Published on Jul 15, 2025 Updated 0 Hours ago

২০২৭ সালে মার্কিন তেল উৎপাদন যেহেতু সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে, তাই সীমিত বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা ও দুর্বল চাহিদা বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যতের বাজার স্থিতিশীলতা ও মূল্যের অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ তেল উৎপাদন: তেলের বাজারে প্রভাব

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)-‌এর ২০২৫ সালের বার্ষিক জ্বালানি দৃষ্টিভঙ্গি ২০২৭ সালে মার্কিন তেল উৎপাদনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছনোর পূর্বাভাস দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ, এবং ২০১৮-২০২৪ সালে যে কোনও দেশের তুলনায় বেশি অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছে। ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনডেনসেট-‌সহ অপরিশোধিত তেল উৎপাদন গড়ে দিনপ্রতি ১২.৯ মিলিয়ন ব্যারেল (বি/ডি) ছিল, যা ২০১৯ সালের মার্কিন তথা বৈশ্বিক দিনপ্রতি ১২.৩ মিলিয়ন ব্যারেলের (বি/ডি) রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ২০২৪ সালে, উৎপাদন দিনপ্রতি ১৩.২ মিলিয়ন ব্যারেল (বি/ডি) ছাড়িয়ে গিয়েছে। ইআইএ অনুসারে, নিকট ভবিষ্যতে অন্য কোনও দেশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা কম, কারণ অন্য কোনও দেশ দিনপ্রতি ১৩.০ মিলিয়ন ব্যারেল (বি/ডি) উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। শুধু সৌদি আরব ও রাশিয়ার মার্কিন তেল উৎপাদনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বিশ্ব বাজারের দাম উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত উৎসাহ নাও দিতে পারে। গ্লোবাল নর্থে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি শীর্ষে পৌঁছেছে। পরিবহণকে কার্বনমুক্ত করার প্রচেষ্টা অপরিশোধিত তেলের চাহিদা বৃদ্ধিকে সীমিত করছে, যার ফলে তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রোধ করা যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে, যেখানে তেল উৎপাদনের সিদ্ধান্তগুলি মূলত বাজারের মৌলিক বিষয় ও ভূতত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত হয়, সৌদি আরব ও রাশিয়ার তেল উৎপাদনের সিদ্ধান্তগুলি বাজারের মৌলিক বিষয়গুলি ছাড়াও অন্যান্য কারণ দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।


শুধু সৌদি আরব ও রাশিয়ার মার্কিন তেল উৎপাদনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বিশ্ব বাজারের দাম উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত উৎসাহ নাও দিতে পারে।


মার্কিন তেল উৎপাদন

১৯৭০ সালে মার্কিন তেল উৎপাদন ৯.৬ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল, এবং ২০০৮ সালে তা ৫ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে সর্বনিম্নে নেমে আসে। ২০০৯ সালে উৎপাদন আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা "শেল রেভলিউশন" নামে পরিচিত ছিল। সে সময় লাইট টাইট তেল (এলটিও) এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের জন্য হাইড্রলিক ফ্র্যাকচারিং ও
অনুভূমিক ড্রিলিং কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল। মার্কিন তেল উৎপাদন  ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, যার বেশিরভাগ বৃদ্ধির কৃতিত্ব ছিল শেল বেসিন থেকে এলটিও উৎপাদনের। ২০২০ সালে অতিমারির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তেল উৎপাদন বৃদ্ধির হার কমে যায়, কিন্তু ২০২২ সালে তা দ্রুত পুনরুজ্জীবিত হয়ে ১০.৫ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে পৌঁছে যায়, যা ২০১৮ সালে প্রাক-অতিমারি  শীর্ষের সঙ্গে মিলে যায়। ২০২৪ সালে, মার্কিন তেল উৎপাদনের ৬৬ শতাংশেরও বেশি টাইট তেল বেসিন থেকে এসেছিল। ২০২৩ সালে, মার্কিন তেল উৎপাদন প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যায়, ১ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। ২০২৪ সালে, তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি ০.৫ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন হারে কমেছে, কিন্তু তা নন-ওপেক (পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা) উৎপাদন বৃদ্ধির ৬০ শতাংশেরও বেশি ছিল। উৎপাদন বৃদ্ধিতে হ্রাস সত্ত্বেও, মার্কিন অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ২০২৪ সালে ৩৭০,০০০ ব্যারেল/দিন বৃদ্ধি পেয়ে গড়ে ১৩.২ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে দাঁড়িয়েছে।


