Author : Ayjaz Wani

Expert Speak Raisina Debates
Published on Mar 30, 2026 Updated 0 Hours ago

ওটিএসের মাধ্যমে তুরস্কের প্রচেষ্টা ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধনের উদ্যোগ আরও স্পষ্ট করে তোলে। তবে এর সম্প্রসারিত বাণিজ্য, জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত উপস্থিতি এখনও সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।

মধ্য এশিয়ায় তুর্কিয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের সীমাবদ্ধতা

তুর্কি রাষ্ট্রসমূহের সংগঠনের (অর্গানাইজেশন অফ তুর্কিক স্টেট বা ওটিএস) ১২তম শীর্ষ সম্মেলন ৬-৭ অক্টোবর আজারবাইজানের গাবালায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার উপর আলোকপাত করা হয়। ওটিএস-এর সদর দফতর ইস্তাম্বুলে অবস্থিত। এর সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে তুর্কি, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং আজারবাইজান রয়েছে এবং হাঙ্গেরি, তুর্কমেনিস্তান এবং উত্তর সাইপ্রাস তুর্কি প্রজাতন্ত্র (শুধুমাত্র তুর্কি দ্বারা স্বীকৃত) পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে।

ওটিএস-এর শিকড় উনিশ এবং বিশ শতাব্দীর প্যান-তুর্কিজম রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত, যা তাদের অভিন্ন জাতিগত, সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত ঐতিহ্যের উপর ভিত্তি করে তুর্কি জনগণের সংহতি বৃদ্ধির চেষ্টা করেছিল। আঙ্কারা এখন মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ ককেশাসের উপর তার ভূ-কৌশলগত প্রভাব বৃদ্ধির জন্য ওটিএস-এর ব্যবহার করছে, যার ফলে এই অঞ্চলটি তুরস্কের পররাষ্ট্র নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে তুর্কি সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে সচেতন ভাবে এই অঞ্চল জুড়ে অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা এবং সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে। তবুও চিন, রাশিয়া, ইরান এবং পশ্চিমা বিশ্বের জটিল ভূ-রাজনৈতিক গতিশীলতার মধ্যে আঙ্কারার ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করার বিষয়ে মধ্য এশিয়া আরও সতর্ক রয়েছে।

তুরস্কের কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর তুর্কি ওটিএস-এর মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল, কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছিল এবং ককেশাস ও মধ্য এশিয়ায় তার প্রভাব বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলি স্বাক্ষর করেছিল। মধ্য এশিয়ায় তুর্কির কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলি বহুপাক্ষিক এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ ও অর্থনৈতিক একীকরণ বৃদ্ধির উপর জোর দেয়। যোগাযোগ উন্নত করার জন্য মিডল করিডোর - যা ট্রান্স-ক্যাস্পিয়ান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুট (টিআইটিআর) নামেও পরিচিত - আজারবাইজান, জর্জিয়া এবং তুর্কিয়ে-সহ মধ্য এশীয় দেশগুলির মাধ্যমে চিনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই দ্রুততম, নিরাপদ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরের কাজ ২০১৩ সালে শুরু হয়েছিল। ২০১৭ সালের মধ্যে জর্জিয়ার মাধ্যমে তুর্কিয়ে ও আজারবাইজানকে সংযুক্তকারী বাকু-তিবিলিসি-কারস রেলওয়ের আধুনিকীকরণ হয় এবং তা চালু করা হয়েছিল। ক্যাস্পিয়ান সাগরে বাকু বন্দর এবং আকতাউ বন্দরের উন্নয়নের পাশাপাশি ট্রান্স-কাজাখস্তান রেলপথের মাধ্যমে উন্নত যোগাযোগ আসলে তুর্কিয়ে এবং মধ্য এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য জোরদার করেছে এবং আঙ্কারার সঙ্গে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক একীকরণকে বাড়িয়েছে। তুর্কিয়ে ২০২৪ সালে বাকু-তিবিলিসি-কারস লাইনের আধুনিকীকরণের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যেখানে মধ্য করিডোরের ধারণক্ষমতা প্রায় ৫.৮ মিলিয়ন টন থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছিল এবং এটি বাকু বন্দরের ধারণক্ষমতাও বৃদ্ধি করেছিল।

করিডোরটি রুশ ও ইরানি বাধা অতিক্রম করবে, এই অঞ্চলে তুর্কি প্রভাব বৃদ্ধি করবে এবং তুর্কিয়েকে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও শক্তির জন্য একটি ট্রানজিট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।

