-
CENTRES
Progammes & Centres
Location
হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে গ্রহের উপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব পড়ে, এবং ওকজোকুল থেকে ইয়ালা পর্যন্ত এই হিমবাহের অন্ত্যেষ্টি জরুরি জলবায়ু পরিবর্তনের দাবি করে।
বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে গ্রিনহাউস গ্যাস (জিএইচজি) নির্গমন বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশ্বের হিমবাহের ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলে মনে হচ্ছে। সুইজারল্যান্ডের ব্লাটেনে বার্চ হিমবাহের সাম্প্রতিক ধস এবং নেপালে ইয়ালা হিমবাহের আনুষ্ঠানিক অন্ত্যেষ্টি পরিবর্তিত জলবায়ু ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শোকগাথা প্রতিধ্বনিত করে। গত দুই দশক ধরে হিমবাহের ভর হ্রাসের বিশ্লেষণ থেকে জানা যায় যে, নির্গমন হ্রাস নির্বিশেষে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতীকী ক্ষতির চেয়েও বেশি, হিমবাহের পশ্চাদপসরণ — যা প্রায়শই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রহরী হিসাবে বিবেচিত হয় — বিশাল পরিবেশগত বিপর্যয়, জল সংকট এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশের ধ্বসের ইঙ্গিত দেয়।
হিমবাহ এবং জলবায়ু পরিবর্তন
হিমবাহগুলি বিশ্বের প্রায় ৬৯ শতাংশ স্বাদু জল সঞ্চয় করে এবং পাহাড়ি বাস্তুতন্ত্র, জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্যের কেন্দ্রগুলিকে টিকিয়ে রাখে। শুধুমাত্র হিমালয়ের মধ্যেই আনুমানিক ১৫,০০০ হিমবাহ রয়েছে যার গলিত জল সিন্ধু, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেকং, সালউইন, ইরাবতী, ইয়াংজি এবং হলুদ নদীর মতো প্রধান নদীগুলিকে জল সরবরাহ করে। এটি ভাটির দিকে প্রায় ১.৩ থেকে ১.৫ বিলিয়ন মানুষের স্বাদু জলের চাহিদা পূরণ করে। অ্যান্টার্কটিকা এবং গ্রিনল্যান্ডের মতো বৃহৎ বরফের চাদর সমুদ্র স্রোত নিয়ন্ত্রণ করে এবং অ্যালবেডো প্রভাবের (সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে) মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলকে ঠান্ডা করে বৈশ্বিক জলবায়ু ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রার সাথে সাথে এই বরফের মজুতগুলি গলে যাচ্ছে, যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে সমুদ্র সঞ্চালনের ধরনও ব্যাহত হতে পারে (উদাহরণস্বরূপ, আটলান্টিক মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সঞ্চালনের ধীরগতি), যা হিমবাহ অঞ্চলের বাইরেও আবহাওয়া ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় শহরগুলি প্লাবিত হওয়া এবং পাহাড়ে হিমবাহের হ্রদ বিস্ফোরণ বন্যা (গ্লফ), যা জনসম্প্রদায়কে বিপন্ন করে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে।
জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল (আইপিসিসি) অনুসারে, ১৯০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ২০ সেমি বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৯৭১ সাল থেকে ১০ সেমি বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর ৪ মিমি বেড়েছে। হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে সমুদ্র সঞ্চালনের ধরনও ব্যাহত হতে পারে (উদাহরণস্বরূপ, আটলান্টিক মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সঞ্চালনের ধীরগতি), যা হিমবাহ অঞ্চলের বাইরেও আবহাওয়া ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় শহরগুলি প্লাবিত হওয়া এবং পাহাড়ে হিমবাহের হ্রদ বিস্ফোরণ বন্যা (গ্লফ), যা জনসম্প্রদায়কে বিপন্ন করে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে। এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে প্রাকৃতিক জলবায়ু সংরক্ষণাগারের ধ্বংস, কারণ হিমবাহের জমাট বাঁধা স্তরগুলি গ্রহের পরিবর্তিত তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলীয় গঠনের ক্রমবর্ধমান প্রমাণ প্রদান করে।
