-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অপতথ্য জাতিগত উত্তেজনাকে উস্কে দেয়। ভঙ্গুর স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য ডিজিটাল সাক্ষরতা গড়ে তোলা এখন শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য বিষয়।
বিশ্বজুড়ে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ক্রমবর্ধমান প্রসার সমাজগুলির তথ্য প্রাপ্যতা, ভাগাভাগি এবং ব্যাখ্যা করার পদ্ধতিকে বদলে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন বিশ্বব্যাপী সংবাদ ও মতামতের জন্য একটি প্রাথমিক মাধ্যম হয়ে উঠেছে, যা অভূতপূর্ব গতি ও প্রসারের সঙ্গে জনসাধারণের আলোচনাকে রূপ দেয়। যদিও এই সংযোগটি তথ্য প্রাপ্যতাকে গণতান্ত্রিক করেছে, এটি ভুল তথ্য এবং অপতথ্যের ঝুঁকিগুলিকেও বাড়িয়ে তুলেছে, বিশেষ করে এমন অঞ্চলে যেখানে সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভঙ্গুর। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, অনলাইন অপতথ্য ভারতের উত্তর-পূর্বে গভীরভাবে ক্ষতিকারক পরিণতি বয়ে এনেছে, যেটি এমন একটি অঞ্চল যেখানে উল্লেখযোগ্য জাতিগত উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যখন ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তু জনমত এবং রাজনৈতিক মতাদর্শকে প্রভাবিত করতে শুরু করে, তখন সামাজিক সংহতি এবং শান্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রবণতা থাকে।
উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অপতথ্যের বাস্তব-বিশ্বের ঘটনা
উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে অপতথ্য প্রায়শই একটি পূর্বাভাসযোগ্য কিন্তু ধ্বংসাত্মক চক্র অনুসরণ করে: একটি কারসাজি করা বিষয়বস্তু অনলাইনে আকর্ষণ অর্জন করে, সম্প্রদায়ের উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, এবং বাস্তব জগতে বিক্ষোভ বা হিংসার সূত্রপাত করে। এই চক্রের বিপদ সাম্প্রতিক ইতিহাসে স্পষ্ট। ২০২৩ সালের মণিপুর জাতিগত সংঘর্ষের সময়, স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলিতে দ্রুত বিভিন্ন ধরনের কারসাজি করা ভিডিও প্রচারিত হয়েছিল, যার মধ্যে অনেকগুলি তরুণ ব্যবহারকারী এবং প্রভাবশালীরা শেয়ার করেছিলেন। এই উপকরণগুলি ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণাকে প্রভাবিত করেছিল, এবং হিংস্রতা বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছিল। একটি বিশেষভাবে অস্থির ঘটনায়, দুই নিখোঁজ মেইতেই ছাত্র ফিজাম হেমনজিৎ (২০) এবং হিজাম লিনথোইঙ্গাম্বি (১৭)-কে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করা ছবি মণিপুরে ভাইরাল হয়ে যায়, যার ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইম্ফলে ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভ শুরু হয়। ৬ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীরা নিখোঁজ ছিল এবং ব্যাপকভাবে প্রচারিত ছবি, যেখানে তাদের সশস্ত্র লোকদের সঙ্গে দেখানো হয়েছিল এবং পরে প্রাণহীন দেখা গিয়েছিল, জনসাধারণের ক্ষোভকে উস্কে দিয়েছিল। তবে, রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে বলেছেন যে মামলাটি অপহরণ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে এবং শারীরিক প্রমাণ ছাড়া তাদের মৃত্যুর কোনও নিশ্চয়তা নেই, যা তুলে ধরে যে কীভাবে অপতথ্য রাজ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়িয়ে তুলেছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অপতথ্য মোকাবিলা করার জন্য প্রতিক্রিয়ানির্ভর পদক্ষেপের বাইরে যাওয়া, এবং এই অঞ্চলের অনন্য সামাজিক-রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা যে কাঠামোগত এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক উভয় প্রতিক্রিয়ার দাবি রাখে তা স্বীকার করা প্রয়োজন।