পার্মিয়ান হল
বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোকার্বন (শেল) বেসিন, যার দৌলতে ২০২০ সাল থেকে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ সালে পার্মিয়ান অঞ্চল অন্য যে কোনও অঞ্চলের তুলনায় বেশি অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছিল, যা ছিল মোট মার্কিন অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের ৪৮ শতাংশ। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে রিগ সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও পার্মিয়ান উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ উৎপাদনশীলতা উন্নত হয়েছে। উৎপাদনকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক হাইড্রলিক ফ্র্যাকচারিং প্রযুক্তি, এবং স্বয়ংক্রিয় ড্রিলিং প্রক্রিয়ার মতো প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ব্যবহার করে অপারেশনগুলিকে অপ্টিমাইজ করেছে। এলটিও উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধি সত্ত্বেও বৃহত্তর প্রবণতা হল উৎপাদন বৃদ্ধির মন্দা। ইআইএ অনুসারে, ২০২৭ সালে উৎপাদন প্রায় ১৪ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে বৃদ্ধি পাবে, যার পরে ২০৩০ সালে উৎপাদন কমে আসবে প্রায় ১৩.৮ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে। ২০৪০ সালের মধ্যে মার্কিন উৎপাদন ১১.৯ মিলিয়ন ব্যারেল/দিনে নেমে আসবে।

সমস্যা

২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও সৌদি আরব বিশ্বব্যাপী তেল উৎপাদনের
৪২ শতাংশ (৩৩ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন) ছিল, যা ২০০০ সালে বিশ্বব্যাপী মোট তেল উৎপাদনের ২৯ শতাংশ (২০ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন) থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭১ সাল থেকে রাশিয়া, সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় বেশি তেল উৎপাদন করেছে, যদিও গত পাঁচ দশক ধরে তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানটি স্থানান্তরিত হয়েছে। তুলনামূলকভাবে, পরবর্তী তিনটি বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ — কানাডা, ইরাক ও চিন — ২০২৩ সালে একত্রে ১৩.৪ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করেছিল, যা শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তেলের চেয়ে সামান্য বেশি। ২০০০ সালে সৌদি আরব ১১.৮ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করে সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী ছিল। ২০০৬ সালে রাশিয়া ১২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করে শীর্ষ উৎপাদনকারী হয়ে ওঠে, যখন সৌদি আরবের উৎপাদন ছিল ১২.৫ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন। সেই সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৬.৭ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করে তৃতীয় স্থানে ছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ হিসাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল, তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৪.৭ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করে শীর্ষে উঠে আসে। রাশিয়া ১৩.৪ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করে দ্বিতীয় স্থানে নেমে যায়, আর তার পরে ১২.১ মিলিয়ন ব্যারেল/দিন উৎপাদন করে তৃতীয় স্থানে ছিল সৌদি আরব ।


অপরিশোধিত তেলের বৃহত্তম উৎপাদক এবং একটি উল্লেখযোগ্য রপ্তানিকারক হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্থানের অর্থ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে এমন একটি সুইং প্রডিউসার হিসাবে প্রতিস্থাপন করতে পারে, যা বাজারের সংকেতের প্রতি দ্রুত সাড়া দেয়।



