Author : Nandan Dawda

Expert Speak Urban Futures
Published on May 11, 2026 Updated 0 Hours ago

ভারত যখন তার -বাস রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করছে, তখন আর্থিকভাবে চাপের মধ্যে থাকা বিদ্যুৎ বিতরণকারীদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা বৈদ্যুতিক বাসের বহরকে গ্রিডের বোঝা হিসেবে দেখবে, নাকি একটি রূপান্তরমূলক সুযোগ হিসেবে

ভারতের ই-বাস রূপান্তরে ডিসকমের উভয়সংকট

ভারতে বৈদ্যুতিক বাস (ই-বাস) চালু করার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে, পিএম-ই-বাস সেবা প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০টিরও বেশি শহরে ১০,০০০-এর বেশি বাস চালু হয়েছে, এবং আরও ২০,০০০ বাস সংগ্রহের পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়াও, পিএম ই-ড্রাইভ প্রকল্পের অধীনে আরও ১০,৯০০টি বাস যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এই রূপান্তর বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলির (ডিসকম) জন্য চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ উভয়ই নিয়ে এসেছে।

সাধারণত, একটি ই-বাস হল একটি বহনযোগ্য শক্তি চাহিদা ইউনিট। উদাহরণস্বরূপ, একটি ১২-মিটার শহুরে ই-বাসের ব্যাটারির ক্ষমতা ২০০-৪০০ কেডব্লিউএইচ, যদিও বাসের মডেল অনুযায়ী এই ক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। এই বাসগুলির জন্য  উচ্চ-ক্ষমতার ডিপো চার্জিং প্রয়োজন, যা সাধারণত ৫০-১৫০ কেডব্লিউ হয়ে থাকে। এগুলি সাধারণত রাতে বা যাত্রাবিরতির সময় চার্জ করা হয়, যার ফলে ডিপোগুলিতে উচ্চ চাহিদা তৈরি হয়। প্রায় ১০০টি বাস ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট  চার্জিং চাহিদা তৈরি করতে পারে, যেখানে বড় ডিপোগুলিতে এই চাহিদা ৬০-৭০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। লোডের এই আকস্মিক বৃদ্ধি পুরোনো বিতরণ ব্যবস্থাগুলির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে সেগুলির আধুনিকীকরণ এবং স্মার্ট চার্জিং সমাধান গ্রহণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

ন্যাশনাল স্মার্ট গ্রিড মিশন ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, অনিয়ন্ত্রিত ইভি চার্জিং গ্রিডের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, এবং বিশেষ করে শহরগুলিতে উচ্চ লোডের কারণে নির্ভরযোগ্যতার সমস্যা তৈরি হতে পারে। একই সময়ে, ভারতের পাবলিক ইভি চার্জিং পরিকাঠামো দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ১,৮০০টি স্টেশন থেকে বেড়ে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি নাগাদ ২৯,০০০-এরও বেশি স্টেশনে পৌঁছেছে। বিতরণ-স্তরের প্রস্তুতিকে ছাড়িয়ে যাওয়ায়, এই বৃদ্ধি গ্রিড পরিকল্পনা, ট্যারিফ ডিজাইন এবং চাহিদা ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলি সমাধানের  আশু প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।

সন্ধিক্ষণে ডিসকম: কাঠামোগতভাবে দুর্বল, পদ্ধতিগতভাবে অপরিহার্য

ভারতের ডিসকমগুলি বর্তমানে আর্থিকভাবে দুর্বল। ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত তাদের মোট লোকসানের পরিমাণ ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই লোকসানের প্রধান কারণ হল গড় সরবরাহ ব্যয় (এসিএস) এবং গড় আদায়কৃত রাজস্ব (এআরআর)-র মধ্যে চলতি ব্যবধান, এবং সেইসঙ্গে বিলিং ও আদায়ের সমস্যা। এই পরিস্থিতিতে, ই-বাস চার্জিং ডিপোগুলি থেকে আসা উচ্চ-লোড এবং পূর্বানুমানযোগ্য বাণিজ্যিক চাহিদা তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির একটি সুযোগ তৈরি করেছে।