এই প্রেক্ষাপটে, তাৎক্ষণিক সংকট ব্যবস্থাপনার বাইরে আমরা কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত পরিকল্পনা, জল শাসন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, খাদ্য নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা এবং হিমবাহ-প্রতিষ্ঠিত বাস্তুতন্ত্রে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতার দিকে এগিয়ে যেতে পারি তা নিয়ে চিন্তা করা অপরিহার্য।
গ্রহের জলবায়ু জরুরি অবস্থার দিকে
স্লোভেনিয়া ও ভেনেজুয়েলা প্রথম দুটি দেশ হিসাবে একটি ভয়াবহ মানদণ্ড উপস্থাপন করে যারা তাদের সমস্ত হিমবাহ সম্পূর্ণরূপে হারিয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি দেশ দ্রুত ধারাবাহিকভাবে একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। অস্ট্রিয়ার বৃহত্তম হিমবাহ — পাস্তেরজ হিমবাহ — ১৮৫১ সাল থেকে তার আয়তনের অর্ধেকেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে, এবং ভূমি পরিমাপে দেখা গিয়েছে যে ১৯৮৪ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে হিমবাহের জিহ্বা ২৯০ মিটার কমে গেছে। ভারতীয় হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ — পবিত্র গঙ্গা নদীর জীবনরেখা — ১৮১৭ সাল থেকে ৩ কিলোমিটারেরও বেশি পিছিয়ে গেছে, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য জলসম্পদগত ঝুঁকি তৈরি করেছে। কিলিমাঞ্জারো পর্বতের চূড়ার কাছে অবস্থিত ফার্টওয়াংলার হিমবাহ মহাদেশের অবশিষ্ট কয়েকটি নিরক্ষীয় হিমবাহের মধ্যে একটি, যা ২০৩০ সালের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বলিভিয়ার চাকালটায়া হিমবাহ, যা ১৮,০০০ বছরের পুরনো বরফের স্তর ছিল, সম্পূর্ণরূপে গলে গিয়েছে, এবং আগামী দশকগুলিতে আন্দিজ পর্বতমালার অবশিষ্ট হিমবাহগুলির অদৃশ্য হওয়ার সতর্ক-সংকেত দিচ্ছে।
স্লোভেনিয়া ও ভেনেজুয়েলা প্রথম দুটি দেশ হিসাবে একটি ভয়াবহ মানদণ্ড উপস্থাপন করে যারা তাদের সমস্ত হিমবাহ সম্পূর্ণরূপে হারিয়েছে।
২০২২ সালে ইতালীয় ডলোমাইটের মারমোলাডা হিমবাহটি, যার কিছুটা অংশ গলিত জলে ভরা ছিল, ধসে পড়েছিল মধ্যবর্তী ফাটল ধরে ধসের ফলে। এর তাপমাত্রা ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল, যার ফলে তুষারধস ঘটে এবং ১১ জন পর্বতারোহীর মৃত্যু হয়। সাম্প্রতিকতম ধসটি ঘটে ২০২৫ সালে সুইস আল্পসের বার্চ হিমবাহে, যখন ৯ মিলিয়ন ঘনমিটার পাথর ও বরফ আছড়ে পড়ে উপত্যকায়, যা মানচিত্র থেকে ব্লাটেন গ্রামকে মুছে ফেলে। হিন্দুকুশ হিমালয় মূল্যায়ন প্রতিবেদনে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, উচ্চাভিলাষী বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শতাব্দীর শেষ নাগাদ হিমালয়ের এক-তৃতীয়াংশ হিমবাহ অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। এই হিমবাহের ক্ষতি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী এবং রাজনৈতিক, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন এবং উষ্ণায়নের তাপমাত্রার কারণে অপরিবর্তনীয় পরিবর্তনের একটি বিশ্বব্যাপী ধরনের প্রতিনিধিত্ব করে।
