ব্যক্তিগত টিউশনের উপর ভারতের ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা পরিবারের রক্ষণাত্মক ব্যয়ের প্রতিফলন ঘটায়, যা বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষা এবং সরকারি দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগগুলিকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
ভারতের শিক্ষা অর্থনীতি এক বৈপরীত্যকেই তুলে ধরে— পরিবারগুলি আগের চেয়ে অনেক বেশি খরচ করছে, অথচ শিক্ষার ফলাফলের উন্নতি ধীর গতিতে হচ্ছে। এই টানাপড়েনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রাইভেট টিউশন। এক সময় এটি শিক্ষার একটি সম্পূরক সহায়তা হলেও, এখন তা শিক্ষার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এই ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সুফল সীমিতই থেকে যাচ্ছে, যা থেকে বোঝা যায় যে, পরিবারগুলি সক্ষমতা তৈরির পরিবর্তে আত্মরক্ষামূলক ভাবে খরচ করছে। একই সময়ে, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবধান পূরণের জন্য সরকারি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি প্রসারিত হচ্ছে। এই সন্ধিক্ষণে পরিবারের অব্যক্ত ব্যয়ের উৎস আরও নিবিড় ভাবে খতিয়ে দেখা এবং দেশের পরিবর্তনশীল শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে প্রাইভেট টিউশনের উপযোগিতা পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
পারিবারিক ব্যয়ের উপর চাপ
সাম্প্রতিক পারিবারিক ব্যয়ের তথ্য শিক্ষা ব্যয়ের একটি নিয়মিত অংশ হিসেবে প্রাইভেট টিউশনের ব্যাপকতাকে তুলে ধরে। কম্প্রিহেনসিভ মডিউলার সার্ভে (এনএসএস ৮০তম পর্যায়) দেখায় যে, ভারতে প্রায় প্রতি চারজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন প্রাইভেট কোচিং নেয় এবং অনেক পরিবারের জন্য টিউশনের পেছনে খরচ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ফি-র সমান বা তার চেয়েও বেশি। এই প্রবণতা সব ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং আয় গোষ্ঠী নির্বিশেষে দেখা যায়, যা থেকে বোঝা যায় যে, প্রাইভেট টিউশন এখন আর ঐচ্ছিক কোনও অতিরিক্ত বিষয় নয়, বরং পরিবারগুলির শিক্ষা ব্যবস্থার একটি কাঠামোগত ভাবে অন্তর্নিহিত খরচে পরিণত হয়েছে।
ভারত জুড়ে প্রায় ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী বেসরকারি কোচিং-এ ভর্তি হয় — শহরাঞ্চলে ৩০.৭ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ২৫.৫ শতাংশ। সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য কোচিং-এর পেছনে বার্ষিক খরচ প্রায়শই স্কুলের ফি-র সমান বা তার চেয়ে বেশি হয়। বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমান্তরাল বোঝা তৈরি করে।
সারণি ১-এ সংক্ষিপ্ত ভাবে উপস্থাপিত মূল তথ্যগুলি থেকে দেখা যায় যে, ভারত জুড়ে প্রায় ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী বেসরকারি কোচিং-এ ভর্তি হয় — শহরাঞ্চলে ৩০.৭ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ২৫.৫ শতাংশ। সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য কোচিং-এর পেছনে বার্ষিক খরচ প্রায়শই স্কুলের ফি-র সমান বা তার চেয়ে বেশি হয়। বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমান্তরাল বোঝা তৈরি করে। স্পষ্টতই, টিউশন শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনায় সহায়তা করার জন্যই ব্যবহৃত হয় না, বরং পড়াশোনার চাপ এবং যোগ্যতার মানদণ্ড সামলানোর জন্যও ব্যবহৃত হয়। এটি এমন এক ধরনের সঙ্কেত প্রদানের যুক্তিকে প্রতিফলিত করে, যেখানে দেখা যায়, পরিবারগুলি যোগ্যতা অর্জনের চেয়ে এমন অ্যাকাডেমিক স্কোরের পেছনে বেশি বিনিয়োগ করে, যা তাদের সক্ষমতাকে তুলে ধরে।