অনেক ডিসকমের এখনও কার্যকর টিওডি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মিটারিং এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে, যা এই সুবিধাগুলি পেতে স্মার্ট মিটারিং দ্রুত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।



ভর্তুকিপ্রাপ্ত আবাসিক বা কৃষি গ্রাহকদের থেকে ভিন্ন, ই-বাস চার্জিং হল একটি বাণিজ্যিক লোড যার একটি স্থিতিশীল ও মিটারযুক্ত চাহিদার চিত্র রয়েছে। এটি ডিসকমগুলিকে দীর্ঘমেয়াদি  সরবরাহ চুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট খরচ পুনরুদ্ধারের একটি ধারাবাহিক উপায় প্রদান করে। তবে, বিদ্যুতের উচ্চ শুল্ক ই-বাসগুলির পরিচালন ব্যয় বাড়িয়ে দেয় এবং ডিসকমগুলির খরচ পুনরুদ্ধার ও ফ্লিটের কার্যকারিতার মধ্যে ভারসাম্যের উপর চাপ সৃষ্টি করে। তাছাড়া, ভারতে ই-বাসের  প্রাথমিক খরচ ডিজেল বাসের চেয়ে ৩০-৭০ শতাংশ বেশি। বিদ্যুতের শুল্ক বৃদ্ধি মুনাফা কমাবে এবং গ্রস কস্ট কন্ট্রাক্ট[ ১]  মডেলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ই-বাস চালানোর ভিত্তি। ডিসকমগুলির লাভবান হওয়ার জন্য ই-বাস অপারেটরদের খরচের বোঝা না বাড়িয়ে যুক্তিসঙ্গত শুল্ক এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করতে হবে।

এছাড়াও, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ১০ কিলোওয়াটের বেশি ক্ষমতার গ্রাহকদের জন্য টাইম-অফ-ডে (টিওডি) মাশুল চালু করা হয়েছে, যা ২০২৫ সালের এপ্রিলের মধ্যে সমস্ত অকৃষি ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে প্রসারিত হবে। এটি ই-বাস গ্রিড ইন্টিগ্রেশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার। টিওডি একই সঙ্গে একটি ঝুঁকি এবং একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে। সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে চার্জ দিলে খরচ বাড়ে, অন্যদিকে রাতের অফ-পিক সময়ে লোড স্থানান্তর করলে খরচ সাশ্রয় হতে পারে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে এখন ইভি-র জন্য নির্দিষ্ট শুল্ক রয়েছে, যা সাধারণত প্রচলিত বাণিজ্যিক হারের চেয়ে ১০-২০ শতাংশ কম। স্মার্ট লোড ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মিলিত হলে, এটি ই-বাস ফ্লিটের পরিচালন ব্যয় ব্যাপকভাবে কমাতে পারে। তবে, অনেক ডিসকমের এখনও কার্যকর টিওডি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয়  মিটারিং এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে, যা এই সুবিধাগুলি পেতে স্মার্ট মিটারিং দ্রুত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।

ই-বাস: ক্ষমতার দাপট নাকি ক্ষমতার টানাপড়েন

এই সমস্যা সমাধানের অন্যতম শক্তিশালী উপায় হল ই-বাস গ্রিড ইন্টিগ্রেশন, যা ভেহিকেল-টু-গ্রিড (ভিটুজি) সুযোগ তৈরি করে। একটি পার্ক করা ই-বাস মূলত একটি অব্যবহৃত ২০০-৪০০ কেডব্লিউএইচ ব্যাটারি। শহরের বাসগুলি যখন ডিপোতে থাকে, প্রধানত মধ্যরাত থেকে ভোর ৫টার মধ্যে, তখন এগুলি একটি বিশাল বিকেন্দ্রীভূত বিদ্যুৎ সঞ্চয় উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। যদি এটি গ্রহণ করা হয় তা হলে ভিটুজি সর্বোচ্চ চাহিদা ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করতে পারে, যা গ্রিডের স্থিতিশীলতা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির একীকরণের জন্য আশাব্যঞ্জক সমাধান প্রদান করে এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে আশাবাদ জাগিয়ে তোলে।

