অপারেশন সিঁদুরের এক বছর পর চিন-পাকিস্তান সামরিক সহযোগিতা যতটা গভীর বলে অনুমিত হয়েছিল তার থেকে বেশি হিসেবি পদক্ষেপ বলে মনে হচ্ছে, যা ভারতকে তার দ্বিমুখী হুমকি মূল্যায়ন পরিমার্জন করতে প্ররোচিত করছে।
এই নিবন্ধটি ‘ফ্রম রেসপন্স টু রিওরিয়েন্টেশন: ওয়ান ইয়ার অফ অপারেশন সিঁদুর’ বা ‘প্রতিক্রিয়া থেকে পুনর্গঠন: অপারেশন সিঁদুরের এক বছর’ শীর্ষক প্রবন্ধ সিরিজের অংশ।
পহেলগাম সন্ত্রাসবাদী হামলার জবাবে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন চিন-পাকিস্তান সমন্বয় ব্যাপক ভাবে প্রত্যাশিত ছিল। গত দশকে চিন পাকিস্তানের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং ২০২০-২৪ সময়কালে পাকিস্তানের অস্ত্রভাণ্ডারের প্রায় ৮১ শতাংশই ছিল চিনের দ্বারা উৎপাদিত। এর ভিত্তিতে মনে করা হয়েছিল যে, ভারত-পাকিস্তানের যে কোনও সংঘাতে চিন ও পাকিস্তান একটি নিবিড় ভাবে সমন্বিত শত্রুপক্ষ হিসেবে উন্মোচিত হবে, যা নয়াদিল্লিকে একটি শক্তিশালী ফ্রন্টের মুখোমুখি দাঁড় করাবে। তবে গত এক বছরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন এবং তার পরেও পরিস্থিতি তেমন হয়নি, যাতে এই আশঙ্কা সত্যি হতে পারে। বেজিং এবং ইসলামাবাদের মধ্যে কর্মপরিচালনাগত সমন্বয়ের যে গভীরতা অনুমান করা হয়, তা প্রায়শই যতটা ভাবা হয় তার চেয়ে বেশি সীমিত এবং অসম ও রাজনৈতিক ভাবে সীমাবদ্ধ বলেই প্রমাণিত হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ভারতের প্রতিক্রিয়াও একটি বৈচিত্র্যময় এবং সূক্ষ্ম পন্থা অবলম্বন করেছে।
প্রতিরক্ষা: স্ট্রেস টেস্টিং বা চাপ সহনক্ষমতার পরীক্ষা, বৈধতা এবং রফতানি
২০১০-এর দশকের শুরু থেকে যখন আমেরিকা ও পাকিস্তানের সম্পর্ক কখনো সহযোগিতা কখনো অবিশ্বাসের ধারাবাহিকতায় নিম্নমুখী হতে থাকে, তখন চিন ইসলামাবাদের প্রধান বহিরাগত পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তার অবস্থানকে সুসংহত করে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে বেজিং পাকিস্তানের অর্থনীতিতে বিপুল সম্পদ ঢেলেছে; বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সড়ক, শিল্পাঞ্চল এবং লজিস্টিক অবকাঠামোতে অর্থায়নের পাশাপাশি গোয়াদর বন্দর ও সংশ্লিষ্ট সম্পদ উন্নয়নের মতো কৌশলগত প্রকল্পগুলিকেও এগিয়ে নিয়েছে।
চিনের জন্য ইসলামাবাদের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব অস্ত্র বিক্রি, দক্ষিণ এশিয়ার একটি সক্রিয় প্রেক্ষাপটে সেগুলির কার্যকারিতা পরীক্ষা, রফতানির প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা যাচাই এবং ভারতের অস্ত্রাগারে থাকা পশ্চিমি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সেগুলির কর্মক্ষমতাকে তুলনা করার এক বিরল সুযোগ প্রদান করে।
গত এক দশকে চিনের ধারাবাহিক বিনিয়োগ এবং বহুপাক্ষিক মঞ্চগুলিতে অবিচল রাজনৈতিক সমর্থন ভারতের তুলনায় ইসলামাবাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদ এবং আঞ্চলিক বহুপাক্ষিক মঞ্চগুলিতে বেজিং সন্ত্রাসবাদের তকমা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার প্রশ্নে বারবার পাকিস্তানকে রক্ষা করেছে, যা প্রায়শই নয়াদিল্লির কূটনৈতিক বিকল্পগুলিকে সীমিত করে দিয়েছে। পহেলগাম হামলার পর চিন এসসিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের বৈঠকে ইসলামাবাদকে রক্ষা করেছিল এবং যৌথ বিবৃতিতে এই হামলার কথা উল্লেখ করতে অস্বীকার করেছিল।
