Author : Nwabisa Matoti

Expert Speak Raisina Debates
Published on Jun 03, 2026 Updated 0 Hours ago

ভারতের প্রযুক্তিগত ও শিল্পশক্তির সঙ্গে আফ্রিকার সমৃদ্ধ সামুদ্রিক সম্পদ এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিষ্ঠানগুলিকে একত্রিত করে এই দুই অঞ্চল যৌথ ভাবে একটি স্থিতিস্থাপক, স্থিতিশীল এবং জনকেন্দ্রিক সামুদ্রিক ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারে।

মহাসাগরে স্থিতিশীল উন্নয়নের জন্য ভারত-আফ্রিকা সহযোগিতা জোরদার করা

এই প্রতিবেদনটি ‘গভর্নিং দ্য ওশানস: রিথিঙ্কিং অ্যাকসেস অ্যান্ড ইক্যুইটি’ (‘মহাসাগর শাসন: প্রবেশাধিকার ও সমতার পুনর্বিবেচনা’) সিরিজের একটি অংশ।

বিশ্বের অর্থনৈতিক উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে এমন শিল্পগুলির মধ্যে সমুদ্র-ভিত্তিক শিল্পকে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মতে, পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সমুদ্র দ্বারা আবৃত এবং আয়তনের দিক থেকে এটি গ্রহের ৯৯ শতাংশ বাসযোগ্য স্থানের অধিকারী। তিন বিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাদের সুস্থতার জন্য সামুদ্রিক ও উপকূলীয় জীববৈচিত্র্যের উপর নির্ভরশীল এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৪৪ শতাংশ উপকূলরেখা থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে বাস করে, যেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যটন উপকূল বরাবরই সংঘটিত হয়।

বিশ্বের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং পণ্য ও পরিষেবার চাহিদাও বাড়তে থাকায়, শুধুমাত্র স্থলভিত্তিক সম্পদ এই চাহিদাগুলি মেটাতে সক্ষম না-ও হতে পারে। তাই স্থিতিশীল উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য হ্রাসের জন্য সমুদ্র সম্পদের উপর বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।

আফ্রিকার নীল অর্থনীতি: সম্ভাবনা ও চাপ

স্থিতিশীল সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলা বেশ কয়েকটি আফ্রিকান সরকারের জন্য একটি অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। কারণ সমুদ্র কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা এবং বিনোদনের উৎস হতে পারে। মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ মহাদেশীয় শেলফ-সহ প্রায় ৩০,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা নিয়ে আফ্রিকা বছরে প্রায় ১৩.১ মিলিয়ন টন মৎস্য ও জলজ চাষজাত পণ্য উৎপাদন করে। এটি কিছু শক্তি সম্পদেরও আবাসস্থল (যেখানে সৌরশক্তির (১০ টেরাওয়াট) প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে এবং জলবিদ্যুৎ (৩৫০ গিগাওয়াট), বায়ু (১১০ গিগাওয়াট) ও ভূতাপীয় শক্তির (১৫ গিগাওয়াট) উৎসও প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান)। আফ্রিকা মহাদেশ বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ জীববৈচিত্র্যেরও আশ্রয়স্থল, যা এর নীল অর্থনীতিকে স্থিতিশীল উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি অব্যবহৃত কিন্তু সম্ভাব্য রূপান্তরকারী চালিকাশক্তিতে পরিণত করেছে।

আফ্রিকার উপকূলীয় সম্প্রদায় এবং ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদার সম্মিলিত প্রভাবে বিশেষ ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু প্রায়শই তাদের স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের অভাব থাকে।

এই সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি সমুদ্র-ভিত্তিক খাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, বিশেষ করে আফ্রিকার মতো ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলিতে। বর্তমান তাপমাত্রা ১.১° সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাওয়ায়, বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের প্রায় ৬০ শতাংশ হয় অবক্ষয় হয়েছে অথবা অস্থিতিশীল ভাবে শোষিত হচ্ছে বলে মনে করা হয়। সুতরাং, জলবায়ুর পরিবর্তনশীলতা এবং আবহাওয়া-সম্পর্কিত দুর্যোগ খাদ্য নিরাপত্তার চারটি মাত্রাকেই — প্রাপ্যতা, প্রবেশাধিকার, ব্যবহার এবং স্থিতিশীলতা — ক্ষুণ্ণ করার সম্ভাবনা রাখে।

