Author : Prateek Tripathi

Expert Speak Digital Frontiers
Published on May 19, 2026 Updated 0 Hours ago

ক্ষুদ্রতর, স্বাধীন গেম ডেভেলপারদের উত্থান গ্লোবাল সাউথের জন্য এক অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে, যা একটি দেশীয় গেমিং শিল্পের পরিমণ্ডল প্রতিষ্ঠায় প্রেরণা জোগাচ্ছে।

আধুনিক গেমিংয়ের সৃজনশীল ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

এই প্রবন্ধটি ‘ওয়র্ল্ড ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড ইনোভেশন ডে ২০২৬: স্পার্কস অ্যান্ড শিল্ডস ’ সিরিজের একটি অংশ।

সীমিত সংখ্যক দর্শকের জন্য সাধারণ সূচনা সত্ত্বেও, গেমিং শিল্প সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অভূতপূর্ব বৃদ্ধি লাভ করেছে, বিশেষ করে কোভিড-১৯ ‌অতিমারির সময়, যখন এটি অন্যথায় বিচ্ছিন্ন ও লকডাউন-আক্রান্ত বিশ্বে মুক্তি ও সামাজিকতার একটি সহজলভ্য পথ করে  দিয়েছিল। বিশ্বজুড়ে গেমিংয়ের এই বিশাল উত্থান একে গ্লোবাল মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেনমেন্ট (এমঅ্যান্ডই) শিল্পের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ক্ষেত্রে পরিণত করেছে, এবং আধুনিক বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে গেমিংকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।


প্রসেসর, মেমরি ও গ্রাফিক্যাল প্রসেসিং ইউনিটসহ কম্পিউটিং হার্ডওয়্যারের দ্রুত অগ্রগতি এবং ইউনিটি ও আনরিয়েল ইঞ্জিনের মতো গেমিং ইঞ্জিনগুলির অবিচলিত উন্নতির ফলে বিগত দশকগুলিতে গেমিং উল্লেখযোগ্যভাবে বিকশিত হয়েছে।



এই প্রেক্ষাপটে, ছোট এবং স্বাধীন গেম ডেভেলপারদের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা গ্লোবাল সাউথের জন্য একটি স্পষ্ট সংকেত হওয়া উচিত, যাতে তারা বিষয়টি লক্ষ্য করে এবং তাদের নিজস্ব এবং এখনও পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত ও অনুন্নত গেমিং শিল্পের ক্ষেত্র তৈরিতে বিনিয়োগ শুরু করে। এছাড়াও, গেমিং গ্লোবাল সাউথের ইতিমধ্যেই সুপ্রতিষ্ঠিত আইটি ক্ষেত্রের জন্য কর্মসংস্থানের একটি প্রধান উৎস হতে পারে, এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাগত সুবিধা থেকে উদ্ভূত শৈল্পিক সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন প্রদর্শনের একটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে। এর পাশাপাশি, এটি ডিজিটাল সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি প্রধান সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নীতিও গঠন করতে পারে।

আধুনিক গেমিংয়ের বিবর্তন

প্রসেসর, মেমরি ও গ্রাফিক্যাল প্রসেসিং ইউনিটসহ কম্পিউটিং হার্ডওয়্যারের দ্রুত অগ্রগতি এবং ইউনিটি ও আনরিয়েল ইঞ্জিনের মতো গেমিং ইঞ্জিনগুলির অবিচলিত উন্নতির ফলে বিগত দশকগুলিতে গেমিংয়ের উল্লেখযোগ্য বিবর্তন ঘটেছে। যা একসময় গেমারদের একটি ক্ষুদ্র কিন্তু নিবেদিতপ্রাণ জনগোষ্ঠীকে পরিষেবা প্রদানকারী একটি বিশেষায়িত শিল্প ছিল, তা এখন একটি বিশাল বৈশ্বিক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে, যা ২০২৫ সালে প্রায় ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বার্ষিক রাজস্ব অর্জন করেছে।

