২০০০ সালের গোড়ার দিকে, আর্কটিককে ক্রমবর্ধমানভাবে একবিংশ শতাব্দীর বিশ্ব অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক উন্নয়নের অভিমুখ সমন্বিত রাশি (ভেক্টর) হিসাবে দেখা হত।[১] তবে, ২০০৭ সাল পর্যন্ত — যখন রাশিয়া আর্কটিক এবং উত্তর আটলান্টিকে সামুদ্রিক ও বিমান টহল পুনরায় শুরু করে এবং আর্কটিক মহাসাগরের তলদেশে উত্তর মেরুতে তার টাইটানিয়াম পতাকা স্থাপন করে — বাকি আর্কটিক এবং অ-আর্কটিক রাষ্ট্রগুলি এই অঞ্চলের প্রতি খুব কম মনোযোগ দেয়। শীতল যুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পূর্ববর্তী সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে আর্কটিক ভূ-কৌশলগত গুরুত্বের অধিকারী ছিল: দুটি শক্তির মধ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ক্ষেত্রে, আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং কৌশলগত বোমারু বিমানের জন্য সংক্ষিপ্ততম রুট উত্তর মেরু দিয়ে যেত।
শীতল যুদ্ধের সমাপ্তি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর, বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি অদৃশ্য হয়ে যায় এবং আর্কটিকের প্রতি ভূ-রাজনৈতিক আগ্রহ হ্রাস পায়। অভ্যন্তরীণভাবে, রাশিয়া, ১৯৯০ এবং ২০০০ এর দশকের গোড়ার দিকে পদ্ধতিগত অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হয়ে তার আর্কটিক অঞ্চলগুলির উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেওয়া বন্ধ করে দেয়, যার অর্থনৈতিক ও মানবিক সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছিল।
এই শতাব্দীর প্রথম দশকের শেষের দিকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে শুরু করে। রাশিয়া অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে আর্কটিক অঞ্চলে "ফিরে আসে"। একই সময়ে, অন্য আর্কটিক দেশগুলি তাদের উত্তরাঞ্চল এবং সমগ্র অঞ্চলের দিকে আরও মনোযোগ দিতে শুরু করে। আর্কটিক আবারও, এবং আগের চেয়ে অনেক বেশি করে, বিশ্বব্যাপী ভূ-অর্থনীতি এবং ভূ-রাজনীতির রাডারে ফিরে আসে, এবং এই অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক আলোচনায় 'মহা খেলা'র (গ্রেট গেম) ধারণাটি তৈরি হয়।
এই প্রবন্ধে, বেশ কয়েকটি আন্তঃসম্পর্কিত প্রশ্ন অন্বেষণ করা হয়েছে: আর্কটিকের প্রতি বিশ্বব্যাপী মনোযোগ কী আকর্ষণ করে? এই অঞ্চলের মূল খেলোয়াড় কারা? এই 'মহা খেলা' কীভাবে বিকশিত হতে পারে এবং বিশ্বের জন্য এর পরিণতি কী হবে?