তবে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাই এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। মায়ানমার ও বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তান চিনের অস্ত্রের শীর্ষ তিনটি প্রাপক দেশের অন্যতম এবং বেজিংয়ের প্রতিরক্ষা-শিল্প কৌশলে একটি কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে। চিনের জন্য ইসলামাবাদের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব অস্ত্র বিক্রি, দক্ষিণ এশিয়ার একটি সক্রিয় প্রেক্ষাপটে সেগুলির কার্যকারিতা পরীক্ষা, রফতানির প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা যাচাই এবং ভারতের অস্ত্রাগারে থাকা পশ্চিমি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সেগুলির কর্মক্ষমতাকে তুলনা করার এক বিরল সুযোগ প্রদান করে। সুতরাং, বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চিনা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য পাকিস্তান একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।
তবে বাস্তবে এর ফলাফল সব ক্ষেত্রে সমান ছিল না। চিন-সরবরাহকৃত প্ল্যাটফর্মগুলি - যার মধ্যে রয়েছে কামান, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান এবং সেগুলির গোলাবারুদ - সাধারণত গড়পড়তা কার্যক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। কিন্তু সেন্সর, রাডার এবং বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলি তাদের নির্ভরযোগ্যতা এবং সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে ক্রমাগত সমালোচনার শিকার হয়েছে। অপারেশন সিঁদুরের সময়কার প্রতিবেদনগুলি এই ভিন্নতাকে বিশেষ ভাবে তুলে ধরেছিল: চিনের তৈরি রাডার, বিমান-প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক এবং আকাশ থেকে পরিচালিত আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণমূলক প্ল্যাটফর্মগুলি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আশানুরূপ ফল দিতে পারেনি। সিস্টেমের নকশা, পরিচালনাকারীর প্রশিক্ষণ বা সমন্বয়ের ঘাটতি… যে কারণেই হোক না কেন, এই ফলাফলগুলি চিনের উচ্চ মানের প্রতিরক্ষা রফতানির উপর নজরদারি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
চিনের তৈরি রাডার, বিমান-প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক এবং আকাশ থেকে পরিচালিত আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণমূলক প্ল্যাটফর্মগুলি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আশানুরূপ ফল দিতে পারেনি।
এর প্রভাব তাৎক্ষণিক যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরেও বিস্তৃত। এই বিভাগগুলিতে সুনামের ক্ষতি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে বেজিংয়ের রফতানি সম্ভাবনাকে সীমিত করার ঝুঁকি তৈরি করে। সর্বোপরি, চিন-ভারত সীমান্ত বরাবর একই ধরনের ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী, উচ্চ-তীব্রতার পরিস্থিতিতে সেগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
চিনের আঞ্চলিক ক্ষমতার হিসেব-নিকেশে পাকিস্তান