চিত্র ১: কিংস কোয়েস্ট (১৯৮৩) বনাম ক্রিমসন ডেজার্ট (২০২৬)

The Creative And Economic Promise Of Modern Gaming

সূত্র: আইজিএন  এবং রক পেপার শটগান

গ্রাফিক্স এবং গেমপ্লের উল্লেখযোগ্য উন্নতির পাশাপাশি গেমিং জগতে থিম, গল্প বলার ধরন,  এবং সঙ্গীতের ক্ষেত্রেও অনুরূপ বড় ধরনের অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, যা পূর্বে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত ছিল। এর ফলে কল অফ ডিউটি, ব্যাটলফিল্ড, গ্র্যান্ড থেফট অটো, ফোর্টনাইট এবং মাইনক্রাফ্টের মতো প্রধান ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি একটি বিশাল বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব তৈরি করেছে, সবগুলিই বহু-বিলিয়ন ডলারের মেধাস্বত্ব অর্জন করেছে, এবং এমঅ্যান্ডই শিল্পের সমকক্ষ ও প্রতিযোগীদের অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে। তবে, ঐতিহাসিকভাবে গেমিং শিল্পের পরিমণ্ডল রকস্টার গেমস, অ্যাক্টিভিশন, ইউবিসফট এবং ভালভের মতো বিশাল "এএএ" ডেভেলপার এবং পাবলিশারদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল, যেখানে পোল্যান্ডের সিডি প্রজেক্ট রেডের মতো তুলনামূলকভাবে ছোট ডেভেলপারদের মাঝে মাঝে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের গল্পগুলি সাধারণ নিয়মের পরিবর্তে ব্যতিক্রম ছিল।


গেমিং শিল্পের গণতন্ত্রীকরণ এবং বৈচিত্র্যকরণ

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, গেমিং শিল্পে ধীরে ধীরে ছোট, ইন্ডি এবং অ-পশ্চিমী ডেভেলপারদের উত্থান দেখা যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালে স্টিম-এর শীর্ষ ১০টি সর্বাধিক বিক্রিত গেমের মধ্যে দুটি ছিল ইন্ডি ডেভেলপারদের তৈরি, যা বিগত বছরগুলির একটি পুনরাবৃত্তিমূলক প্রবণতা। অধিকন্তু, দুটি সাম্প্রতিক উদাহরণ সামগ্রিক গেমিং শিল্পের প্রেক্ষাপটে এই ব্যাপক পরিবর্তনকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

২০২৪ সালে, গেম সায়েন্স নামক একটি চিনা ইন্ডি স্টুডিও ‘ব্ল্যাক মিথ: উকোং’ প্রকাশ করে। এটি একটি অ্যাকশন রোল-প্লেয়িং গেম (আরপিজি), যার গল্প ও প্রেক্ষাপট চিনা পুরাণ দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং যা মূলত উ চেং'এন-এর ষোড়শ শতাব্দীর উপন্যাস ‘জার্নি টু দ্য ওয়েস্ট’-এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত। গেমটি অসংখ্য গেমিং পুরস্কার জেতার পাশাপাশি ২০২৪ সালের অন্যতম সর্বাধিক বিক্রিত গেমে পরিণত হয়, যার ২৫ মিলিয়নেরও বেশি ইউনিট ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল

চিত্র ২: ব্ল্যাক মিথ: উকোং (২০২৪)