মানচিত্র ১. আর্কটিকের প্রাকৃতিক সম্পদ
সূত্র: নর্ডেজিও [২]
আর্কটিক অঞ্চলে প্রচুর জ্বালানি সম্পদ রয়েছে যা অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, মানবজাতির ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে (মানচিত্র ১ দেখুন)। অনুমান অনুসারে, আর্কটিক ৯০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল, ৪৭.৩ ট্রিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস এবং ৪৪ বিলিয়ন ব্যারেল গ্যাস কনডেনসেটে সমৃদ্ধ;[৩] এখানে প্রায় ২৫ শতাংশ অপ্রমাণিত হাইড্রোকার্বন মজুত আছে।[৪] আর্কটিক তেল ও গ্যাস মজু্তের ৬০ শতাংশেরও বেশি রাশিয়ার মালিকানাধীন অঞ্চলে রয়েছে।[ক] রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চলে সম্ভাব্য কয়লা মজুত দেশের কয়লা সম্পদের প্রায় অর্ধেক - ৭৮০ বিলিয়ন টন, যার মধ্যে ৮১ বিলিয়ন টন কোকিং কয়লা।[৫]
আর্কটিক অঞ্চলটি অ-লৌহঘটিত এবং বিরল-মৃত্তিকা ধাতু, খনিজ, আকরিক এবং কৌশলগত গুরুত্বের অন্যান্য কাঁচামালেও সমৃদ্ধ (মানচিত্র ১ দেখুন)। রাশিয়ান ফেডারেশনের আর্কটিক অঞ্চলে (এজেডআরএফ) এই খনিজগুলির সবচেয়ে বড় অংশ আছে (সারণী ১ দেখুন)।
সারণী ১। রাশিয়ার খনিজ সম্পদে এজেডআরএফ-এর অংশ
সূত্র: আর্কটিক টুডে [৬]
আর্কটিক অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের তৃতীয় উৎস হল বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ বিশাল জৈবিক সম্পদ। আর্কটিক সমুদ্র হল মেরু ভালুক, মেরু শিয়াল, নারহোয়াল, কিলার ও সাদা তিমি এবং ওয়ালরাস বা সিন্ধুঘোটক সহ অসংখ্য অনন্য সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাসস্থল। আর্কটিক এবং উপ-আর্কটিক জলে ১৫০ টিরও বেশি মাছের প্রজাতি বাস করে, যার মধ্যে মৎস্য চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতিগুলি হল কড, হেরিং, হ্যাডক, পোলক ও ফ্লাউন্ডার। আর্কটিক মহাসাগর ও বেরিং সাগরের মৎস্য রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাছ ধরা এবং সামুদ্রিক খাদ্য উৎপাদনের প্রায় ১৫ শতাংশ এবং ৫০ শতাংশ। [৭]
চতুর্থত, রাশিয়া এবং কানাডার উত্তর উপকূল বরাবর উত্তর সমুদ্র রুট (এনএসআর) এবং উত্তর-পশ্চিম পথ (এনডব্লিউপি) শুধু এই দুটি দেশের জন্যই নয়, বরং অন্যান্য রাষ্ট্র এবং অঞ্চলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ রুট। এই রুটগুলি দিয়ে পূর্ব এশিয়া থেকে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায় যাওয়ার পথ সুয়েজ খালের চেয়ে ছোট এবং নিরাপদ (অর্থাৎ জলদস্যুতামুক্ত) (মানচিত্র ২ দেখুন)।
উদাহরণস্বরূপ, ইয়োকোহামা (জাপান) থেকে হামবুর্গ (জার্মানি) পর্যন্ত এনএসআর হয়ে যাওয়ার পথ ১১,০০০ কিলোমিটার, যেখানে সুয়েজ খালের মধ্য দিয়ে এই পথের দৈর্ঘ্য ১৮,৩৫০ কিলোমিটার। এর ফলে যাত্রার সময়ও ২২ থেকে ১৫ দিন কমে যায়, অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ।[খ] মার্কিন উত্তর-পূর্ব উপকূল এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে এনডব্লিউপি হয়ে যাওয়ার পথটি পানামা খালের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। যদিও এনএসআর এবং এনডব্লিউপি তাদের প্রতিযোগীদের (সুয়েজ এবং পানামা খাল) সঙ্গে ট্র্যাফিকের পরিমাণের দিক থেকে তুলনীয় নয়, তবুও তারা দক্ষিণ গন্তব্যস্থলের সম্ভাব্য বিকল্প রুট হিসাবে থেকে গিয়েছে। এছাড়াও, রাশিয়ার ইয়ামাল উপদ্বীপ থেকে এশিয়া বা ইউরোপ উভয় স্থানে এলএনজি (তরল প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহের জন্য এনএসআর-ই একমাত্র রুট।[গ]
