ভারত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সংযোগের অগ্রাধিকারগুলিকে পুনর্গঠন করছে।
৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চিনের তিয়ানজিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) রাষ্ট্রপ্রধানদের পরিষদের ২৫তম বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। যুদ্ধ, সংঘাত ও ক্রমবর্ধমান বৃহৎ শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা-সহ বাড়তে থাকা বৈশ্বিক উত্তেজনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল ও বাণিজ্য পরিসর ভেঙে পড়ার হুমকির মুখে অর্থনৈতিক ঝড়ের প্রেক্ষিতে, এই এসসিও বৈঠকে ২০টি দেশ এবং ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং বহুপাক্ষিকতা রক্ষার জন্য দৃঢ় প্রয়াস প্রদর্শন করেছিলেন। এ বারের অনন্য বিষয় হল, গ্লোবাল সাউথ বহুপাক্ষিকতা রক্ষার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছে।
এসসিও-র যৌথ ঘোষণাপত্রে ইসলামাবাদের তরফে করা পহেলগাম সন্ত্রাসবাদী হামলার স্পষ্ট নিন্দা করা হয়েছে এবং পাকিস্তানও স্থায়ী সদস্য হিসেবে এই নথিতে স্বাক্ষরকারী দেশ।
২০১৭ সাল থেকে এসসিও-র স্থায়ী সদস্য ভারত সমগ্র ইউরেশিয়ান অঞ্চলের নিরাপত্তা, সংযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগের ক্ষেত্রে এসসিও-র মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী রাষ্ট্রীয় মদতে সন্ত্রাসবাদের হুমকির কথাও তুলে ধরেছেন এবং দ্বৈত মানদণ্ড ছাড়াই এর বিরুদ্ধে দৃঢ় ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সদস্য দেশগুলিকে আহ্বান জানিয়েছেন। এসসিও-র যৌথ ঘোষণাপত্রে ইসলামাবাদের তরফে করা পহেলগাম সন্ত্রাসবাদী হামলার স্পষ্ট নিন্দা করা হয়েছে এবং পাকিস্তানও স্থায়ী সদস্য হিসেবে এই নথিতে স্বাক্ষরকারী দেশ। এসসিও-তে ভারতের অগ্রাধিকারগুলির তালিকায় শতাব্দী প্রাচীন সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও সভ্যতার সংযোগের উপর ভিত্তি করে ইউরেশিয়ান অঞ্চলে তার ভূ-কৌশলগত, নিরাপত্তা ও ভূ-অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা, প্রচার এবং প্রকাশ করার বিষয়টি রয়েছে। একটি বিশিষ্ট সদস্য হিসেবে এসসিও-তে নয়াদিল্লির উপস্থিতি বহুপাক্ষিকতার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতিকেই দর্শায়। এটি বিশ্বব্যাপী দেশগুলির সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতায় ভারতের ভূমিকার উপর জোর দেয়।
ব্রিকস এবং সিএসটিও-র (কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থা) সঙ্গে এসসিও ছিল ঠান্ডা লড়াইয়ের পর প্রতিষ্ঠিত তৃতীয় বিশিষ্ট বহুপাক্ষিক মঞ্চ। ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৯৬ সালে সাংহাই ফাইভ নামে প্রাথমিক ভাবে এটি গঠিত হয়েছিল। ২০০১ সালে উজবেকিস্তান যোগদানের পর এই মঞ্চটি সম্প্রসারিত হয়, যার ফলে নাম পরিবর্তন করে এসসিও করা হয়। ২০০৫ সালে ভারত, পাকিস্তান ও ইরান এই গোষ্ঠীতে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে এবং ২০১৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান পূর্ণ সদস্য হয়। রাশিয়া চিনের প্রতি ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এবং মধ্য এশিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে বেজিংয়ের আধিপত্যবাদী প্রভাব থেকে মঞ্চকে রক্ষা করার জন্য ভারতের অন্তর্ভুক্তিকে সমর্থন করে। এই আঞ্চলিক গোষ্ঠীতে যোগদানের পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী আস্তানা শীর্ষ সম্মেলনে উন্নত সংযোগের জন্য নয়াদিল্লির অগ্রাধিকারগুলি তুলে ধরেন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। ভারত সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং অবৈধ মাদক ব্যবসা মোকাবিলায় বর্ধিত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাকেও তুলে ধরে, যা ১৯৯৮ সাল থেকে এসসিও সনদের ১ নম্বর অনুচ্ছেদে সংশোধিত। নয়াদিল্লি এসসিও অঞ্চলের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার দৃঢ় সমর্থক এবং রাষ্ট্রীয় মদতে সন্ত্রাসবাদের বিষয়গুলিকে কার্যকর ভাবে তুলে ধরেছে। এ ছাড়াও ভারত