-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
তাইল্যান্ড অর্থনৈতিক লাভ ও কৌশলগত সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে ব্রিকসের দিকে নজর দেয়, তবে তাকে সার্বভৌমত্ব ও নীতিগত স্বায়ত্তশাসনের ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে পথ চলতে হবে।
Image Source: Daily Sabah
২০২৪ সালের মে মাসে তাইল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকস-এ যোগদানের জন্য তার আবেদন জমা দিয়েছে, এবং এটি প্রথম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যে এই আবেদন করেছে। তাই মন্ত্রিসভা সরকারি চিঠির খসড়া অনুমোদন করে, যা সদস্য হওয়ার জন্য দেশটির অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে। সেই সঙ্গেই এই ঘটনা বৈশ্বিক মঞ্চে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে বৈচিত্র্য আনা, এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবকে উন্নত করার জন্য তাইল্যান্ডের কৌশলগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।
বর্তমানে, ব্রিকস দেশগুলি সম্মিলিতভাবে তাইল্যান্ডের মোট বাণিজ্যের ২২.৮ শতাংশের অংশীদার। ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে চিন তাইল্যান্ডের বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার হিসাবে দাঁড়িয়েছে — ২০২৩ সালে বাণিজ্য ১৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে৷ ব্রিকস-এর সদস্যপদ নতুন বাজারে প্রবেশাধিকার প্রদান করে, এবং বৈচিত্রপূর্ণ বিনিয়োগের মাধ্যমে আর্থিক ঝুঁকি হ্রাস করে এই সংখ্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে৷ তা ছাড়া তাইল্যান্ড সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধির সাক্ষী হতে পারে, বিশেষ করে চিন ও রাশিয়া থেকে, যারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী।
আঞ্চলিক প্রভাব
ব্রিকস-এ যোগদানের জন্য তাইল্যান্ডের প্রয়াস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারে চিন ও রাশিয়ার বৃহত্তর কৌশলগত লক্ষ্যকে সমর্থন করে। চিনের জন্য তাইল্যান্ডের সদস্যপদ তার আঞ্চলিক প্রভাবের একটি সম্প্রসারণের প্রতিনিধিত্ব করে, যা এর বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর পরিপূরক। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে চিনের কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ব্রিকস-এ যোগদানের জন্য তাইল্যান্ডের প্রয়াস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারে চিন ও রাশিয়ার বৃহত্তর কৌশলগত লক্ষ্যকে সমর্থন করে। চিনের জন্য তাইল্যান্ডের সদস্যপদ তার আঞ্চলিক প্রভাবের একটি সম্প্রসারণের প্রতিনিধিত্ব করে, যা এর বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর পরিপূরক।
পশ্চিমী শক্তির সঙ্গে কৌশলগত প্রতিযোগিতার মধ্যেও রাশিয়া তাইল্যান্ডের সম্ভাব্য ব্রিকস সদস্যপদকে তার আঞ্চলিক সম্পর্ক মজবুত করার সুযোগ হিসাবে দেখে। ব্রিকস-এর সঙ্গে সারিবদ্ধ হওয়া তাইল্যান্ডকে তার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এই ভূ-রাজনৈতিক গতিশীলতাকে কাজে লাগাতে দেবে, যা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধক প্রদান করে।
চিন ও তাইল্যান্ডের মধ্যে বিআরআই প্রকল্পগুলি পরিকাঠামোর উন্নতি, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাড়ানোর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে ব্যাপক সহযোগিতার চিত্র তুলে ধরে। কিন্তু এই প্রকল্পগুলির উচ্চাভিলাষী প্রকৃতি সত্ত্বেও কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে এগুলির গতি হ্রাস পেয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য বিলম্ব এবং বাধা নিয়ে এসেছে। ব্যাংকক-নাখোন রাতচাসিমা হাই-স্পিড রেলওয়ে এবং ইস্টার্ন ইকনমিক করিডরের মতো প্রকল্পগুলি আর্থিক, লজিস্টিক এবং আমলাতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।
সারণি ১: চিন ও তাইল্যান্ডের মধ্যে বিআরআই প্রকল্প
|
প্রকল্প |
বর্ণনা |
বর্তমান অবস্থা |
আনুমানিক খরচ |
|
তাইল্যান্ড ও চিনের মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিআরআই-এর অধীনে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এই উচ্চগতির রেললাইনটি শেষ পর্যন্ত ব্যাংকককে নাখোন রাতচাসিমার সাথে যুক্ত করবে, এবং পরিকল্পনা আছে লাওসের সীমান্তে নং খাই পর্যন্ত প্রসারিত করার, যার ফলে কুনমিং-সিঙ্গাপুর রেলওয়ের সঙ্গে এটি একীভূত হবে। প্রকল্পটিতে ২০১৭ সালে নির্মাণ শুরু হয়েছিল, এবং একাধিক বিলম্বের সম্মুখীন হয়েছে। তাই সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি চিনা প্রযুক্তিগত সহায়তায় তাইল্যান্ডের অর্থায়নে হচ্ছে। |