মানচিত্র ২. উত্তর-পশ্চিম পথ এবং উত্তর সমুদ্র রুট
সূত্র: গ্রিড-আরেন্ডাল[৮]
তাছাড়া, আর্কটিক অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ জলবায়ু এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের মতো পরামিতিগুলির ক্ষেত্রে এটি বৈশ্বিক পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে। আর্কটিক বরফ গলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে,[৯] অংশীদারদের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ এবং পরিবহণ যোগাযোগ আরও সহজলভ্য হয়ে উঠছে। একই কথা প্রযোজ্য আর্কটিক পর্যটনের উত্থানকে সহজতর করার ক্ষেত্রে, যা সম্ভবত ভবিষ্যতে বৃদ্ধি পাবে এবং ক্রমবর্ধমানভাবে লাভজনক হয়ে উঠবে।[ঘ]
অংশীদারেরা
চিত্র ১ আর্কটিকের প্রতিযোগিতা এবং সহযোগিতার পাঁচটি 'বৃত্ত' কল্পনা করে।
চিত্র ১. আর্কটিক প্রতিযোগিতা এবং সহযোগিতার পাঁচটি বৃত্ত
সূত্র: লেখকদের নিজস্ব
পাঁচটি আর্কটিক দেশ হল রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ডেনমার্ক ও নরওয়ে, যারা প্রাকৃতিক সম্পদ এবং সুদূর উত্তরের সামুদ্রিক পরিবহণ রুটের উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য একে অপরের সঙ্গে এবং অ-আর্কটিক দেশগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। ১৯৮২ সালের রাষ্ট্রপুঞ্জের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন (ইউএনক্লস) অনুসারে, আর্কটিক মহাসাগরের তীরে একটি উপকূল থাকার কারণে এই পাঁচটি দেশের তাদের নিজস্ব জলসীমা এবং একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলে (ইইজেড) সামুদ্রিক আর্কটিকের সম্পদ বিকাশের অগ্রাধিকারমূলক অধিকার রয়েছে। একইসঙ্গে, এটি লক্ষ করা উচিত যে অন্য উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলির মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্কটিক কৌশল রয়েছে, যার বৈশিষ্ট্য হল একতরফা পদক্ষেপের উপর নির্ভরতা, এবং আর্কটিক কাউন্সিল, আর্কটিক অর্থনৈতিক কাউন্সিল, নর্দার্ন ফোরাম ও আর্কটিকের সঙ্গে সম্পর্কিত রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশেষায়িত সংস্থাগুলি-সহ সম্পূর্ণরূপে তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে উপেক্ষা করা (বা অবমূল্যায়ন করা)। ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলি যেমন প্রমাণ করে, [ঙ] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তার লক্ষ্য অর্জনের জন্য তার নিকটতম মিত্রদের (উদাহরণস্বরূপ, কানাডা বা ডেনমার্ক) উপর চাপ প্রয়োগ করতে দ্বিধা করে না।
এই অঞ্চলের দ্বিতীয় একটি অংশে রয়েছে সাব-আর্কটিক রাষ্ট্রগুলি, যাদের আর্কটিক সার্কেলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ নেই, তবুও তারা হয় কাছাকাছি অবস্থিত (আইসল্যান্ড) অথবা আর্কটিকে (সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড) অবস্থিত অঞ্চলের অধিকারী।[চ] এছাড়াও পশ্চিমী দেশগুলির কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা (উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা বা ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইইউ), এবং তার পাশাপাশি নর্ডিক দেশগুলির সংস্থাগুলিও আর্কটিক বিষয়ে সক্রিয়ভাবে জড়িত।[ছ]
