শীর্ষ নেতাদের নির্মূল করা এবং অঞ্চল পুনরুদ্ধারের ফলে ভারতের মাওবাদী বিদ্রোহ স্তিমিত হলেও একমাত্র স্থিতিশীল শাসন ব্যবস্থাই এর প্রত্যাবর্তন রোধ করতে পারে।
নিরাপত্তা বাহিনী সম্প্রতি ছত্তিশগড়ে বস্তারের ঘন জঙ্গলে সাধারণ সম্পাদক (মাওবাদী সাংগঠনিক স্তরবিন্যাসে এক নম্বর স্থান অধিকারী) নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুর মৃত্যুতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। বাসবরাজুর মৃত্যু হয়েছে প্রায় ছয় দশক ধরে চলতে থাকা বামপন্থী চরমপন্থার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে, যা এখন অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছে। এ প্রসঙ্গে মনে করা যেতে পারে যে, এক দশক আগে মাওবাদী সংগঠনটির ভারতের এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চল জুড়ে অবিশ্বাস্য ও সহিংস উপস্থিতি ছিল, যা প্রায় আধ ডজন রাজ্যে, বিশেষ করে মধ্য ও পূর্ব ভারতে উন্নয়ন ও শাসন ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছিল।
মাওবাদীদের ক্রমবর্ধমান ক্ষতি
পরিসংখ্যান সত্যের কথাই বলে। স্থানিক বিস্তারের কথাই ধরা যাক। ২০১১-১২ সালে এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চল (২২৩টি জেলা) দখল করে থাকা মাওবাদীদের আধিপত্য এখন মাত্র ১৮টি জেলায় নেমে এসেছে। তবে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাম্প্রতিক এক বিবৃতি অনুসারে, মাওবাদীদের বিস্তার ছত্তিশগড়, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও তেলেঙ্গানার মাত্র ছ’টি জেলায় সীমাবদ্ধ। সব দিক থেকেই ছত্তিশগড় — বিশেষ করে বস্তার অঞ্চল — মাওবাদী সংগঠনের শেষ শক্ত ঘাঁটি হিসেবে রয়ে গিয়েছে, যা এখন মাওবাদীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
ছত্তিশগড়ের বাহিনী আবুঝমাড় অঞ্চলে অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্টের অধীনে বাসবরাজুকে নির্মূল করার পর তাঁদের শেষ স্বীকৃত দুর্গটিরও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে পতনের সময় এসেছে।
গত দেড় বছরে সম্মিলিত নিরাপত্তা বাহিনী (কেন্দ্র ও রাজ্য) মাওবাদীদের নিয়ন্ত্রিত অনেক শক্ত ঘাঁটি দৃঢ় হাতে দখল করেছে। নিরাপত্তা বাহিনী এত সহজেই যে মাওবাদীদের তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল (আবুঝমাড় অর্থাৎ একটি বনভূমি এবং প্রচুর পরিমাণে খনন করা এলাকা) থেকে পরাজিত করতে পারে, তা কয়েক বছর আগে পর্যন্ত কল্পনাও করা যেত না। ছত্তিশগড়ের বাহিনী আবুঝমাড় অঞ্চলে অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্টের অধীনে বাসবরাজুকে নির্মূল করার পর তাঁদের শেষ স্বীকৃত দুর্গটিরও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে পতনের সময় এসেছে।
বিশাল অঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হারানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক আক্রমণাত্মক ভাবে পরিচালিত টেকসই পাল্টা ব্যবস্থার মাধ্যমে শত শত কট্টর যোদ্ধাকে নির্মূল করার ফলে মাওবাদীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে (দ্রষ্টব্য রেখচিত্র ১)। ২০২৪ সালে রেকর্ড ২৯৬ জন মাওবাদী নিহত হলেও নিরাপত্তা বাহিনী যুদ্ধ অভিযানে মাত্র ২১ জন কর্মীকে হারিয়েছে - যা ১:১৪-এর অপ্রতিরোধ্য অনুপাতকেই দর্শায়। ২০০৯ সালের পর থেকে বিদ্রোহীদের বার্ষিক সর্বোচ্চ হতাহতের ঘটনা এটি। তবে মৃত্যুর পরিসংখ্যান বিশ্বাস করলে ২০২৫ সালটি পূর্ববর্তী সমস্ত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বছরের মাত্র পাঁচ মাসে মাওবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০-র কাছাকাছি। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গত পাঁচ বছরে সহিংস ঘটনা ও বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা উভয়ই উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে (দ্রষ্টব্য রেখচিত্র ১), যা বিদ্রোহী সংগঠনের যুদ্ধক্ষমতার তীব্র অবনতিকেই দর্শায়।
রেখচিত্র ১: মাওবাদী-সম্পর্কিত হতাহতের ঘটনা (২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত)

সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমএইচএ) এবং এসএটিপি, ভারত
