-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
সম্প্রসারিত রেল সংযোগ উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নতুন রূপ দিচ্ছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে নতুন বাণিজ্য করিডোর এবং অর্থনৈতিক সুযোগের দ্বার উন্মোচন করছে।
২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইরাবি-সাইরাং রেললাইন উদ্বোধন করেন, যা একটি প্রকৌশলগত বিস্ময় এবং মিজোরামের রাজধানী আইজলকে ভারতের বাকি রেল শৃঙ্খলের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। দু’দিন পর রেলপথে আইজলের জন্য প্রথম পণ্যবাহী চালানটি সাইরাং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছয়, যা ছিল অসমের স্টার সিমেন্ট সাইডিং থেকে বোঝাই করা ২১টি ওয়াগনের একটি সিমেন্টের রেক (দ্রষ্টব্য চিত্র ১)। পরবর্তী সময়ে পাথর, বালি এবং গাড়ির মতো পণ্য বহনকারী আরও সাতটি রেল রেক এই স্টেশনে খালাস করা হয়েছে।
মিজোরামের জন্য - যা দীর্ঘদিন ধরে অপ্রতুল সংযোগ এবং পরিবহণ পরিকাঠামোর সঙ্গে সংগ্রাম করে আসছে - এটি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
মিজোরামের জন্য - যা দীর্ঘদিন ধরে অপ্রতুল সংযোগ এবং পরিবহণ পরিকাঠামোর সঙ্গে সংগ্রাম করে আসছে - এটি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আইজল পর্যন্ত রেলপথে পণ্যের নিরাপদ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী পরিবহণ কেবল স্থানীয় বাজারে পণ্যের দাম কমাতেই সাহায্য করছে না, বরং সহজলভ্যতা এবং বৈচিত্র্যও বাড়াচ্ছে।
ছবি ১: আইজলের জন্য প্রথম পণ্য চালান

উৎস: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের আর্কাইভস
এ ছাড়াও, রেল সংযোগ মিজোরামের স্থানীয় পণ্যগুলিকে নতুন বাজারে পৌঁছতে সক্ষম করছে। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আইজল থেকে নয়াদিল্লিতে অ্যান্থুরিয়াম ফুলের বাক্স-সহ প্রথম পার্সেল চালানের বরাত দেওয়া হয়েছিল। আশা করা হচ্ছে যে, আগামী মাসগুলিতে এই রেল সংযোগ মিজোরামের কৃষি, উদ্যানপালন এবং বনজ পণ্যের জন্য, বিশেষ করে বাঁশের জন্য, বাণিজ্যের নতুন সুযোগ তৈরি করবে। মিজোরামের ভৌগোলিক এলাকার ৫০ শতাংশেরও বেশি বাঁশ দ্বারা আচ্ছাদিত এবং এর পণ্যের ভারতীয় বাজার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলিতে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
রেল সংযোগ মিজোরামের স্থানীয় পণ্যগুলিকে নতুন বাজারে পৌঁছতে সক্ষম করছে।
যদিও উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তবুও ২০১৪ সাল থেকে, যখন নতুন সরকার দিল্লিতে ক্ষমতায় আসে, তখন থেকেই এই অঞ্চলের পরিবহণ ও লজিস্টিকস পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ ও উন্নয়নের উপর নিবিড় ভাবে মনোযোগ দেওয়া হয়। এই ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সমস্ত রাজ্যে রেল শৃঙ্খলের সম্প্রসারণ। উত্তর-পূর্ব ভারতে গড়ে ওঠা রেল সংযোগ বিপুল বাণিজ্য সুযোগের দ্বার উন্মোচন করেছে, যা পরবর্তীতে আলোচনা করা হয়েছে।
মিজোরামে রেল শৃঙ্খল
বাইরাবি স্টেশন ছাড়িয়ে মিজোরামে রেল সংযোগের সম্প্রসারণ ২০১৪ সালে বাইরাবি-সাইরাং প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যা ২০২৫ সালের অগস্ট মাসে সম্পন্ন হয় (দ্রষ্টব্য মানচিত্র ১)। এই পথে তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা চালু করা হয়েছে – যা আইজলকে গুয়াহাটি, কলকাতা এবং নয়াদিল্লির সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। আইজল থেকে এবং আইজলে পণ্য পরিবহণের দ্রুত ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থা করার জন্য সাইরাং স্টেশনে একটি মালবাহী টার্মিনালও নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে পণ্য লোডিং ও আনলোডিং করা হচ্ছে। কোলাসিব এবং আইজল জেলায় অবস্থিত হোরতোকি, কনপুই এবং মুয়ালখাং-সহ এই পথে আরও কয়েকটি স্টেশনও স্থাপন করা হয়েছে।
মানচিত্র ১: বাইরাবি থেকে সাইরাং পর্যন্ত রেল পথ

উৎস: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল আর্কাইভস
এই পথে ৫৫টি বড় সেতু এবং ৪৫টি সুড়ঙ্গ রয়েছে, যা ভৌগোলিক ভাবে প্রতিবন্ধকতাময় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে অনায়াসে পথ তৈরি করেছে, যেখানে সড়কপথে পরিবহণ প্রায়শই কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ। এটি পণ্য পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় সময় কমিয়ে দেবে এবং ক্ষতি ও চুরির ঝুঁকিও হ্রাস করবে, যার ফলে মিজোরামের পণ্য বৃহত্তর বাজারে পৌঁছতে পারবে।
