ভারতের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনগুলি বিকেন্দ্রীভূত শাসনের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে, গণতন্ত্রকে আরও গভীর করে তুলেছে, এবং তৃণমূল স্তরে জনসম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন করেছে
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার একটি বৈশিষ্ট্য। ভারতে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থাগুলি তৃণমূল স্তরে স্থানীয় অংশীদারদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ৭৩ এবং ৭৪তম সংবিধান সংশোধনীগুলি গত তিন দশক ধরে এই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনকে সহজতর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আইনি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। ১৯৯৩ সালে পাস হওয়া এই সংশোধনীগুলি গ্রামীণ ও নগর স্থানীয় সরকার গঠনকে বাধ্যতামূলক করে এবং তাদের তহবিল সরবরাহের জন্য একটি কাঠামোগত ব্যবস্থাও প্রতিষ্ঠা করে। এগুলি তিন-স্তরের শাসনব্যবস্থা নির্ধারণ করে - গ্রামীণ পর্যায়ে গ্রাম, ব্লক এবং জেলা আর শহরাঞ্চলে শহর পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং কর্পোরেশন। এগুলির প্রতিটি পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য নির্ধারিত ছিল (বিলুপ্তির ক্ষেত্রে ছয় মাসের মধ্যে একটি নতুন সংস্থা নির্বাচিত হওয়ার সাপেক্ষে)। গ্রামীণ ও নগর স্থানীয় সংস্থাগুলির এই প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ দেশজুড়ে তাদের কাঠামো এবং কার্যকারিতায় একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আপেক্ষিক অভিন্নতা নিশ্চিত করেছে।
ভারতে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থাগুলিগুলি তৃণমূল স্তরে স্থানীয় অংশীদারদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি নিশ্চিত করেছে যে এই স্থানীয় শাসন কাঠামোগুলি অন্তর্ভুক্তিমূলক। এটি সংরক্ষণের মাধ্যমে এসসি/এসটি-দের প্রতিনিধিত্ব প্রদান করে এবং এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করে । এছাড়াও, ভারতীয় সংবিধানের ১১তম তফসিলে স্থানীয় সংস্থাগুলিতে হস্তান্তরিত হতে পারে এমন ২৯টি বিষয়ের সুনির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। ১৯৯৬ সালের পেসা বা পঞ্চায়েত (তফসিলি অঞ্চলে সম্প্রসারণ) আইন আদিবাসী (ট্রাইবাল) সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নের জন্য সংবিধানের পঞ্চম তফসিলের অধীনে তালিকাভুক্ত অঞ্চলগুলিতে স্থানীয় স্ব-শাসনের নিয়মাবলি নিয়ে আসে। দুই লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ পঞ্চায়েত সংস্থা এবং প্রায় ৪,০০০ নগর পৌর সংস্থা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ নির্বাচিত প্রতিনিধিকে স্থানীয় শাসনে অংশগ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ৩.১ মিলিয়ন নির্বাচিত প্রতিনিধির মধ্যে ১.৩ মিলিয়ন মহিলা। সাংবিধানিক সংশোধনীগুলি শুধু তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতায়নকে সহজতর করেনি, বরং জনজীবনে অংশগ্রহণ এবং শাসনব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে মহিলাদের উৎসাহিত করেছে, যা নিবিড় অনুসন্ধানের দাবি রাখে।
তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতায়িত প্রতিষ্ঠান
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত আইন, তৃণমূল পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যগুলিকে পঞ্চায়েত এবং পৌরসভাগুলিকে "স্ব-শাসনের প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার জন্য সক্ষম করার" ক্ষমতা প্রদান করতে বাধ্য করে। স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার করে তৃণমূল পর্যায়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও স্থিতিশীল উন্নয়নকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে গ্রামসভাগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপরন্তু, ২০০৩ সালে ১৯৭৩ সালের পঞ্চায়েত আইনের একটি সংশোধনী পাস করে গ্রাম উন্নয়ন সমিতি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা গ্রাম সংসদের একটি সংবিধিবদ্ধ গ্রাম-স্তরের স্থায়ী কমিটি (পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর)। গ্রাম উন্নয়ন সমিতি কল্যাণ সুবিধা বাস্তবায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ন্যায়সঙ্গত বণ্টনে তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। বিস্তৃতভাবে, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের সাফল্যকে সংজ্ঞায়িত করে এমন চারটি মূল উপাদান হল দক্ষ কল্যাণ বিতরণ, শাসনের জন্য একটি নিচ-থেকে-উপরের পদ্ধতি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং উদ্ভাবনী শাসন উদ্যোগ।