বিষয়বস্তুর কারসাজি খুব কমই স্থিরচিত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। একই সময়কালে, সাম্প্রদায়িক ভয় জাগানোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি ভিডিও এবং বানানো ভিজ্যুয়াল অনলাইনে শেয়ার করা হয়েছিল। অসম রাইফেলস এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের প্রতিনিধিত্বকারী একটি বানানো ভিডিওকে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে প্রকাশ্যে খণ্ডন করতে হয়েছিল, যা তুলে ধরে যে আবেগগতভাবে উদ্দীপ্ত কিন্তু যাচাই না করা তথ্য কতটা গতিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি যখন এই ধরনের অপতথ্য সরাসরি হিংস্রতাকে উস্কে দেয় না, তখন এটি স্থানীয় আস্থাকে অস্থিতিশীল করতে পারে এবং সম্প্রদায়গুলির সম্পর্ক ভেঙে দিতে পারে।
অপতথ্য মোকাবিলার জন্য আইনি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো
ভারতের মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধের আইনি কাঠামো মূলত ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) আইন, ২০০০ এবং তথ্য প্রযুক্তি (মধ্যস্থতাকারী নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল মিডিয়া নীতিশাস্ত্র কোড) বিধি, ২০২১-এর বিধানের উপর নির্ভর করে। এগুলি সরকারকে বিষয়বস্তু অপসারণের অনুরোধ করা, মধ্যস্থতাকারীদের উপর যথাযথ পরিশ্রমের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা, এবং অভিযোগ প্রতিকারের সময়সীমা নির্ধারণ করার ক্ষমতা দেয়। প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে, একাধিক পক্ষ দ্বারা আইন প্রয়োগ করা হয়, যাদের মধ্যে আছে রাজ্য পুলিশের অনলাইন অপরাধ তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাইবার সেল এবং প্ল্যাটফর্ম-স্তরের মডারেশন সিস্টেমগুলি, যারা বিষয়বস্তু নীতি এবং সম্প্রদায় নির্দেশিকা মেনে চলে।
যাই হোক, এই কাঠামো দুটি সীমাবদ্ধতা প্রতিফলিত করে। প্রথমত, এটি প্রতিক্রিয়ানির্ভর, যার অর্থ বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ার পরে হস্তক্ষেপ ঘটে। দ্বিতীয়ত, এটি সাক্ষরতা-কেন্দ্রিকের পরিবর্তে বিষয়বস্তু-কেন্দ্রিক, অর্থাৎ তথ্য নাগরিকদের বিশ্বাস করা বা ভাগ করে নেওয়ার আগে মূল্যায়ন করার জন্য সজ্জিত হওয়ার পরিবর্তে সমস্যাযুক্ত পোস্টগুলি অপসারণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে।
সাক্ষরতার ব্যবধান: কেন মিডিয়া এবং তথ্য সাক্ষরতা জরুরি
উত্তর-পূর্বের মতো অঞ্চলে, যেখানে ডিজিটাল সাক্ষরতার মাত্রা ঐতিহ্যগতভাবে দেশের অন্যান্য অংশের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম, সেখানে তথ্য সরিয়ে ফেলা, তথ্য যাচাই এবং আইনি শাস্তি প্রায়শই মিথ্যার দ্রুত বিস্তারের তুলনায় পিছিয়ে থাকে। অতএব, মিডিয়া এবং তথ্য সাক্ষরতা (এমআইএল) শুধু একটি পরিপূরক সুরক্ষা নয়, বরং প্রতিরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম সারির কাজ করে।
উদাহরণস্বরূপ, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে অসম সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির একীকরণের উপর জোর দিয়েছে। তবুও, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সাথে অনলাইনে তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন করার শিক্ষাগত ক্ষমতাও একই সঙ্গে জোরদার করতে হবে। উত্তর-পূর্বে, তরুণদের মধ্যে স্মার্টফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার ব্যাপক। তবে, উৎস যাচাই, কারসাজি কৌশল সনাক্তকরণ বা অ্যালগরিদমের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে সীমিত কাঠামোগত প্রশিক্ষণ রয়েছে।