দিল্লিতে বিএসইএস রাজধানী পাওয়ার লিমিটেড (বিআরপিএল) দ্বারা পরিচালিত একটি পাইলট প্রদর্শনী প্রমাণ করেছে যে এসি-ভিত্তিক দ্বিমুখী (ভিটুজি) চার্জিং[২]   বৈদ্যুতিক যানগুলিকে গ্রিডে বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে সক্ষম করে, যা লোড ব্যবস্থাপনায় বিতরণ সংস্থাগুলিকে সহায়তা করা এবং গ্রিডের নমনীয়তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। ভিটুজি লোড প্রোফাইলও উন্নত করে এবং অনিয়মিত নবায়নযোগ্য শক্তি সংগ্রহ করতে সাহায্য করে। এই প্রেক্ষাপটে, সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) রিভার্স চার্জিংয়ের জন্য কৌশল তৈরি করছে। যদি বৃহত্তর পরিসরে বাস্তবায়িত হয়, ভিটুজি অতিরিক্ত বিকেন্দ্রীভূত সঞ্চয় ক্ষমতা প্রদান করতে পারে


বাস ক্রয়কারী সংস্থা, নগর স্থানীয় সংস্থা এবং ডিসকমগুলির মধ্যে সমন্বয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়ার পরিবর্তে অনিয়মিত। পরিকাঠামো স্থাপন এবং গ্রিড আপগ্রেডের ক্ষেত্রে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলি আশ্বস্ত হবে যে সফল ই-বাস সংযুক্তিকরণ অর্জনযোগ্য এবং স্থিতিশীল।



একটি ই-বাস যা দিনের মধ্যভাগের সৌরশক্তির সর্বোচ্চ সময়ে চার্জ হয় এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ব্যস্ত সময়ে চার্জ শেষ করে, সেটি একটি গ্রিড পরিষেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করে। ফ্লিট অপারেটররা বিদ্যুৎ পুনরায় বিক্রি করে  আয় করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত রাজস্ব তৈরি করবে এবং এর ফলে ই-বাস পরিচালনার অর্থনীতি পরিবর্তিত হবে। তার উপর, বাস ক্রয়কারী সংস্থা, নগর স্থানীয় সংস্থা এবং ডিসকমগুলির মধ্যে সমন্বয় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়ার পরিবর্তে অনিয়মিত। পরিকাঠামো স্থাপন এবং গ্রিড আপগ্রেডের ক্ষেত্রে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলি আশ্বস্ত হবে যে সফল ই-বাস একীকরণ অর্জনযোগ্য এবং স্থিতিশীল।

ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা

ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার জন্য তিনটি ক্ষেত্রে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

❅ভিটুজি নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা: ভারত সরকার, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশন এবং বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশীদারদের দ্বিমুখী চার্জিং এবং শক্তি রপ্তানি শুল্ক/রাজস্ব ভাগাভাগির জন্য এমন মানদণ্ড তৈরি করা উচিত যা ই-বাসগুলিকে গ্রিড পরিষেবা পেতে সক্ষম করবে। এটি ই-বাস বহরগুলিকে এই পরিষেবাগুলি প্রদানের বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি হওয়ার আগেই আনুষঙ্গিক পরিষেবা বাজারে প্রবেশ করতে দেবে। বর্তমানে, দিল্লিতে সমস্ত বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রায় ৪০.১১ শতাংশ চার্জ করার জন্য জাতীয় মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা শহুরে শক্তি কেন্দ্রীকরণের দ্রুত হারকে তুলে ধরে।

❅চলতি প্রকল্পগুলিতে গ্রিড-সমন্বিত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা: পিএম ই-বাস সেবা এবং পিএম ই-ড্রাইভ প্রকল্পগুলিতে শহরগুলিকে "গ্রিড-প্রস্তুত" হওয়ার শর্ত অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের ‘রিভ্যাম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম’-এর বর্ণনা অনুযায়ী, শহরের ই-বাস কর্মসূচিগুলিতে যৌথ লোড পূর্বাভাস এবং পরিবহণ ও বিতরণ সংস্থাগুলির দ্বারা সাবস্টেশনগুলির প্রয়োজনীয় আধুনিকীকরণের বিষয়গুলি বিবেচনায় রাখতে হবে।

