-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
নিরাপত্তা থেকে অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার দিকে কোয়াডের স্থানান্তর ভারতকে নতুন সরবরাহ শৃঙ্খলের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে, তবে যদি এটি লজিস্টিক বাধা অতিক্রম করে এবং কৌশলগত সংস্কারকে আরও গভীর করে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সমন্বয়ে গঠিত চতুর্ভুজ নিরাপত্তা সংলাপ (কোয়াড) নিরাপত্তা উদ্বেগ থেকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা পর্যন্ত তার অ্যাজেন্ডাকে ক্রমাগত প্রসারিত করেছে। এক সময় সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হলেও, কোয়াড এখন ভ্যাকসিন, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, পরিকাঠামো ও স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খলের মতো ক্ষেত্রগুলিতে জড়িত।
আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য কাঠামোর অভাব থাকা সত্ত্বেও, সেমিকন্ডাক্টর, ৫জি এবং পরিচ্ছন্ন শক্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতা এগিয়ে চলেছে। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতাগুলি বৃহত্তর বাণিজ্য উদারীকরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও, এই বছরের শেষের দিকে ভারতে আসন্ন কোয়াড শীর্ষ সম্মেলন, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিও আশা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংলাপের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং ক্ষেত্রগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে।
নিরাপত্তা থেকে অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার দিকে কোয়াডের স্থানান্তর ভারতকে নতুন সরবরাহ শৃঙ্খলের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে, তবে যদি দেশটি লজিস্টিক বাধা অতিক্রম করে এবং কৌশলগত সংস্কারকে আরও গভীর করে।
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির পর যৌথ মানবিক প্রচেষ্টা থেকে কোয়াডের উৎপত্তি। ২০০৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত এই কোয়াড বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার সরে যাওয়া এবং ২০১৭ সালে পুনরায় যোগদান। সময়ের সাথে সাথে এটি সামরিক সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি এবং নৌ-মহড়ার জন্য একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরে চিনের আক্রমণাত্মক মনোভাবের বিরুদ্ধে একটি যৌথ উদ্বেগের ভিত্তিতে তৈরি। এর অ্যাজেন্ডা এখন উদীয়মান প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা ও পরিকাঠামোকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা একটি অবাধ, উন্মুক্ত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরের জন্য এর দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে।
যোগসূত্রগুলি সুরক্ষিত করা: কোয়াডের সরবরাহ শৃঙ্খল কৌশল
চিনের শিল্পনীতি সম্পর্কে কৌশলগত অস্থিরতা কোয়াডের স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খলের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছে। কোভিড-১৯ অতিমারি চিন-কেন্দ্রিক নেটওয়ার্কগুলিতে দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, অন্যদিকে মার্কিন-চিন প্রযুক্তিগত উত্তেজনা বৈচিত্র্যের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছে। সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্বিন্যাসের সমন্বয় সাধনের জন্য কোয়াড একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা তথ্য ভাগাভাগি, গুরুত্বপূর্ণ নোড ম্যাপিং এবং যৌথ কৌশলের জন্য সুযোগ প্রদান করে, যা ভারত এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিকের দিকে উৎপাদন ও উৎস স্থানান্তর করতে পারে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোতে ব্লকের উদ্যোগগুলি দৃঢ় রাজনৈতিক অভিপ্রায়ের ইঙ্গিত দেয় এবং স্থিতিশীল বাণিজ্য রুট ও পূর্বাভাসযোগ্য নীতি পরিবেশের সন্ধানকারী বিশ্বব্যাপী সংস্থাগুলিকে আশ্বস্ত করে। ‘চিন-প্লাস-ওয়ান’ কৌশল’ ইতিমধ্যেই ভারতের ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে বিনিয়োগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা এই অঞ্চলে নতুন মূল্য শৃঙ্খল স্থাপনের জন্য কোয়াডের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।