সম্প্রতি আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তুর্কিয়ের মিডল করিডোর উদ্যোগটি আরও উৎসাহিত হয়েছে। সম্প্রতি চালু হওয়া ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি (টিআরআইপিপি বা ট্রিপ) থেকেও এটি উপকৃত হবে, যা অজান্তেই দক্ষিণ ককেশাসের ভূ-রাজনীতিকে নতুন রূপ দেবে। ট্রিপ করিডোর - যা জাঙ্গেজুর করিডোর নামেও পরিচিত - তুর্কিয়ে সীমান্তবর্তী আজারবাইজানি ছিটমহল নাখচিভানকে দক্ষিণ আর্মেনিয়ার মধ্য দিয়ে সংযুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। তবে এর উন্নয়ন বাকু এবং ইয়েরেভানের মধ্যে শান্তি চুক্তির অগ্রগতির উপর নির্ভরশীল। করিডোরটি রুশ ও ইরানি বাধা অতিক্রম করবে, এই অঞ্চলে তুর্কি প্রভাব বৃদ্ধি করবে এবং তুর্কিয়েকে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও শক্তির জন্য একটি ট্রানজিট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।

ট্রিপ করিডোরের আনুমানিক ব্যয় আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে। এর ফলে প্রায় ২০-৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লজিস্টিক সাশ্রয় হতে পারে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রিপ করিডোরের মাধ্যমে সৃষ্ট সুযোগগুলি দ্রুত কাজে লাগাচ্ছে তুরস্ক। অগস্ট মাসে তুরস্কের কার্স কেন্দ্র থেকে আজারবাইজানের নাখচিভান এক্সক্লেভ পর্যন্ত একটি রেল লাইন নির্মাণ শুরু হয়।

ট্রান্স-আনাতোলিয়ান প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন (টিএএনএপি), দক্ষিণ ককেশাস পাইপলাইন এবং ট্রান্স-অ্যাড্রিয়াটিক পাইপলাইন (টিএপি) তৈরি করে তুরস্ক তার শক্তির উৎসগুলিকে বৈচিত্র্যময় করার জন্যও কাজ করছে। এই উদ্যোগগুলির লক্ষ্য ক্যাস্পিয়ান সাগর এবং তুর্কমেনিস্তান থেকে ইউরোপে গ্যাস পরিবহণ করা, যার ফলে ইরান এবং রাশিয়ার উপর নির্ভরতা হ্রাস করা সম্ভব হবে। এই অবকাঠামো প্রকল্পগুলি তুরস্কের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব এবং নতুন সরবরাহ শৃঙ্খলে এর ভূমিকা বিবেচনা করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় আঙ্কারার দর কষাকষির অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।

বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

২০১৬ সালে কাজাখস্তানের সঙ্গে এবং ২০২৪ সালে উজবেকিস্তানের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) মাধ্যমে তুরস্ক এই অঞ্চলে তার পণ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে, যা তাদের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে। ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ওটিএস সদস্য দেশগুলিতে মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ৩৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে আমদানির পরিমাণ ছিল ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে কাজাখস্তানের সঙ্গে তুরস্কের বাণিজ্য ৬.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং উজবেকিস্তানের সঙ্গে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আঙ্কারা চিনকে ছাড়িয়ে তুর্কমেনিস্তানের শীর্ষ রফতানিকারক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

২০১৬ সালে কাজাখস্তানের সঙ্গে এবং ২০২৪ সালে উজবেকিস্তানের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) মাধ্যমে তুরস্ক এই অঞ্চলে তার পণ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে, যা তাদের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে।

২০২০ সালের কারাবাখ যুদ্ধ এবং ২০২৩ সালের নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘাতের সময় তুরস্ক আজারবাইজানকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং ড্রোন সরবরাহ করার পর মধ্য এশিয়ায় ওটিএস দেশগুলির মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালে কাজাখস্তান এবং আঙ্কারা যৌথ মানবহীন বিমান (ইউএভি) উৎপাদন এবং মহাকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে সহমত পোষণ করে। তুর্কমেনিস্তান এবং কিরঘিজস্তানও তাদের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে শুরু করে। ২০২৪ সালে উজবেকিস্তান ও তুরস্ক প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে উজবেক কর্তৃপক্ষ তুর্কি ইউএভি অর্জনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করে। তবে ন্যাটো সদস্যপদ এবং কিরগিজস্তান ও কাজাখস্তানের মতো কিছু মধ্য এশীয় দেশ রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সিএসটিও-র সদস্য হওয়ায় তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়। মধ্য এশিয়ার দেশগুলিও প্রতিরক্ষা ক্রয়ের জন্য মূলত রাশিয়ার উপর এবং কিছুটা হলেও চিনের উপর নির্ভরশীল।