দক্ষ কল্যাণ বিতরণ
ভারতে স্থানীয় সরকারগুলির কার্যকারিতা পর্যালোচনা করলে তাদের ইতিবাচক উন্নয়নমূলক প্রভাব নজরে আসে। এগুলি বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে উৎসাহিত করে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের পরিবেশিত এলাকার জন্য স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করা; এবং নগর ও গ্রামীণ স্তরে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, আবাসন সহ বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা। গ্রামের রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং রাস্তা, পুকুর ও কূপ নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামত সহ তাদের প্রশাসনিক কার্যক্রমও গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা নাগরিকদের অভিযোগের সমাধান এবং পৃথক আদালত বা ন্যায় পঞ্চায়েত বা গ্রাম পঞ্চায়েত (গ্রাম পরিষদ) দ্বারা সম্পাদিত ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারের জন্য তাদের বিচার-সংক্রান্ত কার্যাবলির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রদান করে।
নিচ-থেকে-উপরের পদ্ধতি
স্থানীয় সরকারের এই নিচ-থেকে-উপরের পদ্ধতি কোভিড-১৯ অতিমারির মতো অপ্রত্যাশিত সংকট প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যে সময়ে প্রশাসনের উপর থেকে নিচের দিকের মডেলগুলি অপ্রতুল প্রমাণিত হয়েছিল। এটি শুধু স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব নিশ্চিত করেনি, বরং ঝুঁকি হ্রাস করতেও সহায়তা করেছে এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছে। স্থানীয় সরকারগুলি নিয়ন্ত্রক এবং কল্যাণমূলক উভয় কাজই করেছে। লকডাউনের সময়, তারা কন্টেনমেন্ট জোন স্থাপন করেছে, পরিবহণের ব্যবস্থা করেছে, লোকদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার জন্য ভবন চিহ্নিত করেছে এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেছে। তারা কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রগুলিতে কঠোর নজরদারি রাখতে এবং পরিবারগুলিতে রোগের লক্ষণগুলি পর্যবেক্ষণ করার জন্য গ্রামের প্রবীণ, যুবক এবং স্ব-সহায়ক গোষ্ঠী (এসএইচজি) নিয়ে জনসম্প্রদায়-ভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থাও সংগঠিত করেছে। অধিকন্তু, এমজিএনরেগা (মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন) ২০০৫-এর মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তাদের টেকসই প্রচেষ্টা সংকটের সময় দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করেছে। অতিমারি বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রামসভাগুলির ভূমিকা এবং আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মতো ফ্রন্টলাইন কর্মীদের সঙ্গে কমিটির মাধ্যমে নিয়মিত সম্পৃক্ততা কার্যকর জনসেবা প্রদান নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনসাধারণের আরও অর্থবহ অংশগ্রহণ সক্ষম করে গণতন্ত্রের শিকড়কে গভীরতর করেনি, বরং নাগরিকদের প্রান্তিক অংশের প্রতিনিধিত্বের একটি মঞ্চও প্রসারিত করেছে।
মহিলা ক্ষমতায়ন
গণতন্ত্রের চেতনার প্রতি বিশ্বস্ত থেকে স্থানীয় সরকারগুলি তৃণমূল থেকে প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়ন করেছে, এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জড়িত হওয়া, কথা বলা এবং অংশগ্রহণের জন্য তাদের পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব প্রদান করেছে। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থাগুলি মহিলাদের জন্য বেশ কয়েকটি কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করে। উদাহরণস্বরূপ, কেরালার কুদুম্বশ্রী একটি ব্যাপক, নারী-কেন্দ্রিক, অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচি যার লক্ষ্য দারিদ্র্য দূরীকরণ। এটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। সংরক্ষণের বিধানের কারণে নারীরা তৃণমূল স্তরের শাসন প্রতিষ্ঠানগুলিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তারা নির্বাচিতদের প্রায় ৩৭ শতাংশ এবং এমনকি কয়েকটি রাজ্যে ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। নারী নেত্রীদের কার্যকর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের এমন অসংখ্য গল্প রয়েছে যার ফলে স্থানীয় প্রশাসনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি পরিকাঠামো এবং পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি আনা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার পরিকাঠামো শক্তিশালী করা এবং স্কুলে মেয়েদের উচ্চতর ভর্তি নিশ্চিত করে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক রূপান্তর তৈরি করা, এবং দেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে লিঙ্গ অনুপাত উন্নত করা।
উদ্ভাবনী শাসন উদ্যোগ
স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসনের বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী মডেল রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিহারের আইনখান ভীমনিচক গ্রাম কাচ্চেরি (গ্রাম আদালত) স্থানীয় বিরোধের বিস্তৃত সমাধানের জন্য সময়োপযোগী ন্যায়বিচার প্রদান করেছে, এবং গত কয়েক বছরে ১০০ টিরও বেশি মামলা সমাধানের কৃতিত্ব পেয়েছে। মজার বিষয় হল, মদের অবৈধ বিক্রয় বা গার্হস্থ্য বিরোধের মতো বিষয়গুলি নিয়ে গ্রামে মহিলারা আরও বেশি অভিযোগ দায়ের করেন, কারণ তাঁরা বিশ্বাস করেন যে এই ব্যবস্থা ন্যায়বিচারের কার্যকর পথ প্রদান করে। আরেকটি আকর্ষণীয় উদাহরণ হল কর্ণাটকের দুটি গ্রামের গ্রাম পঞ্চায়েত, যারা কার্যকর রাস্তার আলো, আরও দক্ষ গণবণ্টন ব্যবস্থা (পিডিএস), আরও শৌচাগার এবং নাগরিকদের জন্য উন্নত জনসেবা প্রদানের জন্য মাসিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা সহ অন্যান্য বিষয়ের জন্য একটি উদ্ভাবনী কাঠামো গ্রহণ করেছে, যা রাজ্যের অন্যান্য গ্রাম পরিষদ অনুকরণ করার পরিকল্পনা করছে। সাধারণ সম্পদের অবহেলা ও অবক্ষয় রোধ করার জন্য মধ্যপ্রদেশের মন্ডলা জেলার বারখেড়া উপজাতি গ্রামের অধিবাসীরা উল্লেখযোগ্য স্ব-শাসন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে গ্রাম পরিষদের সহায়তায় গ্রামবাসীরা জনসম্প্রদায়ের সুবিধার্থে সাধারণ জমির আরও দায়িত্বশীল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
গণতান্ত্রিক, স্বায়ত্তশাসিত, আর্থিকভাবে সুস্থ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি নিচ থেকে উপরে পর্যন্ত পদ্ধতির মাধ্যমে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেয়।
বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনসাধারণের আরও অর্থবহ অংশগ্রহণ সক্ষম করে গণতন্ত্রের শিকড়কে গভীরতর করেনি, বরং নাগরিকদের প্রান্তিক অংশের প্রতিনিধিত্বের একটি মঞ্চও প্রসারিত করেছে। এর কার্যকর প্রশাসন এবং কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং কল্যাণ এনেছে। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থাগুলি চলতি চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হয়, যার কার্যকর প্রশমনের জন্য লক্ষ্যযুক্ত সমাধান প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ থেকে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা, বৃহত্তর বাস্তব নারী অংশগ্রহণের বাধা অপসারণ, বিকেন্দ্রীভূত পরিকল্পনার উপর জোর দেওয়া এবং পেসা আইনের সীমাবদ্ধতাগুলি মোকাবিলা করা। গণতান্ত্রিক, স্বায়ত্তশাসিত, আর্থিকভাবে সুস্থ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি নিচ থেকে উপরে পর্যন্ত পদ্ধতির মাধ্যমে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থার চেতনায় জনগণের প্রতি সংবেদনশীল স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করে। অতএব, বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থার জন্য একটি ক্ষমতায়িত স্থানীয় শাসনব্যবস্থা অপরিহার্য।
অম্বর কুমার ঘোষ অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সহযোগী ফেলো।
আজিন ওয়াকার অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষণা ইন্টার্ন।
The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.
Ambar Kumar Ghosh is an Associate Fellow under the Political Reforms and Governance Initiative at ORF Kolkata. His primary areas of research interest include studying ...
Read More +
Aazeen Waquar is a Research Intern at the Observer Research Foundation. ...
Read More +