১৯৮০-র দশক থেকে সৌদি আরব অপরিশোধিত তেলের
বৃহত্তম নিট রপ্তানিকারক হিসেবে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে‌। ব্যতিক্রম ছিল ১৯৮০-র দশকের গোড়ার দিকের একটি সংক্ষিপ্ত সময় যখন রাশিয়া শীর্ষ রপ্তানিকারক ছিল। ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপরিশোধিত তেলের একটি নিট রপ্তানিকারক হিসাবে আবির্ভূত হয়, যার মোট রপ্তানির পরিমাণ সৌদি আরবের রপ্তানির পরিমাণকে ছাড়িয়ে যায়। ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপরিশোধিত তেলের একটি নিট আমদানিকারক ছিল, কিন্তু ২০২২ এবং ২০২৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবারও অপরিশোধিত তেলের একটি নিট রপ্তানিকারক হয়, যার মোট রপ্তানির পরিমাণ সৌদি আরবের চেয়েও বেশি। অপরিশোধিত তেলের বৃহত্তম উৎপাদক এবং একটি উল্লেখযোগ্য রপ্তানিকারক হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্থানের অর্থ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে এমন একটি সুইং প্রডিউসার হিসাবে প্রতিস্থাপন করতে পারে, যা বাজারের সংকেতের প্রতি দ্রুত সাড়া দেয়। যাই হোক, ২০২২ সালে, যখন তেলের দাম ১০০মার্কিন ডলার/বি-‌র কাছাকাছি ছিল, তখন উৎপাদকদের আর্থিক এবং ভূতাত্ত্বিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়া মার্কিন প্রতিক্রিয়া সীমিত করে। উৎপাদন শুরু হওয়ার এক মাস পরে এলটিও উৎপাদন সাধারণত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছয়, কিন্তু পরে দ্রুত হ্রাস পেয়ে তিন বছরে মাঝারি এবং তারপর মোটামুটি সমতল উৎপাদনে পরিণত হয়।

 

সৌদি আরব ‌ও রাশিয়ার তেল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত মোটেই চাহিদা বৃদ্ধির উপর আশাবাদ প্রতিফলিত করে না। এইইএ (আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা) তাদের একটি বিশ্লেষণে ২০৩০ সালের মধ্যে তেলের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে বলে আশা করছে। বিশেষ করে চিনে ইভি (বৈদ্যুতিক যানবাহন)-‌র ক্রমবর্ধমান বিক্রয় এবং অভ্যন্তরীণ কমবাসন ইঞ্জিন (আইসিই)-‌এর জ্বালানি দক্ষতার উন্নতি পরিবহণে তেলের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পার্মিয়ান বেসিনে তেল উৎপাদনকারীদের জন্য ঋণ পরিশোধ এবং লভ্যাংশ পরিশোধ অন্তর্ভুক্ত করলে লাভজনক থাকার জন্য ব্রেক ইভন মূল্য ৬১ মার্কিন ডলার/ব্যারেল (বি) থেকে ৬২ মার্কিন ডলার/ব্যারেল (বি)-‌এর মধ্যে। যদি ২০২৬  সালে তেলের দাম ৬২ মার্কিন ডলার/ব্যারেল (বি)‌-‌এর কম হওয়ার ইআইএ পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হয়, তাহলে অনেক মার্কিন তেল উৎপাদনকারীকে লাভ অর্জনের জন্য লড়াই করতে হবে, বিশেষ করে দেশের কিছু পুরাতন অববাহিকায়, যেখানে উৎপাদকেরা সম্ভাব্য অলস ড্রিলিং রিগ খনন বন্ধ করতে এবং কর্মীদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন। যদি মার্কিন উৎপাদকেরা "ড্রিল বেবি ড্রিল" আহ্বানে সাড়া দেন, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।