চতুর্থ অংশের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের (ইউএন) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং কর্মসূচি: কমিশন অন দ্য লিমিটস অফ দ্য কনটিনেন্টাল শেলফ, ইউএন ডেভলপমেন্টাল প্রোগ্র্যাম, রাষ্ট্রপুঞ্জের পরিবেশ কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা এবং ইউনেস্কো। এই সংস্থাগুলিকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের স্বার্থে কাজ করার পাশাপাশি আর্কটিক খেলোয়াড়দের মধ্যে বিরোধে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করতে বলা হয়েছে।
এই চারটি ছাড়াও, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আর্কটিক অঞ্চলে সহযোগিতা এবং প্রতিযোগিতার আরেকটি পঞ্চম এবং তুলনামূলকভাবে নতুন বৃত্ত আবির্ভূত হয়েছে - অ-আর্কটিক রাষ্ট্রগুলি (প্রাথমিকভাবে পূর্ব এশীয় দেশগুলি, পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র), যারা গত দুই দশকে এই অঞ্চলের উন্নয়নে আগ্রহ দেখাতে শুরু করেছে। এটি অনিবার্যভাবে এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির দিকে চালিত করে, কারণ আর্কটিক আইনি ব্যবস্থা আদর্শ নয় এবং আঞ্চলিক ও অ-আঞ্চলিক উভয় পক্ষের অধিকার সম্পর্কে কিছু অস্পষ্টতা আছে। উদাহরণস্বরূপ, ইউএনক্লস-এর অধীনে, অ-আর্কটিক রাষ্ট্রগুলির 'আর্কটিক ফাইভ'-এর জাতীয় এক্তিয়ারের মধ্যে ইইজেড এবং মহাদেশীয় শেলফগুলিতে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান বা বিকাশের অধিকার নেই। অতএব, তারা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত আইনি নিয়ম এবং প্রভাবের ক্ষেত্রগুলি পর্যালোচনা করতে বস্তুনিষ্ঠভাবে আগ্রহী, এবং তারা এই অঞ্চলের "আন্তর্জাতিকীকরণ" সমর্থন করে, বিশেষ করে এর সামুদ্রিক পরিবহণ রুট এবং কেন্দ্রীয় আর্কটিক মহাসাগরে, যা উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলির জাতীয় এক্তিয়ারের বাইরে অবস্থিত একটি অঞ্চল।
বিরোধের বিষয়গুলি
নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদে আর্কটিক অঞ্চলে অতীত, বিদ্যমান এবং সম্ভাব্য সংঘাতের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
সমুদ্রসীমা নির্ধারণ
বিউফোর্ট সাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে এবং লিঙ্কন সাগরে কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড (ডেনমার্ক)-এর মধ্যে সামুদ্রিক পরিসরের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ চলছে। ছোট হান্স দ্বীপের সঙ্গে সম্পর্কিত লিঙ্কন সাগরের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে কানাডিয়ান-ডেনিশ বিরোধ ২০২২ সালে সমাধান করা হয়েছিল: ডেনিশ, গ্রিনল্যান্ডিক, কানাডিয়ান এবং নুনাভুত সরকার প্রাকৃতিক চ্যুতি রেখা বরাবর দ্বীপটিকে প্রায় অর্ধেক করে ভাগ করার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।
মহাদেশীয় শেলফের সম্প্রসারণ
২০০১ সালে, রাশিয়া আর্কটিক মহাসাগরে তার শেলফের সম্প্রসারণের দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের কমিশন অন দ্য লিমিটস অফ দ্য কন্টিনেন্টাল শেলফ (সিএলসিএস) এর কাছে আবেদনকারী প্রথম দেশ হয়ে ওঠে।[জ] মস্কো ২০০ মাইল লাইনের বাইরে প্রায় ১.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার সমুদ্রতল এলাকার সম্পদের উপর সার্বভৌম অধিকার দাবি করেছিল। তবে, সিএলসিএস রাশিয়ার দাবিকে অপ্রতুল বলে মনে করে। রাশিয়া ব্যাপক গবেষণা অভিযান পরিচালনা করে এবং ২০১৫ সালে একটি সংশোধিত আবেদন জমা দেয়। কমিশন মস্কোর আবেদন প্রায় সম্পূর্ণরূপে অনুমোদন করেছে, একটি ছোট এলাকা বাদে। যেহেতু রাশিয়ার দাবিগুলি ডেনমার্ক ও কানাডার আর্কটিক শেলফের অংশগুলি অন্তর্ভুক্ত করে, যারা যথাক্রমে ২০১৪ ও ২০১৯ সালে তাদের আবেদন জমা দিয়েছিল, তাই কমিশন তাদের আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে মস্কোকে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
