Published on Aug 07, 2025 Updated 0 Hours ago
এআই প্রতিযোগিতা: বহুমেরুকৃত প্রযুক্তির জগতে ভারত ও চিনের অবস্থান নির্ধারণ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পটভূমি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং ২০২৫ সাল শুরু হয়েছিল এক বিরাট পরিবর্তন অর্থাৎ ডিপসিকের সূচনার মধ্য দিয়ে। ডিপসিক এমন একটি চিনা এআই মডেল যা মার্কিন-আধিপত্যের পরিসরকে ব্যাহত করেছিল। এর উত্থান বিশেষ ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিলকারণ এটি মার্কিন বাণিজ্য প্রযুক্তিগত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও বিকশিত হয়েছিল, যা প্রমাণ করে যে, এআই উদ্ভাবন আর অত্যাধুনিক হার্ডওয়্যারের সীমাহীন প্রবেশাধিকার অঞ্চলগুলিতে সীমাবদ্ধ নয়। এই অগ্রগতি প্রবেশের বাধা কমিয়ে দেয় এবং ইঙ্গিত দেয় যে, অন্যান্য দেশ দ্রুতই এটি অনুসরণ করতে পারে। ফলে চিরাচরিত প্রযুক্তি ক্ষমতা থেকে স্বাধীনভাবে তাদের নিজস্ব এআই বাস্তুতন্ত্র তৈরি করতে পারে।

এই পরিবর্তন বিশ্লেষণ করার একটি কার্যকর উপায় হল প্রযুক্তি নির্মাতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে। এটি এমন পার্থক্য, যা প্রায়শই উন্নত উদীয়মান বাজারের অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে। তাদের গভীর গবেষণা এবং নকশা (আরঅ্যান্ডডি) বিনিয়োগ এবং প্রতিষ্ঠিত উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্রগুলির মাধ্যমে উন্নত অর্থনীতি এআই সাফল্যের নেতৃত্ব দিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে, দ্রুত শিল্পায়ন সম্প্রসারিত ভোক্তা ভিত্তি দ্বারা চিহ্নিত উন্নয়নশীল বাজারগুলির প্রচুর প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে তবে তারা এখনও এআই উন্নয়নের জন্য বহিরাগত মূলধন এবং দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

তাদের গভীর গবেষণা এবং নকশা (আরঅ্যান্ডডি) বিনিয়োগ এবং প্রতিষ্ঠিত উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্রগুলির মাধ্যমে উন্নত অর্থনীতি এআই সাফল্যের নেতৃত্ব দিয়ে চলেছে।

এই ভিন্নতা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে: এআই সৃষ্টি কি ধনী অর্থনীতিতে কেন্দ্রীভূত থাকবে, না কি এআই সরঞ্জামের গণতন্ত্রীকরণ উদীয়মান বাজারগুলিকে গুরুতর শক্তি হতে সাহায্য করবে? আগামী বছরগুলিতে প্রকাশ্যে আসবে যে, আমরা এআই নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বিভাজন প্রত্যক্ষ কর না কি আরও বহুমুখী এআই বাস্তুতন্ত্রের সূচনার সাক্ষী থাকব

পরিপক্বতা এবং গতিশীলতা

উপরে উত্থাপিত প্রশ্নটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ, তবুও এটি কিছুটা হ্রাসকারী আরও সূক্ষ্ম পদ্ধতির প্রয়োজন। এআই-এর গণতন্ত্রীকরণ বিভিন্ন দেশে এর সম্প্রসারণকে প্রায়শই দ্ব্যর্থক ইতিবাচক হিসাবে দেখা হলেও এটি সহজাত ভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন মাত্রা প্রবর্তন করে এবং তা হল প্রতিযোগিতা।

এআই উন্নয়নের প্রতিযোগিতামূলক গতিশীলতাকে একাধিক মাত্রার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে, যার মধ্যে দুটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। প্রথমত, একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের শক্তি তার এআই-এর গতিপথ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে কেবল তার স্টার্টআপ বাস্তুতন্ত্রের মাত্রা ও পরিপক্বতাই নয়, বরং বেসরকারি উদ্যোগগুলি কতটা পরিমাণ এআই সংক্রান্ত সমাধান বিকাশে সক্ষম এবং তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সেগুলিকে সমন্বিত করছে, তা-ও অন্তর্ভুক্ত। একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ বাজার উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করে এবং নিশ্চিত করে যে, এআই অগ্রগতি অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা শিল্প রূপান্তরে সক্রিয় ভাবে অবদান রাখে।

