প্রতীকী সহযোগিতা সত্ত্বেও মস্কো পাকিস্তানের জন্য নয়াদিল্লির সঙ্গে তার লাভজনক প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে বলে মনে হয় না।
পাকিস্তানি জেএফ-১৭ ব্লক ৩ যুদ্ধবিমানের চালিকাশক্তি আরডি-৯৩এমএ ইঞ্জিন পাকিস্তানে রাশিয়ার সরবরাহের খবরটি ভারতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে এবং গণমাধ্যমে একটি আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। যদিও মস্কো সত্যিই উন্নত সংস্করণ-সহ এই সরবরাহগুলো চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এটি কোনও নতুন ঘটনা নয়। এমনকি কিছু সমালোচক যেমনটা অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া যদি এই রফতানি বন্ধ করার জন্য ভারতের অনুরোধ উপেক্ষা করেও থাকে, তা হলেও এই পরিস্থিতি অন্তত ২০০৭ সাল থেকে বিদ্যমান। তাই এই মুহূর্তে এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে মনোযোগ দেওয়াটা পর্যালোচনার দাবি রাখে। তা সত্ত্বেও এর ভবিষ্যৎ গতিপথ সম্পর্কে ধারণা পেতে পাকিস্তানের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সম্পর্কটি পুনরায় খতিয়ে দেখা উচিত।
সবই কথার কথা, কাজের কাজ কিছুই নয়
পাকিস্তানের কাছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রির বিষয়ে রাশিয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে কোনও ভ্রম থাকা উচিত নয়। রাশিয়ান সামরিক বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, মস্কোর দক্ষিণ এশিয়া নীতি পুনর্বিবেচনা করা উচিত এবং ভারত ও পাকিস্তান উভয়কেই অস্ত্র সরবরাহ করে সুবিধা ভোগ করা উচিত। প্রায়শই উদ্ধৃত যুক্তিটি হল, রাশিয়ার বিপরীতে ভারতের অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহকারী যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স, দিল্লি ও ইসলামাবাদ উভয়কেই অস্ত্র বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে, অথচ দরপত্রের সময় রাশিয়ার প্রস্তাবের চেয়ে তাদেরকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে যুক্তিটি হল, ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে রাশিয়াকে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রদানের নামে নিজেদেরকে সীমাবদ্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছে।
ইসলামাবাদের সীমিত ক্রয়ক্ষমতা ছাড়াও রুশ এবং পাকিস্তানি আঞ্চলিক উদ্দেশ্যগুলির সমন্বয় ও দীর্ঘমেয়াদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির ব্যাপক ‘অনিশ্চয়তা’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে।
এই যুক্তিগুলিও এই প্রেক্ষাপটের আলোকে বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। বিতর্কটি ১৯৯০-এর দশকে শুরু হয়েছিল, যখন মস্কো পাকিস্তানকে এসইউ-২৭ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করার দ্বারপ্রান্তে ছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জোরালো তদবির এবং রাশিয়া-পাকিস্তান রাজনৈতিক সম্পর্কের সাধারণ উষ্ণতা সত্ত্বেও চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছিল। এর পর আরও আলোচনা শুরু হয়, যার নেপথ্যে ছিল রাশিয়া থেকে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য পাকিস্তানের আকাঙ্ক্ষা, যার মধ্যে ছিল আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাঙ্ক, স্টিলথ ফ্রিগেট এবং কামান। পাকিস্তানের এই প্রস্তাবগুলির বেশির ভাগই তেমন ফলপ্রসূ হয়নি এবং ভারতের আপত্তির কারণে রাশিয়া সেগুলি আটকে দেয়। তবে যা বাস্তবায়িত হয়েছিল, তা হল রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমআই-১৭/১৭১ দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পরিবহণ হেলিকপ্টার সরবরাহ, যা ১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কয়েকটি ধাপে পাকিস্তানে সরবরাহ করা হয়েছিল এবং চারটি এমআই-৩৫এম যুদ্ধ হেলিকপ্টারও (দ্রষ্টব্য সারণি ১) এর অন্তর্গত।