মানচিত্র ৩. আর্কটিক মহাসাগরে চলতি আঞ্চলিক দাবি
সূত্র: স্ট্র্যাটফোর [১০]
অন্য উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যতীত যারা ইউএনক্লস অনুমোদন করেনি) রাশিয়ার পরে আসে (মানচিত্র ৩ দেখুন)। রাশিয়ার পরে নরওয়ে ছিল দ্বিতীয় রাষ্ট্র যারা ২০০৬ সালে সিএলসিএস-এর কাছে আবেদন জমা দিয়েছিল, এবং আর্কটিক রাষ্ট্রগুলির মধ্যে প্রথম যারা ২০০৯ সালে কমিশন থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পেয়েছিল। ২০২৩ সালের শেষে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে আর্কটিক মহাসাগর এবং বেরিং সাগরে তার মহাদেশীয় শেলফ সম্প্রসারণের কথা ঘোষণা করে। এই পদক্ষেপটি এই অঞ্চলে রাশিয়ার স্বার্থকে প্রভাবিত করেনি, তবে বিউফোর্ট সাগরে শেলফের একটি অংশে কানাডিয়ান দাবির উপর এর প্রভাব পড়েছিল।
উত্তর সমুদ্র রুট এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্যাসেজের আন্তর্জাতিক আইনি অবস্থা
যদিও মস্কো এবং অটোয়া বিশ্বাস করে যে তাদের উত্তর সমুদ্র রুট এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্যাসেজের মাধ্যমে নৌচলাচল নিয়ন্ত্রণ করার ঐতিহাসিক এবং আইনি অধিকার রয়েছে, অন্য দেশগুলি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিন সহ) নৌ-চলাচল নীতির স্বাধীনতার উপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, মস্কো এনএসআর-কে আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ান ফেডারেশনের একটি ঐতিহাসিকভাবে বিদ্যমান জাতীয় একীভূত পরিবহণ রুট হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে, এবং তাই এটিকে তার একচেটিয়া এক্তিয়ারের অধীনে বলে মনে করে। কানাডা মনে করে যে এনডব্লিউপি-এর জলসীমা তাদের অভ্যন্তরীণ বলে তারা সার্বভৌম।
রাশিয়া এবং কানাডা উভয়ই ইউএনক্লস ধারা ২৩৪ উল্লেখ করে, যা উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলিকে ইইজেড সীমার মধ্যে বরফাবৃত অঞ্চলে জাহাজ থেকে সামুদ্রিক দূষণ প্রতিরোধ, হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বৈষম্যহীন আইন ও প্রবিধান গ্রহণ ও প্রয়োগ করার অধিকার দেয়, যেখানে বিশেষ করে তীব্র জলবায়ু পরিস্থিতি এবং বছরের বেশিরভাগ সময় বরফের আস্তরণের উপস্থিতি নৌচলাচলের ক্ষেত্রে বাধা বা ব্যতিক্রমী বিপদ তৈরি করে। সামুদ্রিক পরিবেশের দূষণ পরিবেশগত ভারসাম্যের ব্যাপক ক্ষতি বা অপরিবর্তনীয় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
এনএসআর এবং এনডব্লিউপি-র আন্তর্জাতিক মর্যাদার উপর জোর দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭৯ সালে ফ্রিডম অফ নেভিগেশন অপারেশন প্রোগ্রাম (ফনঅপ) শুরু করে। এখনও পর্যন্ত ওয়াশিংটন এই সামুদ্রিক অঞ্চলে বাণিজ্যিক এবং সামরিক জাহাজ পাঠাতে দ্বিধাগ্রস্ত, কারণ এটি বরফ ভাঙার এসকর্ট সরবরাহ করতে পারে না এবং রাশিয়া ও কানাডার কাছ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করে। তবে, উপযুক্ত সম্পদ থাকা অবস্থায় আর্কটিক মহাসাগরে ফনঅপ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।[১১] মস্কো ও অটোয়া উভয়ই এই পরিকল্পনাগুলিকে এমন একটি গুরুতর অস্থিতিশীল কারণ হিসাবে বিবেচনা করে যা সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।[১২]
সামরিক সংঘাত কি অনিবার্য?
