এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় এবিপি লাইভ-এ।
ভারত একটি পরস্পরবিরোধী অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। এটি এমন একটি দেশ যেখানে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন, সমন্বিত শিশু বিকাশ পরিষেবা (আইসিডিএস), প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনার মতো একাধিক প্রধান পুষ্টি কর্মসূচি চালু আছে, তবুও অপুষ্টি যেন এক জেদি ছায়ার মতো রয়ে গিয়েছে, যেখানে লক্ষ লক্ষ শিশু ও মা ক্ষুধা এবং দুর্বল স্বাস্থ্যের চক্রে আটকা পড়ে আছে। দেশটি অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং এই উদ্যোগগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতির উপর জোর দিয়েছে। যথেষ্ট সদিচ্ছা ও বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও সমস্যাটি হল বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, যা অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা-৫ (এনএফএইচএস-৫, ২০১৯-২০২১) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ভারতে পাঁচ বছরের কমবয়সী শিশুদের মধ্যে প্রায় ৩৫.৫% খর্বাকৃতি (দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি যা বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে), ১৯.৩% কৃশকায় (তীব্র অপুষ্টি যা উচ্চতার তুলনায় কম ওজনের কারণ হয়) এবং ৩২.১% কম ওজনের। যদিও খর্বাকৃতির হার ২০০৫-২০০৬ সালের ৪৮% থেকে কমে ৩৫.৫% হয়েছে, তবুও ভারত বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক দূরে রয়েছে এবং শহরাঞ্চলে খর্বাকৃতির হার এখনও ৩০.১%। পরিষেবা প্রদানের ঘাটতি এই চ্যালেঞ্জকে আরও বাড়িয়ে তোলে। আইসিডিএস যোগ্য শিশুদের ৮০%-এর কাছে পৌঁছলেও, মাত্র ৬২% খাদ্য পরিপূরক পায়; মাতৃস্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে প্রসবপূর্ব ৯৪% থেকে প্রসবোত্তর যত্নের হার ৬১%-এ নেমে আসে। তফসিলি উপজাতিদের মতো দুর্বল গোষ্ঠীগুলি আরও উচ্চ স্তরের অপুষ্টির সম্মুখীন হয়, যেখানে খর্বাকৃতির হার ৪০%-এরও বেশি।
দেশটি অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং এই উদ্যোগগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতির উপর জোর দিয়েছে।
পুষ্টিহীনতা মোকাবিলায় ভারতের প্রচেষ্টা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় জুড়ে বিস্তৃত এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অগ্রাধিকার, বাজেট ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রণালয় পোষণ ট্র্যাকার ব্যবহার করে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এইচএমআইএস-এর উপর নির্ভর করে। অন্য দিকে কৃষিক্ষেত্রে নিজস্ব ব্যবস্থা রয়েছে। এই প্রক্রিয়াগুলি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলি প্রায়শই বিচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করে, যা সম্পদ একত্রিত করা, তথ্য আদান-প্রদান করা এবং সম্পূর্ণ সমন্বিত সমাধান প্রদান করাকে কঠিন করে তোলে। জাতীয় পুষ্টি মিশনের (পোষণ অভিযান) মতো উদ্যোগগুলি বৃহত্তর সমন্বয় সাধনের লক্ষ্য রাখে, কিন্তু এটিকে বাস্তবে রূপায়ণ করা একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। একই সময়ে, দারিদ্র্য, দুর্বল স্যানিটেশন এবং সীমিত খাদ্য বৈচিত্র্যের মতো কারণগুলি অপুষ্টিতে অবদান রাখছে, যা আরও সংযুক্ত এবং সম্প্রদায়-কেন্দ্রিক পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।
পুষ্টির ফলাফল উন্নত করার জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বাইরেও সমন্বিত, বহু-খাতভিত্তিক পদক্ষেপের প্রয়োজন। খাদ্য উৎপাদন বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করে, নিরাপদ জল ও স্যানিটেশন সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, স্বাস্থ্যসেবা অপরিহার্য পরিষেবা প্রদান করে এবং মাতৃকালীন পরামর্শ সর্বোত্তম খাওয়ানোর অভ্যাসকে উৎসাহিত করে। যখন এই ক্ষেত্রগুলি একত্রিত হয়, তখন তারা একে অপরকে শক্তিশালী করে অপুষ্টির চক্র ভাঙতে সাহায্য করে।