মোটের উপর ১৫ শতাংশ কাজ হয়েছে |
৫ থেকে ৯.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
|
|
একটি বড় অর্থনৈতিক উন্নয়ন উদ্যোগ যা চোনবুরি, রেয়ং এবং চাচোয়েংসাওকে একটি উচ্চ প্রযুক্তির শিল্প কেন্দ্রে রূপান্তরিত করে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য বন্দর, বিমানবন্দর, এবং রেল সংযোগ সহ পরিবহণ পরিকাঠামো উন্নত করা এবং এই অঞ্চলের উৎপাদন ও রপ্তানি ক্ষমতা বাড়ানো। চিন বিআরআই-এর অংশ হিসেবে ইইসিতে বিনিয়োগে জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইইসি-র মূল পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ইউ-তাপো বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ এবং উচ্চ-গতির রেল সংযোগ, যা এই অঞ্চলটিকে বিশ্ব বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে একীভূত করবে। |
কাজ চলছে |
৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
|
|
ব্যাংকক-নাখোন রাতচাসিমা লাইনের একটি সম্প্রসারণ, যা ব্যাংকককে নং খাই এবং চিন-লাওস রেলওয়েকে সংযুক্ত করে। এই রেলপথটি বৃহত্তর বিআরআই দৃশ্যকল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্য দিয়ে চিন থেকে নিরবচ্ছিন্ন রেল সংযোগের সুবিধা দেয়। তাইল্যান্ড ও চিনের মধ্যে সরবরাহ ও বাণিজ্য প্রবাহের উন্নতির জন্য এই প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রেল সংযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে তাইল্যান্ডের লক্ষ্য প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে তার অর্থনৈতিক সংহতি জোরদার করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে সমর্থন করা। |
পরিকল্পনা ও প্রারম্ভিক নির্মাণ চলছে |
অনির্দিষ্ট |
|
|
আন্দামান সাগরের সঙ্গে তাইল্যান্ডের উপসাগরকে সংযুক্ত করে দক্ষিণ তাইল্যান্ডের ক্রা ইস্তমাস জুড়ে একটি শিপিং রুট তৈরি করার প্রস্তাবিত উদ্যোগ। এই খালটি একটি সরাসরি সামুদ্রিক রুট প্রদান করবে, যা মালাক্কার ঘনবসতিপূর্ণ প্রণালীকে বাইপাস করবে এবং শিপিংয়ের সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। প্রকল্পটি বর্ধিত বাণিজ্য রুট এবং কৌশলগত গুরুত্ব সহ যথেষ্ট অর্থনৈতিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু যথেষ্ট রাজনৈতিক, পরিবেশগত এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। |
প্রস্তাবিত পর্যায়ে আছে |
২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
|
|
চিনা এবং তাই কোম্পানিগুলির মধ্যে একটি যৌথ উদ্যোগ, এবং ইইসি-র অংশ। স্বয়ংচালিত, ইলেকট্রনিক্স, এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির মতো উচ্চ-প্রযুক্তি শিল্পগুলিতে ফোকাস করে৷ এই শিল্প অঞ্চলটি চালু আছে এবং নতুন বিনিয়োগ ও প্রকল্পের সঙ্গে প্রসারিত হচ্ছে। এটি বিআরআই-এর অধীনে সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রের প্রতিনিধিত্ব করে, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আকর্ষণ করে, এবং তাইল্যান্ডের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, প্রযুক্তি স্থানান্তর সহজতর করে, এবং রেয়ং শিল্প অঞ্চল তাইল্যান্ডের বৃহত্তর অর্থনৈতিক উন্নয়ন কৌশলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। |
অপারেশনাল ও প্রসারমান |
অনির্দিষ্ট |
|
|
তাইল্যান্ডের বৃহত্তম বন্দরের সম্প্রসারণ, ইইসি-র একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, এবং বিআরআই-এর সামুদ্রিক উদ্দেশ্যগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রকল্পের লক্ষ্য বন্দরের ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যা বাণিজ্যের পরিমাণে প্রত্যাশিত বৃদ্ধিকে সমর্থন করে। তাইল্যান্ডের লজিস্টিক পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য লায়েম চাবাং বন্দরকে উন্নত করা অত্যাবশ্যক, যা এটিকে আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য নেটওয়ার্কে একটি মূল খেলোয়াড় করে তোলে। সম্প্রসারণ শুধুমাত্র তাইল্যান্ডের রপ্তানি সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় একটি কৌশলগত সামুদ্রিক কেন্দ্র হিসেবে এর অবস্থানকে মজবুত করবে। |