একটি চিন্তাধারা অনুযায়ী আর্কটিক ফাইভ এই অঞ্চলে তাদের সার্বভৌম অধিকারের জন্য কঠোর লড়াই করবে এবং মহাদেশীয় শেলফ এবং সামুদ্রিক পরিসরগুলির আরও সীমানা নির্ধারণের জন্য চাপ দেবে। রাশিয়া ও কানাডা এনএসআর এবং এনডব্লিউপি-র উপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এই পরিস্থিতি এই অঞ্চলের নতুন করে সামরিকীকরণের দিকে চালিত করতে পারে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, পশ্চিমী আর্কটিক দেশগুলি এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। আর্কটিক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থারও অবনতি হয়েছে।[ঝ] হতাশাবাদীরা মনে করেন যে আঞ্চলিক এবং অ-আঞ্চলিক উভয় পক্ষকেই জড়িত করে অদূর ভবিষ্যতে একটি সামরিক সংঘাতও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তবে, আঞ্চলিক খেলোয়াড়দের এখনও আর্কটিকের মধ্যে একটি সশস্ত্র সংঘাত শুরু করার জন্য যথেষ্ট গুরুতর প্রেরণা নেই, এবং অদূর ভবিষ্যতে এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা কম।[ঞ] সমস্ত খেলোয়াড় বিশ্বাস করে যে এই অঞ্চলের চ্যালেঞ্জগুলি সামরিক শক্তির পরিবর্তে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে। আর্কটিক খেলোয়াড়দের দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমান আঞ্চলিক সামরিক গঠনটি প্রকৃত সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতির চেয়ে একে অপরকে নিরুৎসাহিত করার একটি উপায়।
উপসংহারের পরিবর্তে
এই প্রবন্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে আর্কটিকের দেশসমূহ বিদ্যমান এবং সম্ভাব্য বিরোধগুলি বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক সালিশের মাধ্যমে সমাধানের জন্য কাজ করবে। প্রকৃতপক্ষে, এই অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে বিরোধপূর্ণ স্বার্থের চেয়ে বেশি সাধারণ স্বার্থ রয়েছে, এবং তাই বর্তমান উত্তেজনা সত্ত্বেও সহযোগিতার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করবে।
যদিও পশ্চিমী দেশগুলি বর্তমানে আর্কটিক অঞ্চলে সংঘর্ষের নীতি অনুসরণ করছে, তবুও এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যা সকল অংশীদারের সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে: জলবায়ু কর্মকাণ্ড, পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বরফ ও পার্মাফ্রস্ট গতিশীলতা পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগের পরিণতি প্রতিরোধ ও মোকাবিলা, আদিবাসীদের কল্যাণ ও স্থিতিশীল উন্নয়ন।
আঞ্চলিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামোর গুরুতর সংকট সত্ত্বেও, এর পতনের কথা বলার সময় এখনও আসেনি। রাষ্ট্রপুঞ্জের কাঠামো — বিশেষ করে আইএমও, ইউএনইপি, ইউএনডিপি এবং ইউনেস্কো — আর্কটিক অঞ্চলে কার্যকর রয়েছে। নর্দার্ন ফোরাম ও আর্কটিক ইকনমিক কাউন্সিলও তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও আগের বছরগুলির মতো সক্রিয়ভাবে নয়। ওয়ার্কিং গ্রুপ পর্যায়ে আর্কটিক কাউন্সিলের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত হওয়ার লক্ষণ রয়েছে।
এটা ধরে নেওয়া নিরাপদ যে ইউক্রেনীয় সংঘাতের অবসানের পর, যা খুব শীঘ্রই বা পরে ঘটবে, সম্ভবত আন্তর্জাতিক আর্কটিক সহযোগিতা এবং সকল খেলোয়াড়ের পারস্পরিক সুবিধার জন্য আঞ্চলিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হবে ।
পাদটীকা
