স্কুলগুলিকে যুব সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান মানসিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে ভারতের তীব্র লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিতে হবে এবং তার জন্য প্রাথমিক সহায়তা, প্রতিরোধ, মানসিক স্থিতিস্থাপকতা তৈরির পাশাপাশি আশা প্রদান করতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমান অনুযায়ী, প্রতি সাতজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে একজন (১০-১৯ বছর) মানসিক সমস্যায় ভুগছে, যা এই বয়সের বিশ্বব্যাপী রোগের ১৫ শতাংশের জন্য দায়ী। রাষ্ট্রপুঞ্জের আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) অনুসারে, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতাজনিত সমস্যাই (৪২.৯ শতাংশ) এর মূল কারণ। এর পরে রয়েছে আচরণগত ব্যাধি (২০.১ শতাংশ) এবং অ্যাটেনশন-ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার বা এডিএইচডি (১৯.৫ শতাংশ)। বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৪৫,৮০০ কিশোর-কিশোরী, অর্থাৎ প্রতি ১১ মিনিটে একজন আত্মহত্যা করে।
ভারতে জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কাউন্সিল (এনসিইআরটি) কর্তৃক ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা’ শীর্ষক ২০২২ সালের একটি সমীক্ষা অনুসারে, ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা, পরীক্ষা ও ফলাফলের কারণে তীব্র উদ্বেগ অনুভব করে এবং ৪৫ শতাংশের বডি ইমেজ বা শারীরিক ভাবমূর্তি নেতিবাচক ছিল। এই প্রবণতা মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণি) থেকে মাধ্যমিক স্তরে (৯ম শ্রেণি) বৃদ্ধি পেয়েছে। 'সাধারণ ভাবে ‘অনুভূত অনুভূতি’র পরিধির মধ্যে, এই দেশব্যাপী সমীক্ষায় ৪৫ শতাংশ শিশু ক্লান্ত ও শক্তির অভাব বোধ করেছে, ৩৪ শতাংশ শিশু প্রায়শই কান্নাকাটি করে, ২৭ শতাংশ শিশু সপ্তাহে দু’থেকে তিন বার একাকিত্ব অনুভব করেছে এবং ১৪ শতাংশ শিশু চরম আবেগ অনুভব করেছে (দ্রষ্টব্য চিত্র ১)।
চিত্র ১: ভারতীয় স্কুল শিক্ষার্থীদের সাধারণ ভাবে অনুভূত অনুভূতি

সূত্র: স্কুল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা সমীক্ষা, ২০২২ সালে এনসিইআরটি কৃত
নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে এই সমস্যা আরও তীব্র। ভারতের মোট ছাত্র আত্মহত্যার এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়বদ্ধ মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও মধ্যপ্রদেশ। কোচিং শহর কোটার জন্য কুখ্যাত রাজস্থান ৫৭১ জন ছাত্র আত্মহত্যার ঘটনার দরুন দশম স্থানে রয়েছে। মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা এবং মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সম্পর্কিত জাতীয় টাস্ক ফোর্স দর্শিয়েছে যে, স্নাতক স্তরের মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের ২৭.৮ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যায় ভুগছেন এবং ৩১.৩ শতাংশ স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীর মধ্যে আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা রয়েছে।
তা ছাড়া, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ও স্ক্রিন টাইমের ফলে যুবক ও শিশুদের মধ্যে আবেগপ্রবণতা বৃদ্ধি পায়, মনোযোগের সময় কমে যায়, আত্মসম্মান হ্রাস পায় এবং হতাশার লক্ষণগুলি বেশি স্পষ্ট হয়।
মানসিক স্বাস্থ্যের পরিসর শুধু মানসিক অসুস্থতাতেই সীমাবদ্ধ নয়