(ডিসক্লেমার: জিপিটি-৪ও ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের সংক্ষিপ্তসারে সাহায্য করার জন্য। তারপর তথ্যটি সম্পাদনা করা হয়েছে এবং লেখকের দ্বারা সংজ্ঞায়িত প্রাসঙ্গিক কলাম বিভাগে রাখা হয়েছে।)
তাইল্যান্ডের সম্ভাব্য ব্রিকস সদস্যপদ অতিরিক্ত বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে এবং বৃহত্তর অর্থনৈতিক একীকরণকে উৎসাহিত করে এই প্রকল্পগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। যাই হোক, অর্থনৈতিক দুর্বলতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ এই উদ্যোগগুলিতে জটিলতার স্তর যুক্ত করে। উপরন্তু, ব্রিকস-এ যোগদান তাইল্যান্ডকে গোষ্ঠীটির কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য চাপ দিতে পারে, এর নীতিগত স্বাধীনতাকে সীমিত করতে পারে, এবং সম্ভবত দেশীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণ হতে পারে।
তাইল্যান্ডের সম্ভাব্য ব্রিকস সদস্যপদ অতিরিক্ত বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে এবং বৃহত্তর অর্থনৈতিক একীকরণকে উৎসাহিত করে এই প্রকল্পগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।
ব্রিকস সদস্যদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির অনুপস্থিতি ব্লকের কার্যকারিতাকে আরও জটিল করে তোলে, এবং গোষ্ঠীর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে তাইল্যান্ডের জন্য অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। যাই হোক, ব্রিকস-এর মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব, যেমন ভারত ও চিনের মধ্যে চলতি অর্থনৈতিক কূটনীতি, প্রতিযোগিতার মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনাকেও তুলে ধরে। নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে লেনদেনের জন্য প্রস্তাবিত ব্রিকস মুদ্রার মতো উদ্যোগগুলি মার্কিন ডলারের উপর নির্ভরতা কমাতে এবং পশ্চিমী অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় ব্লকের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রদর্শন করে।
তাইল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান
২০২৪ সালের গোড়ার দিকে ব্রিকস-এর সম্প্রসারণ, যার ফলে এতে যুক্ত হয়েছে পাঁচটি নতুন সদস্য — সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই), মিশর, ইরান ও ইথিওপিয়া — ব্লকের সম্ভাবনার একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চিহ্নিত করেছে এবং একে তাইল্যান্ডের মতো দেশের জন্য আরও বেশি আকর্ষণীয় জোট করে তুলেছে। ব্রিকস-এর মধ্যে প্রধান তেল উৎপাদকদের ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলির অন্তর্ভুক্তি বিশ্ব বাণিজ্য গতিশীলতাকে নতুন আকার দিতে পারে, এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে। এটি সম্ভাব্যভাবে তাইল্যান্ডকে আরও ন্যায়সঙ্গত বাণিজ্য শর্তাবলি এবং পশ্চিমের ঐতিহ্যগত শক্তি কেন্দ্রগুলির বাইরে শক্তিশালী অর্থনৈতিক জোটের প্রস্তাব দেয়৷
২০২৪ সালের গোড়ার দিকে ব্রিকস-এর সম্প্রসারণ, যার ফলে এতে যুক্ত হয়েছে পাঁচটি নতুন সদস্য — সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই), মিশর, ইরান ও ইথিওপিয়া — ব্লকের সম্ভাবনার একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চিহ্নিত করেছে এবং একে তাইল্যান্ডের মতো দেশের জন্য আরও বেশি আকর্ষণীয় জোট করে তুলেছে।
অবশেষে, ব্রিকসের সম্প্রসারণ বহুমেরু রাজনীতির যুগে ঘটেছে, যা তাইল্যান্ডকে বিশ্ব বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জটিলতাগুলির মধ্যে দিয়ে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে চলার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দেয়। ব্রিকস-এ তাইল্যান্ডের সম্ভাব্য সদস্যপদ এমন একটি কৌশলগত পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে যা এর অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ভূচিত্রকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে, এবং একে বৈচিত্রপূর্ণ বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার বৃহত্তর প্রবণতার সঙ্গে সারিবদ্ধ করে।
সৌম্য ভৌমিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr. Soumya Bhowmick is a Fellow and Lead for World Economies and Sustainability at the Centre for New Economic Diplomacy (CNED) at the Observer Research ...
Read More +