উল্লেখযোগ্য ভাবে মাওবাদী সংগঠনের সামরিক শক্তি কয়েক বছর ধরে মারাত্মক রকমের দুর্বল হয়ে পড়েছে। কারণ দলটির অনেক শীর্ষ নেতাকেই দ্রুত নির্মূল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরোর ৪০ জন সদস্যের মধ্যে আজ মাত্র ১৬ জন জীবিত। সম্প্রতি বাসবরাজুর হত্যার পর নিরাপত্তা বাহিনী তেলেঙ্গানা রাজ্যের বিশেষ জোনাল কমিটির সদস্য নরসিংহ চালাম ওরফে সুধাকর এবং ভাস্কর ওরফে মাইলারাপু অ্যাডেলাকেও নির্মূল করেছে। শীর্ষ নেতৃত্বের এই উদ্বেগজনক দুর্বলতা ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) সংগঠনকে ব্যাপক ভাবে হতাশ করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিপুল সংখ্যক উগ্রপন্থীর আত্মসমর্পণ ও নতুন ক্যাডার নিয়োগের তীব্র হ্রাসের মাধ্যমে এমনটা প্রতিফলিত হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা যেমন স্বীকার করেছেন, উপজাতীয় যুবকরা - বিশেষ করে যে শিক্ষিতরা দশকের পর দশক ধরে কষ্ট সহ্য করেছেন - বিপ্লবী আদর্শের প্রতি খুব কম আগ্রহী।
ছত্তিশগড় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে
বিস্তৃত ভূখণ্ডে সহিংসতা ও সন্ত্রাসের রাজত্ব ছড়িয়ে দেওয়ার অসীম ক্ষমতাসম্পন্ন একটি শক্তিশালী বিদ্রোহের এত তীব্র পতনের নেপথ্যে রয়েছে একটি পুনর্গঠিত ও উদ্দেশ্যমূলক বিদ্রোহ দমন অভিযান, যা দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক প্রচারণার সঙ্গে সংযুক্ত। এই অভিযানই গত কয়েক বছরে বামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে জোয়ার ঘুরিয়ে দিয়েছে। ছত্তিশগড়, ওড়িশা ও তেলেঙ্গানায় সাম্প্রতিক এনকাউন্টারগুলিতে প্রদর্শিত প্রযুক্তি ও নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা সমন্বয়ের দ্বারা সমর্থিত নির্ভুল হামলাগুলি ব্যাপক লাভজনক ফল দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টার ফলে – আরও আর্থিক ও সামরিক সম্পদ বৃদ্ধি, সংযোগ ও গোয়েন্দা শৃঙ্খলে বিনিয়োগ, মাওবাদী আস্তানা/দুর্গগুলিতে নিরাপত্তা শিবির খোলার সুবিধা এবং প্রত্যন্ত উপজাতি এলাকায় উন্নয়নমূলক প্রচারণা শুরু করা - অবশেষে প্রভাবিত রাজ্যগুলি বিদ্রোহ দমন অভিযানের পথে এগিয়ে এসেছে।
ছত্তিশগড়, ওড়িশা ও তেলেঙ্গানায় সাম্প্রতিক এনকাউন্টারগুলিতে প্রদর্শিত প্রযুক্তি ও নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা সমন্বয়ের দ্বারা সমর্থিত নির্ভুল হামলাগুলি ব্যাপক লাভজনক ফল দিয়েছে।
মাওবাদীদের নিধনের বর্তমান পর্যায়ে ছত্তিশগড় বিদ্রোহী সংগঠনের উপর সবচেয়ে বড় আঘাত হেনেছে। ২০১৩ সালে সাহসী আক্রমণে মাওবাদীরা রাজ্য কংগ্রেস পার্টির পুরো শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করে। এই সব কিছুই ঘটেছে এমন একটি রাজ্যে যেখানে ২০০০-এর দশকের শেষের দিক থেকে শাসনব্যবস্থা কার্যত পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সক্রিয় সহযোগিতায় রাজ্য নিরাপত্তা বাহিনী গত ১৮ মাসে মাওবাদীদের উপর মারাত্মক আঘাত হেনেছে। কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর কোবরা ইউনিটের সক্রিয় সহায়তায় রাজ্য বাহিনীর নেতৃত্বে সম্মিলিত বাহিনী ২০২৪ সালে ২৮৭ জন বিদ্রোহীকে নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছিল। অবাক করার বিষয় হল, গত পাঁচ মাসে মাওবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। দেশ জুড়ে প্রায় ৩০০ জন মাওবাদীকে নির্মূল করা হলেও শুধুমাত্র ছত্তিশগড়েই ২০০ জনেরও বেশিকে হত্যা করা হয়েছে। সাম্প্রতিক মাওবাদবিরোধী অভিযান ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ - যার মধ্যে ২১ দিন ধরে রেকর্ড সংখ্যক ২৫,০০০ নিরাপত্তা কর্মী জড়িত - ২৭ জন মাওবাদীকে (শীর্ষ মাওবাদী নেতা বাসবরাজু-সহ) নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছিল এবং বিপ্লবী সংগঠনের উপর এক চূড়ান্ত আঘাত ছিল।
নেতৃত্ব দিচ্ছে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড
ছত্তিশগড়ের অনুপ্রেরণামূলক প্রত্যাবর্তনের পিছনে রয়েছে - বিশেষ করে ২০০০-এর দশকের শেষের দিকে সালওয়া জুড়ুম পরিকল্পনার ব্যর্থতার পর - একটি পুনর্গঠিত বিদ্রোহ দমন কৌশল। সালওয়া জুড়ুমের ব্যর্থ মিলিশিয়া পদ্ধতি থেকে দ্রুত শিক্ষা নিয়ে ছত্তিশগড় সরকার রাজ্যের নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার দিকে মনোনিবেশ করে - বিশেষ করে পুলিশের আধুনিকীকরণ - একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) প্রতিষ্ঠা করে এবং বহুল আলোচিত অন্ধ্র গ্রেহাউন্ডস মডেল থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে নিজের যুদ্ধ ক্ষমতাকে আকার দেয়।