চিনের এআই কৌশলটি উল্লেখযোগ্য সরকার-সমর্থিত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগ দ্বারা চালিত হয়েছে, গত দশকে প্রায় ৯১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে - যার মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ (প্রায় ২০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) এআই সংস্থাগুলির দিকে চালিত হয়েছে। এটি বেজিংয়ের কৌশলগত অভিপ্রায়কে তুলে ধরে যে, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্রষ্টা ব্যবহারকারী উভয় হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় এবং দেশীয় উদ্ভাবন শিল্প গ্রহণকে ত্বরান্বিত করার জন্য রাষ্ট্র-সমর্থিত তহবিল ব্যবহার করে।

একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ বাজার উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করে এবং নিশ্চিত করে যে, এআই অগ্রগতি অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা শিল্প রূপান্তরে সক্রিয় ভাবে অবদান রাখে।

এই সব কিছুর বিপরীতে, ভারত এখনও একটি প্রধান এআই উৎপাদক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি কিন্তু দ্রুত এআই প্রযুক্তির অগ্রণী গ্রহণকারী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। আইবিএম-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতের প্রায় ৫৯ শতাংশ আইটি পেশাদার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তাদের প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এআই-কে সমন্বিত করেছে, যা দেশকে এআই স্থাপনের ক্ষেত্রে বিশ্বনেতাদের মধ্যে স্থান করে দিয়েছে। তবে, অন্তত আপাতত, চিনের সঙ্গে এই বৈপরীত্য স্পষ্ট: যদিও চিএআই-এর মাত্রাগত ভাবে উন্নয়ন বাস্তবায়ন উভয়ই করছে, কিন্তু ভারত এআই প্রযুক্তির স্রষ্টার পরিবর্তে মূলত ভোক্তা হিসেবে রয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এই পদ্ধতির পার্থক্য তুলে ধরেছেন। তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, ভারত খাদ্য সংক্রান্ত ও হাইপার-ডেলিভারি অ্যাপ তৈরি করছে, চিএআই ও বৈদ্যুতিক যানবাহনে আগ্রাসী ভাবে বিনিয়োগ করছে। এটিকে ভারতের প্রাণবন্ত স্টার্টআপ বাস্তুতন্ত্রের সমালোচনা হিসেবে দেখার পরিবর্তে দুই দেশের স্বতন্ত্র উন্নয়নমূলক পথ জাতীয় অগ্রাধিকারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা জরুরি।

প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিক হল সরকারগুলি কী ভাবে তাদের ক্ষমতার সঙ্গে এআই-কে সমন্বিত করছে, বিশেষ করে সামরিক অভিযান এবং গোয়েন্দা পরিষেবাগুলিতে। ভারত চিন উভয়ই তাদের সামরিক কৌশলের সঙ্গে এআই-কে সমন্বিত করলেও অগ্রগতির ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য স্তর রয়েছে। ভারত মূলত নজরদারি, অনুসন্ধান, সরবরাহ সাইবার নিরাপত্তার জন্য এআই ব্যবহার করছে এবং এর জন্য এআই-সক্ষম ড্রোন এবং পঁচাত্তরটি এআই-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা পণ্য চালু করার মতো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছে এর বিপরীতে, চিন সামরিক এআই-তে আরও আগ্রাসী অগ্রগতি করছে এবং স্বয়ংচালিত অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র নির্দেশিকা ব্যবস্থা এবং এআই-বর্ধিত কম্যান্ড সংক্রান্ত কাঠামোতে প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ করছে। ভারত যখন প্রতিরক্ষায় এআই-কে ক্রমাগত গ্রহণ করছে, তখন স্বয়ংচালিত যুদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থায় চিনের অগ্রগতি আরও দ্রুত বিস্তৃত সামরিক এআই মোতায়েনের ইঙ্গিত দেয়।

বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থা

এআই-এর বৃদ্ধি গ্রহণে চিনের নেতৃত্ব অনস্বীকার্য। তবে টিকে ভারতের অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়, বরং এই ক্ষেত্রে চিনের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত। চিনের এআই সম্প্রসারণের মাত্রা গতি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রাষ্ট্রীয় সহায়তার মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তির কৌশলগত অগ্রাধিকারকে দর্শায়। এই আধিপত্য এআই ছাড়িয়েও বিস্তৃত এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনের একাধিক ক্ষেত্র জুড়ে প্রসারিত। এই সব কিছুই চিনের বিশ্বব্যাপী উত্থানকে শক্তিশালী করে।

চিনের এআই সম্প্রসারণের মাত্রা গতি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রাষ্ট্রীয় সহায়তার মাধ্যমে উদীয়মান প্রযুক্তির কৌশলগত অগ্রাধিকারকে দর্শায়।

অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসপিআই) ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ট্র্যাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তিতে চিনের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রকাশ করে। ট্র্যাকারের মতে, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, রোবোটিক্স, শক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত উপকরণ এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রগুলিতে পর্যবেক্ষিত চৌত্রিশটি প্রযুক্তির মধ্যে চিন এগিয়ে রয়েছে। চিনের গবেষণা আউটপুট দ্বারা এই আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়: নির্দিষ্ট প্রযুক্তিতে বিশ্বের দশটি শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমস্তই চিনে অবস্থিত এবং সম্মিলিত ভাবে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দেশ। চিন প্রায়শই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় নগুণ বেশি উচ্চ-প্রভাবশালী গবেষণাপত্র তৈরি করে।

ভারতের সুবিধা

ডিপসিকের উত্থান বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করেছে - তা সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা প্রভাবশালী এআই মডেলের একচেটিয়া প্রবণতার প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন। ভারতের জন্য, এই অগ্রগতিগুলি মূল্যবান কেস স্টাডি হিসাবে কাজ করে। এটি এমন একটি পরোক্ষ পরীক্ষার ক্ষেত্র, যা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে। 

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, ভারত সরকার উল্লেখযোগ্য তহবিল প্রতিশ্রুতি নীতিগত উদ্যোগের মাধ্যমে এআই উন্নয়নের উপর তার মনোযোগ আরও তীব্র করেছে। যদিও ডিপসিক প্রমাণ করেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যে মূলধন-নিবিড় এআই মডেল ব্যাঘাতের জন্য অভেদ্য নয়, বিনিয়োগ এই ক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি মৌলিক চালিকাশক্তি। ভারতের জন্য চ্যাটজিপিটি বা ডিপসিকের সমতুল্য বিকাশের ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে ভারতের একটি অনন্য সুবিধা রয়েছে: তরুণ, অত্যন্ত দক্ষ প্রকৌশলীদের একটি বিস্তৃত ভাণ্ডার যাঁরা এআই উদ্ভাবনের ভিত্তি তৈরি করতে পারেন। ইন্টারনেট অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি ডিজিটাল সাক্ষরতার উন্নতির মাধ্যমে এই সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পায়, যা এআই গ্রহণকে ত্বরান্বিত করতে পারে এবং ফলস্বরূপ, দেশীয় এআই উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে পারে।

দ্রুত বর্ধনশীল ডিজিটাল অর্থনীতি, দক্ষ কর্মীবাহিনী ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সংযোগস্থল ভারতকে এআই উদ্ভাবন স্থাপনার ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য নেতা হিসাবে জায়গা করে দেয়।

সর্বোপরি, ভারতের বিশাল বাজার আকার একটি দেশীয় এআই বাস্তুতন্ত্রের বিকাশের জন্য আকর্ষণীয় উদাহরণ উপস্থাপন করে। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই গ্রহণ ক্রমশ ব্যাপক হয়ে উঠছেতাই দেশীয় ভাবে উন্নত এআই সরঞ্জামের চাহিদা একটি কৌশলগত প্রয়োজনীয়তা একটি অর্থনৈতিক সুযোগও বটে। দ্রুত বর্ধনশীল ডিজিটাল অর্থনীতি, দক্ষ কর্মীবাহিনী ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সংযোগস্থল ভারতকে এআই উদ্ভাবন স্থাপনার ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য নেতা হিসাবে জায়গা করে দেয়।

ভারতের মতো একটি দেশের জন্য এআই-এর বিকাশকে একাধিক কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা উচিত। বিনিয়োগ এবং প্রতিভার বিকাশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও, একটি বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক এবং বাণিজ্য দৃষ্টিভঙ্গি সমান ভাবে অপরিহার্য। ক্রমবর্ধমান বহুমেরুকৃত বিশ্বে ভারতের একটি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের মধ্যে। এটি এমন একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা, যা ভারত এর আগে ২০২৩ সালে জি২০ সভাপতিত্বের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে প্রদর্শন করেছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করতে ভারতকে একটি দেশীয় এআই মডেলের বিকাশকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যা শীর্ষস্থানীয় বিশ্বব্যাপী প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম। এটি ভারতকে বিদেশি প্রযুক্তি গ্রহণকারী থেকে অত্যাধুনিক এআই সমাধানের উৎপাদক এবং সরবরাহকারীতে রূপান্তর করতে সক্ষম করবে। বিশাল প্রতিভার ভাণ্ডার, ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অবকাঠামো এবং সম্প্রসারিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বাস্তুতন্ত্রের কারণে ভারতের কাছে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ রয়েছে।

 


এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় লি কুয়ান ইউ স্কুল অফ পাবলিক পলিসি-তে।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Sameer Patil

Sameer Patil

Sameer Patil is Director, Centre for Security, Strategy and Technology at the Observer Research Foundation. Based out of ORF’s Mumbai centre, his work focuses on ...

Read More +
Sauradeep Bag

Sauradeep Bag

Sauradeep is an Associate Fellow at the Centre for Security, Strategy, and Technology at the Observer Research Foundation. His experience spans the startup ecosystem, impact ...

Read More +