Author : Ayjaz Wani

Expert Speak Raisina Debates
Published on Mar 30, 2026 Updated 0 Hours ago

সি৫+১ শীর্ষ সম্মেলন মধ্য এশিয়ায় মার্কিন আগ্রহের পুনর্নবীকরণের ইঙ্গিত দিলেও ট্রাম্পের শুল্ক-চালিত কূটনীতি এবং ন্যূনতম আঞ্চলিক বিনিয়োগ ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়।

মধ্য এশিয়ায় ট্রাম্পের এমএজিএ কূটনীতির সীমাবদ্ধতা

৬ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সি৫+১ উদ্যোগের দশম বার্ষিকী উদ্‌যাপনের জন্য তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তানের নেতাদের আতিথেয়তা করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়ায়, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও প্রযুক্তি রপ্তানিতে বিধিনিষেধের মাধ্যমে চিনের সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটানোর মধ্যেই, এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

চিন বর্তমানে বিশ্বব্যাপী রেয়ার আর্থ খনির প্রায় ৬০ শতাংশ এবং বিশ্বব্যাপী প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতার ৮৫ শতাংশেরও বেশি অংশ নেয়। উপরন্তু, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর ভূ-রাজনৈতিক, ভূ-অর্থনৈতিক এবং সার্বভৌমত্বের উদ্বেগের মধ্যে মধ্য এশিয়ার দেশগুলি তাদের বৈদেশিক নীতি পুনর্গঠন করতে চাইছে। মধ্য এশিয়ার উপর নতুন করে জোর দেওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গঠনের মাধ্যমে এই অঞ্চলে রাশিয়া ও চিনের প্রভাবের ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে এবং একই সঙ্গে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।

বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা

শীর্ষ সম্মেলনের সময় ট্রাম্প এবং মধ্য এশিয়ার নেতারা মধ্য করিডোর তৈরি করে সরবরাহ শৃঙ্খল সংযোগ বৃদ্ধির উপর জোর দেন এবং ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি-কে (ট্রিপ) বিদ্যমান পথগুলির সাথে সংযুক্ত করার উপর জোর দেন, যার লক্ষ্য পণ্যসম্ভার এবং জ্বালানি সম্পদের মসৃণ চলাচল সহজতর করা। ট্রাম্প সমর্থিত ট্রিপ করিডোরটি আজারবাইজানের নাখচিভান এক্সক্লেভ থেকে আর্মেনিয়ার সিউনিক প্রদেশের মধ্য দিয়ে ইরানকে বাইপাস করে। এটি তুরস্কের মাধ্যমে মধ্য এশিয়া এবং ইইউ-র মধ্যে একটি অতিরিক্ত বাণিজ্য পথ হিসেবেও কাজ করতে পারে, যা ন্যাটো সদস্যদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করবে।

মূলত মার্কিন সরঞ্জাম ক্রয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলি বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। উদাহরণস্বরূপ, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩৭টি বোয়িং বিমান কিনতে সম্মত হয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের আমদানি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দেয়।

তবে ওয়াশিংটন এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং বিরল মৃত্তিকাতে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ প্রকাশ করলেও ট্রাম্প প্রশাসন এখনও মধ্য এশিয়ায় কোনও বড় বিনিয়োগ প্রকল্প শুরু করেনি, যেমনটা চিন তার বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) বা মস্কো সাম্প্রতিক এই অঞ্চলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনার অধীনে করেছে। শীর্ষ সম্মেলনের একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল কোভ ক্যাপিটাল এবং কাজাখস্তানের মধ্যে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূলধন ব্যয়ের একটি টাংস্টেন খনি ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র তৈরির চুক্তি।

