নৌ-মাইন, গানবোট টহল এবং পরিকল্পিত অস্পষ্টতার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে ইরান যেভাবে বেছে বেছে অবরোধ কার্যকর করেছে, তা ইচ্ছাকৃত ভূ-রাজনৈতিক জবরদস্তির মুখে নিয়ম-ভিত্তিক সামুদ্রিক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে তুলে ধরে।
হরমুজ প্রণালী বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের চলতি সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, যা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। এর জবাবে তেহরানের প্রণালীটি আংশিকভাবে বন্ধ করার কৌশলগত সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল, সংঘাতে জড়িত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা। এই পদক্ষেপ সামুদ্রিক নিরাপত্তার এমন কয়েকটি দিককে সামনে এনেছে যা যুদ্ধের গতিপথকে ক্রমাগত প্রভাবিত করছে। প্রণালীটি আংশিকভাবে বন্ধ করার এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, ইরান কার্যকরভাবে এই সামুদ্রিক করিডোর দিয়ে বেশিরভাগ জাহাজের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে; শুধুমাত্র হাতে গোনা কয়েকটি দেশের জাহাজ এর ব্যতিক্রম, যেগুলিকে তেহরান মিত্র দেশ বলে মনে করে।
এই বাছাই করা অবরোধ কার্যকর করার ক্ষেত্রে তেহরানের নৌ-মাইন ব্যবহারই হল মূল বিন্দু। ইরানের এইভাবে মাইন স্থাপন ওই প্রণালীতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করার একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে এর দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মাইনগুলি খুঁজে বার করে অপসারণের জন্য অভিযান শুরু করেছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই প্রচেষ্টাগুলি একাধিক বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এই ঘটনাটি আধুনিক যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে মাইনের গুরুত্বকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সমুদ্রে ঘটে চলা ঘটনাবলি সামুদ্রিক করিডোর ও সংকীর্ণ জলপথগুলিতে প্রবেশাধিকার এবং সেগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও জরুরি প্রশ্ন তুলেছে। এই ঘটনাপ্রবাহ শুধু পণ্য, সামগ্রী ও সম্পদের সরবরাহ শৃঙ্খলকেই ব্যাহত করেনি, বরং সমুদ্রে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে এমন একটি নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থার মূল বার্তা ও লক্ষ্যকেও একতরফা জবরদস্তিমূলক কৌশলের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সমুদ্রে ঘটে চলা ঘটনাবলি সামুদ্রিক করিডোর ও সংকীর্ণ জলপথগুলিতে প্রবেশাধিকার এবং সেগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও জরুরি প্রশ্ন তুলেছে।
হরমুজ প্রণালী তেল ও জ্বালানির জন্য একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ, এবং সেখানে বেছে বেছে যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এক বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যাকে বিশ্বের বৃহত্তম তেল সরবরাহ বিঘ্ন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইরানের এই পদক্ষেপের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সকল দেশের জন্য প্রণালীটি পুনরায় খুলে দিতে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। প্রথমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, তেহরানের উপর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলিতে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির জন্য প্রণালীটি বন্ধ করে দেবে। এরপর ওয়াশিংটন মাইন পাতা হয়েছে এমন জলপথ দিয়ে যান চলাচলে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য একটি নৌ-অভিযান শুরু করে, কিন্তু তেহরানের সঙ্গে কূটনীতিকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার জন্য অভিযানটি স্থগিত করে। সংঘাতের অবসানের জন্য আলোচনা করতে উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা পাকিস্তানে একাধিকবার বৈঠক করেছেন, কিন্তু এখনও কোনও চুক্তিতে পৌঁছতে পারেননি। এইসব ঘটনার মাঝেও, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের উপর ইরানের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে — এই একতরফা যাতায়াত বন্ধের সিদ্ধান্ত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে বেশ কিছু জরুরি প্রশ্ন উত্থাপন করে।