সারণি ১: পারিবারিক শিক্ষা ব্যয়: ভারতে স্কুল এবং কোচিং খরচের তুলনা
|
পর্যায় |
স্কুলের খরচ |
কোচিং-এর খরচ (টাকায়, বার্ষিক) |
|
|
গ্রামীণ এলাকা |
শহুরে এলাকা |
||
|
সরকারি স্কুল |
২৮৬৩ |
১৭৯৩ |
৩৯৮৮ |
|
বেসরকারি স্কুল |
২৫০০২ |
১৭৯৩ |
৩৯৮৮ |
|
হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল (সরকারি) |
২৮৬৩ |
৪৫৪৮ |
৯৯৫০ |
|
হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল (বেসরকারি) |
২৫০০২ |
৪৫৪৮ |
৯৯৫০ |
উৎস: কম্প্রিহেনসিভ মডিউলার সার্ভে (এনএসএস ৮০তম পর্যায়)
ফলাফলের ব্যবধান
প্রাইভেট টিউশনের উপর ব্যাপক নির্ভরতা থাকা সত্ত্বেও এই ধরনের কোচিং-এ অংশগ্রহণ এবং শেখার ফলাফলের মধ্যে একটি ধারাবাহিক সংযোগের প্রমাণ খুব কমই পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, চিত্র ১ এবং ২ বার্ষিক শিক্ষা পরিস্থিতি প্রতিবেদন ২০২৪ (এএসইআর ২০২৪) দ্বারা পরিমাপকৃত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পঠন এবং গণিত স্তরের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি তুলে ধরে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরার মতো যে রাজ্যগুলিতে অর্থের বিনিময়ে টিউশনে অংশগ্রহণের হার বেশি, সেখানে শেখার ক্ষেত্রে যে সব সময় ভাল ফলাফল দেখা যায়, তা নয়। অন্য দিকে, হরিয়ানা, কেরল এবং মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলিতে, যেখানে অংশগ্রহণের মাত্রা মাঝারি, সেখানে তুলনামূলক ভাবে উচ্চতর দক্ষতা দেখা যায়। সামগ্রিক ভাবে, প্রায়-সমতল রিগ্রেশন রেখাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে, প্রাইভেট টিউশনের তীব্রতা শেখার ফলাফলের উন্নতির সঙ্গে পদ্ধতিগত ভাবে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
চিত্র ১: অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাইভেট টিউশনের স্তর বনাম পাটিগণিত শেখার ফলাফল

উৎস: এএসইআর (২০২৪) ব্যবহার করে লেখক কর্তৃক সঙ্কলিত
চিত্র ২: অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাইভেট টিউশন বনাম পড়তে শেখার ফলাফল

উৎস: এএসইআর (২০২৪) ব্যবহার করে লেখক কর্তৃক সঙ্কলিত
এ ছাড়াও ভারতের টিউশন শিল্প - যার মূল্য প্রায় ৫০,০০০-৬০,০০০ কোটি টাকা এবং যা আগামী পাঁচ বছরে তিন গুণ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে - তা শিক্ষকতা, বিষয়বস্তু নির্মাণ এবং ডিজিটাল শিক্ষা পরিষেবার ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের একটি উৎস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যে সব ছাত্রছাত্রী প্রাইভেট টিউশন নেয়, তাদের মধ্যে কোচিংয়ের খরচ শিক্ষাক্ষেত্রে মোট ব্যক্তিগত ব্যয়ের প্রায় ৪৩ শতাংশ এবং পরিবারের মাথাপিছু ব্যয়ের প্রায় ১৬.৫ শতাংশ। এগুলি কোভিড-পূর্ববর্তী হিসেব এবং অতিমারি চলাকালীন ও তার পরে অনলাইন টিউশন প্ল্যাটফর্মের ব্যাপক প্রসার ইঙ্গিত দেয় যে, প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ সম্ভবত আরও অনেক বেশি। যে তহবিলগুলি অন্যথায় পুষ্টি, ডিজিটাল সুবিধা বা পারিবারিক সঞ্চয়ের মতো ক্ষেত্রগুলিতে সহায়তা করতে পারত, সেগুলি ক্রমবর্ধমান ভাবে কোচিং এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির দিকে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রাইভেট টিউশনের উপর ব্যাপক নির্ভরতা থাকা সত্ত্বেও এই ধরনের কোচিং-এ অংশগ্রহণ এবং শেখার ফলাফলের মধ্যে একটি ধারাবাহিক সংযোগের প্রমাণ খুব কমই পাওয়া যায়।
