিলম্ব বা বাধার সৃষ্টি করতে পারে।
এর জন্য যেমন সরকার, দাতব্য সংস্থা এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক ও নবউদ্যমী অঙ্গীকারের প্রয়োজন, তেমনই তহবিলের দীর্ঘস্থায়িত্ব ও প্রভাব নিশ্চিত করার জন্য উদ্ভাবনী অর্থায়ন পদ্ধতিরও প্রয়োজন। এরই মধ্যে, প্যান্ডেমিক ফান্ড বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে, অগ্রাধিকারমূলক ফলাফলগুলি নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান প্রক্রিয়া ও কাঠামোর পর্যালোচনা ও তা উন্নত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অপরিহার্য। পরবর্তী অতিমারি আশঙ্কার চেয়েও দ্রুত আসতে পারে, এবং সেই কারণে বিশ্ব সম্প্রদায় অর্থায়নে ঘাটতির ঝুঁকি নিতে পারে না। অর্থায়নের ঘাটতি পূরণ করার মাধ্যমে, প্যান্ডেমিক ফান্ড সকলের জন্য এক নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের দিকে দৃঢ় পদক্ষেপ সম্ভব করে তুলতে পারে।
নিমিশা চাড্ডা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসির গবেষণা সহকারী।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Nimisha Chadha is a Research Assistant with ORF’s Centre for New Economic Diplomacy. She was previously an Associate at PATH (2023) and has a MSc ...
Read More +