একটি শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাগত পদ্ধতি হিসেবে, মিডিয়া এবং তথ্য সাক্ষরতা (এমআইএল) এখনও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশিরভাগ রাজ্যে পাবলিক স্কুল পাঠ্যক্রমের একটি বাধ্যতামূলক অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মাস কমিউনিকেশন (আইআইএমসি) মিজোরাম ক্যাম্পাসের মতো কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক শিক্ষায় ডিজিটাল দক্ষতা একীভূত করার জন্য বিশেষায়িত প্রোগ্রাম এবং উদ্যোগ, যেমন নাগাএড-এর লিভি এআই প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এসেছে। যাই হোক, সাধারণ এমআইএল মূলধারার পাঠ্যক্রম থেকে অনুপস্থিত, যার ফলে জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তথ্য বাস্তুতন্ত্রের জটিলতাগুলি বুঝে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা থেকে বঞ্চিত।
উত্তর-পূর্বে অপতথ্যের ভাষাগত মাত্রা
২০০ টিরও বেশি ভাষা এবং উপভাষায় বিস্তৃত উত্তর-পূর্বের ভাষাগত বৈচিত্র্য বিভ্রান্তি নিয়ন্ত্রণের জন্য আরেকটি অনন্য চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করে। প্ল্যাটফর্ম-স্তরের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইংরেজি, হিন্দি এবং আরও কয়েকটি প্রধান ভারতীয় ভাষায় রয়েছে। ফলস্বরূপ, ছোট স্থানীয় ভাষায় প্রচারিত ক্ষতিকারক আখ্যানগুলি প্রায়শই সময়োপযোগী সনাক্তকরণ বা তথ্য-পরীক্ষা এড়ায়। উত্তর-পূর্বের ভাষা পরিচয়, জাতিগত এবং রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নের সঙ্গে জটিলভাবে জড়িত। মাতৃভাষায় তৈরি অপতথ্য আরও গভীরভাবে অনুরণিত হতে পারে, যা আবেগগত বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে এবং আন্তঃ-সম্প্রদায়িক উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। অ-স্থানীয় ভাষায় প্রকাশিত পাল্টা-আখ্যানগুলি বিশ্বাসযোগ্য বা এমনকি ব্যাপকভাবে বোঝার সম্ভাবনা কম। স্থানীয়-ভাষা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম এবং সাংস্কৃতিকভাবে অভিযোজিত মিডিয়া সাক্ষরতায় বিনিয়োগ না করলে এই অঞ্চলে কোনও বিস্তৃত বিভ্রান্তি মোকাবিলা কৌশল অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
নাগরিক সমাজের উদ্যোগের ভূমিকা এবং সীমা
এই ফাঁকগুলি পূরণের জন্য নাগরিক সমাজ সংস্থাগুলি (সিএসও) এগিয়ে এসেছে। তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও, উত্তর-পূর্বের এনজিও এবং সিএসও-গুলিকে এমআইএল-কে বড় আকারে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বাধার সম্মুখীন হতে হয়। ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষা অনুসারে, যদিও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অসংখ্য এনজিও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সরঞ্জাম ব্যবহার করে, বেশিরভাগেরই অভাব রয়েছে তহবিল, প্রশিক্ষণের পরিকাঠামো এবং প্রত্যন্ত ও ভাষাগতভাবে বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায়গুলিতে পদ্ধতিগত এমআইএল প্রোগ্রামগুলি সরবরাহ করার জন্য নাগালের। যদিও মেঘালয়ের নর্থ ইস্ট সেন্টার ফর টেকনোলজি অ্যাপ্লিকেশন অ্যান্ড রিচ (এনইসিটিএআর)-এর মতো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলি লক্ষ্যবস্তুতে প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে, এর পরিধি সম্প্রদায়-ব্যাপী ডিজিটাল সাক্ষরতার পরিবর্তে নির্বাচিত ক্ষেত্রগুলিতে (উদাহরণস্বরূপ, টেলিমেডিসিন এবং কৃষি) সীমাবদ্ধ থাকে।
উত্তর-পূর্বে, এমআইএল নিছকই একটি শিক্ষামূলক হাতিয়ার নয়; এটি শান্তি-স্থাপনের একটি প্রয়োজনীয়তা। প্রশ্ন তোলা, যাচাই করা ও তথ্য প্রাসঙ্গিকীকরণের দক্ষতাসম্পন্ন একটি সমাজের বহিরাগত খেলোয়াড় বা দেশীয় সুবিধাবাদীদের দ্বারা ভুল পথে চালিত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