চিনের জন্য পাকিস্তানের প্রধান উপযোগিতা হল ভারতের বিরুদ্ধে পশ্চিমি ভারসাম্য রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করা। বেজিং ভারতকে একটি গুরুতর আঞ্চলিক প্রতিযোগী হিসেবে দেখে, কিন্তু বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিপক্ষ হিসেবে নয়। এই পার্থক্যটি বেজিংকে ইসলামাবাদের উপর নির্ভর করতে সাহায্য করে, যা ভারতের মনোযোগ পশ্চিম সীমান্তে সরিয়ে দেয়, নয়াদিল্লিকে সেখানে উল্লেখযোগ্য সামরিক সম্পদ বরাদ্দ করতে বাধ্য করে এবং চিনের বিরুদ্ধে উত্তরাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রের উপর চাপ কমায়।
এই অভিন্ন হুমকি উপলব্ধি একটি কাঠামোগত অথচ সীমাবদ্ধ অংশীদারিত্বের ভিত্তি তৈরি করে। সহযোগিতা চারটি ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত: অস্ত্র হস্তান্তর, প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা, যৌথ মহড়া এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। চিন পাকিস্তানের গোয়েন্দা, নজরদারি ও পুনরুদ্ধার (আইএসআর) সক্ষমতাকেও সাহায্য করে, যার মধ্যে স্যাটেলাইট-ভিত্তিক নজরদারি ও পুনরুদ্ধার অন্তর্ভুক্ত।
তবে এই সম্পর্কটি অভিযানগত সমন্বিতকরণের পর্যায়ে পৌঁছয়নি। এখানে কোনও যৌথ কম্যান্ড কাঠামো বা সমন্বিত যুদ্ধ কৌশল নেই। সমন্বিত কম্যান্ডের দিকে অগ্রসর হওয়া একটি চুক্তিভিত্তিক জোটের সমতুল্য হবে, যা চিন এড়িয়ে চলে। তাই বেজিং ইচ্ছাকৃত ভাবে এই অংশীদারিত্বকে কৌশলগত সমর্থনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে।
আনুষ্ঠানিক জোটবদ্ধতার প্রতিশ্রুতি চিনের নমনীয়তাকে খর্ব করবে এবং ভারত ও সম্ভাব্যভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করবে।
যুক্তিটি অবশ্য স্পষ্ট। আনুষ্ঠানিক জোটবদ্ধতার প্রতিশ্রুতি চিনের নমনীয়তাকে খর্ব করবে এবং ভারত ও সম্ভাব্যভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করবে। এর পরিবর্তে বেজিং ইসলামাবাদের সঙ্গে একটি পরিমিত অংশীদারিত্ব বজায় রাখে, যা ভারতকে ভারসাম্য প্রদান করার পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ক্ষমতার গতিশীলতার মধ্যে কূটনৈতিক কৌশলের সুযোগও সংরক্ষণ করে।
‘সর্বকালীন’ অংশীদারিত্বে টানাপড়েন?
ইসলামাবাদের বর্তমান নেতৃত্ব ওয়াশিংটনের সঙ্গে সখ্য স্থাপনের চেষ্টা করায় চিন-পাকিস্তান সম্পর্ক সম্প্রতি নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে। বেজিংয়ের উদ্বেগ দ্বিমুখী। প্রথমত, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকে মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের নতুন করে সম্পৃক্ততা চিনা সামরিক প্রযুক্তির সম্ভাব্য প্রকাশ নিয়ে সন্দেহকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। দ্বিতীয়ত, ইসলামাবাদের বর্ধিত কূটনৈতিক উপস্থিতি, মার্কিন-ইরান সঙ্কটে তার ভূমিকা, মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্য প্রশংসা এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ অর্জনে দৃশ্যমান আগ্রহ একটি আংশিক কৌশলগত ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়, যা চিনা পরিকল্পনাকারীদের অস্বস্তিতে ফেলেছে।
অর্থনৈতিক সংঘাত এই উদ্বেগগুলিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিআরআই বিনিয়োগের গতি কমে গিয়েছে। অন্য দিকে চিনা সংস্থাগুলি ক্রমাগত অর্থ পরিশোধে বিলম্ব এবং চুক্তিগত বিরোধের কথা জানাচ্ছে। একই সময়ে পাকিস্তানে চিনা কর্মীদের লক্ষ্য করে বারবার সন্ত্রাসবাদী হামলা ঝুঁকির আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ব্যয়বহুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করেছে।