সারণি ১. পাকিস্তানে রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহ (১৯৯৫-২০২৫)
|
নাম |
বরাতের |
বরাতের সংখ্যা |
সরবরাহের বছর |
আনুমানিক খরচ, মার্কিন ডলার (মিলিয়ন) |
|---|---|---|---|---|
|
মি-১৭ পরিবহণ হেলিকপ্টার |
১৯৯৫ |
৫ |
১৯৯৫ |
৪.২ |
|
মি-১৭ পরিবহণ হেলিকপ্টার |
১৯৯৫ |
১২ |
১৯৯৬ |
৩২ |
|
মি-১৭ পরিবহণ হেলিকপ্টার |
২০০১ |
১২ |
২০০২ |
৫০ |
|
মি-১৭ পরিবহণ হেলিকপ্টার |
২০০১ |
৪ |
২০০২ |
— |
|
মি-১৭ পরিবহণ হেলিকপ্টার |
২০০৩ |
১২ |
২০০৪ |
৫১ |
|
আরডি-৩৩ (৮৯০০) টার্বোফ্যান ইঞ্জিন |
২০০৪ |
২৫০ |
২০০৭–বর্তমান |
প্রযোজ্য নয় |
|
মি-৩৫এম যুদ্ধ হেলিকপ্টার |
২০১৫ |
৪ |
২০১৮ |
প্রযোজ্য নয় |
|
মি-১৭ পরিবহণ হেলিকপ্টার |
২০১৫ |
২ |
২০১৬ |
১৪ |
|
করনেট অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র |
২০১৭ |
৫০০ |
২০১৯ |
৬২ |
উৎস: সিপরি অস্ত্র স্থানান্তর সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার
ভারত যখন রুশ সামরিক সরঞ্জামের উপর তার নির্ভরতা কমাতে চাইছে, তখন পাকিস্তানের কাছে প্রতিরক্ষা সরবরাহের ‘বাণিজ্যিকীকরণ’ মস্কোতে গুরুত্ব পেয়েছে। ২০১৯ সালে রাশিয়ান বিশেষজ্ঞরা অনুমান করেছিলেন যে, রুশ অস্ত্রের জন্য পাকিস্তানের চাহিদা সম্ভাব্য ভাবে ৮-৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। তবে এই অনুমানের ক্ষেত্রে প্রায়শই পাকিস্তানের অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা বিবেচনা করা হয় না, বিশেষ করে যে দেশটি নগদ অর্থের সঙ্কটে ভুগছে এবং বাহ্যিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল। এর অর্থ হল, রাশিয়া যদি পাকিস্তান সরকারকে ঋণ দেয়, তবেই যে কোনও বড় চুক্তি কার্যকর হতে পারে। এটি কেবল একটি নির্ভরযোগ্য এবং আর্থিক ভাবে স্থিতিশীল অংশীদারকে দূরে সরিয়েই দেবে না, বরং এই ধরনের ব্যবস্থা রাশিয়ার নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্যও খুব একটা উপকারী হবে না, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন মস্কোর নিজেরই হার্ড কারেন্সি বা নগদ টাকার প্রয়োজন। ইসলামাবাদের সীমিত ক্রয়ক্ষমতা ছাড়াও রুশ এবং পাকিস্তানি আঞ্চলিক উদ্দেশ্যগুলির সমন্বয় ও দীর্ঘমেয়াদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির ব্যাপক ‘অনিশ্চয়তা’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে।
পাকিস্তানে রাশিয়ার ইঞ্জিনের আসল আখ্যান
২০০৭ ও ২০১০ সালে রোসোবোরোনেক্সপোর্ট ২৫০টি আরডি-৯৩ ইঞ্জিন চিনে রফতানির জন্য চুক্তি করে, যেখানে অতিরিক্ত ৪০০টি ইউনিটের একটি বিকল্প এবং পাকিস্তান-সহ তৃতীয় দেশে সেগুলি স্থানান্তরের অধিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে রাশিয়া-পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতা চুক্তির পর পাকিস্তানি কর্মকর্তারা দাবি করেন যে, তাঁরা সরাসরি রাশিয়া থেকে এই ইঞ্জিনগুলি কিনতে পারবেন, সেখানে ইঞ্জিন বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের ইঞ্জিন-মেরামত সুবিধাগুলির আধুনিকীকরণের জন্য মস্কোর সহায়তা চান। তবে ইঞ্জিন এবং খুচরো যন্ত্রাংশ সরবরাহের বাইরে রাশিয়া এমন কোনও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে কি না তার কোনও নিশ্চয়তা মেলেনি — এবং এমনকি এগুলিও চিনের মাধ্যমে পাকিস্তানে আদৌ রফতানি করা হচ্ছে, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