নির্দেশনাহীন চুক্তি: কেন মার্কিন সম্পৃক্ততা ক্ষীণ হয়ে পড়ছে

এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ সত্ত্বেও আমেরিকা-মধ্য এশিয়ার বাণিজ্য সম্পর্ক এখনও অচলই থেকেছে। কারণ এই চুক্তিগুলির বেশির ভাগই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বিনিয়োগ এবং মার্কিন শিল্প থেকে ক্রয় জড়িত, মধ্য এশিয়ার অবকাঠামো এবং সংযোগে মার্কিন বিনিয়োগ নগণ্য - ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (এমএজিএ) দ্বারা চালিত পররাষ্ট্র নীতির ফলাফল। তবে মধ্য এশিয়ার নেতাদের ওয়াশিংটন সফর এই বিকৃত বাণিজ্য সম্পর্কের সম্ভাব্য বিপরীতমুখী হওয়ার ইঙ্গিতও দেয়।

এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ সত্ত্বেও মার্কিন-মধ্য এশিয়ার বাণিজ্য সম্পর্ক এখনও অচলই থেকেছে। কারণ এই চুক্তিগুলির বেশির ভাগই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বিনিয়োগ এবং মার্কিন শিল্প থেকে ক্রয় জড়িত, মধ্য এশিয়ার অবকাঠামো এবং সংযোগে মার্কিন বিনিয়োগ নগণ্য - ট্রাম্পের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (এমএজিএ) দ্বারা চালিত পররাষ্ট্র নীতির ফলাফল।

সফরের ইতিবাচক ফলাফল সত্ত্বেও কাজাখ প্রেসিডেন্ট তাঁর মার্কিন সফরের পরপরই মস্কো সফর করেন। সফরের সময় কাজাখস্তান ও রাশিয়া ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৯টি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং উজবেক প্রেসিডেন্ট রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আন্তঃআঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ফোনালাপ সারেন। ইউরেশিয়ায় ‘প্যাক্স সিনিকা’র জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপনের প্রচেষ্টার পাশাপাশি চিনের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ মধ্য এশিয়ায় ট্রাম্পের নতুন আগ্রহকে আরও দুর্বল করে দেবে। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাভের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বেজিং মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে তার অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা তীব্রতর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিযোগী আধিপত্য: মস্কো এবং বেজিং এখনও ট্রাম্প কার্ড ধরে রেখেছে

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ মধ্য এশিয়ার দেশগুলিকে রাশিয়া ও চিনের উপর নির্ভরতা কমাতে নতুন, স্থিতিশীল অংশীদারিত্ব খুঁজতে প্ররোচিত করেছে। রাশিয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার প্রধান গ্যারান্টার হিসেবে রয়ে গিয়েছে এবং অন্য দিকে চিন ভূ-কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা অর্জনের জন্য উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে, যার লক্ষ্য হল ‘বন্ধুদের বৃত্ত’ সম্প্রসারণের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘেরাটোপের প্রচেষ্টাকে মোকাবিলা করা।

মধ্য এশিয়ায় রাশিয়া ও চিনের নতুন আগ্রহ তাদের বৃহত্তর লক্ষ্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার ফলে ২০০১ সালে ইউরেশিয়া জুড়ে প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রচারের জন্য সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) তৈরি হয়েছিল। ২০১৩ সাল থেকে চিন তার উচ্চাভিলাষী বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ, সংযোগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ এবং হাইড্রোকার্বন প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেকে এই অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইতিমধ্যেই বাণিজ্য, সংযোগ এবং নিরাপত্তায় কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বিকাশের জন্য মধ্য এশিয়ার দেশগুলির বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা মূলত ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে বেজিং তার বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে খনিজ সম্পদ থেকে শুরু করে সংযোগ এবং পাইপলাইন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সক্রিয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের প্রথম ছ’মাসে চিন কাজাখস্তানের তামা ও অ্যালুমিনিয়াম খনিতে প্রায় ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মস্কোর উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাতের ফলে মধ্য এশিয়ার দেশগুলিকে রাশিয়ার উত্তর দিকের পথকে বাইপাস করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে নিরাপদ প্রবেশাধিকার পেতে নির্ভরযোগ্য, স্থিতিস্থাপক সংযোগ বিকল্পগুলি খুঁজে বের করতে বাধ্য করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মিডল করিডোরকে সমর্থন করেছে। ২০২৪ সালে ইইউ গ্লোবাল গেটওয়ে ইনিশিয়েটিভের অধীনে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ১০.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা চিনের বিআরআই-এর একটি মূল্যবোধ-চালিত, স্বচ্ছ বিকল্প প্রদান করে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মস্কোর উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাতের ফলে মধ্য এশিয়ার দেশগুলিকে রাশিয়ার উত্তর দিকের পথকে বাইপাস করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে নিরাপদ প্রবেশাধিকার পেতে নির্ভরযোগ্য, স্থিতিস্থাপক সংযোগ বিকল্পগুলি খুঁজে বের করতে বাধ্য করা হয়েছে।