এই পথে ৫৫টি বড় সেতু এবং ৪৫টি সুড়ঙ্গ রয়েছে, যা ভৌগোলিক ভাবে প্রতিবন্ধকতাময় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে অনায়াসে পথ তৈরি করেছে, যেখানে সড়কপথে পরিবহণ প্রায়শই কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ।
এ ছাড়াও, প্রস্তাবিত ২২৩ কিলোমিটার সাইরাং – হ্বিছুয়াহ প্রকল্পের মাধ্যমে মিজোরামের দক্ষিণতম সীমান্ত পর্যন্ত রেল সংযোগের আরও সম্প্রসারণের জন্য একটি সমীক্ষা চলছে। এর মাধ্যমে সিটওয়ে বন্দরের মাধ্যমে মায়ানমার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাকি দেশগুলির সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য সম্ভব হবে।
মণিপুরের রেল শৃঙ্খল
মণিপুরে ১১০ কিলোমিটার জিরিবাম–ইম্ফল নতুন রেললাইনের কাজ চলছে, যা মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলকে জাতীয় রেল শৃঙ্খলের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এর অর্ধেকেরও বেশি অংশের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে ট্রেনগুলি তামেনলং জেলার খোংসাং স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করছে। মণিপুরে সাম্প্রতিক সহিংসতার সময় এই রেললাইনটি একটি জীবনরেখা হিসেবে কাজ করেছে এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহণে সহায়তা করেছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে খোংসাং-এ আসা প্রথম পণ্যবাহী ট্রেনটিকে তৎকালীন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী নিজেই গ্রহণ করেছিলেন, যা রাজ্যের জন্য রেল সংযোগের অপরিসীম গুরুত্বকে তুলে ধরেছে। বছরের পর বছর ধরে সড়ক অবরোধ এবং ভূমিধসের কারণে রাজ্যটিকে প্রায়শই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
ছবি ২: নির্মাণাধীন ইম্ফল স্টেশন ভবন

উৎস: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের আর্কাইভ
প্রকল্পের বাকি অংশ অর্থাৎ খোংসাং থেকে ননি এবং ননি থেকে ইম্ফল পর্যন্ত অংশটি ২০২৮ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি সম্পন্ন হলে মণিপুরের শিল্প ও বাণিজ্যের জন্য একটি বড় সহায়ক হবে (দ্রষ্টব্য ছবি ২)। ইম্ফল থেকে মোরে পর্যন্ত একটি নতুন রেললাইনের জন্য সমীক্ষাও অনুমোদিত হয়েছে, যা রেল সংযোগকে মায়ানমার সীমান্ত পর্যন্ত প্রসারিত করবে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
সিকিমের রেল শৃঙ্খল
যদিও সিকিম ১৯৭৫ সালে ভারতের ২২তম রাজ্য হয়েছিল, তবুও এটি এখনও রেল শৃঙ্খলের সঙ্গে সংযুক্ত হয়নি। ৪৫ কিলোমিটার সেভক – রংপো নতুন লাইন প্রকল্পের কারণে এই অবস্থার দ্রুতই পরিবর্তন হতে চলেছে, যা পশ্চিমবঙ্গের সেবক স্টেশন থেকে শুরু হয়ে সিকিমের পাকিয়ং জেলার রংপো পর্যন্ত বিস্তৃত। এই প্রকল্পের কাজ - যার ৮৬ শতাংশই সুড়ঙ্গ এবং সেতু নিয়ে গঠিত - দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে এবং ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়াও, রংপো থেকে গ্যাংটক পর্যন্ত লাইনটি আরও সম্প্রসারণের জন্য সমীক্ষার কাজ ইতিমধ্যেই চলছে।
অসম ও ত্রিপুরার রেল শৃঙ্খল
অসম ও ত্রিপুরা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এমন দু’টি রাজ্য, যেখানে ইতিমধ্যেই একটি বিস্তৃত রেল শৃঙ্খল গড়ে উঠেছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ত্রিপুরায় রেল শৃঙ্খল দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম পর্যন্ত অর্থাৎ বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। অসমে প্রধান লাইন শৃঙ্খলের দ্বৈতকরণ ইতিমধ্যেই লামডিং পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী বছরগুলিতে এটি দ্রুতই ফুরকাটিং এবং তার পর ডিব্রুগড় পর্যন্ত প্রসারিত হবে। তবে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা এখনও বিদ্যমান, যা সমাধান করা হচ্ছে, যাতে রেল শৃঙ্খল আরও বেশি মালবাহী ট্রেনকে দ্রুত গতিতে পরিবহণ করতে পারে। বিদ্যমান সরাইঘাট সেতুর কাছে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর একটি নতুন রেল-সহ সড়ক সেতু নির্মাণাধীন রয়েছে। অসমের লঙ্কা থেকে মৈনারবন্দ পর্যন্ত একটি নতুন লাইনের জন্য জরিপের কাজও চলছে, যা লামডিং-বদরপুর পাহাড়ি লাইনের লজিস্টিক সীমাবদ্ধতাগুলি সমাধান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ত্রিপুরার নিশ্চিন্তপুর রেলওয়ে স্টেশনের ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনের (এলসিএস) মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেল সংযোগের জন্য অবকাঠামোগত কাজও সম্পন্ন হয়েছে। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এটি বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। আশা করা যায় যে, আগামী বছরগুলিতে এটি কেবল বাংলাদেশের সঙ্গেই নয়, চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গেও বাণিজ্যের জন্য একটি বড় সহায়ক হবে।