ইরান কীভাবে হরমুজ প্রণালীর উপর জবরদস্তিমূলক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল? প্রণালীটি বন্ধ করার জন্য তেহরানের কৌশলে বেশ কয়েকটি পদ্ধতির সমন্বয় রয়েছে। নৌ-মোতায়েন এবং টহলের পাশাপাশি প্রণালী দিয়ে জাহাজের চলাচল ন্যূনতম রাখতে, এবং শুধুমাত্র ইরানের বাছাই করা অনুমোদিত জাহাজগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে, গানবোট থেকে গোলাবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। এই অবরোধ বজায় রাখার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইরানের নৌ-মাইন ব্যবহার, যা জাহাজের চলাচলকে বাধা দিতে এবং বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কৌশলগতভাবে এই সংকীর্ণ সামুদ্রিক করিডোর জুড়ে স্থাপন করা যেতে পারে।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংঘাতে নৌ-মাইন ব্যবহারের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, যা প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তবে, যেহেতু সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আদর্শগতভাবে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রে একটি নিয়ম-ভিত্তিক শৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকেছে, তাই নৌ-মাইনের ব্যবহার—যা সাধারণত মহাসাগর জুড়ে অবাধ চলাচল সীমিত করার জন্য স্থাপন করা হয়—সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনায় একটি বিতর্কিত বিষয় হিসেবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে একটি শক্তিশালী নৌ-কৌশল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সুতরাং, ইরানের নৌ-মাইন ব্যবহারের খবরটিকে শুধুমাত্র প্রণালী দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করার একটি সরল প্রচেষ্টা হিসেবে না দেখে তার চেয়েও বেশি কিছু হিসেবে দেখা উচিত; এটি পূর্ব-প্রতিরোধ (ডেটারেন্স) ব্যবস্থা অর্জনের উপায় হিসেবে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতার আবহ তৈরি করার তেহরানের বৃহত্তর কৌশলেরই প্রতিফলন।
সুতরাং, ইরানের নৌ-মাইন ব্যবহারের খবরটিকে শুধুমাত্র প্রণালী দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করার একটি সরল প্রচেষ্টা হিসেবে না দেখে তার চেয়েও বেশি কিছু হিসেবে দেখা উচিত; এটি পূর্ব-প্রতিরোধ (ডেটারেন্স) ব্যবস্থা অর্জনের উপায় হিসেবে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতার আবহ তৈরি করার তেহরানের বৃহত্তর কৌশলেরই প্রতিফলন।
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ-মাইনের হুমকি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা চিন্তাভাবনায় একটি দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। ১৯৮০-র দশকের ট্যাঙ্কার যুদ্ধের সময়, ইরান ও ইরাক উভয়ই একে অপরকে প্রতিহত করার জন্য পারস্য উপসাগরে মাইন পেতে রেখেছিল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রহরা অভিযান পরিচালনা করতে প্ররোচিত করেছিল। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়, ইরাক মার্কিন নৌ-অভিযান প্রতিহত করার জন্য আবারও পারস্য উপসাগরে মাইন পেতে রাখে, যার ফলে আটটি দেশকে নিয়ে একত্রে একটি দীর্ঘস্থায়ী মাইন অপসারণ অভিযানের প্রয়োজন হয়। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, ইরান ঠিক কতগুলি মাইন পেতেছে তা যেমন অজানা, তেমনই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে তেহরানের এই দাবির কারণে যে, তারা তাদের পেতে রাখা সমস্ত মাইন খুঁজে বের করতে পারছে না এবং সেগুলি অপসারণ করার ক্ষমতাও তাদের নেই। এই ধরনের অস্পষ্টতা জলপথ দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলির জন্য ঝুঁকির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং নৌচলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর চাপিয়ে দেয়।
চিত্র ১. নৌ-মাইন: প্রকারভেদ এবং সক্রিয় হওয়ার পদ্ধতি
সূত্র: লেখকের চিত্র, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি। নৌ-মাইন বিষয়ক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি ইনফোগ্রাফিক থেকে ধারণাগত তথ্যসূত্র নেওয়া হয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে, মাইন মার্কিন নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হিসেবে পরিচিত, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অন্য যে কোনও অস্ত্রের চেয়ে বেশি জাহাজের ক্ষতি করেছে। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন সাম্প্রতিক ইতিহাসে তার অন্যতম গুরুতর অভিযানগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, কারণ হরমুজ প্রণালীতে যে কোনও মাইন অপসারণ অভিযান উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি বহন করে। ইরান তার বাছাইকৃত অবরোধ কার্যকর করতে, এবং মাইন অপসারণের যে কোনও সমন্বিত প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করতে, এই জলপথ বরাবর বিভিন্ন বহুমুখী সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে। সক্রিয় কোনও হুমকি না থাকলে মাইন অপসারণ অভিযান সম্পন্ন হতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে; এখানে যেহেতু একটি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছনোর আগেই ইরান এই ধরনের যে কোনও অভিযানের পাল্টা জবাব দিতে পারে, তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি কম-ঝুঁকিপূর্ণ অপসারণ অভিযান কার্যত অসম্ভব। ধারণা করা হয়, তেহরানের কাছে সমুদ্রতলস্থ নোঙর করা লিম্পেট ও ভাসমান মাইনের মিশ্রণ রয়েছে, যার মধ্যে চৌম্বকীয় এবং শব্দ-সংবেদী সেন্সরযুক্ত সংস্করণও আছে, যা কোনও জাহাজ সীমার মধ্যে এলে বিস্ফোরণ ঘটায়। চিত্র ১-এ দেখানো হয়েছে এই মাইনগুলির কয়েকটি কীভাবে স্থাপন করা হয়। এই চ্যালেঞ্জকে আরও বাড়িয়ে তোলে ইরানের অস্ত্রাগারে থাকা কিছু নির্দিষ্ট মাইন—যেমন মাহাম ৭—যেগুলি বিশেষভাবে সোনার শনাক্তকরণ এড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহ্যগতভাবে বিশেষায়িত মাইন অপসারণকারী নৌ-যানের ওপর নির্ভর করে এসেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সেই নৌ-বহরকে মূলত অবসরে পাঠিয়েছে এবং তাদের বর্তমান মাইন অপসারণ কার্যপ্রণালীতে পরিবর্তন আনছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহ্যগতভাবে বিশেষায়িত মাইন অপসারণকারী নৌ-যানের উপর নির্ভর করে এসেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সেই নৌ-বহরকে মূলত অবসরে পাঠিয়েছে, এবং তাদের বর্তমান মাইন অপসারণ কার্যপ্রণালীতে পরিবর্তন আনছে। এই অভিযানের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান সম্পদ হল তাদের ইন্ডিপেন্ডেন্স-শ্রেণির লিটোরাল কমব্যাট শিপ (এলসিএস), যেগুলোতে এএন/একিউএস-২০ মাইন-হান্টিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডও মাইন অপসারণ অভিযানে সহায়তা করার জন্য এই অঞ্চলে দুটি ডেস্ট্রয়ার মোতায়েনের কথা জানিয়েছে। তবে, এর সাথে জড়িত পরিচালনগত ঝুঁকির কারণে এই প্রচেষ্টাগুলি সীমিত ফল দিয়েছে। কূটনৈতিক অচলাবস্থা যদি চলতে থাকে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত এই ধরনের ঘন মাইনপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে এই ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানটি চালানোর জন্য চালকবিহীন ব্যবস্থা মোতায়েন করবে। বিকল্পভাবে, প্রণালীটি পরিষ্কার করার কাজে সহায়তার জন্য ওয়াশিংটন বিশেষায়িত মাইন অপসারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ন্যাটো মিত্রদের দিকে তাকাতে পারে।
তেহরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ঘোষিত লক্ষ্য নিয়ে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর দুই মাসেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। আজকের পরিস্থিতিকে এক প্রকার অচলাবস্থা হিসেবেই বর্ণনা করা যায়: হরমুজ প্রণালীতে ইরানের একটি বাছাইকৃত বাধা, ইরানের তেল রপ্তানি সীমিত করার জন্য ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা অবরোধ, এবং ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় একটি দিকনির্দেশনাহীন কূটনৈতিক টানাপড়েন। এই পুরোটা সময় জুড়ে, ইরান তার কৌশলগত লক্ষ্য পূরণের জন্য এই সংকীর্ণ পথটিকে সফলভাবে অস্ত্রে পরিণত করেছে — নৌচলাচলের ঝুঁকি বাড়াতে নৌ-মাইন স্থাপন করেছে এবং ফলস্বরূপ, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের জন্য নৌ-চলাচলে সরাসরি বাধা দেওয়ার চেয়ে এমন একটি বিশ্বাসযোগ্য মাইনক্ষেত্র বজায় রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যা বাণিজ্যিক চলাচলকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। নিয়ম-ভিত্তিক সামুদ্রিক ব্যবস্থার জন্য গভীরতর বিপদটি হল, কাগজে-কলমে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকলেও, বাস্তবে তা সমুদ্রের গভীরে ইচ্ছাকৃত অস্পষ্টতার কাছে পণবন্দি হয়ে থাকবে।
সায়ন্তন হালদার অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
তূণীর মুখার্জি অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের অনাবাসী অ্যাসোসিয়েট ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Sayantan Haldar is an Associate Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. At ORF, Sayantan’s work is focused on Maritime Studies. He is interested in questions on ...
Read More +
Tuneer Mukherjee is a Non-Resident Associate Fellow with ORF’s Strategic Studies Programme. His research focuses on maritime security, with a particular emphasis on naval warfare ...
Read More +