The Creative And Economic Promise Of Modern Gaming

সূত্র: গেমটাইর‍্যান্ট

অন্যদিকে, ২০২৫ সালে ফ্রান্সের একটি ছোট ও প্রথমবারের ইন্ডি ডেভেলপার, স্যান্ডফল ইন্টারেক্টিভ, বার করে ‘  ক্লেয়ার অবস্কি‌উর: এক্সপেডিশন ৩৩’। এটি একটি টার্ন-বেসড আরপিজি, যার গল্প ফরাসি সংস্কৃতি ও দর্শনে গভীরভাবে প্রোথিত এবং যা অস্তিত্ববাদ ও শৈল্পিক দুর্দশার প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে কাজ করে। এটি বিশ্বব্যাপী ৫০ লক্ষেরও বেশি কপি বিক্রি করেছে এবং প্রায় প্রতিটি ‘গেম অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছে। এছাড়াও, সমাজে সাংস্কৃতিক অবদানের জন্য এটি ফরাসি সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছ থেকে স্বীকৃতি লাভ করেছে। অতিরিক্তভাবে, গেমটির নির্মাণ প্রক্রিয়াটি দেখায় যে কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ফোরামের মতো উন্নত ডিজিটাল সংযোগ গেমিং শিল্পের মধ্যে গণতন্ত্রায়ন ঘটিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, গেমটির প্রধান লেখক এবং সুরকারকে যথাক্রমে রেডিট এবং সাউন্ডক্লাউডের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়েছিল


চিত্র ৩: ফরাসি সংস্কৃতি মন্ত্রক কর্তৃক ‘ল’অর্দ্রে দেস আর্টস এ দেস লেত্রেস’-এ স্যান্ডফল ইন্টারেক্টিভ টিমকে নাইটহুড প্রদান।

The Creative And Economic Promise Of Modern Gaming
সূত্র: পলিগন

এই হিসাবে, উভয় গেমের ব্যাপক সাফল্য গেমিং শিল্পের ইতিহাসে যুগান্তকারী মুহূর্তের প্রতিনিধিত্ব করে। যেখানে 'ব্ল্যাক মিথ' সাংস্কৃতিকভাবে বৈচিত্র্যময় গল্প বলার প্রতি বিশ্বব্যাপী আগ্রহকে মূর্ত করে, যা মূলত পশ্চিম-চালিত থিম এবং ডেভেলপারদের থেকে একটি পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে, সেখানে 'ক্লেয়ার অবস্কিউর' গেমিং-এর মধ্যে আরও পরিণত এবং দার্শনিক থিমের দিকে একটি পরিবর্তনকে প্রকাশ করে, এবং একই সঙ্গে অপ্রচলিত ও উদ্ভাবনী নিয়োগ পদ্ধতির মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে অনভিজ্ঞ কিন্তু উদ্যমী প্রতিভাদের কাজে লাগায়। অধিকন্তু, উভয় ঘটনাই প্রমাণ করে যে গেমিং শেষ পর্যন্ত একটি বিনোদনমূলক এবং ফলপ্রসূ মূল গেমপ্লে লুপের উপর নির্ভরশীল, যা মাইক্রোট্রানজ্যাকশন এবং অন্যান্য অসুবিধা থেকে মুক্ত। তুলনামূলকভাবে ছোট বাজেট এবং দল থাকা সত্ত্বেও, উভয় গেমই তা পর্যাপ্তভাবে সরবরাহ করেছে।


গ্লোবাল সাউথের জন্য একটি অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ

বৈশ্বিক এমঅ্যান্ডই শিল্পের অন্যতম বৃহত্তম অবদানকারী হওয়া সত্ত্বেও, গ্লোবাল সাউথে দেশীয় গেমিং শিল্প এখনও তুলনামূলকভাবে অনুন্নত, যা মূলত পশ্চিমী ডেভেলপার ও গেমের উপর নির্ভরশীল। এই হিসেবে এটি গ্লোবাল সাউথের জন্য শুধু একটি প্রধানত পশ্চিম-চালিত সাংস্কৃতিক ভাবধারায় প্রবেশ করার সুযোগই নয়, বরং তাদের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি সম্ভাব্য চালিকাশক্তিও।


তুলনামূলকভাবে অপরিচিত, ইন্ডি ডেভেলপারদের পূর্বোক্ত উদাহরণগুলি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, গেমিং শিল্প এখন আর মুষ্টিমেয় কয়েকটি বৃহৎ কর্পোরেশনের একচেটিয়া অধিকার নয় এবং উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জনের জন্য এতে আর বিশাল বিনিয়োগ বা বিশাল কর্মী বাহিনীর প্রয়োজন হয় না।


