Author : Srijan Shukla

Expert Speak Raisina Debates
Published on May 31, 2026 Updated 0 Hours ago

ফেডের নতুন সভাপতিত্ব এর স্বাধীনতা, মূল্যস্ফীতির ধাক্কা এবং বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার ভঙ্গুরতা নিয়ে বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে

নতুন ফেড জমানার বৈশ্বিক আর্থিক ঝুঁকি

জাতি-রাষ্ট্রগুলিতে ক্ষমতার ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা বজায় রাখার জন্য গঠিত বেশিরভাগ কর্তৃত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানই কোনও না কোনও সময়ে তাদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন হয়। সংসদীয় এবং রাষ্ট্রপতিশাসিত উভয় ব্যবস্থাতেই নির্বাহী বিভাগ — অথবা কিছু ক্ষেত্রে আইনসভা — যখন মনস্থির করে ফেলে, তখন লড়াই করে হার মানা ছাড়া কোনও প্রতিষ্ঠানের আর তেমন কিছু করার থাকে না। তবুও, এমনকি নামমাত্র গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাতেও, যে প্রতিষ্ঠানটি এই বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করার সবচেয়ে কাছাকাছি আসে তা হল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক।

বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংবাদমাধ্যমে একজন নতুন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কারের নিয়োগ তারকাদের মতোই গণমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করে। এর একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ হল হিউন সং শিনের নিয়োগ, যিনি ব্যাঙ্ক অফ কোরিয়ার প্রধান হওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটলমেন্টস ছেড়েছিলেন। সাধারণ পাঠকের জন্য আপাতদৃষ্টিতে নিছক প্রযুক্তিবিদ এবং ম্যাক্রোইকনমিক ও মুদ্রা বিশেষজ্ঞদের ঘিরে গণমাধ্যমের এই উন্মাদনা বোঝা কঠিন হতে পারে।

পাওয়েল থেকে ওয়ার্শ: রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (ইউএস) ফেডারেল রিজার্ভের — যা বিশ্বের প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং বিশ্বের প্রধান মুদ্রা ডলারের ব্যবস্থাপক — নেতৃত্ব পরিবর্তন পরিস্থিতিটির গুরুত্ব তুলে ধরতে সাহায্য করছে। বিদায়ী ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল যখন তাঁর উত্তরসূরি কেভিন ওয়ার্শের জন্য পথ করে দিচ্ছেন, তখন আর্থিক মহলে নতুন চেয়ারম্যানকে নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ফেড-‌এর স্বায়ত্তশাসন ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও সমানভাবে আলোচনা হচ্ছে।


ফেডের একটি সংস্কার প্রকল্পের সময় তহবিলের কথিত অপব্যবহারের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের তদন্তের কথা উল্লেখ করে বিদায়ী ফেড চেয়ারম্যান বলেন, “আমার উদ্বেগ ফেডের উপর আইনি আক্রমণ নিয়ে, যা রাজনৈতিক কারণ বিবেচনা না করে আমাদের মুদ্রানীতি পরিচালনার ক্ষমতাকে বিপদের মুখে ফেলছে।”



মার্কিন সুদের হার নির্ধারণকারী সংস্থা ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি (এফওএমসি)-র চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর শেষ বৈঠকের পর পাওয়েল ঘোষণা করেন যে, তিনি প্রচলিত প্রথা থেকে সরে এসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেড গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন। ফেডের একটি সংস্কার প্রকল্পের সময় তহবিলের কথিত অপব্যবহারের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের তদন্তের কথা উল্লেখ করে বিদায়ী ফেড চেয়ারম্যান বলেন, “আমার উদ্বেগ ফেডের উপর আইনি আক্রমণ নিয়ে, যা রাজনৈতিক কারণ বিবেচনা না করে আমাদের মুদ্রানীতি পরিচালনার ক্ষমতাকে বিপদের মুখে ফেলছে।”

১৯৪৮ সালে ম্যারিনার একলসের পর পাওয়েলই হবেন প্রথম ফেড চেয়ারম্যান যিনি এমনটি করবেন। একলস চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও তিন বছর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই সময়, যুদ্ধ-পরবর্তী মার্কিন আর্থিক নীতি এবং বৈশ্বিক ব্রেটন উডস বিনিময় হার ব্যবস্থা উভয়ই ছিল একেবারে শৈশবাবস্থায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি উভয়ই আবারও একটি সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে।