[ক] নিখুঁত পরিসংখ্যানে, সৌদি আরবের ২৬১ বিলিয়ন ব্যারেলের তুলনায় এটি ৩৭৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের সমান। দেখুন: স্মিথ এবং জাইলস, রাশিয়া ও আর্কটিক, ১. আর্কটিক রিজার্ভের মাত্র একটি নগণ্য অংশ এখনও পর্যন্ত অনুমান করা হয়েছে।
[খ] এনএসআর ব্যবহার করে দক্ষিণ রুটের তুলনায় ইউরোপ এবং পূর্ব এশিয়ার (চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া) মধ্যে কার্গো সরবরাহের খরচ ২০-৪০ শতাংশ কমানো সম্ভব।
[গ] কোভিড-১৯ অতিমারির আগে, এনএসআর এবং এনডব্লিউপি উভয়ই আর্কটিক পর্যটন ক্রুজের জন্য সাধারণ গন্তব্য ছিল। তথাকথিত ক্রস-পোলার বিমান রুট (বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যে) আর্কটিকের মধ্য দিয়ে চলে, যা রাশিয়ার ভূখণ্ডের উপর দিয়ে পশ্চিমী বিমান সংস্থাগুলির উড়ান নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জনপ্রিয়।
[ঘ] নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের মতো পশ্চিমী দেশগুলি ইতিমধ্যেই আক্রমণাত্মকভাবে আর্কটিক পর্যটন সম্প্রসারণ করছে।
[ঙ] শপথ গ্রহণের আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি কানাডাকে ৫১তম মার্কিন রাজ্যে পরিণত করতে এবং ডেনমার্ক থেকে গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান। যদিও এই উদ্যোগগুলি অবাস্তব ছিল, তবুও তারা মার্কিন ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
চ] এই ভিত্তিতে, এই রাষ্ট্রগুলি আর্কটিক কাউন্সিল এবং ব্যারেন্টস ইউরো-আর্কটিক কাউন্সিল (বিইএসি) উভয়ের অন্তর্ভুক্ত, যা এই অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠান।
[ছ] এর মধ্যে রয়েছে নর্ডিক কাউন্সিল, নর্ডিক দেশগুলির মন্ত্রী পরিষদ, নর্দার্ন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক এবং নর্দার্ন এনভায়রনমেন্টাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন।
[জ] ইউএনক্লস অনুসারে, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত তার মহাদেশীয় শেলফের প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান এবং শোষণ করার একচেটিয়া সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। এই সীমার বাইরে, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রকে একই অধিকার প্রয়োগের জন্য ১৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আইনত সংজ্ঞায়িত মহাদেশীয় শেলফের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সরবরাহ করতে হবে।
[ঝ] এর কেন্দ্রীয় উপাদান, আর্কটিক কাউন্সিল, আধা-হিমায়িত অবস্থায় রয়েছে। রাশিয়ার প্রত্যাহার এবং ফিনল্যান্ডের পরিকল্পিত প্রত্যাহারের পরে, বিইএসি অবশেষে ভেঙে যেতে পারে। ফিনল্যান্ড এবং সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদানের ফলে এই অঞ্চলে আরও বেশি উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এবং উভয় পক্ষের সামরিক প্রস্তুতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
[ঞ] এটি বিবেচনা করা উচিত যে আর্কটিকের বেশিরভাগ প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত খনিজ মজুত উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলির ইইজেড-এ অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে কেউ দাবি করতে পারে না। কিছু দেশের (যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিন) এনএসআর এবং এনডব্লিউএফপি-কে বৈশ্বিক সাধারণের অধিকারে পরিণত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে বাগাড়ম্বর সত্ত্বেও, এই সমুদ্রপথগুলি এই রাষ্ট্রগুলির গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থের মধ্যে নেই যা নিয়ে লড়াই করা মূল্যবান হবে।