শিক্ষার ব্যবধান নিরসন
এর জবাবে জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি ২০২০) বোর্ড পরীক্ষা পদ্ধতির একটি আমূল সংস্কারের প্রস্তাব করেছে, যা কোচিং-এর উপর নির্ভরতার একটি বড় কারণ এবং একই সঙ্গে সহপাঠী-শিক্ষাদানের মতো বিদ্যালয়-ভিত্তিক বিকল্পগুলির উপর জোর দিয়েছে। জিডিপির ন্যূনতম ৬ শতাংশ ব্যয়ে এটি উপকরণ-ভিত্তিক কাঠামো থেকে ফলাফল-ভিত্তিক কাঠামোতে পরিবর্তনের পরিকল্পনা করে। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য স্কুল ব্যবস্থার মধ্যে এই পরিবর্তনকে কার্যকর করার জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখার প্রয়োজন হবে। এটি নিপুণ ভারত-এর (পঠন, বোধগম্যতা ও সংখ্যাজ্ঞানে পারদর্শিতার জন্য জাতীয় উদ্যোগ) মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে, যা শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কাঠামোগত শিক্ষণ পদ্ধতি, শিক্ষার পুনরুদ্ধার এবং স্কুল-ভিত্তিক মূল্যায়ন সংস্কারের মাধ্যমে মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞানকে শক্তিশালী করে। ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন (ওএনওএস) রাজ্য জুড়ে মানসম্মত, উচ্চ-মানের শিক্ষণ উপকরণ সহজলভ্য করে এটিকে পরিপূরণ করে। এগুলিকে শ্রেণিকক্ষের অনুশীলনে একীভূত করা হলে বিদ্যালয়-ভিত্তিক বিশ্বাসযোগ্য শিক্ষার পথ তৈরি হতে পারে, যা বেসরকারি কোচিং-এর উপর নির্ভরতা প্রতিস্থাপন করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি শিক্ষার ফলাফলে পরিমাপযোগ্য, ব্যবস্থা জুড়ে উন্নতিতে রূপান্তরিত হতে পারে।
জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি ২০২০) বোর্ড পরীক্ষা পদ্ধতির একটি আমূল সংস্কারের প্রস্তাব করেছে, যা কোচিং-এর উপর নির্ভরতার একটি বড় কারণ এবং একই সঙ্গে সহপাঠী-শিক্ষাদানের মতো বিদ্যালয়-ভিত্তিক বিকল্পগুলির উপর জোর দিয়েছে।
সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বাধা হল শিক্ষাব্যবস্থার অন্তর্নিহিত তথ্যগত অসামঞ্জস্য। স্কুলের মান, শেখার অগ্রগতি বা শিক্ষার মান বিচার করার জন্য অভিভাবকদের কাছে প্রায়শই নির্ভরযোগ্য কোনো সূচক থাকে না, যা এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করে যে, পড়াশোনায় সফলতার জন্য অর্থের বিনিময়ে টিউশন অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে নীতি আয়োগের স্কুল শিক্ষা গুণমান সূচক-এর (এসইকিউআই) মতো প্রাতিষ্ঠানিক সাধনীগুলি শিক্ষার ফলাফল, সমতা, প্রবেশাধিকার এবং সুশাসনের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলোর কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করে একটি শক্তিশালী নীতিগত মডেল প্রদান করে। এসইকিউআই-এর উপর ভিত্তি করে জেলা ও স্কুল পর্যায়ে বার্ষিকভাবে হালনাগাদ করা একটি জাতীয়, সর্বজনীন ভাবে প্রবেশযোগ্য স্কুল গুণমান ও শিক্ষার ফলাফল সূচক স্বচ্ছ মানদণ্ড প্রদান করবে।
শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানযোগ্যতা