এই অঞ্চলটি সংযোগ এবং আঞ্চলিক একীকরণের ক্ষেত্রে এখনও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। নানাবিধ অনুমান অনুযায়ী, মধ্য এশিয়ার দেশগুলির পরিবহণ, জ্বালানি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নত করার জন্য প্রায় ২০-৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন, যাতে এই অঞ্চলটির ইউরোপের সঙ্গে সংযুক্ত মিডল করিডোরের সুবিধে সর্বাধিক করা যায়। ইইউ আঞ্চলিক সংযোগ উন্নত করার জন্য ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ বিনিয়োগ এখনও বিআরআই-এর মাধ্যমে চিন থেকেই আসে।

এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্য এশিয়া-সহ বিশ্বব্যাপী মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) তহবিলে উল্লেখযোগ্য কাটছাঁট এই অঞ্চলে তাঁর প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। ২০২৩ সালে এই অঞ্চলটি স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শান্তি এবং নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য ১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পেয়েছে। এই হ্রাস মার্কিন কূটনৈতিক শক্তির উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে, বিশেষ করে তাজিকিস্তান এবং কিরগিজস্তানে, যা এই অঞ্চলের দরিদ্রতম দেশগুলির মধ্যে অন্যতম। এই প্রসঙ্গে বলতে গেলে, চিন ২০২৫ সালে মধ্য এশিয়া জুড়ে জীবিকা এবং উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্যে ২০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে, যা আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে এবং সম্পূর্ণ রূপে অবকাঠামো-চালিত প্রকল্পগুলি থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চিহ্নিত করে।

উল্লেখযোগ্য মার্কিন বিনিয়োগ ছাড়াই মধ্য এশিয়ার দেশগুলি মস্কো এবং বেজিং উভয়ের সঙ্গে তাদের দর কষাকষির অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবহার অব্যাহত রাখবে।

উপসংহার

মধ্য এশিয়ার প্রতি ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা মূলত লেনদেনভিত্তিক। শুল্কের অস্ত্রায়ণ এবং তাঁর ‘আমেরিকাকে আবার মহান করে তোলা’র দৃষ্টিভঙ্গি এই অঞ্চলের প্রতি মার্কিন নীতির ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুল্ককে দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং বাণিজ্য ঘাটতির কথা উল্লেখ করে কাজাখস্তানের আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। মধ্য এশিয়ার দেশগুলি এখন তাদের বৈদেশিক অংশীদারিত্বকে বৈচিত্র্যময় করতে এবং এই অঞ্চলে চিন ও রাশিয়া উভয়ের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আরও সক্রিয় ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। তবে উল্লেখযোগ্য মার্কিন বিনিয়োগ ছাড়াই মধ্য এশিয়ার দেশগুলি মস্কো এবং বেজিং উভয়ের সঙ্গে তাদের দর কষাকষির অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবহার অব্যাহত রাখবে।

 


আয়জাজ ওয়ানি অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.