সব মিলিয়ে দেখতে গেলে, এই প্রবণতাগুলি এমন একটি সম্পর্কে অস্বাভাবিক মাত্রার অবিশ্বাস তৈরি করেছে, যা দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত ঐক্যের দ্বারা সংজ্ঞায়িত ছিল। বেজিংয়ের জন্য, বিষয়টি সম্পর্কচ্ছেদ নয়, বরং নির্ভরযোগ্যতা: অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর সঙ্গে তীব্রতর প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় এবং দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার চেষ্টায় চিন যখন এগিয়ে চলেছে, তখন পাকিস্তান একটি অনুমানযোগ্য অংশীদার হিসেবে থাকবে কি না।
ভারতের অবস্থানের উপর এর প্রভাব
চিন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ভারতের চিন নীতিকে আরও সুনির্দিষ্ট করেছে। গত এক বছরে নয়াদিল্লি এবং বেজিং সরাসরি উড়ান চলাচল পুনরায় চালু করে, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে, নির্বাচিত বিনিয়োগ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে এবং কূটনৈতিক আলোচনা বজায় রেখে সীমিত স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে এনেছে। তা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপগুলির পাশাপাশি একটি কঠোর কৌশলগত প্রতিরোধও বিদ্যমান।
ভারতকে কেবল চিনা বাহিনীর বিরুদ্ধেই নয়, পাকিস্তানের দ্বারা ব্যবহৃত চিনা-উৎস ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
বাস্তবে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা এলএসি) বরাবর সামরিক অবস্থান মূলত অপরিবর্তিত রয়েছে। সেনা প্রত্যাহার উত্তেজনা হ্রাস বা সৈন্য প্রত্যাহারে পরিণত হয়নি। ভারত সীমান্ত অবকাঠামো, টহলের তীব্রতা এবং সক্ষমতার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি অগ্রবর্তী অবস্থানগুলি ধরে রেখেছে।
এই পরিবর্তনটি একটি সংশোধিত হুমকি মূল্যায়নের প্রতিফলন। ভারত এখন চিনকে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে একজন পরোক্ষ অংশগ্রহণকারী হিসেবে বিবেচনা করে। পাকিস্তানে চিনের সামরিক সরবরাহ - বিশেষ করে প্ল্যাটফর্ম, সেন্সর এবং গোলাবারুদ – যে কোনও সঙ্কটে আরও প্রসারিত হবে এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। যা এক সময় প্রধানত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন ছিল, তা এখন একটি বাস্তব সামরিক মাত্রা লাভ করেছে এবং এটি পিএলএ-র সরাসরি সম্পৃক্ততার পরিবর্তে বস্তুগত সহায়তা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। সেই অনুযায়ী, ভারতকে কেবল চিনা বাহিনীর বিরুদ্ধেই নয়, পাকিস্তানের দ্বারা ব্যবহৃত চিনা-উৎস ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
এর ফলস্বরূপ এমন একটি কৌশলগত পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে অগ্রাধিকার বিরোধ নিষ্পত্তি থেকে সরে গিয়ে গভীরতর অবিশ্বাসের মধ্যেই বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা বজায় রাখার দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে, যা চিনের সঙ্গে অর্থপূর্ণ আস্থা তৈরির সুযোগকে সীমিত করছে, যদিও উভয় পক্ষই সতর্কতার সঙ্গেই অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা প্রসারিত করছে।
অতুল কুমার অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Atul Kumar is a Fellow in Strategic Studies Programme at ORF. His research focuses on national security issues in Asia, China's expeditionary military capabilities, military ...
Read More +