দৃঢ় ভাবে সন্ত্রাসবাদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার পক্ষে, দ্বৈত মানদণ্ডের নিন্দা করে এবং এসসিও সদস্যদের সন্ত্রাসবিরোধী দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। ভারত এই অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের হুমকি দূর করার জন্য যৌথ পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী কেবল এসসিও আলোচনার সময়ই নয়, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও সীমান্ত সন্ত্রাসবাদের উপর পুনরায় জোর দিয়েছিলেন। সন্ত্রাসবাদ এবং রাষ্ট্রীয় মদতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারাবাহিক ভাবে উদ্বেগ প্রকাশের ফলে এসসিও দেশগুলি পাকিস্তানের পহেলগাম সন্ত্রাসবাদী হামলার সমালোচনা করেছে, যাকে ভারতের বিরুদ্ধে বেজিংয়ের একটি প্রক্সি রাষ্ট্র হিসাবে মনে করা হয়।
রাশিয়া চিনের প্রতি ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এবং মধ্য এশিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে বেজিংয়ের আধিপত্যবাদী প্রভাব থেকে মঞ্চকে রক্ষা করার জন্য ভারতের অন্তর্ভুক্তিকে সমর্থন করে।
বেজিং ইউরেশিয়ায় তার সঙ্কীর্ণ ভূ-কৌশলগত, ভূ-অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা স্বার্থ অর্জনের জন্য এসসিও-কে চিন-সৃষ্ট, চিন-অধ্যুষিত এবং চিন-নেতৃত্বাধীন বহুপাক্ষিক মঞ্চ হিসেবে কাজে লাগিয়েছে। চিন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর (বিআরআই) মাধ্যমে হাইড্রোকার্বন সম্পদ কাজে লাগানোর জন্য তার অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করেছে, যার ফলে সদস্য দেশগুলির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিআরআই-এর একটি প্রধান প্রকল্প অর্থাৎ চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) পাকিস্তানে ৬২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করছে। তবে এটি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে। চিন তার মধ্য এশিয়ার প্রতিবেশীদের প্রতিও ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর ভারতের বিরুদ্ধে তার অপ্রীতিকর আগ্রাসন ২০২০ সালের জুন মাসে গলওয়ান সঙ্কটের দিকে চালিত করেছিল। বিপরীতে, ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর (আইএনএসটিসি) এবং চাবাহার বন্দরের মতো নয়াদিল্লির নেতৃত্বাধীন সংযোগ প্রকল্পগুলি পরামর্শমূলক, স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও একটি শক্তিশালী সভ্যতাগত সংযোগের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। মধ্য এশীয় দেশগুলি-সহ বেশির ভাগ এসসিও দেশ চাবাহার বন্দরের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে এবং ভারতের নেতৃত্বাধীন কৌশলগত সংযোগ প্রকল্পগুলিতে যোগদানের জন্য দ্বিপাক্ষিক বিকল্পগুলির অনুসন্ধান করেছে। ২০২২ সালে প্রথম ভারত-মধ্য এশিয়া ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে আইএনএসটিসি-তে চাবাহার বন্দরের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। এটি আঞ্চলিক সংযোগ এবং এই বন্দরের মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য একটি যৌথ কর্মী গোষ্ঠীও (জেডব্লিউজি) প্রতিষ্ঠা করেছিল। এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে মোদী চিন দ্বারা নির্মিত গোয়াদর বন্দরের নাম না করেই ইরানের চাবাহার বন্দরকে অন্যান্য আঞ্চলিক করিডোরের একটি নির্ভরযোগ্য ও সম্মানজনক বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করার প্রস্তাব করেছিলেন। চূড়ান্ত ঘোষণায় রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদ এবং এসসিও সনদের অধীনে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যকেও সমর্থন করা হয়েছে, যা আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের কথা বলে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ভারতের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছে যে, এসসিও মঞ্চটি পশ্চিম-বিরোধী জোটে পরিণত হওয়ার পরিবর্তে সদস্য রাষ্ট্রগুলির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উপরেই মনোযোগ দেয়।