২০২০ সালে চালু হওয়া সাপ্লাই চেন রেজিলিয়েন্স ইনিশিয়েটিভ (এসসিআরআই)-এর লক্ষ্য হল উৎপাদন এবং সরবরাহকারী নেটওয়ার্কগুলিকে কোয়াড দেশ এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের নিয়ে পুনর্নির্মাণ করা। তবে, এর অগ্রগতি সীমিত, এবং প্রাথমিকভাবে সংলাপ ও সর্বোত্তম অনুশীলন ভাগ করে নেওয়ার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কার্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। এসসিআরআই-কে আকর্ষণ অর্জনের জন্য একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ এবং বাস্তব ফলাফল প্রয়োজন, যা একে শুধু একটি পরামর্শমূলক ফোরামের পরিবর্তে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলকে পুনর্গঠনকারী একটি বিশ্বাসযোগ্য শক্তিতে পরিণত করবে।
সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সেমিকন্ডাক্টর ও ফার্মাসিউটিক্যালসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলির জন্য বিকল্প উৎস চিহ্নিত করা, একটি নিবেদিত বাস্তবায়ন টাস্ক ফোর্স প্রতিষ্ঠা করা, এবং কোয়াড-সমর্থিত বিনিয়োগ বাহন তৈরি করা। যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন (আরএন্ডডি) এবং সহ-অর্থায়ন উৎপাদন প্রকল্পগুলি স্থিতিস্থাপকতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং একক-উৎস সরবরাহকারীদের উপর নির্ভরতা কমাতে পারে।
দ্রুত এগিয়ে যাওয়া: ভারতের লজিস্টিক বাধাগুলি ঠিক করা
বিশ্বব্যাপী মূল্য শৃঙ্খলে ভারতের একীভূতকরণ নির্ভর করছে ক্রমাগত লজিস্টিক অদক্ষতা সমাধানের উপর। উচ্চ লজিস্টিক খরচ, যা মোট আভ্যন্তর উৎপাদনের (জিডিপি), ১৩-১৪ শতাংশ, প্রতিযোগিতা-সক্ষমতার উপর একটি উল্লেখযোগ্য চাপ হিসেবে রয়ে গিয়েছে। তবুও এই ক্ষেত্রকে আধুনিকীকরণ এবং কোয়াডের সরবরাহ শৃঙ্খল এজেন্ডাকে সমর্থন করার জন্য উল্লেখযোগ্য সংস্কার চলছে।
সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্বিন্যাসের সমন্বয় সাধনের জন্য কোয়াড একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা তথ্য ভাগাভাগি, গুরুত্বপূর্ণ নোড ম্যাপিং এবং যৌথ কৌশলের জন্য সুযোগ প্রদান করে, যা ভারত এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিকের দিকে উৎপাদন ও উৎস স্থানান্তর করতে পারে।
জাতীয় লজিস্টিক নীতি (এনএলপি) — যা ২০২২ সালে গতি শক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি উন্মোচিত হয়েছিল — পরিবহণ ব্যবস্থায় পরিকাঠামো পরিকল্পনা এবং ডিজিটাল প্রক্রিয়াগুলিকে একীভূত করার লক্ষ্যে কাজ করে। ইউনিফায়েড লজিস্টিক ইন্টারফেস প্ল্যাটফর্ম (ইউলিপ) সড়ক, রেল, বন্দর ও শুল্ককে একটি একক ডিজিটাল বাস্তুতন্ত্রে একীভূত করে, যার লক্ষ্য নিরবচ্ছিন্ন পণ্য পরিবহণ এবং বিলম্ব হ্রাস করা। রাজ্য পর্যায়ে এর অগ্রগতি স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, গুজরাট — যা ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ পণ্য পরিবহণ করে — বন্দর, শেষ-মাইল সংযোগ এবং ডিজিটাল বন্দর ব্যবস্থাপনা সরঞ্জামগুলিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে লজিস্টিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে কৃষ্ণপত্তনম বন্দর অঞ্চলকে সাগরমালা উদ্যোগের অধীনে একটি প্রধান লজিস্টিক এবং শিল্প কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে রেল যোগাযোগ উন্নত করা হবে। তামিলনাড়ু কার্গো চলাচল উন্নত করার জন্য চেন্নাই ও এন্নোর বন্দরগুলিকে অভ্যন্তরীণ শিল্প অঞ্চলের সঙ্গে আরও ভালভাবে সংযুক্ত করার উপর জোর দিচ্ছে। কর্ণাটক হাইওয়ে উন্নত করায় বিনিয়োগ করছে, বিশেষ করে বেঙ্গালুরু থেকে ম্যাঙ্গালুরু করিডোর বরাবর। ইতিমধ্যে, মহারাষ্ট্র দিল্লি-মুম্বই ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোর (ডিএনআইসি) এবং জওহরলাল নেহরু পোর্ট ট্রাস্ট (জেএনপিটি) -এ লজিস্টিক জোনের সম্প্রসারণের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে তার লজিস্টিক বাস্তুতন্ত্র উন্নত করছে।
জাতীয় পর্যায়ে, সংযোগ বৃদ্ধির জন্য মাল্টি-মোডাল লজিস্টিক পার্কগুলি তৈরি করা হচ্ছে। আঞ্চলিক সংযুক্তিকরণ এবং পরিবহণ দক্ষতা জোরদার করার লক্ষ্যে অসমের জোগিঘোপাতে Jogighopa, Assam, এমনই একটি বড় সুবিধা তৈরি হচ্ছে। পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) বাস্তবায়নের ফলে আন্তঃরাজ্য বিলম্ব, ভ্রমণের সময় কমানো এবং পরিবহণ অদক্ষতাও হ্রাস পেয়েছে। এই সংস্কারগুলি ফলাফল প্রদান করতে শুরু করেছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের লজিস্টিক পারফরম্যান্স সূচকে ভারত ২০১৪ সালের ৫৪ নম্বর স্থান থেকে ২০২৩ সালে ৩৮ নম্বরে (১৩৯টি দেশের মধ্যে) উন্নীত হয়েছে, এবং শিল্প প্রতিবেদনে দ্রুত বন্দর পরিচালনা ও কম বাধার উল্লেখ রয়েছে। গ্রামীণ এবং শেষ মাইল সংযোগে চ্যালেঞ্জগুলি অব্যাহত থাকলেও, গতি আরও দক্ষ লজিস্টিক মেরুদণ্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
কোয়াড ২.০: দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত
ভবিষ্যতের দিকে তাকালে, কোয়াডের অর্থনৈতিক অ্যাজেন্ডাকে অ্যাডহক সহযোগিতা থেকে পরিমাপযোগ্য ফলাফল প্রদানকারী একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থায় পরিণত হতে হবে। একটি কোয়াড অর্থনৈতিক ফোরাম বা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হলে তা সরবরাহ শৃঙ্খল, প্রযুক্তি মান ও পরিকাঠামোতে যৌথ উদ্যোগকে টেকসই অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার জন্য একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত করতে পারে।
কোয়াড দেশগুলির মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক অতি-গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খল চুক্তি আঞ্চলিক সংযুক্তিকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে পারে। একটি সমন্বিত সেমিকন্ডাক্টর বাস্তুতন্ত্র বা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের উপর একটি চুক্তি প্রতিটি দেশকে নিজের বিশেষ ক্ষমতা তৈরি করার সুযোগ দেবে এবং কোয়াড-বহির্ভূত উৎসের উপর নির্ভরতা হ্রাস করবে। ২০৩০ সালের মধ্যে, যদি ভারতীয় সুবিধাগুলি কোয়াড-সক্ষম বাস্তুতন্ত্রের অধীনে অস্ট্রেলিয়ান লিথিয়াম, আমেরিকান প্রযুক্তি এবং জাপানি উপাদান ব্যবহার করে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর বা বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি সংযুক্ত করে, তবে এটি আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসাবে চিহ্নিত হবে।
শেষ পর্যন্ত কোয়াডের অর্থনৈতিক পরিচয় বাস্তব ফলাফলের দ্বারা গঠিত হবে, যেমন স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরি, যৌথ প্রযুক্তি উন্নয়নের অগ্রগতি, এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদার করা।
এই উন্নয়নের সঙ্গে বর্ধিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহ থাকা উচিত। এর মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ভারত-অস্ট্রেলিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ), জাপানের সঙ্গে সম্প্রসারিত বাণিজ্য সম্পর্ক এবং ডিজিটাল বাণিজ্য, ইলেকট্রনিক্স বা পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্ষেত্র-নির্দিষ্ট চুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কোয়াড দ্বারা সমর্থিত একটি উচ্চমানের আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিতে ভারতের সম্ভাব্য প্রবেশ, অথবা গ্রিন এনার্জি করিডোরের মতো বৃহৎ আকারের ইন্দো-প্যাসিফিক পরিকাঠামো প্রকল্প চালু করা, কোয়াডের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পদচিহ্নের ইঙ্গিত দেবে।
কোয়াড ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স মেকানিজম বা ইন্দো-প্যাসিফিক সরবরাহ শৃঙ্খলের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নিবেদিত বিনিয়োগ তহবিলের মতো প্রাতিষ্ঠানিক সরঞ্জামগুলি এই গোষ্ঠীর ভূমিকাকে আরও দৃঢ় করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেলিযোগাযোগের মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলিতে বিশ্বব্যাপী মান নির্ধারণে কোয়াডের প্রভাব ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার নিয়ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
শেষ পর্যন্ত কোয়াডের অর্থনৈতিক পরিচয় বাস্তব ফলাফলের দ্বারা গঠিত হবে, যেমন স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরি, যৌথ প্রযুক্তি উন্নয়নের অগ্রগতি, এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদার করা। যদি, অদূর ভবিষ্যতে, অন্যান্য নেতৃস্থানীয় অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের সঙ্গে কোয়াডের উল্লেখ করা হয়, তবে এটি সফলভাবে ভাগ করা সমৃদ্ধি এবং একটি স্থিতিশীল, নিয়ম-ভিত্তিক ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য একটি অনুঘটক হিসেবে বিকশিত হবে।
সৌম্য ভৌমিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি (সিএনইডি)-র ফেলো এবং লিড, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিজ অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি।
মনীশ বৈদ্য অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর নিউ ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসির গবেষণা সহকারী।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr. Soumya Bhowmick is a Fellow and Lead for World Economies and Sustainability at the Centre for New Economic Diplomacy (CNED) at the Observer Research ...
Read More +
Manish Vaidya is a Research Assistant with ORF’s Centre for New Economic Diplomacy. His work centres on research and active engagement in applied economics, with a ...
Read More +