[১] উদাহরণস্বরূপ, লসন ডব্লিউ. ব্রিগহাম, "থিঙ্ক এগেন: দ্য আর্কটিক," ফরেন পলিসি, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০১০, ৭১-৭৪; পিটার আরবো প্রমুখ, "আর্কটিক ফিউচার: কনসেপ্টুয়ালাইজেশনস অ্যান্ড ইমেজেস অফ আ চেঞ্জিং আর্কটিক," পোলার জিওগ্রাফি ৩৬, নং ৩ (২০১৩): ১৬৩-১৮২ দেখুন।
[২] “রিসোর্সেস ইন দ্য আর্কটিক,” নরড্রেজিও, https://nordregio.org/wp-content/uploads/2019/01/0881a_arctic_resources-2-scaled.jpg
[৩] মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ, “সার্কাম-আর্কটিক রিসোর্স অ্যাপ্রাইজাল: এস্টিমেটস অফ আনডিসকভারড অয়েল অ্যান্ড গ্যাস নর্থ অফ দ্য আর্কটিক সার্কেল," ওয়াশিংটন, ডিসি, জিপিও, ২০০৮ http://pubs.usgs.gov/fs/2008/3049/fs2008–3049.pdf
[৪] মার্ক এ স্মিথ এবং কেয়ার জাইলস, “রাশিয়া অ্যান্ড আর্কটিক: “দ্য লাস্ট ড্যাশ নর্থ”,” অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট গ্রুপ, রাশিয়া সিরিজ ০৭/২৬ (২০০৭), ডিফেন্স অ্যাকাডেমি অফ দ্য ইউনাইটেড কিংডম।
[৫] নর্দার্ন (আর্কটিক) ফেডারেল ইউনিভার্সিটি, “খনিজ সম্পদ,” ২০২৫, https://arctic.narfu.ru/infologia-arktiki/geo-arktiki/mineralnye-resursy?ysclid=m6wg6xq0g6437947092
[৬] “রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মৌলিক বিষয়গুলি,” আর্কটিক টুডে, ২৯ জানুয়ারি, ২০১২, https://web.archive.org/web/20121027124152/http://www.arctictoday.ru/council/654.html
[৭] ইউরি ভি কোচেমাসভ, বরিস এ মরগুনভ এবং ভ্লাদিমির আই সোলোমাটিন, "আর্কটিকের উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবেশগত-অর্থনৈতিক মূল্যায়ন," এনার্জি, ইকনমি, টেকনোলজি, ইকোলজি ১২ (২০০৫), https:// www.elibrary.ru/download/elibrary_17677837_45050179.pdf
(রাশিয়ান ভাষায়)।
[৮] গ্রিড-আরেন্ডাল, “উত্তর সমুদ্র রুট এবং উত্তর-পশ্চিম পথ বর্তমানে ব্যবহৃত জাহাজ চলাচলের রুটের তুলনায়,” ২০০৮, https://www.grida.no/resources/7150
[৯] মহম্মদ এম এজাত, কার্স্টেন ফাহল, এবং টাইন এল রাসমুসেন, “আর্কটিক ফ্রেশ ওয়াটার আউটফ্লো সাপ্রেসড নর্ডিক সিজ ওভারটার্নিং অ্যান্ড ওশিয়ানিক হিট ট্রান্সপোর্ট ডিউরিং দ্য লাস্ট ইন্টারগ্লেসিয়াল,” নেচার কমিউনিকেশনস ১৫ (২০২৪): ৮৯৯৮, ডিওআই: ১০.১০৩৮/s৪১৪৬৭-০২৪-৫৩৪০১-৩।
[১০] স্ট্র্যাটফোর, “আর্কটিকের আঞ্চলিক দাবি এবং তেল ও গ্যাস উন্নয়ন,” ২০১৭, https://www.stratfor.com/sites/default/files/styles/wv_small/public/arctic-territorial-claims-090415_0. png?itok=NFROLl3O
[১১] মার্কিন বিদেশ দপ্তর, “নৌচলাচলের স্বাধীনতা প্রতিবেদন বার্ষিক প্রকাশ,” ১৬ মার্চ, ২০২১, https://www.state.gov/freedom-of-navigation-report-annual-release/
[১২] ভি এন কোনিশেভ এবং এ. এ. সেরগুনিন, “আর্কটিকের সামরিক নিরাপত্তা: রাশিয়ার প্রতি নতুন হুমকি,” লোমোনোসভ ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স জার্নাল ১৬, নং ৩ (২০২৪): ১২৭-১৫২, ডিওআই: ১০.৪৮০১৫/২০৭৬-৭৪০৪-২০২৪-১৬-৩-১২৭-১৫২।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Alexander Sergunin is Professor of International Relations, St. Petersburg State University. ...
Read More +
Valery Konyshev is Professor of International Relations, Russian Academy of National Economy and Public Administration. ...
Read More +