মধ্য এশিয়ার সতর্কতা

তুর্কিয়ে লাতিন-ভিত্তিক তুর্কি বর্ণমালার মতো সাংস্কৃতিক উপাদানগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কূটনৈতিক শক্তি ব্যবহার করেছিল। তারা তাদের সাংস্কৃতিক প্রভাব পুনরুদ্ধারের জন্য এই অঞ্চলে মসজিদ নির্মাণ করেছে। ফলস্বরূপ, ওটিএস উচ্চ পদাধিকারী আধিকারিকদের পরিদর্শন, ধর্মীয় নির্দেশনা, শিক্ষামূলক উদ্যোগ এবং তুর্কিয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য মধ্য এশীয় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের প্রাথমিক মঞ্চ হয়ে উঠেছে। তবে রাশিয়া, চিন, ইরান এবং অন্যান্য শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশের প্রভাবের কারণে মধ্য এশীয় দেশগুলি আঙ্কারার কিছু দাবির প্রতি সংযম প্রদর্শন করে। তারা উত্তর সাইপ্রাসের জন্য বৃহত্তর স্বীকৃতি অর্জনের জন্য তুর্কিয়ের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেয় না বা সমর্থন করে না, যার ফলে এই অঞ্চলে, বিশেষ করে ব্রাসেলস থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

ওটিএস উচ্চ পদাধিকারী আধিকারিকদের পরিদর্শন, ধর্মীয় নির্দেশনা, শিক্ষামূলক উদ্যোগ এবং তুর্কিয়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য মধ্য এশীয় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের প্রাথমিক মঞ্চ হয়ে উঠেছে।

একই ভাবে, ইরান ট্রিপ করিডোর নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই ধরনের যে কোনও পরিকল্পনার বিরোধিতা করবে। রাশিয়াও আঙ্কারা এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অসন্তুষ্ট এবং ক্রমবর্ধমান সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলিকে সন্দেহের চোখে দেখে। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমা শক্তিগুলি তুর্কিয়েকে সমর্থন করে, বিশেষ করে ট্রিপ করিডোরের ক্ষেত্রে, তবুও মধ্য এশিয়া একটি বহুমুখী বৈদেশিক নীতির লক্ষ্য বজায় রেখে চলে। ওটিএস বিশ্বব্যাপী এই টালমাটাল ভূ-রাজনৈতিক সময়ে তুর্কির দেশগুলিকে একটি অভিন্ন সাধারণ মঞ্চ প্রদান করে চলেছে।

উপসংহার

ওটিএস এবং মিডল করিডোর ও ট্রিপ-এর মতো প্রকল্পগুলির মাধ্যমে তুর্কিয়ের দৃঢ় প্রসার ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে একটি সেতু হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে। তবুও আঙ্কারার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য, জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা পদচিহ্ন স্পষ্ট সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন। এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ, ইরানের আঞ্চলিক সংবেদনশীলতার সঙ্গে মিলিত হয়ে রাশিয়া ও চিনের উপর মধ্য এশিয়ার গভীর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা নির্ভরতা তুর্কিয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষুণ্ণ করে। পরিশেষে বলা যায়, মধ্য এশিয়ায় তুর্কিয়ের প্রভাব অভিন্ন সাধারণ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উপর তেমন নির্ভর করবে না, বরং এই অঞ্চলের টালমাটাল ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্যকে ব্যাহত না করে সংযোগ, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প প্রদানের ক্ষমতার উপর বেশি নির্ভর করবে।

 


আয়জাজ ওয়ানি অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ প্রোগ্রামের ফেলো।

The views expressed above belong to the author(s). ORF research and analyses now available on Telegram! Click here to access our curated content — blogs, longforms and interviews.

Author

Ayjaz Wani

Ayjaz Wani

Ayjaz Wani (Phd) is a Fellow in the Strategic Studies Programme at ORF. Based out of Mumbai, he tracks China’s relations with Central Asia, Pakistan and ...

Read More +