নীতিমালার উচিত শিক্ষাকে কর্মসংস্থানযোগ্যতার সাথে পুনরায় সংযুক্ত করা। পরীক্ষা-কেন্দ্রিক টিউশনের উপর নির্ভরতা কমিয়ে এবং স্কুলের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার পথকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা যা শেখে এবং কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার মধ্যেকার ব্যাপক সংযোগহীনতার সমাধান করা যেতে পারে। সর্বোপরি, ভারতের প্রধান চ্যালেঞ্জ শুধু বেকারত্বই নয়, বরং কর্মসংস্থানের অযোগ্যতাও, যার জন্য সফট স্কিল, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং উদ্ভাবনে আরও বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন।
২০১৪ সালে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা মন্ত্রক গঠন এবং তার ফলস্বরূপ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন মিশন চালু হওয়ার মাধ্যমে সরকারি ভাবে সমর্থিত কর্মসংস্থানের পথ তৈরির লক্ষ্যে একটি পরিবর্তন এসেছে। পিএমকেভিওয়াই এবং স্কিল ইন্ডিয়া মিশনের মতো কর্মসূচির অধীনে স্কুলগুলিকে এখন দক্ষতা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলিতে স্কুল ছুটির পর মডিউলার বৃত্তিমূলক কোর্স এবং শিক্ষানবিশি-সংযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত। এই মডেলের উপর ভিত্তি করে দক্ষতা উন্নয়নের জন্য আরও সহজলভ্য ও স্কুল-ভিত্তিক পথ তৈরি করা যেতে পারে। স্কিল ইন্ডিয়া ডিজিটাল হাব এবং পিএম ই-বিদ্যার মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি সুসংগঠিত ও স্বল্প খরচের প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে, যা প্রাইভেট টিউশনের উপর নির্ভরতা কমাবে। সম্মিলিত ভাবে এই পদক্ষেপগুলি শিক্ষাব্যবস্থাকে যোগ্যতা-ভিত্তিক শিক্ষার দিকে চালিত করবে এবং ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিউশনের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করবে।
পিএমকেভিওয়াই এবং স্কিল ইন্ডিয়া মিশনের মতো কর্মসূচির অধীনে স্কুলগুলিকে এখন দক্ষতা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলিতে স্কুল ছুটির পর মডিউলার বৃত্তিমূলক কোর্স এবং শিক্ষানবিশি-সংযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।
উপসংহার
ভারতের শিক্ষাক্ষেত্র একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এক সময় প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত উন্নতির জন্য অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত প্রাইভেট টিউশনের উপর কাঠামোগত নির্ভরতা, সরকারি দক্ষতা উন্নয়ন পথ প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি ধীরে ধীরে তার পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সক্ষমতা-নির্মাণ প্ল্যাটফর্মগুলির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষাক্ষেত্রে পারিবারিক ব্যয়ের ধরনেও পরিবর্তন আসছে, যা টিউশন-কেন্দ্রিক ব্যয় থেকে দক্ষতা-ভিত্তিক বিনিয়োগের দিকে একটি সম্ভাব্য রূপান্তরের ইঙ্গিত দেয়। এই ক্রমবিকাশমান বিন্যাসটি ভারতের জনসংখ্যাগত সম্ভাবনাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল মানব পুঁজির ভিত্তিতে রূপান্তরিত করার বৃহত্তর প্রচেষ্টাকেই প্রতিফলিত করে।
কুমকুম মোহতা অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের রিসার্চ ইন্টার্ন।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Kumkum Mohata is a Research Assistant with ORF’s Centre for New Economic Diplomacy. Her research interests lie in development economics, international trade, and macroeconomics, with ...
Read More +