যদিও ওয়ার্শ বৈশ্বিক কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কিং সম্প্রদায়ের একজন দীর্ঘদিনের সদস্য এবং বহু প্রাক্তন ও বর্তমান কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কারের সমর্থন পেয়েছেন, তাঁকে নিয়ে যে আশঙ্কাগুলি তৈরি হয়েছে তা কোনও ত্রুটি নয়, বরং একটি বৈশিষ্ট্য। ওয়ার্শের নিয়োগ একটি অত্যন্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল এবং কার্যত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই তাঁকে বেছে নিয়েছিলেন, কারণ সুদের হার কমানোর প্রশ্নে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী। মার্কিন সেনেটে তাঁর সাম্প্রতিক অনুমোদন তাঁর বিতর্কিত স্বভাবকেই তুলে ধরে। কয়েক দশকের মধ্যে ফেড চেয়ারম্যানের জন্য এটি ছিল সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ভোট, যেখানে মাত্র একজন ডেমোক্র্যাট তাঁকে সমর্থন করেছিলেন।

মূল উদ্বেগের বিষয় হল একজন প্রাক্তন ফেড গভর্নর এবং একজন বিনিয়োগ ব্যাঙ্কার হিসেবে মুদ্রানীতি বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, যা রাজনৈতিক সুবিধার ভিত্তিতে ওঠানামা করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়ার্শ ২০১০ সালে সুদের হার বৃদ্ধির পক্ষে ছিলেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৮ সালের সংকটের প্রভাব থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসেনি। আরও বিস্তৃতভাবে বললে, রিপাবলিকানরা ক্ষমতায় থাকলে তিনি সুদের হার কমানোর পক্ষে থাকতেন এবং এর বিপরীতটাও ঘটত।

ট্রাম্প কর্তৃক নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে ওয়ার্শের দৃষ্টিভঙ্গি উল্লেখযোগ্যভাবে নরম হয়েছে, এবং মুদ্রানীতি বিষয়ে ফেডের মধ্যম মতামতের কাছাকাছি বলে মনে হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এফওএমসি-তে বারোটি ভোটের মধ্যে তাঁর হাতে মাত্র একটি ভোট রয়েছে।


ওয়ার্শের নিয়োগ একটি অত্যন্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল এবং কার্যত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই তাঁকে বেছে নিয়েছিলেন, কারণ সুদের হার কমানোর প্রশ্নে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী।



ফেড চেয়ারম্যান হিসেবে ওয়ার্শের হাতে অ্যাজেন্ডা নির্ধারণের বিপুল ক্ষমতা থাকবে; এবং তাঁর অন্য এফওএমসি সদস্যদের সঙ্গে সংঘাতের একটি বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। যেদিন ওয়ার্শ সেনেটের অনুমোদন পেলেন, সেদিনই যুক্তরাষ্ট্রে ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের জ্বালানি সংকটের পর থেকে সর্বোচ্চ পাইকারি মূল্যস্ফীতির খবর পাওয়া যায়। এই মূল্যস্ফীতির  পরিবেশে, ট্রাম্পের চরম অসন্তোষ সত্ত্বেও, ওয়ার্শ সুদের হার কমাতে হিমশিম খাবেন, যা ট্রেজারি এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে শীঘ্রই একটি সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।

পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ম্যাক্রো শাসনব্যবস্থা এবং ফেডের কেন্দ্রীয় ভূমিকা

শুধুমাত্র বর্তমান মুহূর্তের উপর মনোযোগ দিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চলতি কাঠামোগত পরিবর্তন সম্পর্কিত বৃহত্তর বিষয়টি উপেক্ষিত হয়। সেই দিক থেকে, পাওয়েলের পদে থাকার সিদ্ধান্ত দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী জমানা পরিবর্তনের গল্প বলে।

এর মধ্যে একটি হল এমন জমানা পরিবর্তন যা ট্রাম্প ফেড-‌এ আনতে চেয়েছিলেন। দ্বিতীয়টি হল ‘গ্রেট মডারেশন’,  এবং বলা যায়  ‘সেকুলার স্ট্যাগনেশন’ যুগের অবসান, যার ফলে ১৯৮০-র দশকের শেষভাগ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটি স্থিতিশীল বৈশ্বিক ম্যাক্রো ইকনমি বিরাজ করেছিল। এরপরে বিশ্বব্যাপী সঞ্চয়ের প্রাচুর্য এবং স্বল্প সুদের হার ও স্বল্প মূল্যস্ফীতির একটি পরিবেশ তৈরি হয়। কোভিড-পরবর্তী যুগ ধীরে ধীরে একটি নতুন বৈশ্বিক ম্যাক্রো জমানার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, পাওয়েল প্রথম জমানা-‌পরিবর্তনকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন, যাতে ফেড দ্বিতীয় জমানা-‌পরিবর্তনটি সামাল দেওয়ার জন্য ভালভাবে প্রস্তুত থাকে।

নতুন বৈশ্বিক সামষ্টিক শাসনব্যবস্থার চারটি উপাদান রয়েছে:

প্রথমত, অন্তত উন্নত বিশ্বে, সহজলভ্য অর্থ এবং স্বল্প মূল্যস্ফীতি — উভয়েরই যুগ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ফেড যেভাবে তার অর্থনীতি পরিচালনা করে, তা মূলত চাহিদা, মূল্যস্ফীতি এবং মূলধন ও শেয়ার প্রবাহের পরিবর্তনের মাধ্যমে সমগ্র বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যান্ডের (বিওই) এক্সটারনাল মেম্বার মেগান গ্রিনের মতে, ফেডের নীতি এবং মার্কিন শ্রম বাজারের অবস্থা উভয়ই বিওই কীভাবে তার মুদ্রানীতি নির্ধারণ করবে তার মূল ভেরিয়েবল। একইভাবে, ২০১৩ সালে ফেড-‌এর ট্যাপার ট্যান্ট্রামের সময় ভারতসহ বেশ কয়েকটি উদীয়মান বাজার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পুঁজির বহির্গমন ঘটেছিল।

দ্বিতীয়ত, এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে, টিএস লাম্বার্ড-‌এর ডারিও পারকিন্স যেমনটা উল্লেখ করেছেন, সরবরাহ শৃঙ্খলের ধাক্কাগুলি ক্রমশ স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হবে, যা মূল্যস্ফীতিকে অতিমারী-পূর্ববর্তী পর্যায়ে ফিরতে বাধা দেবে। অতিমারীর পর থেকে, কোভিড-১৯, ইউক্রেন যুদ্ধ, হুথিদের বিশৃঙ্খলা, মুক্তি দিবসের শুল্ক এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া-‌সহ অন্তত পাঁচটি বড় বৈশ্বিক সরবরাহ ধাক্কা দেখা গিয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক সুদের হার বৃদ্ধি এটাই প্রতিফলিত করে যে, কীভাবে ভূ-রাজনৈতিক ধাক্কাগুলি এখন সরাসরি মুদ্রানীতির সিদ্ধান্তগুলিকে প্রভাবিত করছে। গ্রিন যেমনটা যুক্তি দেন, বারবার ঘটা সরবরাহ ধাক্কাগুলি মুদ্রানীতিকে ক্রমাগত ঘাটতি পূরণের ভূমিকা নিতে বাধ্য করে।


ওয়ার্শ যখন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তখন তাঁর স্বাধীনতা প্রমাণ করার জন্য আর্থিক বাজার, বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কার এবং তাঁর নিজের ফেড সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থাকবেন।



তৃতীয়ত, অদিতি সহস্রবুদ্ধের বই ‘ব্যাঙ্কার্স ট্রাস্ট’-এ যেমন দেখানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কারদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং নির্বিঘ্ন সমন্বয় বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। যেহেতু বিশ্ব অর্থনীতি এখন সংকটের প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, তাই বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কারদের জন্য তাঁদের কার্যক্ষেত্রীয় অগ্রণী ফেড চেয়ারম্যানকে এক স্বাধীন সত্তা হিসেবে দেখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

“ভূ-অর্থনীতির উত্থান এবং ট্রাম্পের খামখেয়ালিপনার পরিপ্রেক্ষিতে, আর্থিক সংকটের সময় অন্য সরকারগুলি কি তখনও ওয়াশিংটনের নির্দেশ মেনে চলবে? এটি বিপজ্জনকভাবে অস্পষ্ট,” ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক কলামে লিখেছেন জিলিয়ান টেট।

পরিশেষে, ফেড দীর্ঘদিন ধরে সংকটকালে স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি উপায় হিসেবে প্রধান বৈশ্বিক কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় (ফরেন এক্সচেঞ্জ সোয়াপ) ব্যবহার করে আসছে। ভবিষ্যতে, এই সোয়াপগুলিকে রাজনৈতিক ছাড়ের সঙ্গে যুক্ত করে মার্কিন সরকার এগুলির সরাসরি রাজনীতিকরণ করতে পারে, এমন একটি ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি রয়েছে। মার্কিন ট্রেজারির সঙ্গে ফেড কীভাবে কাজ করবে তা বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে, বিশেষ করে যখন পরবর্তী বড় সংকট আসবে।

এই সব কারণে, বিশ্ব অর্থনীতির সুস্থতার জন্য ফেডের স্বাধীনতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা অপরিহার্য। ওয়ার্শ যখন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তখন তাঁর স্বাধীনতা প্রমাণ করার জন্য আর্থিক বাজার, বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কার এবং তাঁর নিজের ফেড সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থাকবেন। সাধারণ পরিস্থিতির বিপরীতে, তার পূর্বসূরি পাওয়েল একই কক্ষের ভেতর থেকে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করবেন — ঠিক একজন বিচক্ষণ টেকনোক্র্যাটের মতো, যিনি তাঁর রাজনৈতিক প্রবৃত্তিকে শাণিত করেছেন।



সৃজন শুক্লা সেন্টার ফর ইকনমি অ্যান্ড গ্রোথ প্রোগ্রাম এবং ফোরামস টিমের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.