গেমিং শিল্পের বর্তমান প্রবণতাগুলি থেকে ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। উপরে উল্লিখিত তুলনামূলকভাবে অপরিচিত, ইন্ডি ডেভেলপারদের পূর্বোক্ত উদাহরণগুলি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, গেমিং শিল্প এখন আর মুষ্টিমেয় কয়েকটি বৃহৎ কর্পোরেশনের একচেটিয়া অধিকার নয় এবং উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জনের জন্য এতে আর বিশাল বিনিয়োগ বা বিশাল কর্মী বাহিনীর প্রয়োজন হয় না। বরং আবেগ, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং সাংস্কৃতিক ও আদর্শগতভাবে বৈচিত্র্যময় আখ্যানই সর্বোচ্চ সুফল বয়ে আনতে পারে, এমনকি একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরিমণ্ডলেও।

নিজ নিজ ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি, গেমিং ক্ষেত্র ভারত ছাড়াও কেনিয়া ও ঘানার মতো একাধিক আফ্রিকান দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাভিত্তিক সুবিধার জন্য প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে, যেখানে বিশ্বব্যাপী আইটি পেশাদার এবং দূরবর্তী কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশও রয়েছে। অধিকন্তু, যৌথ উন্নয়ন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথ দেশগুলির মধ্যে ডিজিটাল সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক সংহতি বাড়ানোর জন্য গেমিং একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবেও কাজ করতে পারে।

উপসংহার: ডিজিটাল বিশ্বের জন্য একটি আধুনিক শিল্প মাধ্যম

গেমিং বিকশিত হয়েছে। পিক্সেলযুক্ত করিডোর শুটার গেমে অন্ধের মতো শত্রুদের গুলি করে মারা বা পিং-পং বল ছোড়ার দিনগুলি থেকে অনেক দূরে সরে গিয়ে ভিডিও গেম এখন পূর্ণাঙ্গ শিল্পকর্মে রূপান্তরিত হয়েছে, যেখানে রয়েছে অনবদ্য শিল্পকর্ম ও পরিবেশের নকশা, চিত্তাকর্ষক কাহিনি এবং বিস্তৃত অর্কেস্ট্রার সুর ও সাউন্ডট্র্যাক। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ আইটি পেশাজীবীর জন্য কর্মসংস্থানের একটি প্রধান উৎস হওয়ার পাশাপাশি, এটি একই সঙ্গে শৈল্পিক প্রকাশের জন্য একটি নতুন এবং যুগান্তকারী প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করে, তা সে অভিনয়, লেখা, শিল্পকর্ম, পরিচালনা, সঙ্গীত বা অন্য যে কোনও সৃজনশীল প্রচেষ্টাই হোক না কেন।


গেমিং আধুনিক যোগাযোগের জন্য একটি ডিজিটাল আশ্রয়স্থল প্রদান করে, যা ক্রমবর্ধমান ভাবে বিভক্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে সাংস্কৃতিক ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রচারের একটি মাধ্যম।


সৃজনশীলতার চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি, গেমিং শিল্প গ্লোবাল সাউথের জন্য উল্লেখযোগ্য ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অগ্রদূত প্রমাণিত হতে পারে। এটি ডিজিটালভাবে দক্ষ শ্রমশক্তির জন্য কর্মসংস্থানের একটি প্রধান উৎস এবং ডিজিটাল সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি প্রধান সম্ভাব্য কেন্দ্রবিন্দুও বটে। অধিকন্তু, গেমিং আধুনিক যোগাযোগের জন্য একটি ডিজিটাল আশ্রয়স্থল প্রদান করে, যা অন্যথায় ক্রমবর্ধমানভাবে বিভক্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে সাংস্কৃতিক ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রচারের একটি মাধ্যম।



প্রতীক ত্রিপাঠী অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর সিকিউরিটি, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড টেকনোলজি (‌সিএসএসটি)-র অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.