মানসিক স্বাস্থ্য বিভিন্ন ধরনের, যা সম্পূর্ণ সুস্থতা থেকে শুরু করে যেখানে ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবন দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারে, এবং তা থেকে মানসিক কষ্ট বা অস্থায়ী চ্যালেঞ্জ যেমন অসুস্থতা, পরীক্ষা, অথবা ক্ষতি ও পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় পর্যন্ত বিস্তৃত। আরও গুরুতর পর্যায়ে রয়েছে নির্ণয়যোগ্য মানসিক অসুস্থতা, যা একজন ব্যক্তির জীবনের প্রায় প্রতিটি দিককে প্রভাবিত করতে পারে এবং প্রায়শই পেশাদার সহায়তা ও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয় (দ্রষ্টব্য চিত্র ২)।
চিত্র ২: মানসিক স্বাস্থ্যের ধারাবাহিকতা

সূত্র: মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা সম্পর্কিত জাতীয় টাস্ক ফোর্সের প্রতিবেদন, ২০২৪
২০০৫ সালে, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক ইউরোপীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে হু এই বিবৃতিটি অনুমোদন করে যে, ‘মানসিক স্বাস্থ্য ছাড়া কোনও স্বাস্থ্য নেই’। এটি এমন একটি স্থিতিশীল ভিত্তি তৈরির তাৎপর্যকে তুলে ধরে, যা শিক্ষার্থীদের উন্নতি করতে এবং তাদের সুস্থতা রক্ষা করতে সহায়তা করে।
২০১২ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে আনুমানিক অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ১.০৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে। ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪-২৫ এ বিষয়ে একমত যে, শিক্ষার্থীদের সামাজিক-মানসিক শিক্ষার উপর ব্যয় করা প্রতিটি ডলার দীর্ঘমেয়াদে ১১ মার্কিন ডলার অর্থনৈতিক লাভ প্রদান করে, যার ফলাফল মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগকে অন্তর্ভুক্ত করে। তবুও ১,৩১৪ কোটি টাকার মোট ব্যয়ের মধ্যে (প্রায় ১৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) মানসিক স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ১ শতাংশ এবং মোট কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটের প্রায় ০.০০৩ শতাংশ পায়। তা ছাড়া, ভারতে বর্তমানে মাত্র ৯,০০০ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আছেন - প্রতি ১০০,০০০ জনসংখ্যায় প্রায় ০.৭৫ জন - যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের তুলনায় উল্লেখযোগ্য রকমের কম।
প্রতিরোধ ও সম্ভাবনার পরিসর হিসেবে স্কুল
বিদ্যালয় হল শিশুদের জন্য দ্বিতীয় বাড়ির মতো। বিদ্যালয় এমন একটি বাস্তুতন্ত্র যেখানে তাদের তরুণ মন গঠন করা হয়, পরিচয় তৈরি হয় এবং আবেগগত জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। অতএব, শিশুদের মধ্যে ক্ষমতা, আত্ম-সচেতনতা ও মানসিক স্থিতিস্থাপকতাকে লালন করার জন্য বিদ্যালয়ই আদর্শ। যদি সঠিক ভাবে কাজটি করা হয়, তা হলে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত হস্তক্ষেপের জন্য বিদ্যালয়ই সবচেয়ে কার্যকর স্থান, বিশেষ করে ভারতের মতো একটি দেশে, যেখানে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা দুর্লভ ও সেই সহায়তাকে অদ্ভুত নজরে দেখা হয়।
এ কথা স্বীকার করে নিয়েই স্কুল ও কলেজগুলিতে ভারতের মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগগুলি বাড়ছে, সরকারি ও বেসরকারি খাতে প্রতিশ্রুতিশীল মডেলগুলি আবির্ভূত হচ্ছে। নীচে মূল উদ্যোগগুলির একটি সারসংক্ষেপ দেওয়া হল:
|
প্রকল্প |
মূল উপাদান |
কোন কোন ক্ষেত্রব্যাপী কাজ করবে |
কোনও বাধা বা প্রতিবন্ধকতা |
|
আয়ুষ্মান ভারত স্কুল হেলথ |