হিমবাহ সুরক্ষা আগের চেয়েও বেশি জরুরি এবং যদিও কিছু দেশ হিমবাহ সংরক্ষণ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে, যার মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ডে হিমবাহের চাদর তৈরি এবং চিনের তিব্বত মালভূমিতে বনায়ন প্রকল্প, এই প্রচেষ্টাগুলি এখনও খণ্ডিত এবং সীমিত। ২০১০ সালে আর্জেন্টিনা বিশ্বের প্রথম জাতীয় হিমবাহ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে এবং ২০২০ সালে ফরাসি সরকার মঁ ব্লাঁর জন্য একটি প্রাকৃতিক আবাসস্থল সুরক্ষা অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে। এমন আইনি পদক্ষেপগুলি সঠিক দিকের পদক্ষেপ। তার উপরে, রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ) এই জরুরি প্রয়োজনকে স্বীকৃতি দিয়ে ২০২৫ সালকে হিমবাহ সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক বছর হিসেবে ঘোষণা করেছে। যদিও এই প্রচেষ্টাগুলি একত্রে একটি মোড় চিহ্নিত করে, অপরিবর্তনীয় হিমবাহের ক্ষতি এবং এর ক্রমিক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য বর্তমান বৃদ্ধির মডেল, সম্পদ আহরণ এবং জলবায়ু শাসনের উপর গভীর দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন।
হিমবাহ সুরক্ষা আগের চেয়েও বেশি জরুরি এবং যদিও কিছু দেশ হিমবাহ সংরক্ষণ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে, যার মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ডে হিমবাহের চাদর তৈরি এবং চিনের তিব্বত মালভূমিতে বনায়ন প্রকল্প, এই প্রচেষ্টাগুলি এখনও খণ্ডিত এবং সীমিত।
হিমবাহের অন্ত্যেষ্টি এবং জলবায়ু পদক্ষেপের আহ্বান
হিমবাহের ক্ষয় অনেক আদিবাসী এবং পাহাড়ি জনসম্প্রদায়ের জন্য পৃথিবীর ধ্বংসের প্রতিনিধিত্ব করে, যাদের কাছে হিমবাহ শুধু ভৌত ভূমিরূপ নয়, বরং তাদের মহাবিশ্ব তত্ত্বের মধ্যে নিহিত। জলবায়ু পরিবর্তনের মূলধারার বস্তুবাদী কাঠামোর সঙ্গে হিমবাহকে পবিত্র সত্তা, রক্ষক, পূর্বপুরুষ ও দেবতা হিসেবে দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে বৈপরীত্যপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, কিলিমাঞ্জারো পর্বতের পাদদেশে বসবাসকারী আফ্রিকান চাগা উপজাতির জন্য, পাহাড়ের বরফের টুপি তাদের পার্থিব রাজ্য এবং ঐশ্বরিক সত্তার মধ্যে একটি সেতু। পেরুর আন্দিজের স্থানীয় কেচুয়া ভবিষ্যদ্বাণী মাউন্ট আউসানগেট থেকে তুষার অদৃশ্য হওয়াকে প্রলয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করে। নেপালের হিমালয়ে শেরপা সম্প্রদায় হিমবাহ গলে যাওয়াকে নৈতিক অপরাধের জন্য তিরস্কার হিসেবে দেখে। এই ধরনের পরিসরগুলিকে হারানো সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক আঘাতের কারণ হয়, যার জন্য শোকের প্রকাশ এখন সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রতিরোধের একটি রূপ হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে।
উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের মে মাসে, নেপাল ইয়ালা হিমবাহের জন্য একটি বরফের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করে, যা ১৯৭০ সালের পর থেকে ৬৬ শতাংশ সঙ্কুচিত হয়ে পড়েছিল। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ভিক্ষু, সরকারি কর্মকর্তা, জলবায়ু বিজ্ঞানী এবং স্থানীয় জনসম্প্রদায় উপস্থিত ছিলেন। ওকজোকুল হিমবাহ (আইসল্যান্ড), আয়োলোকো হিমবাহ (মেক্সিকো), ক্লার্ক হিমবাহ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং বাসোডিনো হিমবাহ Basòdino Glacier (সুইজারল্যান্ড)-এর পরে ইয়ালা হিমবাহ হল বিশ্বের পঞ্চম হিমবাহ যেখানে হিমবাহের অন্ত্যেষ্টি করা হয়েছে। তবে, প্রশ্নটি রয়ে গিয়েছে: এই ধরনের শোক অনুষ্ঠান কি জলবায়ু পরিবর্তনের সূচনা করার পরিসর হয়ে উঠতে পারে, যা সেই কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে যা এই ধরনের ক্ষতি অনিবার্য করে তুলেছে?