আফ্রিকার উপকূলীয় সম্প্রদায় এবং ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদার সম্মিলিত প্রভাবে বিশেষ ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু প্রায়শই তাদের স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের অভাব থাকে। এই কারণসমূহ খাদ্য ও জল নিরাপত্তা এবং জীবিকাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং এর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও, ব্লু ইকোনমি এবং সম্প্রদায়ের জীবিকার জন্য অন্যান্য হুমকিও রয়েছে, যা স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। (চিত্র ১ দ্রষ্টব্য)।

চিত্র ১: ব্লু ইকোনমির প্রতিবন্ধকতা

Strengthening India Africa Collaboration For Sustainable Ocean Development

উৎস: নারওয়াল প্রমুখ, ২০২৩

কার্যকর অভিযোজন কৌশল এবং স্থিতিশীল সম্পদ ব্যবস্থাপনা ছাড়া, এই অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তায় ব্লু ইকোনমির অর্থবহ প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পাবে। অভিযোজন কৌশলগুলির মধ্যে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে: বন্যা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং উপকূলীয় সুরক্ষা; এবং স্থিতিশীল সমুদ্র ব্যবহার সহজতর করার জন্য মেরিন স্প্যাশিয়াল প্ল্যানিং (এমএসপি) এবং মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়াজ-এর (এমপিএ) মতো নীতি, পরিকল্পনা এবং শাসন কাঠামো। সুতরাং এই ধরনের কৌশলগুলি ব্লু ইকোনমির প্রতি এই হুমকিগুলির বিরুদ্ধে স্থিতিস্থাপকতা তৈরিতে সাহায্য করতে পারে।

ভারত-আফ্রিকা সহযোগিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা

আফ্রিকায় ব্লু ইকোনমি উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে ভারত-আফ্রিকা সহযোগিতার নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত: 

  • জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রের তাপমাত্রার পরিবর্তন, মাছের মজুতের প্রাপ্যতা এবং অবৈধ, অপ্রতিবেদিত ও অনিয়ন্ত্রিত (আইইউইউ) মাছ ধরার মতো কার্যকলাপের মতো পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতা পর্যবেক্ষণ ও নজরদারির জন্য প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বিবেচনা করা উচিত। এই প্রযুক্তিগুলির মধ্যে স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান, বয়া এবং রিমোট সেন্সর অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। 

  • জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে পরিচ্ছন্ন শক্তির দিকে রূপান্তরের জন্য ব্লু বন্ড, মিশ্র অর্থায়ন, সংরক্ষণ ও পর্যটন রাজস্ব ভাগাভাগির জন্য এনডাউমেন্ট ফান্ড, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ (এসএমএমই) অর্থায়ন পণ্য, বন্দর অবকাঠামো ও লজিস্টিকসের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের অর্থায়ন এবং সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়ন ও বিনিয়োগ সমাধানগুলিকে সক্রিয় করে তোলা উচিত। আফ্রিকা ব্লু ওয়েভের মতো উদ্যোগের অনুরূপ একটি ঝুঁকি হ্রাসকারী তহবিল হিসেবে একটি বিশেষ ইন্দো-আফ্রিকা ব্লু ফান্ড তৈরির বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে, যা ক্ষুদ্র ব্যবসা, জলজ চাষ ও মৎস্য প্রকল্প, উপকূলীয় ও সামুদ্রিক পর্যটন প্রকল্প, সেই সঙ্গে উপকূলীয় অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতা উদ্যোগে অর্থায়ন করবে।

  • স্থিতিশীল মৎস্য চাষ ও জলজ চাষ পদ্ধতির প্রসারের জন্য মাছ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র, সংরক্ষণাগার, জেলেদের জন্য মাছ ধরার সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি, মৎস্যচাষী ও জেলেদের জন্য বাজার সুবিধার্থে উদ্যোগ এবং দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি উদ্যোগে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা উচিত।

  • অন্তর্ভুক্তিমূলকতাকে উৎসাহিত করার জন্য ঐতিহ্য-সম্পর্কিত পর্যটন-সহ উপকূলীয় পর্যটনের মতো কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোগে বিনিয়োগকে অবশ্যই উৎসাহিত করতে হবে; জলজ চাষ, বন্দর পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগকে (এসএমএমই) সহায়তা প্রদানও ব্লু ইকোনমির আওতায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হতে পারে।