আরডি-৯৩-কে দেশীয় ভাবে তৈরি ডব্লিউএস-১৩ ইঞ্জিন দিয়ে প্রতিস্থাপনের জন্য চিনের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, চিন এবং পাকিস্তান উভয়ই রাশিয়ায় তৈরি ইঞ্জিনের উপর নির্ভরশীল, যা অধিক নির্ভরযোগ্য এবং স্থিতিশীল বলে বিবেচিত হয়।
আরডি-৯৩ হল রুশ মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত আরডি-৩৩ ইঞ্জিনের একটি রফতানিমূলক সংস্করণ, যা মূলত চিনা চেংডু এফসি-১/পাকিস্তানি জেএফ-১৭ থান্ডার বিমানকে শক্তি যোগানোর জন্য বানানো হয়েছে। আরডি-৯৩এমএ হল আরডি-৯৩-এর একটি উন্নত সংস্করণ, যা ৮,৩০০ কেজির তুলনায় ৯,৩০০ কেজি বর্ধিত শক্তি প্রদান করে। যদিও জেএফ-১৭-এর প্রথম দু’টি সংস্করণ আরডি-৯৩ ইঞ্জিনের উপর নির্ভরশীল ছিল, আরডি-৯৩এমএ-এর উন্নত শক্তি উৎপাদন জেএফ-১৭ ব্লক ৩-এর জন্য তৈরি করা হয়েছে, যা বিমানটিকে আরও ভারী পেলোড বহন করতে, উন্নত অ্যাভিওনিক্স সংহত করতে এবং উচ্চতর গতি অর্জন করতে সক্ষম করে। সিপরি-র তথ্য অনুসারে, ২০০৭ সাল থেকে রাশিয়া পাকিস্তানকে ২০০টিরও বেশি আরডি-৯৩ ইঞ্জিন সরবরাহ করেছে (চিত্র ১)।
উন্নত কর্মক্ষমতার বাইরেও, চিন-পাকিস্তান যুদ্ধবিমানের জন্য রাশিয়ান ইঞ্জিনের সরবরাহ নির্ভরযোগ্যতার একটি বিষয়। আরডি-৯৩-কে দেশীয় ভাবে তৈরি ডব্লিউএস-১৩ ইঞ্জিন দিয়ে প্রতিস্থাপনের জন্য চিনের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, চিন এবং পাকিস্তান উভয়ই রাশিয়ায় তৈরি ইঞ্জিনের উপর নির্ভরশীল, যা অধিক নির্ভরযোগ্য এবং স্থিতিশীল বলে বিবেচিত হয়। বিশিষ্ট রুশ বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেন যে, ভারতের জেএফ-১৭-এর জন্য রাশিয়ান ইঞ্জিনের অব্যাহত সরবরাহকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা উচিত। কারণ নয়াদিল্লি আরডি-৯৩/আরডি-৯৩এমএ দ্বারা চালিত বিমানগুলির সক্ষমতা সম্পর্কে ভাল ভাবে অবগত এবং তাই তাদের বাস্তবিক কর্মক্ষমতা অনুমান করতে পারে।
চিত্র ১. রাশিয়া থেকে পাকিস্তানে আরডি-৯৩ সরবরাহের সময়সূচি

উৎস: সিপরি অস্ত্র স্থানান্তর সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার (কিছু সংখ্যা আনুমানিক)
অস্ত্র সরবরাহের ঊর্ধ্বে উঠে
রাশিয়া-পাকিস্তান সম্পর্কের আর একটি দিক হল যৌথ সামরিক মহড়া, যা একটি নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। দ্রুঝবা সন্ত্রাসবিরোধী মহড়ার সর্বশেষ সংস্করণটি ২০২৫ সালের ১৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক জেলায় অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়াটি ‘ড্রোন যুদ্ধ, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধ এবং উন্নত বিস্ফোরক ডিভাইস মোকাবিলা’র উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই মহড়াগুলি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে ২০২২ এবং ২০২৩ সালে এর ব্যতিক্রম ঘটেছিল।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কাঠামোর মধ্যে একটি নৌ উপাদানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রুশ এবং পাকিস্তানি নৌবাহিনী উত্তর আরব সাগরে ‘অ্যারাবিয়ান মনসুন’ যৌথ মহড়া পরিচালনা করে, যার লক্ষ্য ছিল ‘পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং সাধারণ সামুদ্রিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় একটি যৌথ প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করা।’