এসসিও-তে ইরানের সদস্যপদ এই উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যে, সংস্থাটিকে পশ্চিম-বিরোধী ব্লক হিসেবে মনে করা হতে পারে, বিশেষ করে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে। বহুপাক্ষিকতাবাদ ও জোটনিরপেক্ষতার দৃঢ় সমর্থক হিসেবে ভারত তার শক্তিশালী গণতান্ত্রিক যোগ্যতা ও জোটের গ্যারান্টি এড়িয়ে যাওয়ার ইতিহাসের সুর বজায় রেখে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এসসিও কোনও দেশ বা ব্লকের বিরুদ্ধে নয়। রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ভারতের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছে যে, এসসিও মঞ্চটি পশ্চিম-বিরোধী জোটে পরিণত হওয়ার পরিবর্তে সদস্য রাষ্ট্রগুলির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উপরেই মনোযোগ দেয়।
নয়াদিল্লি এসসিও মঞ্চকে মধ্য এশিয়ায় তার ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ প্রচারের জন্য এবং চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য ব্যবহার করেছে। চিন যখন দূষণহীন শক্তি এবং প্রতিরক্ষার জন্য বিরল খনিজ পদার্থের রফতানি সীমিত করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে, তখন ভারত নির্ভরযোগ্য, স্থিতিস্থাপক ও বৈচিত্র্যময় সরবরাহ শৃঙ্খল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ভারত বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা শুরু করেছে। মধ্য এশিয়া, বিশেষ করে কাজাখস্তানে ৫,০০০-এরও বেশি বিরল খনিজ পদার্থ মজুত রয়েছে, যার মূল্য ৪৬ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এসসিও-তে ভারতের পূর্ণ সদস্যপদকে সমর্থন করার তার ইচ্ছার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে মস্কো এখন চায় যে, ভারত ইউরেশিয়া অঞ্চলে চিনের আধিপত্য ও আগ্রাসী অন্বেষণের ভারসাম্য রক্ষা করবে, বিশেষ করে ইউক্রেনে রুশ অধিগ্রহণের পরবর্তী সময়ে।
ভারত তার কূটনৈতিক সম্পর্ক ও বৌদ্ধিক পুঁজি জোরদার করতে এবং সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ দমন ও আফগানিস্তানের বিষয়ে একটি প্রগতিশীল কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে এসসিও-কে ব্যবহার করেছে।
এসসিও, মস্কো এখন চায় ভারত ইউরেশিয়ার মধ্যে চিনের আধিপত্য এবং যুদ্ধবাজদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুক, বিশেষ করে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর। সর্বোপরি, বিশ্বব্যাপী দিল্লির ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিশেষ করে মধ্য এশিয়ার অনেক এসসিও দেশ, যেমন রাশিয়া এমনকি ইরানও এখন এসসিওর মধ্যে বেজিংকে প্রতিহত করার জন্য ভারতকে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার বলে মনে করে।
ভারত তার কূটনৈতিক সম্পর্ক ও বৌদ্ধিক পুঁজি জোরদার করতে এবং সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ দমন ও আফগানিস্তানের বিষয়ে একটি প্রগতিশীল কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে এসসিও-কে ব্যবহার করেছে। অন্য দিকে, চিন-পাকিস্তান অক্ষ সর্বদা ভারতের আঞ্চলিক স্বার্থের বিরুদ্ধে এসসিও-কে ব্যবহার করেছে। ফলস্বরূপ, নিরাপত্তা ও সংযোগ সম্পর্কিত নির্দিষ্ট এসসিও অগ্রাধিকারগুলি দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কিছু সদস্য দেশের তরফে আরও সহযোগিতার সাক্ষী হচ্ছে। এই কারণেই রাষ্ট্রপ্রধানদের কাউন্সিলের চূড়ান্ত ঘোষণায় সন্ত্রাসবাদ ও সংযোগের উপর ভারতের অগ্রাধিকারগুলি নিয়ে চিন্তাভাবনা করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছিল।
এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ওপেন-এ।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Professor Harsh V. Pant is Vice President at Observer Research Foundation, New Delhi. He is a Professor of International Relations with King's India Institute at ...
Read More +
Ayjaz Wani (Phd) is a Fellow in the Strategic Studies Programme at ORF. Based out of Mumbai, he tracks China’s relations with Central Asia, Pakistan and ...
Read More +