তাছাড়া, যদিও এই অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা এবং মিডিয়া অধ্যয়নের জন্য নিবেদিত বিভাগ রয়েছে, তবুও ঐতিহ্যগতভাবে এই বিভাগগুলি জনমুখী সাক্ষরতার চেয়ে পেশাদার প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। ফলস্বরূপ, এমআইএল-এর বিধান খণ্ডিত এবং অপ্রতুল রয়ে গেছে, যার ফলে সম্প্রদায়গুলি অপতথ্যের ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া থেকে স্থিতিস্থাপকতা
উত্তর-পূর্বে, এমআইএল নিছকই একটি শিক্ষামূলক হাতিয়ার নয়; এটি শান্তি-স্থাপনের একটি প্রয়োজনীয়তা। প্রশ্ন তোলা, যাচাই করা ও তথ্য প্রাসঙ্গিকীকরণের দক্ষতাসম্পন্ন একটি সমাজের বহিরাগত খেলোয়াড় বা দেশীয় সুবিধাবাদীদের দ্বারা ভুল পথে চালিত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। উত্তর-পূর্বে এমআইএল-এর উদ্যোগগুলি ভাষাগতভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। প্রাথমিক পর্যায় থেকেই এগুলি স্কুল পাঠ্যক্রমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, এবং সম্প্রদায় কর্মশালা বা পাবলিক মিডিয়া প্রচারণার মাধ্যমে শক্তিশালী করা উচিত। নির্দিষ্ট সংকটের প্রতিক্রিয়ায় এককালীন হস্তক্ষেপ হিসাবে বাস্তবায়িত না করে সময়ের সাথে সাথে এগুলিকে টিকিয়ে রাখতে হবে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অপতথ্য মোকাবিলা করার জন্য প্রতিক্রিয়ানির্ভর পদক্ষেপের বাইরে যাওয়া, এবং এই অঞ্চলের অনন্য সামাজিক-রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা যে কাঠামোগত এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক উভয় প্রতিক্রিয়ার দাবি রাখে তা স্বীকার করা প্রয়োজন। আইনি কাঠামো এবং প্ল্যাটফর্ম নীতিগুলি শুধু আংশিকভাবে ক্ষতি প্রশমিত করতে পারে; আরও স্থায়ী সমাধান হল ডিজিটালভাবে শিক্ষিত নাগরিক তৈরি করা যারা অলঙ্কৃত মতামত বা মিথ্যা থেকে তথ্য আলাদা করতে সক্ষম। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল পাঠ্যক্রমগুলিতে মিডিয়া এবং তথ্য সাক্ষরতা অন্তর্ভুক্ত করা, আঞ্চলিক ভাষায় জনসম্প্রদায়-নেতৃত্বাধীন ডিজিটাল সাক্ষরতা সম্প্রসারণ করা, এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট অনুসারে বিষয়বস্তু তৈরি করার জন্য স্থানীয় যুব সংগঠন, উপজাতি পরিষদ এবং মহিলা সমষ্টির সঙ্গে কাজ করা। একই সঙ্গে, সংযোগ নীতিগুলি বিকশিত হতে হবে। উপরন্তু, স্থানীয় ভাষায় এআই-চালিত মধ্যস্থতা এবং উন্নত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
টেকসই সাক্ষরতা উদ্যোগের সঙ্গে সমানুপাতিক, অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল শাসন ব্যবস্থার সমন্বয় করলে উত্তর-পূর্বের তথ্যগত স্থিতিস্থাপকতা এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা উভয়ই এগিয়ে যেতে পারে। এই উচ্চ-স্তরের প্রেক্ষাপটে, এমআইএল শুধু একটি নাগরিক দক্ষতা নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক সুরক্ষা। এটি জনসম্প্রদায়গুলিকে তথ্যের হেরফের প্রতিরোধ করতে, তথ্যবহুল সংলাপে জড়িত হতে, এবং অঞ্চলটির ভঙ্গুর কিন্তু অপরিহার্য শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম করবে।
তনুশা ত্যাগী অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর ডিজিটাল সোসাইটিজ-এর গবেষণা সহকারী
দেবজ্যোতি চক্রবর্তী অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেন্টার ফর ডিজিটাল সোসাইটিজ-এর গবেষণা সহকারী
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Tanusha Tyagi is a research assistant with the Centre for Digital Societies at ORF. Her research focuses on issues of emerging technologies, data protection and ...
Read More +
Debajyoti Chakravarty is a Research Assistant at ORF’s Center for New Economic Diplomacy (CNED) and is based at ORF Kolkata. His work focuses on the use ...
Read More +