বাণিজ্য সহজীকরণের প্রয়োজনীয়তা
পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদগুলিতে বর্ণিত রেল সংযোগ প্রকল্পগুলি পরিধির দিক থেকে বিশাল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিবেশকে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনা রাখে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলে বাণিজ্যে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত শৃঙ্খল তারা সরবরাহ করবে। তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য উপযুক্ত বাণিজ্য সহজীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আনুষঙ্গিক পরিষেবাগুলির প্রসারের প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদগুলিতে বর্ণিত রেল সংযোগ প্রকল্পগুলি পরিধির দিক থেকে বিশাল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিবেশকে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনা রাখে।
এই প্রসঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন হল কৃষকদের সহজলভ্যতা, তা সে কৃষক-উৎপাদক সংগঠন (এফপিও), স্বনির্ভর গোষ্ঠী (এসএইচজি) বা বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারীই হোক না কেন, যারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে পারে এবং স্বতন্ত্র উৎপাদকদের কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে পারে। বিপণন আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। যদিও দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে উত্তর-পূর্বের পণ্যগুলির চাহিদা রয়েছে, তবুও রেল-ভিত্তিক স্থিতিশীল পরিবহণের জন্য একটি সুসংহত চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে।
ঋণ আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ত্রিপুরার রাবার শিট উৎপাদনের মতো কিছু খাত ঋণ-নির্ভর হতে পারে এবং রেলের ওয়াগন ও পার্সেল ভ্যানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহণের জন্য যথেষ্ট কার্যকরী মূলধনের প্রয়োজন হয়। মাল্টি-মোডাল লজিস্টিক পার্কের মতো অবকাঠামোগত পরিষেবাগুলিও বাণিজ্য প্রসারে এবং বাজারগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য রেল শৃঙ্খলকে কাজে লাগাতে অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। এই ক্ষেত্রগুলিতে বিনিয়োগ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুণক প্রভাব ফেলতে পারে।
উপসংহার
উত্তর-পূর্ব ভারতের রেল শৃঙ্খল দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে রেল অবকাঠামোতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন প্রত্যাশিত, যা এই অঞ্চলে বর্ধিত বাণিজ্য ও ব্যবসার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করবে। তবে শুধুমাত্র অবকাঠামোই সবটা করতে পারে না। বাণিজ্য সহজীকরণ এবং আনুষঙ্গিক পরিষেবা, যার মধ্যে ঋণদানকারী সংস্থা, কৃষক, মাল্টি-মোডাল লজিস্টিক হাব, রফতানি সংস্থা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত, সেগুলির জন্য জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। এই দিকগুলিতেই কর্পোরেট খাত এবং বহুপাক্ষিক সংস্থা-সহ বিভিন্ন অংশীদাররা সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, যাতে উত্তর-পূর্ব ভারত তার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে।
কপিঞ্জল কিশোর শর্মা ভারত সরকারের ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ট্রাফিক সার্ভিসের (আইআরটিএস) আধিকারিক এবং বর্তমানে নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের (এনএফআর) চিফ পাবলিক রিলেশনস অফিসার (সিপিআরও) হিসেবে কর্মরত।
নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখক(দের) ব্যক্তিগত।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Kapinjal Kishore Sharma is an Indian Railway Traffic Service (IRTS) officer of the Government of India, currently serving as the Chief Public Relations Officer (CPRO) ...
Read More +