গ্রেহাউন্ডদের সাফল্যের পর রাজ্য নেতৃত্ব ২০১৫ সালে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) নামে একটি বিশেষ বাহিনী প্রতিষ্ঠা করে। গ্রেহাউন্ডদের বিপরীতে - যেখানে রাজ্য পুলিশ বাহিনীর তরুণ ও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত কর্মীরা ছিলেন - ডিআরজি-তে মূলত স্থানীয় উপজাতি যুবক ও আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা ছিলেন। যেহেতু এই নিয়োগপ্রাপ্তরা স্থানীয় পরিস্থিতি, ভূ-প্রকৃতি, পাহাড়ি ভূখণ্ডের সঙ্গে ভীষণ পরিচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ ভাবে বিদ্রোহী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তাঁদের গভীর জ্ঞান রয়েছে, তাই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে তাঁদের করা অনেক সফল পাল্টা অভিযান পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাসবরাজু ও সুধাকরের মতো শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের সাম্প্রতিক নিধন। অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা, বিশেষ করে এসটিএফ, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) কম্যান্ডো ব্যাটালিয়ন ফর রেজোলিউট অ্যাকশন (কোব্রা) ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অস্বীকার করার মতো নয়, যারা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশ কয়েকটি সাহসী পাল্টা অভিযান পরিচালনায় ডিআরজি-কে সক্রিয় ভাবে সহায়তা করেছে। তবুও অনেকটা এপি/তেলেঙ্গানার গ্রেহাউন্ডদের মতো ডিআরজি তাদের শেষ স্বীকৃত দুর্গে অর্থাৎ বস্তারে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে মোড় দিয়েছে।
রেখচিত্র ২: ছত্তিশগড়ে মৃত্যুর পরিসংখ্যান (২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪)

সূত্র: সাউথ এশিয়া টেররিজম পোর্টাল এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমএইচএ) থেকে সংগৃহীত
সামরিক বিজয় আসন্ন বলে মনে হলেও পরবর্তী পদক্ষেপগুলিও একই রকম প্রতিবন্ধকতাময়। পূর্ববর্তী চক্রের মতো এর পুনরুত্থান রোধ করার জন্য সংঘাত-পরবর্তী পদক্ষেপগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কথা মনে রাখা উচিত যে, বামপন্থী বিদ্রোহ এমন একটি বিপ্লবী আন্দোলন, যা চরম দারিদ্র্য, শাসনের অভাব, ব্যাপক ভূমি বিচ্ছিন্নতা ও শোষণ দ্বারা চিহ্নিত একটি বিশাল অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল। যদিও কেন্দ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলি বস্তার ও সংলগ্ন এলাকায় একাধিক অবকাঠামো প্রকল্পের মাধ্যমে সংযোগ বৃদ্ধি ও কল্যাণমূলক সুবিধা প্রদানে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে, তবুও এগুলি সেই কাঠামোগত পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল, যা বিচ্ছিন্নতা ও আদিবাসী অসন্তোষের জন্ম দেয়। কল্যাণমূলক সুবিধা, সামাজিক ও ভৌত অবকাঠামোগত উদ্যোগ কেবল তখনই স্থায়ী হয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যখন অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা ও আদিবাসী জনগণের প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয়। রাজ্যের নেতৃত্ব যদি পিইএসএ আইন (পঞ্চায়েত এক্সটেনশন টু শিডিউল্ড এরিয়াজ অ্যাক্ট) দ্রুত ও কার্যকর ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, তা হলে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে। সংক্ষেপে বললে, পাল্টা-বিদ্রোহ কৌশল কেবল সামরিক সাফল্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। কারণ তাতে বিপ্লবী আন্দোলনের অবশিষ্টাংশ পুনরায় সংগঠিত হয়ে নতুন রূপে ফিরে আসার সুযোগ পেতে পারে।
নিরঞ্জন সাহু অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Niranjan Sahoo, PhD, is a Senior Fellow with ORF’s Governance and Politics Initiative. With years of expertise in governance and public policy, he now anchors ...
Read More +