ওকজোকুল হিমবাহ (আইসল্যান্ড), আয়োলোকো হিমবাহ (মেক্সিকো), ক্লার্ক হিমবাহ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং বাসোডিনো হিমবাহ (সুইজারল্যান্ড)-এর পরে ইয়ালা হিমবাহ হল বিশ্বের পঞ্চম হিমবাহ যেখানে হিমবাহের অন্ত্যেষ্টি করা হয়েছে। তবে, প্রশ্নটি রয়ে গিয়েছে: এই ধরনের শোক অনুষ্ঠান কি জলবায়ু পরিবর্তনের সূচনা করার পরিসর হয়ে উঠতে পারে, যা সেই কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করে যা এই ধরনের ক্ষতি অনিবার্য করে তুলেছে?
দেরিদাকে অনুসরণ করে এই যুক্তি দেওয়া যেতে পারে যে, এগুলো শুধু জলবায়ু প্রতিরোধের কর্মকাণ্ড যা স্মৃতি জাগিয়ে তোলে, রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার মুখোমুখি হয়, এবং অপূরণীয় ক্ষতির জন্য উত্তর দাবি করে। আবেগগত প্রতিক্রিয়া হিসেবে শোক স্বভাবতই কর্মকাণ্ডমূলক, এবং জলবায়ু শোকের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে, হিমবাহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কেবল প্রতীকী কাজকর্মের চেয়েও বেশি কিছু বলে মনে হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ওকজোকুল হিমবাহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার গণমাধ্যম কভারেজ জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব, আবেগগত এবং অন্তর্নিহিত মাত্রা চিত্রিত করার জন্য একটি বিশ্বব্যাপী প্রতীক হয়ে উঠেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমূলক ভূমিকা পালন করেছে, আন্তর্জাতিক অনুরণন অর্জন করেছে, এবং বিশ্বব্যাপী জলবায়ু কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক সমাজের আন্দোলনের জন্য একটি অনুঘটক হয়ে উঠেছে।
উপসংহার
অ্যানথ্রোপোসিন যুগে হিমবাহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সমষ্টিগত স্বীকৃতির এমন একটি বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে যা শোককে প্রতিরোধের এক রূপে রূপান্তরিত করে, এবং আধিপত্যবাদী শক্তি ব্যবস্থার স্বরূপ ও কার্বন পুঁজিবাদ যা গোপন করতে চায় তা প্রকাশ করে। তারা আমাদেরকে নিষ্কাশনমূলক বৃদ্ধির দৃষ্টান্ত এবং অন্য কারণগুলিকে স্বীকার করতে এবং মোকাবিলা করতে বাধ্য করে, যা কিনা এই ধরনের ক্ষতিকে অনিবার্য করে তুলেছে। তবে, এই ক্ষতি মোকাবিলার জন্য খণ্ডিত প্রতিক্রিয়া থেকে সরে আসা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস সম্পর্কিত জাতীয় নীতিতে ও আন্তর্জাতিক সংলাপে হিমবাহের পশ্চাদপসরণ এবং এর ক্রমিক প্রভাবগুলিকে সংযুক্ত করতে হবে, পরিকল্পনা অংশীদার হিসাবে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণমূলক সম্পৃক্ততা-সহ। সমানভাবে অপরিহার্য হল ট্রান্সডিসিপ্লিনারি ক্রায়োস্ফিয়ার গবেষণা, যা গবেষণার ফলাফলগুলিকে কার্যকর পরিকল্পনা এবং নীতিগত ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করে। হিমবাহগুলিকে গ্রহের সকলের সম্পদ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং তাদের সুরক্ষার জন্য নৈতিক তত্ত্বাবধানকে উৎসাহিত করতে হবে।
সোমা সরকার অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নগর অধ্যয়ন প্রোগ্রামের সহযোগী ফেলো।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Soma Sarkar is an Associate Fellow with ORF’s Urban Studies Programme. Her research interests span the intersections of environment and development, urban studies, water governance, Water, ...
Read More +