ওড়িশার বহু-খাতভিত্তিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা এবং স্বাভিমানের মতো উদ্যোগগুলি এর উদাহরণ, যেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে কৃষি, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা পরিষেবাগুলির সঙ্গে যুক্ত করে পুষ্টির ফলাফল জোরদার করার জন্য একত্রিত করা হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতাগুলি দর্শায় যে, সমন্বয় বাস্তবে কাজ করলেও এটিকে স্থিতিশীল ও সম্প্রসারণযোগ্য করতে হলে স্থানীয় শাসন ও পরিকল্পনার সাথে এটিকে একীভূত করতে হবে। বাজরা প্রচার কর্মসূচি এবং কমিউনিটি কিচেন গার্ডেনের মতো সরকার-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলো স্থানীয় খাদ্য ব্যবস্থাকে জাতীয় পুষ্টি কৌশলের সঙ্গে একীভূত করার মাধ্যমে এই প্রচেষ্টাগুলিকে আরও সমর্থন করে। ওড়িশার ‘টিকি মউসি’ দেখায় যে, কী ভাবে আচরণ পরিবর্তনমূলক যোগাযোগ যখন স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত থাকে, তখন পোষণ অভিযানের মতো বড় কর্মসূচিগুলিকে পরিপূরণ করতে পারে। স্থানীয় ভাষা এবং সহজবোধ্য গল্প বলার মাধ্যমে টিকি মউসি স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং স্যানিটেশন সম্পর্কিত নীতিগুলিকে দৈনন্দিন অভ্যাসে রূপান্তরিত করে, যা নীতি এবং মানুষের মধ্যে একটি সেতু হিসেবে কাজ করে।
এই পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে সমন্বয় মঞ্চগুলি কমিউনিটি নিউট্রিশন হাবে রূপান্তরিত হতে পারে, যা স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য সমন্বিত, গ্রাম স্তরের স্থান হিসেবে কাজ করবে। বিশেষ করে পোষণ ২.০-এর অধীনে সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি উদ্যোগকে সমর্থনকারী মহিলা ও শিশু উন্নয়ন (ডব্লিউসিডি) নির্দেশিকাগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং পরিবারগুলির জন্য এই হাবগুলি যাতে কার্যকর ‘ওয়ান-স্টপ’ মডেল হিসেবে কাজ করে তা নিশ্চিত করতে এমনটা করে। ইতিমধ্যেই কিছু সফল মডেল বিদ্যমান রয়েছে: ‘নন্দ ঘর’ হল আধুনিক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, যা একটি কেন্দ্রে পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নকে একত্রিত করে এবং বৃহৎ পরিসরে সমন্বিত কার্যক্রমের জন্য একটি রূপরেখা প্রদান করে। ভারতের ১৬টি রাজ্যে ৯,০০০ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩.৬ লক্ষ শিশু এবং ২.৭ লক্ষ নারীর কাছে পৌঁছে নন্দ ঘর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নে সমন্বিত পরিষেবাগুলিকে শক্তিশালী করছে, যা লক্ষ লক্ষ নারী ও শিশুকে সরাসরি প্রভাবিত করছে। এগুলি জীবিকা প্রশিক্ষণ এবং উদ্যোক্তা সহায়তার মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নও করে। একটি সম্প্রসারণযোগ্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেল হিসেবে স্বীকৃত নন্দ ঘর পোষণ অভিযান এবং আইসিডিএস-এর মতো সরকারি কর্মসূচিগুলির পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং সামগ্রিক সম্প্রদায় উন্নয়নের জন্য একটি স্থিতিশীল রূপরেখা তৈরি করে।
ভারতের ১৬টি রাজ্যে ৯,০০০ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩.৬ লক্ষ শিশু এবং ২.৭ লক্ষ নারীর কাছে পৌঁছে নন্দ ঘর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নে সমন্বিত পরিষেবাগুলিকে শক্তিশালী করছে, যা লক্ষ লক্ষ নারী ও শিশুকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।
একই ভাবে, ‘হিন্দুস্তান ইউনিলিভারের প্রভাত’ উদ্যোগটি দেখায় যে, কী ভাবে কর্পোরেট-সম্প্রদায় অংশীদারিত্ব পুষ্টি সচেতনতা, নিরাপদ জল এবং জীবিকা নির্বাহের প্রচারকে একত্রিত করে গ্রাম পর্যায়ে স্থিতিস্থাপকতাকে শক্তিশালী করতে পারে। প্রভাত ২১টি রাজ্য জুড়ে ৮০ লক্ষেরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং এটি একটি মডেল হিসেবে কাজ করছে যে কী ভাবে ব্যবসাগুলি সম্মিলিত মূল্য তৈরি করতে পারে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে।
অন্যান্য আশাব্যঞ্জক মডেলও উঠে আসছে। ‘নিউট্রিশন স্মার্ট ভিলেজেস’ উদ্যোগটি কৃষি, মহিলা গোষ্ঠী এবং পুষ্টি শিক্ষাকে সংযুক্ত করে খাদ্যের বৈচিত্র্য এবং পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করে। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ‘খাদ্য, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ওয়াশ’ উদ্যোগটি ২৬৩টি ব্লকে তার পরিধি প্রসারিত করেছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ক্ষমতায়ন করে সমন্বিত পরিষেবা প্রদানের জন্য — যেমন শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে নিরাপদ জলের সরবরাহ পর্যন্ত – এমনটা করা হচ্ছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয় সাধন করে এবং সম্প্রদায়ের বিশ্বাস গড়ে তোলে।
