বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার কারণে ইইউ-এর পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি উপসাগরের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক এর অর্থনৈতিক, জ্বালানি ও নিরাপত্তা স্থিতিস্থাপকতার মূল চাবিকাঠি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) তার ‘২০৪০ সালের বৈশ্বিক প্রবণতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ‘বেশ কয়েক বছর ধরে বিশ্ব সহযোগিতা ও সমন্বিতকরণের যুগ থেকে প্রতিযোগিতা ও সংঘর্ষের যুগে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। এই পরিবর্তন কোনও নতুন ঘটনা নয়: এই প্রতিবেদনের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলি ইতিমধ্যেই জাতীয় স্বার্থের একতরফা সাধনা, বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভাজন এবং বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতার দিকে একটি গতিপথ তুলে ধরেছে। […] বিশ্বকে অদূর ভবিষ্যতে ‘স্থায়ী অস্থিরতা’র সঙ্গেই সহবাস করতে হবে বলে মনে হচ্ছে।’
ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক জলবায়ুর এই অবিচল ও গুরুতর মূল্যায়ন ইইউ-কে বছরের পর বছর ধরে তার অস্থির পরিবেশের মধ্যে আরও ভাল ভাবে পথ খুঁজে নেওয়ার জন্য তার বহিরাগত কর্ম কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে। ২০২০-এর দশকের গোড়ার দিক থেকে স্থিতিস্থাপকতার ভূ-রাজনৈতিক মাত্রা ইইউ-এর নীতিগত কর্মসূচিতে প্রাধান্য পেয়েছে। বিস্তৃত ভাবে দেখলে, ‘ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা’ বলতে ইউনিয়নের উন্মুক্ত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন (ওএসএ) এবং একটি বিশ্বনেতা হিসেবে ভূমিকা জোরদার করার লক্ষ্যকে বোঝায়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য একটি মূল ধারণা অর্থাৎ ওএসএ (ওপেন স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি) ইইউ-কে ‘কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ক্ষেত্রগুলিতে স্বায়ত্তশাসিত ভাবে কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করে [...] [যদিও ইইউ] যেখানেই সম্ভব ও উপযুক্ত, সেখানে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার লক্ষ্য রাখে।’
এর অর্থ হল, তৃতীয় দেশ বা তৃতীয় কোনও পক্ষের সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত পদক্ষেপ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব পারস্পরিক ভাবে একচেটিয়া নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার লক্ষ্য অর্জনে পরিপূরক। ইইউ-এর নিজস্ব কাঠামো ও শ্রেণিবিন্যাসের উপর ভিত্তি করে চারটি মূল দুর্বলতার পর্যবেক্ষণ ও সমাধান করতে হবে: কাঁচামাল ও জ্বালানি সরবরাহ, মূল্য শৃঙ্খল ও বাণিজ্য, আর্থিক বিশ্বায়ন এবং নিরাপত্তা ও জনসংখ্যা।
উপসাগরীয় অঞ্চলের মাধ্যমে সংযোগ: স্থিতিশীল সরবরাহ এবং নিরাপদ বাণিজ্য
এই গবেষণাপত্রটিতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, লক্ষ্যবস্তু কৌশলগত অংশীদারিত্ব -ওএসএ ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ – ইইউ-এর ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করতে এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে। প্রতিবেশ অঞ্চলের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলটি ইইউ-এর ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার চারটি ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ প্রভাবের জন্য আলাদা। ভৌগোলিক ভাবে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার সন্ধিস্থলে অবস্থিত উপসাগরীয় অঞ্চলটি ইইউ-এর অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী শক্তি। ২০২২ সালে গৃহীত ইইউ-উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) কৌশলগত অংশীদারিত্বে ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে উপসাগরীয় দেশগুলির প্রাসঙ্গিকতার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল: ‘উপসাগরীয় অঞ্চলটি একটি গতিশীল প্রতিবেশী অঞ্চল এবং ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পরিস্থিতি ইইউ-এর জন্য সরাসরি পরিণতি বহন করে […] ইউরোপ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার জন্য নিরাপত্তাহীনতা এবং উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের সময়ে […] উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) ও এর সদস্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও আরও কৌশলগত অংশীদারিত্ব থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনেক কিছু অর্জন করতে পারে।’ ইইউ-উপসাগরীয় সহযোগিতা অংশীদারিত্বের উপর ইউরোপীয় কমিশন এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতির জন্য উচ্চ প্রতিনিধির যৌথ বিবৃতিতে এমনটা বলা হয়।
বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলি তাদের ‘স্মার্ট ভূ-রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা’ বজায় রেখেছে এবং ক্রমবর্ধমান ভাবে আরও ভূ-রাজনৈতিক ভাবে অস্থিতিশীল গন্তব্য থেকে পুনঃনির্দেশিত এফডিআই আকর্ষণ করছে। কেবল শান্তির সময়েই নয়, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়কালেও এই প্রবণতা ইইউ-এর আর্থিক স্থিতিস্থাপকতায় অবদান রাখতে পারে।
আরব উপদ্বীপে তাদের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলি ইউরোপের আন্তঃমহাদেশীয় সংযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান দৃঢ় মধ্যম শক্তি হিসেবে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) সদস্যরা আন্তঃআঞ্চলিক সংযোগ প্রকল্পের অপরিহার্য অংশীদার। উল্লেখযোগ্য ভাবে ছ’টি জিসিসি সদস্য দেশের মধ্যে দু’টি দেশ অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই) এবং সৌদি আরব ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোর (আইএমইইইসি) প্রকল্পের স্বাক্ষরকারী। এটি এমন একটি বহু-মডেল সংযোগ প্রকল্প, যার সম্ভাবনা ‘বিশ্বায়নের নতুন অর্থনৈতিক পথ’ হয়ে উঠবে। সামুদ্রিক ও স্থলভিত্তিক উপাদানগুলির সমন্বয়ে গঠিত এই করিডোরের লক্ষ্য বন্দর ও রেলওয়ে অবকাঠামো উন্নত করা, শক্তি পরিবহণ (সবুজ হাইড্রোজেনের জন্য বিদ্যুৎ লাইন ও পাইপলাইনের মাধ্যমে) সহজতর করা এবং সমুদ্রের তলদেশে ডিজিটাল কেব্লের মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন উন্নত করা।
ইইউ-এর দৃষ্টিকোণ অনুসারে, আইএমইইসি তার গ্লোবাল গেটওয়ে কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ‘ডিজিটাল, জ্বালানি ও পরিবহণ খাতে স্মার্ট, পরিষ্কার এবং সুরক্ষিত সংযোগ’-এর প্রচার করে এমন প্রকল্পগুলিকে সমর্থন করে। উপসাগরীয় দেশগুলির কেন্দ্রে থাকায় এই করিডোর কাঁচামাল, জ্বালানি সরবরাহ এবং বাণিজ্য পথ সুরক্ষায় ইইউ-এর ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ: উপসাগরীয় অর্থনীতির আকর্ষণ
আন্তঃআঞ্চলিক সংযোগকারী হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভূমিকার ঊর্ধ্বে উঠে জিসিসি ইইউ-এর অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার। জিসিসি ইইউ-এর ষষ্ঠ বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার ও রফতানি গন্তব্য এবং এর দশম বৃহত্তম আমদানিকারক। ২০২৩ সালে জিসিসি দেশগুলি ইইউর বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) প্রধান প্রাপকদের মধ্যে ছিল, যার মোট পরিমাণ ছিল ২৩৫.৯ বিলিয়ন ইউরো (‘জিসিসি অঞ্চলে ইইউ বহির্মুখী এফডিআই স্টক’)।
তাদের গতিশীল ব্যবসায়িক বাস্তুতন্ত্র ও জিসিসির অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগ-বান্ধব নীতির জন্য ২০০০ সালের মাঝামাঝি থেকে কিছু উপসাগরীয় রাষ্ট্র আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলি তাদের ‘স্মার্ট ভূ-রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা’ বজায় রেখেছে এবং ক্রমবর্ধমান ভাবে আরও ভূ-রাজনৈতিক ভাবে অস্থিতিশীল গন্তব্য থেকে পুনঃনির্দেশিত এফডিআই আকর্ষণ করছে। কেবল শান্তির সময়েই নয়, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়কালেও এই প্রবণতা ইইউ-এর আর্থিক স্থিতিস্থাপকতায় অবদান রাখতে পারে।
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা: উপসাগরীয় অঞ্চলে কূটনীতি এবং মধ্যস্থতা
ইইউ স্বীকার করে নিয়েছে যে, ‘[ক] বৃহত্তর উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ইইউ-এর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং এটি কেবল ইইউ-এর প্রতিবেশী দেশগুলিতেই নয়, বরং সাধারণ স্বার্থের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রতিধ্বনিত হয়।’ অতএব, অঞ্চলের সমস্ত প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে জিসিসি সদস্যদের কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ইইউ-এর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।