পর্যবেক্ষণ, রেফারেন্স প্রদান এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা |
প্রারম্ভিক ধাপ, সীমিত |
বিস্তৃত বাস্তবায়নে অস্থিরতা, সম্পদের অভাব |
|
মনদর্পণ |
হেল্পলাইন, অনলাইন কাউন্সেলিং, স্ব-সহায়তা সম্পদ |
জাতীয়, তবে কেবল ডিজিটাল প্রবেশাধিকারকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ |
সচেতনতা ও ফলো-আপ সীমিত, শহুরে অঞ্চলে বেশি মনোযোগ |
|
এসআইএমএইচএ (স্কুল ইনিশিয়েটিভ ফর মেন্টাল হেলথ অ্যাডভোকেসি) |
শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অধিকার সংক্রান্ত প্রচারাভিযান, সহপাঠী কর্মসূচি, ডিজিটাল সাধনী |
১০টির বেশি রাজ্য |
বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন মাত্রার সম্পৃক্ততা এবং প্রাথমিক প্রশিক্ষণের বাইরে চলমান সহায়তার প্রয়োজন |
|
উচ্চ শিক্ষাস্তরে কর্মসূচি |
সহপাঠী পরামর্শদান, কাউন্সেলিং, কর্মশালা এবং ডিজিটাল সহায়তা |
নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানসমূহ (প্রধানত আইআইটি-তে) |
বিস্তৃত ভাবে বাস্তবায়িত হয়নি, সম্পদ সীমিত |
উৎস: যাচাইকৃত অনলাইন উৎস থেকে তথ্য ব্যবহার করে লেখক কর্তৃক সঙ্কলিত
এ ছাড়াও, স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগ একটি হোল-স্কুল অ্যাপ্রোচ বা সামগ্রিক স্কুল পদ্ধতির পক্ষে কথা বলে এবং স্কুলের নীতি ও পাঠ্যক্রমের সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগগুলিকে সমন্বিত করার আহ্বান জানায়। কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সিবিএসই) সুপারিশ করে যে, সমস্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কাউন্সিলর নিয়োগ করা উচিত এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্থিতিস্থাপকতা ও সমস্যা মোকাবিলা করার দক্ষতা তৈরির জন্য মনস্তাত্ত্বিক অনুশীলন পরিচালনা করা উচিত। এই কর্মসূচিগুলি জাতীয় অগ্রাধিকার হিসাবে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতিকে দর্শালেও মান, ন্যায্যতা ও স্থানীয় প্রাসঙ্গিকতার সঙ্গে সেগুলির পরিমাপ করাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
ভবিষ্যতের পথ
শিশুদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মানসিক স্বাস্থ্য সঙ্কট মোকাবিলায় সর্বাত্মক, শিক্ষা-নেতৃত্বাধীন প্রতিক্রিয়ার জন্য সাতটি সুপারিশ করা যেতে পারে:
প্রথমত, আবেগগত ও আচরণগত সমস্যাগুলি শনাক্ত করতে ও প্রতিক্রিয়া জানাতে যত্নশীলদের (অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রাথমিক শৈশব শিক্ষায় সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা জোরদার করা উচিত। এর জন্য মানসিক সাক্ষরতা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও সহিংসতা, ক্ষতি বা বিচ্ছেদের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য সম্পদের (বই, উপাদান, কার্যকলাপ) বিকাশও প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, সিবিএসই অধ্যক্ষ, পরামর্শদাতা ও শিক্ষকদের জন্য পর্যায়ক্রমিক ওয়েবিনার ও কর্মশালা পরিচালনা করলেও, এই প্রচেষ্টাগুলিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। ঘূর্ণায়মান উপস্থিতি এবং সহকর্মীদের মধ্যে ভাগ করে নিতে পারে এ হেন মডেলের মাধ্যমে সমস্ত শিক্ষকের নিয়মিত অংশগ্রহণ ব্যাপক বোধগম্যতা নিশ্চিত করতে পারে। শিক্ষকদের মানসিক স্বাস্থ্যসম্পর্কিত দক্ষতা বৃদ্ধি করতে একটি বিস্তৃত সহায়তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যেখানে শিক্ষকের সুস্থতা এবং অবসাদ প্রতিরোধের ওপর জোর দেওয়া হবে।