টাটা ট্রাস্টস তাদের ইন্ডিয়া নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ-এর (টিআইএনআই) মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে সম্পদ, প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যা তাদের অপুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধির চ্যালেঞ্জগুলি কার্যকর ভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম করেছে। এই ধরনের উদ্যোগগুলি স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে খাদ্যের বৈচিত্র্য প্রচার করতে, পুষ্টিবর্ধক খাবার পেতে এবং ওয়াশ অনুশীলন উন্নত করতে ক্ষমতায়ন করে, যা পোষণ অভিযানের লক্ষ্যগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সমাধানটি একটি সমন্বিত, সম্প্রদায়-চালিত পদ্ধতির মধ্যে নিহিত: একটি ঐক্যবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি: এক গ্রাম, এক পরিকল্পনা, যা পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রাম পঞ্চায়েত উন্নয়ন পরিকল্পনার (জিপিডিপি) মতো উদ্যোগের মাধ্যমে সমন্বিত গ্রাম উন্নয়ন পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে গঠিত। এই প্রক্রিয়াটি তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু হয় এবং সহযোগিতামূলক, যা গ্রামগুলিকে তাদের অনন্য চাহিদা, সম্পদ এবং আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত করে এমন উপযোগী পরিকল্পনা তৈরি করতে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে ভারতের বৃহত্তর লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৩০ সালের অ্যাজেন্ডা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখে। স্থায়িত্ব হল এর কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে গ্রামের পরিকল্পনাগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা সহায়তার জন্য জলবায়ু-সহনশীল কৃষি এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ই-গ্রামস্বরাজ পোর্টালের মতো সরঞ্জামগুলি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বাড়ায়, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করে। গুজরাটের পুনসারি এবং মহারাষ্ট্রের হিওয়ারে বাজারের মতো মডেল গ্রামগুলোর সাফল্য জীবিকা, পুষ্টি এবং স্থিতিস্থাপকতার উন্নতির জন্য ঐক্যবদ্ধ পরিকল্পনার শক্তি প্রদর্শন করে।
স্থায়িত্ব হল এর কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে গ্রামের পরিকল্পনাগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা সহায়তার জন্য জলবায়ু-সহনশীল কৃষি এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
‘এক গ্রাম, এক পরিকল্পনা’ পুষ্টি ও উন্নয়নের ফলাফলকে ত্বরান্বিত করার জন্য একটি বাস্তবসম্মত এবং সম্প্রসারণযোগ্য নীতিগত পথ নির্দেশ করে। মূল চ্যালেঞ্জটি প্রকল্পের অভাব নয়, বরং সেগুলির খণ্ডিত বাস্তবায়ন। নন্দ ঘরের মতো বিদ্যমান পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে, ই-গ্রামস্বরাজের মতো মঞ্চের মাধ্যমে তথ্য একত্রীকরণকে শক্তিশালী করে এবং স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে, এই মডেলটি বড় কোনও নতুন আর্থিক ব্যয় ছাড়াই সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি গ্রামগুলিকে এমন সমন্বিত কেন্দ্রে রূপান্তরিত করে, যেখানে খাদ্য, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) এবং সামাজিক সুরক্ষা পরিষেবাগুলো সমন্বিতভাবে প্রদান করা হয়। বার্তাটি স্পষ্ট: ‘এক গ্রাম, এক পরিকল্পনা’র ছাতার নীচে খাদ্য, স্বাস্থ্য এবং যত্নকে একত্রিত করা হল মানব পুঁজি, স্থিতিস্থাপকতা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার ভারতের স্বপ্নের জন্য একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।
এই প্রতিবেদনটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় এবিপি লাইভ-এ।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Dr. Shoba Suri is a Senior Fellow with ORFs Health Initiative. Shoba is a nutritionist with experience in community and clinical research. She has worked on nutrition, ...
Read More +