উপসাগরীয় দেশগুলির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা বিরোধ নিষ্পত্তি ও উত্তেজনা প্রশমনে উল্লেখযোগ্য সহায়তা করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশগ্রহণ এ ধরনের উদ্যোগে আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিত হওয়া উচিত, যেখানে অধিক সমন্বিত ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির সুফলগুলিকে সূক্ষ্ম আঞ্চলিক ভারসাম্যকে ক্ষতিগ্রস্ত বা বিপন্ন করার ঝুঁকির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোজন: উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব স্বীকার করা
ইইউ-এর মধ্যে সাম্প্রতিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনগুলি উপসাগরের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব সম্পর্কে ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান সচেতনতাকে প্রতিফলিত করে। ২০২২ সালের ইইউ-জিসিসি কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর ইইউ ২০২৩ সালে উপসাগরের জন্য তার প্রথম বিশেষ প্রতিনিধি (ইইউএসআর) নিযুক্ত করে এবং ২০২৫ সালে ইউরোপীয় কমিশনে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং উপসাগরের জন্য মহাপরিচালক (ডিজি এমইএনএ) চালু করে।
ইউরোপীয় কমিশন (ডিজি এমইএনএ-র সঙ্গে) এবং ইউরোপীয় বহিরাগত কর্ম পরিষেবা (উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ইইউএসআর-সহ) তৈরি থেকে শুরু করে এর কিছু প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনে ইইউর উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রাসঙ্গিকতার স্বীকৃতি প্রকৃতপক্ষে প্রতিফলিত হয়েছে।
ইইউএসআর-এর মতাদেশ ইইউ-এর ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা লক্ষ্যের সঙ্গে নিবিড় ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ ইইউএসআর ‘উপসাগরীয় অংশীদার ও প্রাসঙ্গিক আঞ্চলিক সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা ও দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক সমাধানগুলিকে সম্পৃক্ত ও সমর্থন করে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষায় অবদান রাখার সর্বোত্তম উপায়গুলির অনুসন্ধান করে।’ সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত ডিজি এমইএনএ-র কৌশলগত উদ্দেশ্য সম্পর্কে - যার নাম এবং পরিধি উপসাগরীয়-নির্দিষ্ট মনোযোগকেই দর্শায় - আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে ‘সাধারণ স্থিতিশীল সমৃদ্ধি ও স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করা’র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উপসংহার
ক্রমবর্ধমান অস্থির ও সংঘাতপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি - যার ফলে ইইউর কৌশলগত পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা – ইইউ-এর নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিতে অবদান রাখে। উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা সরবরাহ শৃঙ্খলে দুর্বলতা হ্রাস করতে, নিরাপদ বাণিজ্য পথ উন্নত করতে, নতুন আর্থিক বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করতে এবং দ্বি-আঞ্চলিক নিরাপত্তায় অবদান রাখতে সহায়তা করতে পারে।
ইউরোপীয় কমিশন (ডিজি এমইএনএ-র সঙ্গে) এবং ইউরোপীয় বহিরাগত কর্ম পরিষেবা (উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ইইউএসআর-সহ) তৈরি থেকে শুরু করে এর কিছু প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনে ইইউর উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রাসঙ্গিকতার স্বীকৃতি প্রকৃতপক্ষে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তুতন্ত্রের রূপান্তর ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অগ্রাধিকারগুলি পর্যবেক্ষণ এবং তা নিয়ে অনুমান করার জন্য একটি মূল্যবান দৃষ্টিকোণ প্রদান করে। এখন যে প্রশ্নটির উত্তর খোঁজা উচিত, তা হল, সম্প্রতি নির্মিত প্রতিষ্ঠানগুলি মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে কী ভাবে বিকশিত হবে।
এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ওআরএফ মিডল ইস্ট-এ।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Eszter Karacsony is an Associate Fellow and Program Lead in Geopolitics at Observer Research Foundation (ORF) Middle East. She joined the Team in May 2025. Her ...
Read More +