মস্কো ইসলামাবাদের সঙ্গে সীমিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চালিয়ে যাবে - যার মধ্যে সামরিক মহড়া এবং নির্বাচিত অস্ত্র সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত — যা ভারতের সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যেই থাকবে।
উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা যৌথ সামরিক পরামর্শ কমিটির (জেএমসিসি) নিয়মিত বৈঠকেও অংশ নিচ্ছেন, যা ২০২২ সাল ছাড়া গত সাত বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সর্বশেষ আলোচনাটি ২০২৫ সালের অগস্টে মস্কোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এতে যৌথ ভাবে সভাপতিত্ব করেন রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী কর্নেল জেনারেল আলেকজান্ডার ফোমিন এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সচিব অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ আলি।
ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারিত্ব, বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, মস্কোর সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে সর্বদা সীমিত করেছে। এমনকি অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার সময়েও মস্কোর নীতিনির্ধারকরা উপলব্ধি করেছেন যে, ইসলামাবাদের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে তোলার ফলে আরও লাভজনক ভারতীয় বাজারে প্রবেশাধিকার হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, যা রাশিয়ার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করতে সক্ষম।
আশ্চর্যের বিষয় হল, আরডি-৯৩ ইঞ্জিন নিয়ে বিতর্কটি এমন এক সময়ে আবার সামনে এসেছে যখন ভারত-রাশিয়া প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আবার সঠিক পথে ফিরেছে এবং অতিরিক্ত এস-৪০০ সরবরাহ, এস-৫০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্ভাব্য যৌথ উৎপাদন এবং এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমানের চুক্তির মতো প্রধান বিষয়গুলি দ্বিপাক্ষিক আলোচ্যসূচিতে উচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। পাকিস্তান থেকে সামান্য কিছু লাভের জন্য রাশিয়া ভারতের সঙ্গে এই কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে বলে মনে হয় না। তা সত্ত্বেও, মস্কো ইসলামাবাদের সঙ্গে সীমিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চালিয়ে যাবে - যার মধ্যে সামরিক মহড়া এবং নির্বাচিত অস্ত্র সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত — যা ভারতের সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যেই থাকবে।
আলেক্সেই জাখারভ অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের রাশিয়া ও ইউরেশিয়া বিভাগের ফেলো।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Aleksei Zakharov is a Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. His research focuses on the geopolitics and geo-economics of Eurasia and the Indo-Pacific, with particular ...
Read More +