  • গবেষণা ও উদ্ভাবনের আওতায় অবশ্যই স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি, সামুদ্রিক ডেটা প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ, ম্যাপিং ও রিমোট সেন্সিংয়ের জন্য সামুদ্রিক রোবোটিক্স গবেষণার প্রসার এবং গবেষণা অনুদান প্রদানের মাধ্যমে গবেষণা সক্ষমতা তৈরি করতে হবে, যা আফ্রিকান গবেষকদের একটি নতুন প্রজন্ম তৈরিতে অবদান রাখবে। এ ছাড়াও, সামুদ্রিক শৈবালের ভ্যালু-চেন প্রক্রিয়াকরণের উপর মনোযোগ দিয়ে উচ্চ-প্রভাবশালী সমাধান-সহ যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপনকে সহজতর করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সম্ভবত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ এবং সেন্ট্রাল মেরিন ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর (আইসিএআর-সিএমএফআরআই) মতো সংস্থাগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব করা যেতে পারে, যা গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্যোগকে সমর্থন করবে এবং মৎস্যচাষী ও উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

  • দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচিতে অবশ্যই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং সামুদ্রিক বিজ্ঞানে প্রশিক্ষণের প্রসার ঘটাতে হবে, দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তার জন্য অবকাঠামো ও সরঞ্জামে বিনিয়োগ করতে হবে এবং যেখানে প্রাসঙ্গিক যোগ্যতার অভাব রয়েছে, সেখানে যোগ্যতা তৈরি করতে হবে অথবা এই ধরনের যোগ্যতা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে হবে। সর্বোপরি, ব্লু ইকোনমি যোগ্যতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক বা দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনিময় সুযোগ সম্প্রসারণে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে।

প্রস্তাবিত এই চালিকাশক্তিগুলি জ্ঞান বিনিময়কেও উৎসাহিত করতে পারে এবং সম্ভাব্য ভাবে আফ্রিকার উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে উন্নত ও আরও স্থিতিস্থাপক করে তুলতে পারে।

আফ্রিকায় ব্লু ইকোনমি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অপরিহার্য। তাই ভারত-আফ্রিকা অংশীদারিত্ব জোরদার করা অর্থনৈতিক, পরিবেশগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং শাসনতান্ত্রিক ক্ষেত্রে লাভজনক হবে। এটিকে সহজতর করার জন্য, এমন কিছু অভিন্ন চালিকাশক্তির ক্ষেত্র বিবেচনা করা উচিত যা ব্লু ইকোনমিতে স্থিতিশীল উন্নয়নকে উৎসাহিত করতে অর্থপূর্ণ সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। এগুলির মধ্যে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে: অভিন্ন অর্থনৈতিক উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত দুর্বলতার অভিন্ন স্বীকৃতি ও তা মোকাবিলার অঙ্গীকার এবং সহযোগিতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার জন্য অভিন্ন প্রয়োজনীয়তা। প্রস্তাবিত এই চালিকাশক্তিগুলি জ্ঞান বিনিময়কেও উৎসাহিত করতে পারে এবং সম্ভাব্য ভাবে আফ্রিকার উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে উন্নত ও আরও স্থিতিস্থাপক করে তুলতে পারে।

উপসংহার

দারিদ্র্য মোকাবিলা করতে এবং এর অপরিহার্য সামুদ্রিক আবাসস্থল রক্ষা করতে আফ্রিকা মহাদেশের দ্রুত, সমন্বিত পদক্ষেপ এবং বিনিয়োগ প্রয়োজন। আফ্রিকায় ব্লু ইকোনমি উদ্যোগে বিনিয়োগ স্থিতিশীল উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার সুযোগ তৈরি করে। ভারত-আফ্রিকা ব্লু ইকোনমি সহযোগিতা পারস্পরিক শিক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে একটি অনন্য দক্ষিণ-দক্ষিণ উন্নয়ন মডেল প্রদান করে। ভারতের প্রযুক্তিগত ও শিল্পশক্তির সঙ্গে আফ্রিকার সমৃদ্ধ সামুদ্রিক সম্পদ এবং ক্রমবর্ধমান প্রতিষ্ঠানগুলোকে একত্রিত করে এই দুই অঞ্চল যৌথ ভাবে একটি স্থিতিস্থাপক, স্থিতিশীল এবং জনকেন্দ্রিক সামুদ্রিক ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে। সুতরাং, ভারত ও আফ্রিকা ব্লু ইকোনমি প্রকল্পগুলির জন্য যৌথভাবে অর্থায়নের ব্যবস্থা তৈরির মাধ্যমে আফ্রিকার ব্লু ইকোনমির ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে লাভজনক ও স্থিতিশীল ব্লু ভ্যালু চেন তৈরিতে নেতৃত্ব দিতে পারে।

 


নওয়াবিসা মাতোতি সাউথ আফ্রিকান ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট-এর (এসএআইএমআই) স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনালাইজেশন-এর ডিরেক্টর।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.