আবেগগত ও আচরণগত সমস্যাগুলি শনাক্ত করতে ও প্রতিক্রিয়া জানাতে যত্নশীলদের (অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রাথমিক শৈশব শিক্ষায় সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা জোরদার করা উচিত।
তৃতীয়ত, শিক্ষার্থীদের সুস্থতা পরিমাপ করা, সহায়তা পরিষেবার লব্ধতা এবং মানসিক সুরক্ষার মতো মানসিক স্বাস্থ্যের পরামিতিগুলিকে বিদ্যমান স্কুল কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন ব্যবস্থায় সমন্বিত করা, যাতে দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পায়।
চতুর্থত, সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে কলঙ্কের ভারমুক্ত আলোচনা, সহকর্মীদের নেতৃত্বে উদ্যোগ এবং মানসিক স্বাস্থ্য ক্লাবের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে যা শিক্ষার্থীদের তাদের সংগ্রাম ভাগ করে নেওয়ার জন্য নিরাপদ পরিসর তৈরি করে। শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র করে সহায়তার শৃঙ্খল তৈরির জন্য অভিভাবক ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পৃক্ততাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পঞ্চমত, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, এলজিবিটিকিউ+ যুবক এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের মতো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলিকে অতিরিক্ত সহায়তার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা উচিত এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থানগুলিতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার প্রদান করা উচিত।
ষষ্ঠত, পরীক্ষা-কেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে সরে আসা এবং অযথা চাপ কমাতে শিক্ষাগত কাঠামোর পুনর্গঠন করা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে নমনীয় মূল্যায়ন, গঠনমূলক প্রতিক্রিয়ার উপর জোর দেওয়া এবং শিক্ষার পাশাপাশি সৃজনশীলতা, খেলাধুলো এবং জীবন দক্ষতার প্রচার।
পরিশেষে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদার ও নাগরিক সমাজ সংস্থাগুলির সঙ্গে সহযোগিতায় এই উদ্যোগগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করা জরুরি, যাতে ক্যাম্পাস জীবনে প্রতিরোধ, প্রাথমিক হস্তক্ষেপ ও সম্প্রদায়ের সহায়তাকে সমন্বিত করে এমন সামগ্রিক ও ছাত্র-কেন্দ্রিক পদ্ধতি সুনিশ্চিত করা যায়।
আবেগগত ভাবে প্রতিক্রিয়াশীল শ্রেণিকক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে জবাবদিহিতামূলক স্কুলের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি পদ্ধতিগত, শিক্ষা-নেতৃত্বাধীন পদ্ধতিই আসলে প্রতিটি শিশুর মধ্যে প্রতিক্রিয়াশীল সঙ্কট সহায়তা থেকে সক্রিয় স্থিতিস্থাপকতা-নির্মাণের দিকে মনোনিবেশ করতে পারে।
একটি পদ্ধতিগত, শিক্ষা-নেতৃত্বাধীন মানসিক স্বাস্থ্য দৃষ্টিভঙ্গি - যা আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়াশীল শ্রেণিকক্ষ এবং প্রতিষ্ঠানগতভাবে দায়বদ্ধ স্কুলের মাধ্যমে কাজ করে - তা প্রতিক্রিয়াশীল সঙ্কট মোকাবিলা থেকে শুরু করে প্রতিটি শিশুর মধ্যে সক্রিয় সহজে স্থিতিস্থাপকতা গঠনের দিকে মনোযোগ পরিবর্তন করতে সক্ষম।
অর্পণ তুলসিয়ান অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোমেসির সিনিয়র ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Arpan Tulsyan is a Senior Fellow at ORF’s Centre for New Economic Diplomacy (CNED). With 16 years of experience in development research and policy advocacy, Arpan ...
Read More +