বিশ্বের সবচেয়ে কম খরচের উৎপাদক দেশগুলির মধ্যে একটি হল সৌদি আরব। কিন্তু এই দেশটি আরও তেল পাম্প করে এবং দাম কমিয়ে বাজারের অংশীদারিত্ব বাড়াতে পারে, এবং তার ফলে অন্য উৎপাদকেরা ব্যবসা থেকে সরে যেতে বাধ্য হতে পারে, এই আশঙ্কা কম।



২০২৩ সালে, ওপেক+ [প্লাস অর্থাৎ অন্যান্য রপ্তানিকারী]-‌এর কারণে সৌদি আরবে অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন দৈনিক প্রায়
৯০০,০০০ ব্যারেল কমে যায়। দুর্বল চাহিদা বৃদ্ধির কারণে সৌদি আরব উৎপাদন কমিয়েছে, এবং স্বেচ্ছায় আরও কাটছাঁট করেছে। সৌদি আরব ২০২৭ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ১.৩ কোটি ব্যারেল বৃদ্ধির পরিকল্পনাও বাতিল করেছে। ওপেক+ দেশগুলির মধ্যে একটি রাশিয়া ২০২২ ও ২০২৩ সালে স্বেচ্ছায় ৫,০০,০০০ ব্যারেল কাটছাঁটের পাশাপাশি উৎপাদন আরও কমানোর কথা ঘোষণা করেছিল। যদিও এই কাটছাঁট রাশিয়ায় সাম্প্রতিক উৎপাদন হ্রাস করেছে, ইউক্রেন নিয়ে সংঘাতের প্রতিক্রিয়ায় তেল কোম্পানিগুলির নিষেধাজ্ঞা এবং স্বেচ্ছানির্ভর পদক্ষেপ রাশিয়ায় উৎপাদন কমার প্রাথমিক কারণ।


বিশ্বের সবচেয়ে কম খরচের উৎপাদক দেশগুলির মধ্যে একটি হল সৌদি আরব। কিন্তু এই দেশটি আরও তেল পাম্প করে এবং দাম কমিয়ে
বাজারের অংশ বাড়াতে পারে, এবং তার ফলে অন্য উৎপাদকেরা ব্যবসা থেকে সরে যেতে বাধ্য হতে পারে, এই আশঙ্কা কম। তবে সস্তা তেল সম্ভাব্যভাবে ইভি-র প্রতিযোগিতামূলকতা হ্রাস করতে পারে, যা ইভি শিল্প এই সময়ে মোটেই চাইবে না। মার্কিন উৎপাদন হ্রাস অদূর ভবিষ্যতে তেলের দামের অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, যা গ্লোবাল সাউথের তেল আমদানিকারক দেশগুলির টার্মস অফ ট্রেড ক্ষতিগ্রস্ত করবে। যদি সৌদি আরব ও রাশিয়া বাজারের মৌলিক বিষয়গুলি ব্যতীত অন্য কারণে উৎপাদন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এটি তেলের দামের বৃদ্ধি ঘটিয়ে বা অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলে ক্ষতি করতে পারে গ্লোবাল সাউথের, যেখানে তেলের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।


 Peak Oil Production In The Us Implications For The Oil Market
সূত্র: স্ট্যাটিস্টিকাল রিভিউ অফ ওয়ার্ল্ড এনার্জি ২০২৪



লিডিয়া পাওয়েল অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডিস্টিংগুইশড ফেলো।

অখিলেশ সতি অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার।

বিনোদ কুমার তোমর অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Authors

Lydia Powell

Lydia Powell

Ms Powell has been with the ORF Centre for Resources Management for over eight years working on policy issues in Energy and Climate Change. Her ...

Read More +
Akhilesh Sati

Akhilesh Sati

Akhilesh Sati is a Programme Manager working under ORFs Energy Initiative for more than fifteen years. With Statistics as academic background his core area of ...

Read More +
Vinod Kumar Tomar

Vinod Kumar Tomar

Vinod Kumar, Assistant Manager, Energy and Climate Change Content Development of the Energy News Monitor Energy and Climate Change. Member of the Energy News Monitor production ...

Read More +