❅ইভি বহরের জন্য মাশুল পুনর্গঠন: রাজ্য বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনগুলিকে অবশ্যই খরচ-প্রতিফলক ইভি মাশুল চালু করতে হবে যা অফ-পিক এবং নবায়নযোগ্য শক্তিতে চার্জিংকে উৎসাহিত করে। তাদের ডিমান্ড চার্জও সমন্বয় করা উচিত এবং ছাড়ের মেয়াদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা উচিত।

❅শহুরে লোড কেন্দ্রীভবনের হিসাব রাখা: ইভি চার্জ করার জন্য বিদ্যুতের চাহিদার দ্রুত বৃদ্ধি এমন বিতরণ ব্যবস্থা তৈরির গুরুত্বকে তুলে ধরে যা এই লোডগুলি ধারণ করতে পারে এবং পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে কার্যকর লোড ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করতে পারে।


২০৩০ সাল পর্যন্ত ভারতের ই-বাস বাজারে বার্ষিক ২০ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস থাকায় ট্যারিফ কাঠামো, গ্রিড পরিকাঠামো এবং ভিটুজি প্রযুক্তির উপর স্বল্পমেয়াদি সিদ্ধান্তগুলিই নির্ধারণ করবে যে ডিসকমগুলি কীভাবে এই নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে।   


উপসংহার

ই-বাস শুধুমাত্র একটি টেকসই পরিবহণ মাধ্যমই নয়; এটি লোড প্রোফাইল পরিবর্তন করে এবং বিতরণ নেটওয়ার্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে স্থানীয় শক্তি বাস্তুতন্ত্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। ই-বাস বিপুল পরিমাণে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় বিতরণ সংস্থাগুলির (ডিসকম) জন্য নতুন রাজস্ব প্রবাহ তৈরি করতে পারে, কিন্তু সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে এগুলি গ্রিডের উপর চাপও সৃষ্টি করতে পারে। ভারতে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী নীতিগত সমর্থন রয়েছে, কিন্তু গ্রিডের উপর অতিরিক্ত বোঝা না চাপিয়ে বরং একে আরও উন্নত করে এমন একটি বিদ্যুদয়িত যানবাহনের বহর গড়ে তোলার জন্য এখন নিয়ন্ত্রক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সংস্থা ও অংশীদারদের মধ্যে উন্নত সহযোগিতার জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত ভারতের ই-বাস বাজারে বার্ষিক ২০ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস থাকায় ট্যারিফ কাঠামো, গ্রিড পরিকাঠামো এবং ভিটুজি প্রযুক্তির উপর স্বল্পমেয়াদি সিদ্ধান্তগুলিই নির্ধারণ করবে যে ডিসকমগুলি কীভাবে এই নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে।



নন্দন এইচ দাওড়া অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের আরবান স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।

[১]  গ্রস কস্ট কন্ট্রাক্ট (‌জিসিসি) হল একটি গণপরিবহণ সংগ্রহ মডেল যেখানে অপারেটরকে প্রতি কিলোমিটারে একটি নির্দিষ্ট ফি প্রদান করা হয়, আর সরকারি কর্তৃপক্ষ ভাড়ার রাজস্ব পায় এবং চাহিদার ঝুঁকি বহন করে।

[২]  এসি-ভিত্তিক দ্বিমুখী চার্জিং বৈদ্যুতিক যানবাহনগুলিকে অল্টারনেটিং কারেন্ট ব্যবহার করে গ্রিড থেকে শক্তি গ্রহণ করতে এবং গ্রিডে বিদ্যুৎ ফেরত দিতে সক্ষম করে। এটি সাধারণত গাড়ির ভিতরে থাকা অন-বোর্ড ইনভার্টারের উপর নির্ভর করে, যা বিশেষায়িত বাহ্যিক চার্জিং পরিকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.